The Creator’s Films – এর ঈদের বিশেষ নাটক “এভাবেও ভালোবাসা হয়”

‘ঘরের খাও, বনের মোষ তাড়াও’ কোন একটি নাটকের নাম বা বাগধারা নয়। এটি The Creator’s Films – এর নাট্য নির্মাণের একটি ভিন্ন ধর্মী প্রোজেক্ট।

সম্প্রতি শুটিং হয়ে গেল The Creator’s Films – এর প্রোজেক্ট ‘ঘরের খাও, বনের মোষ তাড়াও’ এর ঈদের বিশেষ নাটক “এভাবেও ভালোবাসা হয়” এর।

নাহিদ হাসান এর গল্প, চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় “এভাবেও ভালোবাসা হয়” নাটকে অভিনয় করেছেন শাকিল আহাম্মেদ, পলি ফাতেমা, নূর আহসান জাবের, শারমিন সারা সহ আরো অনেকে।13493668_148980212188228_617782455_o

পৃথাদের বাসার পাঁচ তলায়  নতুন ভাড়া আসে তুর্য। তুর্য আসার পর থেকেই ঘটতে থাকে নানা ঘটনা। এদিকে পৃথার বান্ধবি লিসা ভালোবাসে প্রান্তকে। লিসাকে সাহায্য করতে গিয়ে পৃথার সামনে চলে আসে কিছু অপ্রত্যাশিত বিষয়। যার জন্য প্রস্তুত ছিল না সে। এভাবেই এগিয়ে যায় গল্প।

নাটকটি নির্মাণ প্রসঙ্গে নাহিদ হাসান বলেন, দর্শকদের বিনোদনের কথা মাথায় রেখেই নির্মিত হচ্ছে নাটকটি। আশা করি নাটকটি সবার খুব ভাল লাগবে।13523736_149103882175861_1308280800_o

বিগ বসের শুটিংয়ে মুম্বাই যাচ্ছেন ফারিয়া

উপস্থাপনা থেকে চলচ্চিত্রে এসে বেশ নাম কামিয়েছেন নুসরাত ফারিয়া। সিনেমায় অভিনয়ের কারণে বাংলাদেশের পাশাপাশি কলকাতায়ও তাঁর সুনাম ছড়িয়েছে। বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের আলোচিত এই অভিনেত্রী এবার ভারতের কালারস বাংলা টিভির জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘বিগ বস’-এ অংশ নিচ্ছেন। বিগ বস অনুষ্ঠানের শুটিংয়ে অংশ নিতে ১ জুলাই মুম্বাইয়ের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ছেন তিনি।

‘বিগ বস’ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার বিষয়ে নুসরাত ফারিয়া বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ ভারতের টিভি চ্যানেলে প্রচার হওয়া যে কয়টি অনুষ্ঠান উপভোগ করে থাকে, তার মধ্যে “বিগ বস” একটি। বাংলাদেশে এই অনুষ্ঠানের অনেক দর্শক আছে। মূলত “বাদশা” ছবির প্রচারণা করতেই এ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে যাচ্ছি। এটি আমার জন্য স্পেশাল। কারণ, এই অনুষ্ঠানে আমি আমার হিরো জিতের পাশাপাশি পরিচালক বাবা যাদবের সঙ্গে কয়েকটি গানে পারফর্ম করব। আশা করছি, দারুণ কিছু হবে।’
‘বিগ বস সিজন টু’ অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা করবেন জিৎ। শুটিং শেষে ফারিয়া ঢাকায় ফিরবেন ঈদের দিন সকালে। এদিকে ফারিয়া এখন শুটিং করছেন জাকির হোসেন রাজুর নতুন ছবি ‘প্রেমী ও প্রেমী’র। এই ছবিতে তিনি অভিনয় করছেন আরিফিন শুভর বিপরীতে।

