বিয়ের প্রথম সপ্তাহে যে কাজগুলো ভুলেও করবেন না

বিয়ে মানব জীবনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এজন্যই বিবাহিত জীবনকে বলা হয়ে থাকে ‘নতুন জীবন শুরু করা’। এই  দাম্পত্য জীবনের সাফল্য নির্ভর করে অনেকগুলি বিষয়ের উপর। সেক্ষেত্রে বৈবাহিক জীবনের শুরুটা কীভাবে হচ্ছে সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। বিখ্যাত ম্যারেজ কনসালটেন্ট অ্যানি পিয়ার্স এই বিষয়ে কয়েকটি জরুরি টিপস দিয়েছেন। তার মতে, বিয়ের প্রথম সপ্তাহে কয়েকটি কাজ করা থেকে বিরত থাকাই ভাল। জেনে নিন কী সেই কাজগুলো:

১. বাড়িতে কোনো অতিথিকে দীর্ঘদিনের জন্য আমন্ত্রণ জানাবেন না: বিয়ের পর প্রথম কয়েকটি দিন স্বামী-স্ত্রীর পরস্পরকে চিনে নেওয়ার সময়। সেই পর্বটিতে কোনো তৃতীয় ব্যক্তি প্রবেশ করে তাদের নিভৃতিটুকু ছিনিয়ে না নিলেই ভাল। বিয়ের পর বাড়িতে অতিথি আসতেই পারেন, কিন্তু ঘণ্টা দুই-তিন তিনি থাকলেন, আড্ডা মারলেন, চলে গেলেন— এমনটা ঘটাই বাঞ্ছনীয়। পরিবর্তে তিনি যদি দীর্ঘ সময় নবদম্পতির সঙ্গে থাকেন, রাত্রেও বাড়িতে থেকে যান, তাহলে স্বামী-স্ত্রীর পরস্পরকে চিনে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় ছন্দপতন ঘটে। কাজেই বিয়ের পর প্রথম সপ্তাহটিতে কোনো অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানোর ব্যাপারে একটু বিবেচক হোন।

২. নিজের স্বামী/স্ত্রীকে বাদ দিয়ে কোথাও বেড়াতে যাবেন না: জরুরি কাজে কিংবা পেশাগত প্রয়োজনে বিয়ের পরে-পরেই শহরের বাইরে কোথাও যাওয়ার প্রয়োজন দেখা দিতেই পারে। কিন্তু সেক্ষেত্রে চেষ্টা করুন নিজের স্বামী বা স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার। সদ্যবিবাহিত অবস্থায় স্বামী বা স্ত্রীর বিরহ যে-কারোরই অসহ্য বোধ হবে। সেই কষ্টটুকু তাকে না দিতে পারলেই ভাল। একান্তই যদি নিজের স্ত্রী বা স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে যেতে না পারেন, তাহলে চেষ্টা করুন অফিসিয়াল অ্যাসাইনমেন্টটিকে হপ্তখানেকের জন্য পিছিয়ে দিতে।

৩. বাড়ির আসবাবপত্রে কোনো ব্যাপক পরিবর্তন আনবেন না: বিয়ের পরে যিনি আপনার স্ত্রী হয়ে আপনার বাড়িতে আসছেন, তাকে এমনিতেই অজস্র অ্যাডজাস্টমেন্ট করতে হচ্ছে। এবং এই অ্যাডজাস্টমেন্টের ক্ষেত্রে প্রধান সহায়ক হতে পারেন অবশ্যই আপনি নিজে। এই অবস্থায় যদি বাড়ির আসবাবপত্র পাল্টানো কিংবা বাড়িটিকে রেনোভেট করার মতো কাজকর্ম শুরু করেন, তাহলে আপনি নিজেই নিজের বাড়িতে অস্বচ্ছন্দ বোধ করবেন। সেক্ষেত্রে আপনার স্ত্রীর পক্ষে আপনার বাড়িতে মানিয়ে নেওয়া আরও কঠিন হবে।

