সকালে ওঠার পাঁচ সুফল

বিখ্যাত মনীষী ব্রেঞ্জামিন ফ্র্যাঙ্কলিন বলতেন, ভোরের মুখে সোনা রং থাকে। সকালে ওঠার সুফলের কথা এই উপমা দিয়ে সহজেই বোঝা যায়। যাঁরা রোজ সকালে ওঠেন, তাঁরা নিশ্চয়ই জানেন এর উপকারিতা। যাঁদের ভোরে ওঠার অভ্যাস নেই, তাঁর জেনে নিতে পারেন সেই সুফল।


অধিক কাজের সুযোগ

সকালে উঠলে কাজকর্ম সকাল সকাল শুরু করতে পারবেন। কর্মঘণ্টা বেশি পাবেন। কাজের গতি বেড়ে যাবে। গবেষণায় দেখা গেছে, যখন কোনো ব্যক্তি ভোরে ওঠেন, তখন অন্যদের তুলনায় তিনি বেশি সক্রিয় থাবেন, কাজে সময় নেন কম। কোনো ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে, পরিকল্পনা ও লক্ষ্য অর্জনে অধিক পারদর্শী হন।


মানসিক সুস্থতা

সকালে ওঠার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সুফল হচ্ছে মানসিক চাপ থেকে মুক্তি। যখন কেউ সকালে ওঠেন, তখন কাজের তাড়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমে যায়। ইতিবাচক বার্তা দিয়ে দিন শুরু হয়। সারা দিন এই ইতিবাচক মনোভাব চলতে থাকে।


ঘুম ভালো হয়

কথায় বলে, সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠা মানে সকাল সকাল ঘুমাতে যাওয়া। অনিয়মিতভাবে সকালে ওঠার চেয়ে এটি নিয়মের মধ্যে ফেলতে পারলে সবচেয়ে সুবিধা। এতে ঘুম ভালো হয়। প্রথম প্রথম একটু অসুবিধা হলেও অভ্যাস হয়ে গেলে দেহঘড়ি ঘুমের নতুন সময় ও সকালে ওঠার বিষয়টি মানিয়ে নেবে।


পরীক্ষার ফল ভালো হয়

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা এক গবেষণায় দেখেছেন, যারা সকাল করে ঘুম থেকে ওঠে, তারা দেরিতে ঘুম থেকে ওঠা শিক্ষার্থীদের তুলনায় ভালো ফল করে। ঘুমের মান ভালো হওয়া ও কাজের উৎপাদনশীলতার সঙ্গেও একে যুক্ত করা যায়।


জীবন সুখের হয়

সকালে উঠলে জীবন সুখের হয়। জীবনে ইতিবাচক দিক বাড়ে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, যাঁদের ভোরে ঘুম ভাঙে, তাঁরা বেশি সুখী হন। এই সুখ স্বল্পমেয়াদি নয়, বরং সারাটা জীবন ধরেই সুখ ছুঁয়ে যায়। তথ্যসূত্র: ফোর্বস সাময়িকী, টিএনএন।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s