বিয়ের আগেই ছেলের বাবা হলেন তুষার কাপুর

বিয়ের আগেই ছেলের বাবা হলেন বলিউড অভিনেতা তুষার কাপুর। আধুনিক মেডিকেল টেকনোলোজির মাধ্যমে কোনো নারীর সংস্পর্শ ছাড়াই আইভিএম পদ্ধতিতে বাবা হয়েছেন তিনি।

ছেলের নাম রেখেছেন লক্ষ্য। বিয়ে ছাড়াই দেহবহির্ভূত গর্ভাদান পদ্ধতির(আইভিএফ) মাধ্যমে প্রথম সন্তান লাভ করায় তাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে গোটা বলিউড।

মুম্বাইয়ের জসলক হাসপাতাল থেকে আসা খবরটি তুষার কাপুর নিজেই সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

বাবা হওয়ার খবরে রোমাঞ্চিত তুষার কাপুর বলেন, আমি বাবা হয়ে বেশ রোমাঞ্চিত। পিতৃত্বের নানা গুণাবলি এখন আমার হৃদয় এবং মন নিয়ন্ত্রণ করছে। লক্ষ্যকে পেয়ে কতটা খুশি হয়েছি তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। সে এখন আমার আনন্দের সবচেয়ে বড় উৎস। সৃষ্টিকর্তার মহানুভবতায় এবং জাসলোক হাসপাতালের ডাক্তারদের মাধ্যমে পিতৃত্বের স্বাদ পাওয়া সম্ভব হয়েছে।

এদিকে তুষার কাপুর বাবা হওয়াতে আনন্দ প্রকাশ করেছেন তার বাবা-মা।

জাসলোক হাসপাতালের আইভিএম এবং জেনেটিক বিভাগের পরিচালক ডা. ফিরুজা পারিখ বলেন, এই পদ্ধতিতে বাবা হয়ে তুষার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন।

বাবা হওয়ার সঠিক বয়স

মেয়েদের ক্ষেত্রে মা হওয়ার সঠিক বয়স নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রধান বিচার্য বিষয় হয় শরীর। কিন্তু পুরুষের ক্ষেত্রে শুধু শরীর নয়, তার সঙ্গে আরও অনেক কিছু। এটা ঠিক যে, পুরুষের ওপরই শুধু সংসার চালানোর দায়িত্ব এমন ধারণা এখন পুরনো। তবুও, বড় দায়িত্বটা থেকে যায় ছেলেদেরই। তাই ছেলেদের সংসার শুরু করার, বাবা হওয়ার জন্য অনেক প্রস্তুতি নিতে হয়। আর শারীরিক প্রস্তুতির থেকে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ও মানসিক প্রস্তুতি।

২৫ বছর বয়স হলেই অনেক ছেলে ‘বিয়ে-বিয়ে’ করতে শুরু করলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে সেটা বাস্তবায়িত হয় ৩০-এর পর। ইদানীং বহু ছেলেই ৩৫ পার করে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন। কারণ, চাকরি বা ব্যাবসা শুরু করে প্রতিষ্ঠিত হওয়া, বাড়ি-ঘর বানানো, বিভিন্ন পারিবারিক দায়িত্ব সামলাতে সামলাতে ৩৫ বছর বয়স হয়ে যায়। অনেকের ক্ষেত্রে আরও সময় লাগে। এর পরে বিয়ে, তার পরে সন্তান।

এটা ঠিক যে শারীরিকভাবে নারীর তুলনায় পুরুষ বেশিদিন সক্ষম থাকে। তা ছাড়া সন্তানের জন্ম দেওয়ার ক্ষেত্রে পুরুষের ভূমিকাও অনেক কম। তবে বয়স ৪০ টপকালেই বিভিন্ন অসুখ শরীরে বাসা বাঁধতে থাকে। আর তাতে অনেক সময়েই স্পার্ম কাউন্ট কমে। এর ফলে সন্তানের জন্মদান সমস্যার হয়ে দাঁড়ায়। তাই চিকিৎসকরা বলছেন, ৪০ বছর পার করার আগেই বাবা হওয়া উচিত। বেশি বয়সে সন্তান হলে শিশুর শারীরিক সমস্যার সম্ভাবনাও থাকে।