৪. বিয়ের অনুষ্ঠানে কী ঘটেছে তা নিয়ে ঝগড়া করবেন না: মনে রাখবেন, বিয়ের অনুষ্ঠান এখন অতীত। কাজেই সেই অনুষ্ঠানে কেন আপনার স্ত্রী লাল শাড়ির বদলে গোলাপি শাড়ি পরলেন, কিংবা কেন তিনি আপনার মেসোমশাইয়ের সঙ্গে একটু কম হেসে কথা বললেন- এই জাতীয় বিষয় নিয়ে অনুগ্রহ করে বিয়ের পর ঝগ়ড়া করবেন না। এতে সম্পর্ক তিক্ত হয়ে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকবে।

৫. হানিমুনে যাওয়ার জন্য ব্যস্ত হবেন না: অনেক দম্পতিই বিয়ে সেরেই হানিমুনে দৌড়ান। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নববিবাহিতদের পারস্পরিক অ্যা়ডজাস্টমেন্টের সবচেয়ে অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে নিজেদের বাড়িতেই। নিজের বাড়ির স্বাচ্ছন্দ্যেই পরস্পরকে মানসিক ও শারীরিক ভাবে চিনে নেওয়ার কাজটা সহজ হয়। কাজেই বিয়ের প্রথম সপ্তাহটি নিজের বাড়িতেই কাটান। হানিমুনের অঢেল সময় তার পরেও পাবেন।

৬. অল্পতেই হাল ছেড়ে দেব‌েন না: বিয়ের পরে-পরেই ছোটখাটো বিষয়ে মনোমালিন্য বা অশান্তি হতেই পারে। কিন্তু তা থেকেই যদি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন যে, আপনার স্বামী বা স্ত্রী একেবারেই আপনার উপযুক্ত নন, কিংবা বিয়ে করে আপনি একেবারে ঠকে গিয়েছেন, তা হলে ভুল করবেন। সুখী দাম্পত্য জীবন অর্জন করতে হলে অনেক পরিশ্রম করতে হয়, আত্মত্যাগ করতে হয়, সর্বোপরি ধৈর্যশীল হতে হয়। কাজেই অল্পেই হাল ছেড়ে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়বেন না। ধৈর্য রাখুন, জীবনে সুখ আসবেই।

Advertisements

নতুন চেহারায় ডিপজল

জনপ্রিয় অভিনেতা ডিপজল। খল চরিত্রের পাশাপাশি ছবির প্রধান নায়ক চরিত্রে অভিনয় করেও দর্শকের কাছে প্রশংসিত হয়েছেন তিনি। অনেক দিন ধরেই আড়ালে রয়েছেন। শোনা গেল তিনি আবার ফিরছেন। এরই মধ্যে ডিপজলের মেয়ে অলিজা শেয়ার করেছেন নিজের বাবার ছবি। লিখেও দিয়েছেন, ঢাকায় ফিরছি, সাথে বাবার ‘নতুন লুক’। বড় পর্দার জনপ্রিয় চিত্রনাট্যকার ছটকু আহমেদ ডিপজলের এই লুকে মুগ্ধ। লিখেছেন, ‘সুপার’। মেয়েকে সাথে নিয়ে লন্ডন থেকে থাইল্যান্ড হয়ে গতকাল ঢাকা ফিরেছেন। নতুন লুকে ডিপজলকে একেবারে আলাদা লাগছে। একেবারে ভিন্ন ডিপজল।