বেশি বয়সে পিতৃত্ব আরও বড় সমস্যা তৈরি করে সন্তান প্রতিপালনের ক্ষেত্রে। সাধারণভাবে একজন মানুষের আয় বেশি থাকে ৩৫ থেকে ৫০ বছর পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে সন্তানকে বড় করে তোলা আর্থিক দিক থেকে সহজ। তা ছাড়া, বেশি বয়সে সন্তান মানে ছেলেমেয়ের সঙ্গে বয়সের ফারাকটাও বেড়ে যাওয়া। আর সেই ফারাক মানসিক দূরত্ব তৈরি করে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাবা হওয়ার ক্ষেত্রে একটা হিসেব মাথায় রাখা উচিত যাতে ৫৪ বছর বয়সের মধ্যে প্রথম সন্তান গ্র্যাজুয়েশন কমপ্লিট করতে পারে। সেই হিসেবে ৩৩ বছর বয়সটাই বাবা হওয়ার জন্য উপযুক্ত সময়। তবে শেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত, প্রত্যেকের ব্যক্তিগত পরিস্থিতি বিবেচনা করে।

বাহুবলী বলিউড তারকাদের দিয়ে হতো না : রাজামৌলি

বাহুবলী ছবি কোনও বলিউড অভিনেতাকে দিয়ে করানো সম্ভব হত না। চলচ্চিত্র জগতে নিজের অভিজ্ঞতা এবং বর্তমানে বলিউডের পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই নাকি এই মন্তব্য করেছেন বাহুবলী দা বিগিনিং ছবির পরিচালক এস এস রাজামৌলি।

তিনি বলেন, বাহুবলীর স্ক্রিপ্ট তৈরি হয়ে যাওয়ার পর, তাঁর এমন একজন অভিনেতাকে দরকার ছিল যিনি অন্য কোনও ছবি না করে দু’বছরের জন্য শুধুমাত্র বাহুবলী ছবির জন্যই কাজ করতে পারবেন। বলিউডে এমন কোনও অভিনেতা নেই যিনি দু’বছর ধরে একই ছবিতে কাজ করবেন।

বাহুবলী দা বিগিনিং ছবি তৈরি করার সময় আন্দাজ করা হয়েছিল যে, এই ছবি ১২০ কোটি টাকার ব্যবসা করতে পারবে। সারা বিশ্বে বিভিন্ন ভাষায় মোট ৬০০ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে বাহুবলী।

রাজামৌলিকে জিজ্ঞাসা করা হয় প্রত্যেকটি ছবিই কী দু’রকম ভাষায় রিলিজ় করা হয়? তিনি জানান, সব ছবি দু’রকম ভাষায় রিলিজ় করা হয় না। ছবির গল্প যদি মানুষের আবেগের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়। এমনকী যা জাতি, ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, সংস্কৃতি প্রভৃতিকে প্রতক্ষ্যভাবে ইঙ্গিত করে গড়ে ওঠে। তখন তাকে দু’রকমের ভাষায় রিলিজ় করা হয়।

তিনি আরও জানান, মাঝারি মানের ছবির গল্প সেভাবে সিনেমা হলগুলিতে ছাপ ফেলতে পারে না। তাঁর মতে, শিল্প হল খুব কঠিন একটা ব্যবসা। সিনেমাতে শিল্প এবং ব্যবসা দুটোই বর্তমান। তাই দু’দিক থেকেই ভাবনা চিন্তা করা উচিত। দেউলিয়া হয়ে যাওয়ার জন্য কেউই ছবি বানান না।

পোশাকের নকশা নিজেই করি : সাবিলা নূর

ঈদ এলে এখনো মিস করেন ছেলেবেলা৷ এই সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবিলা নূরের কাছে সেই সময়ের ঈদ সত্যিই অনেক আনন্দের ছিল৷ ‘এখন ঈদের আগের সময়টায় কাজের চাপ এত বেড়ে যায় যে ঈদের প্রস্তুতিও নিতে পারি না।’ সাবিলা নূরের সঙ্গে যখন কথা হচ্ছিল তখনো তিনি ব্যস্ত শুটিংয়ে৷ ঈদের এক দিন আগে পর্যন্ত এমন ব্যস্ততাতেই কাটবে সময়৷
সাবিলার নানাবাড়ি ও দাদাবাড়ি দুটোই চট্টগ্রামে৷ ছোটবেলায় পরিবারের সবাই মিলে চলে যেতেন সেখানে৷ শুধু ঈদের দিনই নয়, এরপরের ছয় দিন পর্যন্ত চলত ঈদ উদ্যাপন। এখন অবশ্য ঢাকাতেই ঈদ করেন৷ চাঁদরাতে হাতে কোনো কাজ রাখেন না৷ রাতের বেলায় সব বন্ধু মিলে ঘুরে বেড়ান রাজধানীর বিভিন্ন শপিং মলে৷ পোশাক কেনাকাটা অবশ্য আগেই হয়ে যায়৷ এদিকে হাতে মেহেদি লাগানো একেবারেই পছন্দ নয় সাবিলার৷ তবে ঈদের আগের রাতে বাড়ির অন্যরা যখন হাতে মেহেদি লাগায়, তা দেখতে খুব ভালো লাগে তাঁর৷ ঘটা করে মেহেদি লাগানোর এই আয়োজনটাও সাবিলার মনে নিয়ে আসে ঈদের আনন্দ৷
তারকা হওয়ার পরে ঈদের সকালটা একটু দেরি করেই শুরু হয় সাবিলা নূরের৷ এই সময়ে পরার জন্য আরামদায়ক একটা সালোয়ার-কামিজ বেছে নেন। এবারও তা-ই হবে। কোনো বিশেষ ব্র্যান্ডের নয়, প্রতিবারই ঈদের পোশাকের নকশা সাবিলা নিজেই করে থাকেন৷ কাপড় কেনার কাজটা করে দেন তাঁর মা।
সাবিলার এবারের ঈদপোশাক হবে গাউন ও কামিজের মিশেলে। কালো রং তাঁর পছন্দ৷ পোশাকের রঙে কালোর সঙ্গে আরও আছে সাদার মিশেল৷ জানালেন, দিনের বেলায় খুব একটা না সাজলেও রাতের সাজে থাকবে উৎসবের আমেজ৷ এই সময় চিকন আইলাইনারের রেখা টেনে চোখে আনবেন স্মোকি লুক৷ ঠোঁট রাঙাবেন পার্পল লিপস্টিকে আর এই সাজেই পরিবারের সবার সঙ্গে রাতের বেলায় ঘুরতে বের হবেন সাবিলা নূর৷

উচ্ছ্বসিত আরিফিন শুভ

61329d55f40ae103993fe54bc132f64b-Shuvoএক সময় র‍্যাম্পে কাজ করতেন আরিফিন শুভ। এরপর নাটক ও চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়ে যান তিনি। এখন তো বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের ব্যস্ত নায়ক। এই মুহূর্তে শুটিং করছেন জাকির হোসেন রাজুর ‘প্রেমী ও প্রেমী’ সিনেমার। এই ছবিতে তিনি সুযোগ পেয়েছেন আমজাদ হোসেনের মতো গুণী নির্মাতা ও অভিনেতার সঙ্গে পর্দা ভাগাভাগির। বিষয়টি নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত শুভ।
শুভ বললেন, ‘ছোট্ট অভিনয়জীবনের শুরুতেই আমজাদ হোসেনের মতো একজন গুণী মানুষের সঙ্গে পর্দা ভাগাভাগি করার ঘটনা আমার জন্য অনেক বড় একটা প্রাপ্তি। আমাকে এই সুযোগটি করে দেওয়ার জন্য পরিচালকের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।’
শুভ বললেন, ‘ছোট্ট অভিনয়জীবনে আমি অনেক কিছুই পেয়েছি। ভালো মানের কিছু সিনেমায় অভিনয় করেছি। গুণী নির্মাতা ও কলাকুশলীদের সঙ্গে মেশার সুযোগ পেয়েছি। আর দেশ-বিদেশের বাঙালি দর্শকের ভালোবাসার কথা তো বলে শেষ করা যাবে না।’