জানা গেছে, নিজের প্রযোজনা সংস্থা থেকে চারটি ছবি নির্মাণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। আর ছবিগুলোর কাহিনী লেখার জন্য দায়িত্ব দিয়েছেন ছটকু আহমেদকে। আগস্টে ডিপজলের ফুলবাড়িয়ার বাসায় দেখা করে এসব বিষয় চূড়ান্ত করেছেন তিনি। ছটকু আহমেদ বলেন, চলচ্চিত্রকে এখনও অনেক ভালোবাসেন তিনি। আমার লেখা স্ক্রিপ্টেই ছবিগুলো নির্মাণ হবে। আমাকে এ জন্য সাইনিং মানিও দিয়েছেন তিনি। ‘কোটি টাকার কাবিন’, ‘চাচ্চু’ ছবিগুলো যেমন ছিল ঠিক সেই ঘরানার গল্পের ছবি লিখছি। এরই মধ্যে একটি গল্প লেখার কাজ শেষ হয়েছে। তাহলে কী নতুন ছবিত্রে ডিপজলকে এই লুকে দর্শকরা?

কারিনা প্রেগন্যান্ট হওয়ায় খুশি নন সোহা!

বলিউড স্টার কারিনা কাপুরের প্রেগন্যান্সির কথা সবাই জানেন। আগামী ডিসেম্বরেই নবাব পরিবারে আসতে যাচ্ছে নতুন অতিথি। নতুন সদস্যকে ওয়েলকাম করার জন্য চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি কাপুর এবং খান পরিবারে। স্বাভাবিক ভাবেই সেই প্রিপারেশনের অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল কারিনার ননদ সোহা আলি খানকে। আর তাতেই রেগে ওঠেন সোহা।

সকলের সামনে সোহার রিঅ্যাক্ট দেখে অনেকের প্রশ্ন কারিনার সন্তানসম্ভবা হওয়ার খবরে কি খুশি হননি সোহা? তার কাছে শুধু জানতে চাওয়া হয়েছিল কেমন প্রস্তুতি চলছে? উত্তরে সোহা বলেন, “আমি জানি না আমাকে এ সব প্রশ্ন কেন করা হচ্ছে? কী উত্তর আশা করছেন বলুন তো? নতুন করে আমরা কি প্রিপারেশন নেব? আমি এক্সাইটেড, কিন্তু এখন কি কারিনার বেবির জন্য বুয়া হিসেবে সোয়েটার বুনতে শুরু করব? আমি জানি না!”

সোহার এই রিঅ্যাক্ট করার ফলে নতুন করে গসিপ শুরু হয়েছে বিনোদন দুনিয়ায়। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, এই মতামত সোহার ব্যক্তিগত নাকি পুরো পরিবার এই ব্যাপারে বিরক্ত?

‘ভালোবাসি’ মুখে না বলেও ভালোবাসা প্রকাশের উপায়

কারো প্রেমে পড়লে দুই-তিনটি জাদুকরী শব্দ উচ্চারণটাই বাকি থাকে। ‘আই লাভ ইউ’ বা ‘তোমাকে ভালোবাসি’ কথাগুলো যতই বলা হোক, এর আবেদন কখনো ফুরায় না। আবার অনেকের জন্য এই কথাটা বলাই জীবনের সবচেয়ে কঠিন বিষয় হয়ে ওঠে। পরিবেশ ও পরিস্থিতির বিচারেও এসব কথা বলা অসম্ভব হয়। মনোবিজ্ঞানী ও সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ ড. পাভান সোনার বলেন, ভালোবাসা প্রকাশের আরো অনেক উপায় রয়েছে। এসব উপায়েই বোঝানো যায় যে মানুষটিকে ভালোবাসেন আপনি। আচরণ ও ভাবে এগুলো ফুটিয়ে তোলা যায়। এখানে জেনে নিন ‘ভালোবাসি’ না বলেও ভালোবাসা প্রকাশের উপায়।

১. একসঙ্গে থাকলে এড়িয়ে যাবেন না : যখন দুজন একসঙ্গে থাকবেন তখন তাকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করবেন না। তার কথা ও উপস্থিতিকে প্রাধান্য দিন। কথা বলার সময় অন্যান্য ব্যস্ততা দেখাবেন না। বার বার ফোনের দিকে তাকাবেন না। মনোযোগ তার দিকেই রাখুন। এ সময় চোখে চোখ বড় অর্থ প্রকাশ করবে।