দশ বছর পর বোনের ছবিতে দেখা মিলল তনুশ্রীর!

বলিউড নায়িকা তনুশ্রী দত্তকে নতুন করে চেনাবার কিছু নেই। সিনেমায় তনুশ্রী দত্তের প্রাণবন্ত উপস্থিতি হাজারো যুবকের রাতের ঘুম হারাম করেছে। তবে যেভাবে ঝড় তুলে তিনি এসেছিলেন, সেভাবেই যেন মিইয়ে যান তনু। বলিউডে তার ছোট ক্যারিয়ারের সময় ছিল মাত্র ২ বছর!

২০০৪ সালে মিস ইন্ডিয়া হওয়ার পর আলোচনায় আসেন তনুশ্রী। এর পর ২০০৫ সালে বি টাউনের ইমরান হাশমির সঙ্গে ‘আশিক বানায়া আপনে’ সিনেমায় অভিনয় করে পান তারকা খ্যাতি।

প্রথম চলচ্চিত্র ডেবিউয়ের পর মাত্র একটি সিনেমাতেই অভিনয় করেন তিনি। এই দুই সিনেমায় নায়কের সঙ্গে তনুশ্রীর কেমিস্ট্রি মনে ধরেছিল দর্শকদের। তবে ‘চকলেট’ সিনেমার পর আর কখনও পর্দায় দেখা যায়নি তনুকে।

হঠাৎ করেই তার বোন অভিনেত্রী ঈশিতা দত্তের ইনস্টাগ্রাম ছবিতে খোঁজ মিলে তনুশ্রীর। আগের তনুর সঙ্গে কিন্তু এখনের তনুর বিস্তর ফারাক।

তবে ছবিতে হাসিখুশি তনুকে দেখে মনে হয়, বাবা-মা-বোন মিলে ভালোই আছেন তিনি।

টাকা পেলেই শপিং করার বদঅভ্যাস ছাড়ুন

মাসের বেতনের টাকা হাতে এলেই দৌড় দেন শপিংমলে? কিংবা অনলাইন শপিং সাইটগুলোতে ঘোরাফেরা শুরু করেন?  নিছক কালেকশন দেখতে দেখতেই শপিং করা শুরু হয়ে যায়। তাহলে সময় এসেছে এই অভ্যাসে রাশ টানার।

১. মাসের শুরুতেই খরচের হিসেব খাতায় লিখে ফেলুন। কোন খাতে কত টাকা দিতে হবে, ইএমআই-এ কত খরচ হবে, পুরো মাসের খরচ চালাতে বাজেট কত সব লিখে নিন। তাহলেই দেখতে পারবেন উদ্বৃত্ত কত টাকা হাতে থাকছে। এবার সেই টাকা অনুযায়ী শপিং করার প্ল্যানিং করুন। টাকা কম থাকলে দেখবেন কেনাকাটা করার ইচ্ছেটাই আর থাকছে না।