২. প্রিয় খাবার অর্ডার দিন : বলা হয়, পুরুষের হৃদয় জয়ের উপায় হলো তার প্রিয় খাবার অর্ডার দেওয়া। মেয়েদের ক্ষেত্রে বিষয়টা ঘটতে পারে। কাজেই যাকে ভালোবাসার কথা বোঝাতে চান, তাকে নিয়ে রেস্টুরেন্টে বসে নিজের পছন্দমতো খাবার অর্ডার করবেন না। বরং তার পছন্দের খাবার উপভোগ করুন। এতে তার প্রতি আপনার খেয়াল প্রকাশ পায়।

৩. তার পছন্দের রুচিশীল পোশাকে আসুন : হয়তো জেনে থাকবেন তিনি কি ধরনের পোশাক পছন্দ করেন। যদি শাড়ি বা সালোয়ার কামিজ পছন্দ করেন তো তাই পরুন। আবার মেয়েটা ছেলেদের ক্যাজুয়াল পোশাক পছন্দ করলে তাই বেছে নেওয়া উচিত। তার পছন্দ-অপছন্দের মূল্য দিন।

৪. নির্ভেজাল প্রশংসা করুন : পুরুষরা সাধারণত সত্যিকার প্রশংসা বাক্য শুনতে চান। তাই তাকে নিয়ে মেকি কিছু বলবেন না। যা সত্যি তাই বলুন। আবার মেয়েটরি প্রশংসা করতে বিনয়ী ও কোমল বাক্য ব্যবহার করুন। অতিরঞ্জিত কিছু বলবেন না। ভুল বোঝাবোঝির মতো কোনো মন্তব্য ও প্রশংসার কথা না বলাই ভালো।

৫. পরামর্শ নিন : যেকোনো হালকা সমস্যাতে তার পরামর্শ আশা করার অর্থ তাকে আপনি আস্থাভাজন বলেই মনে করছেন। তাই এ বিষয়টি ভেবে দেখতে পারুন। তার মতামত আপনার কাছে গুরুত্ব পেলে দুর্বলতার কথা প্রকাশিত হয়।

৬. ‘ধন্যবাদ’ জানান : ভঅলো কিছু বললে, সুন্দর সময় উপহার দেওয়ার জন্য, কোনো উপহার সামগ্রী পেলে বা যেকোনো বিষয়ে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করুন। এর মাধ্যমে তার প্রতি আপনার মানসিকতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ধন্যবাদ প্রদানের মাধ্যমে দুজনের সম্পর্কের উষ্ণতা বৃদ্ধি পাবে।

৭. ভালো শ্রোতা হয়ে উঠুন : তিনি যা বলতে চাইছেন তা মনোযোগ দিয়ে শুনুন। বিরক্তিকর বিষয় হলেও তাতে মন দিন। বিশেষ করে যখন কেউ তার আবেগ বিষয়ক কথা বলে, তখন তাকে বলার পুরো সুযোগ দিন। শুধু শোনার জন্য শোনা হয়, বুঝে নিন তিনি কি বলতে চান।

৮. মেজাজ বদলের কাজ করুন : একটি বিষয় নিয়ে পড়ে থাকবেন না। চটজলদি মেজাজ বদলের জন্য কিছু বলুন বা করুন। মন খারাপের কথার পর তার মনটা ভালো করে দেওয়ার চেষ্টা করুন। অন্য বিষয়ে কিছু বলুন যা বেশ উপভোগ্য। হালকা প্রেমালাপ চলতে পারে।