২. কেনাকাটা করতে আমরা সবাই ভালোবাসি। আবার অনলাইন শপিং-এর সুবিধা হয়ে তো অনেক সুবিধা হয়েছে। কিছু কেনার দরকার থাকলে টুক করে অর্ডার করে দিলেন। কয়েকদিনের মধ্যে আপনার দোরগোড়ায় এসে হাজির হল পছন্দের জিনিস। এর ফলে এমন অনেক কিছু কেনা হয়ে যায়, যা আসলেই আমাদের কোনও প্রয়োজনে লাগে না। যেহেতু হাতের কাছে পেয়ে যাচ্ছেন, অর্ডার প্লেস করতে বিশেষ সময় লাগছে না। ভাবারও সুযোগ থাকছে না। এখন তো আবার ইএমআই-এরও অপশন থাকছে। কিন্ত্ত টাকা অপচয় করার আগে ভালো করে ভেবে দেখুন। খেয়াল করে দেখুন, প্রতিদিন বিভিন্ন অনলাইন রিটেইল স্টোর থেকে বিভিন্ন প্রমোশনাল ই-মেল আপনার ইনবক্স-এ জমা হয়। যাঁরা শপিং করতে ভালোবাসেন, তাঁরা একবার না একবার ওই ই-মেল খুলে পড়বেনই। আপনার প্রথম কাজ হল সমস্ত অনলাইন স্টোরের প্রমোশনাল ই-আনসাবস্ক্রাইব করা।

৩. পরের ধাপটা একটু কঠিন। কিন্ত্ত করাটা খুব সহজ। আপনি যে সমস্ত অনলাইন স্টোর থেকে কেনাকাটা করতে ভালোবাসেন সেগুলোতে ইন্টারনেট অ্যাকসেস ব্লক করে দিন। শুধু তাই নয়, আপনার স্মার্ট ফোন থেকেও সব শপিং-এর অ্যাপ আনইন্সটল করে ফেলুন। আগেই বলেছি এটা করা খুব সহজ। কিন্ত্ত কতদিন এই অনলাইন শপিং সাইটগুলোর হাতছানি থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পারেন, সেটাই আসল পরীক্ষা। প্রথম প্রথম কষ্টকর হবে। বিশেষ করে যাঁরা কেনাকাটা করতে পছন্দ করেন, তাঁদের পক্ষে তো এটা বেশ শক্ত কাজ। তবে পুরোটাই অভ্যাসের ব্যাপার। প্রথম প্রথম একটু কষ্ট হলেও, কিছুদিন পরে দেখবেন আপনি আর অযথা অনলাইন স্টোরগুলিতে মাউস ক্লিক করার কথা ভাবছেন না। আপনার যদি সত্যি কিছু কেনার প্রয়োজন থাকে, তাহলে অনলাইন স্টোর থেকে নয় এমনিই কোনও স্টোর থেকে জিনিস কিনুন। কেনার আগে অবশ্যই বেশ কয়েকবার ভাবুন ওই জিনিসটি আপনার প্রয়োজন আছে কিনা।

৪. এমন অনেকেই আছেন, যারা মুড ভালো রাখার জন্য কিছু না কিছু কেনাকাটা করেন। এটাকে রিটেল থেরাপি বলে। কিন্ত্ত আপনার মন ভালো রাখতে আপনাকে সবসময় রিটেইল থেরাপির সাহায্য নিতে হবে কেন? আরও অনেক ধরনের উপায় আছে। অন্য কোনও হবি বেছে নিন। এমন কিছু যা আপনাকে সমৃদ্ধ করবে। দেখবেন, তাতেও আপনি আরও ভালো থাকবেন। মন ভালো রাখার জন্য আপনাকে আর যখন তখন শপিং করার কথা ভাবতে হবে না।

এবার রোমান্টিক গান বেশি করেছি

গায়ক ও সংগীত পরিচালক মিনার রহমানের নতুন গান ‘ঝুম’ সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে এখন গানটির ভিডিও প্রচারিত হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও গানটি নিয়ে হচ্ছে আলোচনা। তবে এই একটি গানেই নয়, মিনার ব্যস্ত আরও বেশ কিছু কাজ নিয়ে। এসব জানতেই কথা হলো তাঁর সঙ্গে।