পাইরেটেড ‘আয়নাবাজি’ না দেখার অনুরোধ নির্মাতাদের

মোবাইল টেলিকম অপারেটর রবি টিভিতে প্রদর্শনের পর ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে বিপুল ‘আয়নাবাজি’র পাইরেটেড কপি। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের অনলাইন তৎপরতায় পাইরেসি সীমিত করা হলেও সম্ভব হয়নি পুরোপুরি প্রচার বন্ধ করা।  পাইরেটেড ‘আয়নাবাজি’ না দেখার আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন নির্মাতারা।  আজ দুপুরে ফেসবুক লাইভে আসেন নির্মাতা রেদওয়ান রনি। তিনি দর্শকদের অনুরোধ জানান, পাইরেটেড কপি না দেখার জন্য।  বাংলা চলচ্চিত্রকে বাঁচাতে চাইলে হলে গিয়ে ছবি দেখার বিনীত অনুরোধ জানান এই নির্মাতা।

নির্মাতা ওয়াহিদ আনাম লিখেছেন,’আয়নাবাজি এমনই একটা সিনেমা, যেটা আবারও প্রমাণ করে দিলো- So Called Commercial সিনেমা বলতে কিছুই নেই। গল্প আর অভিনয় সুপারহিট, তো সিনেমা সুপারহিট। আয়নাবাজির মত একটা সিনেমা যদি পাইরেসির মুখে পরে, তাহলে সেটা আমাদের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জন্য ভয়ানক ক্ষতিকর হবে। আপনাদের হাতে যদি পাইরেসি ভার্সন চলেও আসে, তাহলে সেটার প্লে বাটন এ চাপ দেবার আগে নিজের বিবেককে একবার জিজ্ঞেস করে দেখবেন যে আপনিও দেশের এই ক্ষতিটা করতে অংশীদার হতে চান কিনা…?? আশা রাখছি উত্তর অবশ্যই “না” হবে। কারণ সিনেমা তো হল এ বসে দেখবার জায়গা, চোরের মত চুরি করে নয়। যে চুরি করে সে তো অবশ্যই চোর আর যে যেনেশুনে চুরি করা জিনিস ব্যবহার করে সেও কিন্তু এক ই…!

মেজবাহ উদ্দিন সুমন লিখেছেন,’একটা বিশাল প্রজন্মই তৈরি হয়েছে যাদেরকে আপনি ক্রেন দিয়ে টেনেও হলে নিতে পারবেন না…এদেরকে আপনি হলে যতো ভালো ছবিই দেন না কেনো..এরা ডাউনলোড লিংক এর অপেক্ষায় যমের অরুচি হয়ে বসে থাকবে…।’

‘সম্রাট’ ছবির নির্মাতা মোস্তফা কামাল রাজ লিখেছেন,’পাইরেসি বন্ধ করতে আমরাই পারি। আমি পাইরেসি মুভি দেখবো না তাহলেই হবে।’

‘এক কাপ চা’ ছবির নির্মাতা নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল লিখেছেন,’আমরা সবাই আসুন পাইরেসির বিরুদ্ধে ঐক্য বদ্ধ হই ।আয়নাবাজি ছবির পাইরেসির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করি ।আমরা সবাই সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ করি পাইরেসির বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যাবস্থা নেওয়ার জন্য ।আর সকল দর্শকে বলবো আপনারা হলে গিয়ে ছবিটা দেখবেন ।অনেক কষ্ট করে একটা ছবি তৈরি করে একজন পরিচালক ,প্রযোজক ।প্লিজ এদের শ্রম মেধা এবং আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবেন না ।সবাই হলে গিয়ে ছবি দেখি .ভালো ছবি দেখি এবং সবাইকে পাইরেসির বিরুদ্ধে সচেতন করি ।……,জয় হোক বাংলা ছবির .জয় হোক আয়নাবাজির।’