‘ঝুম’ গানটি সম্পর্কে কিছু বলুন।
‘ঝুম’ গানটির কাজ শুরু করেছিলাম আহারে অ্যালবাম প্রকাশের পরপরই। গানটির জন্য অনেক সময় নিয়েছি। এই গানের সংগীতায়োজন করেছে সাজিদ সরকার, সে আমার ভালো বন্ধু। তার সঙ্গে আমার বোঝাপড়াটা চমৎকার। পরিচিত-অপরিচিত সবাই গানটি নিয়ে তাঁদের ভালো লাগার কথা জানাচ্ছেন। এসব শুনে মনে হচ্ছে, আমাদের পরিশ্রম সার্থক হয়েছে।
ঈদে কি এই একটি গানই থাকছে?
শুরুতে ভাবনা তেমনই ছিল। কিন্তু ‘ঝুম’ নিয়ে প্রথম যখন গানচিল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ হয়, তখন একটি পূর্ণাঙ্গ অ্যালবাম প্রকাশের ব্যাপারে তারা আগ্রহ প্রকাশ করে। তাই নতুন আরও চারটি গান নিয়ে পুরো অ্যালবাম প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখন সেই কাজ করছি। সব সময়ের মতো এবারও অ্যালবামের সব কটি গানের কথা ও সুর আমার নিজের। সংগীতায়োজন করছেন শাকের রাজা, ফাইজান খান, ইফতেখারুল আনাম ও সাজিদ সরকার।
নতুন অ্যালবামের গানের কথায় কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে?
এবারের গানগুলোতে আমি আগের ধারা থেকে বেরিয়ে এসেছি। এবার রোমান্টিক গান বেশি করেছি। বন্ধুত্ব নিয়ে একটি গান আছে। এই গান ‘আহারে’ কিংবা ‘ঝুম’-এর মতো কিছু একটা হবে নিশ্চিত। তারুণ্যের চলার পথে যেমন সংকট থাকে, তেমনি সম্ভাবনাও থাকে। আমি আমার গানের কথার মধ্য দিয়ে তরুণদের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দেওয়ার চেষ্টা করি।
হাবিব ওয়াহিদের সঙ্গে নতুন গান করলেন?
হাবিব ভাই একদিন আমাকে ফেসবুকে নক করলেন। তিনি বললেন, ‘আমি একটা টিউন করেছি। আমি চাই সেখানে তোমার লেখা থাকুক।’ অদ্ভুত সুন্দর একটা সুর করেছেন হাবিব ভাই। তাঁর সঙ্গে কাজ করে ভালো লেগেছে। তাঁর সুরে আমার কথাগুলো বসিয়ে দেওয়ার পর অন্য রকম কিছু একটা তৈরি হয়েছে।

কেমন হবে ঈদে চুলের ছাঁট

ঈদের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। তাই এখন শেষ মুহূর্তে কেনাকাটার ব্যস্ততা। এর ফাঁকে মাথায় রাখুন আরও একটি বিষয়, ঈদের দিন পোশাকের সঙ্গে চুলের স্টাইলটাও হওয়া চাই ঠিকঠাক। আর ঈদের আগে চুল কাটানোর এটাই সঠিক সময়। কাটানোর পর চুল শেপে আসতে সাধারণত ১২ থেকে ১৩ দিন সময় লাগে।

বানথাই বারবার অ্যান্ড বিউটি স্যালনের হেয়ার এক্সপার্ট কাজী কামরুল ইসলাম বলেন, ছেলেদের চুল ঠিকমতো কাটানো দরকার ঈদের বেশ কিছুদিন আগেই। সাধারণত যেকোনো উপলক্ষের ১০ থেকে ১২ দিন আগেই চুল কাটানো উচিত। কারণ, চুল কাটানোর পর সেটা ঠিকমতো সেট হতে এই সময়টা প্রয়োজন।

লম্বা নাকি খাটো চুল, লেয়ার নাকি হাইলাইট? এবার কেমন কাট চলছে? ছেলেদের পারলার হেয়ারোবিক্সের স্বত্বাধিকারী শাদীন মাহবুব জানালেন, বয়সভেদে চুলের স্টাইল একেক ধরনের হয়ে থাকে। সাধারণত তরুণেরা ভালোবাসেন স্টাইলিশ কাট দিতে। এ ছাড়া যাঁরা চাকরি করেন বা মাঝবয়সী, তাঁরা বেশি এক্সপেরিমেন্টাল কাট দিতে সাহস পান না। তাঁদের জন্য ক্ল্যাসিক কাট, বাজ কাট বা ক্রু কাট ভালো।

তরুণ হলে চুল নিয়ে নানা ধরনের নিরীক্ষা করতে পারেন আপনি। ঈদ সামনে রেখে মুখের গড়ন বুঝে ছাঁটাতে পারেন চুল। গরম মৌসুমে ঈদ, ফলে ছোট চুলের স্টাইলগুলো বেশি দেখা যাবে এবার। শর্ট লেয়ার, লেয়ার উইথ হাইলাইট বা ব্যাঙস কাট এবার ভালো চলবে। একটা সময় চুলের একপাশে রং করানোর ট্রেন্ড জনপ্রিয় হলেও এবার সেটা চলবে না বলেই বিশ্বাস করেন রূপবিশেষজ্ঞরা। এর বদলে স্টাইলিশ দেখাতে চুলে লেয়ার উইথ হাইলাইটস কাট ভালো দেখাবে। এ ক্ষেত্রে লেয়ার করে কাটা চুলের ওপরের অংশের কিছু কিছু চুলে ভিন্ন রং করিয়ে নেওয়া হয়।

চুলে লেয়ার কাট দিলে চিরুনি দিয়ে পরিপাটি করে আঁচড়ে নেওয়ার বদলে চুল হাত দিয়ে ঠিক করে নিন। কারণ, লেয়ার কাটের ধরনটাই এমন। চুলের এলোমেলো ভাবটাই অন্যদের চেয়ে আপনাকে আলাদা করে দেবে।

শিশু বা কিশোরেরা স্পাইক কাট দিতে পারে চুলে। এরপর ঈদের দিন জেল দিয়ে ইচ্ছেমতো সেট করে নেওয়া যাবে। তা ছাড়া কিছুটা বড় করে রাখা শিশুর চুল ঈদের দিন সামনের দিকে ছড়িয়ে রাখলেও ভালো দেখাবে।

আমার টিস্যু থাকে ওর পকেটে: বিপাশা

বিয়ের পর কোনও অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে প্রথমবার এলেন বিপাশা বসু ও করণ সিং গ্রোভার। স্বভাবতই তাঁদের দিকে এসেছিল প্রচুর প্রশ্ন। বিপাশা এবং করণ সেগুলো বেশ ভালোভাবে সামলালেনও। সেখানেই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে বিপাশা বলেন এ কথা।

বিপাশা ও করণের ফ্যান ক্লাব একটি ভিডিও শেয়ার করেছে। সেখানে বিপাশা জানিয়েছেন, অ্যাওয়ার্ড ফাংশনে কথা বলতে পেরে তাঁদের ভালো লাগছে। সাংবাদিকদের সামনেই মিঞা বিবি একে অপরের সঙ্গে খুনসুটিতে মাতেন। কথা প্রসঙ্গে বিপাশা জানান, অ্যাওয়ার্ড ফাংশনে স্বামীকে নিয়ে আসার বড় সুবিধা আছে। “আমার তো আর পকেট নেই। তাই ও আমার টিস্যু ক্যারি করতে পারে।”

বিপাশা যতক্ষণ কথা বলেছেন, করণ কিন্তু একেবারে স্পিকটি নট ছিলেন। বোঝাই যাচ্ছে, দাম্পত্য জীবনে বিপাশাই বস। করণ হলেন পত্নীব্রতা স্বামীটি।