নির্মাতা আশফাক নিপুন লিখেছেন,’আমি আয়নাবাজি দেখেছি দুইবার, কালকে আবার দেখতে যাব শুধু এটা বোঝানোর জন্য যে পাইরেসি করে আমাদের ছবিকে ঠেকাতে পারবে না। মানুষ ঘর থেকে বের হয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে টিকেট কেটে দেখেছে, প্রয়োজন হলে আরো দশবার দাঁড়াবে। কয়েকজন ক্রিমিনাল এর কারণে আমাদের দেশের ছবি মুখ থুবড়ে পড়ে যাবে না।…যারা যারা যেখানেই দেখবেন আয়নাবাজির পাইরেসি হচ্ছে সাথে সাথে নির্মাণ সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানিয়ে দিন।

আলিয়াকে হাসাতে ক্লাস নিচ্ছেন শাহরুখ

রামগড়ুরের ছানাদের শুধু হাসতে মানা। বাকি জগতের হাসতে কোনও মানা নেই। তবে নিজের হাসা যতটা সহজ, অন্যকে হাসাতে পারাটা ততটাই কঠিন কাজ। এই কাজটাই করে উঠতে পারছেন না আলিয়া। তাই দায়িত্ব নিয়েছেন শাহরুখ।

শাহরুখ রীতিমতো ক্লাস নিচ্ছেন ভাট পরিবারের এই কনিষ্ঠা কন্যার। যাতে সঠিক সময় সঠিকভাবে হাসির কথাটি বলে উঠতে পারেন তাঁর ‘ডিয়ার’ কোস্টার।

৩০ মিনিটের সংক্ষিপ্ত দিবানিদ্রায় ফুরফুরে দেহমন

দিবানিদ্রার ক্ষমতাকে অগ্রাহ্য করা সম্ভব নয়। জার্মানির ডুসেলডর্ফ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, এমনকি খুবই সংক্ষিপ্ত দিবানিদ্রাও স্মৃতি প্রক্রিয়াজাতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে।
এদিকে নাসার একটি গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ বিমান যাত্রায় সংক্ষিপ্ত দিবানিদ্রায় পাইলটরা খুবই উপকৃত হন। নাসা বলেছে, “দিবানিদ্রার পর পাইলটদের পারফর্মেন্সে উন্নতি ঘটে। এতে তাদের শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা  বাড়ে এবং মেজাজ-মর্জি ভালো থাকে।”
ওই গবেষণায় অংশগ্রহণকারী যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল হাইওয়ে ট্রাফিক সেফটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এর প্রধান মার্ক রোজকাইন্ড বলেন, “২৬ মিনিটের সংক্ষিপ্তকালীন একটি দিবানিদ্রায় পাইলটদের পারফর্মেন্স ৩৪% বৃদ্ধি পায় আর সতর্কতা বৃদ্ধি পায় ৫৪%।”
ক্রীড়াবিদদের পারফর্মেন্স বাড়াতেও দিবানিদ্রা বেশ কার্যকর। এমনকি যে কারো জন্যই দিবানিদ্রা বেশ উপকারে লাগে। তবে ৩০ মিনিটের দিবানিদ্রাই সবচেয়ে বাস্তব সম্মত।
দিবানিদ্রার আগে এক কাপ কফি খেয়ে নিতে পারেন। যাতে ঘুমের শেষদিকে গিয়ে আপনি সহজেই জেগে উঠতে পারেন। সাধারণত কফি পানের ৩০ মিনিট পর এতে থাকা ক্যাফেইন সক্রিয় হয়। সুতরাং বেশি ধীরে কফি পান করবেন না। যতদ্রুত সম্ভব কফি পান করে দিবানিদ্রায় হেলে পড়ুন।
দুপরের পরে অফিসে কোনো অব্যবহৃত কক্ষ বা সভা কক্ষে, কিচেনের নিরিবিলি এক কোনে, স্টাফ রুমের সোফায় অথবা পার্কের বেঞ্চে দিবা নিদ্রা যেতে পারেন।
শুধু চোখ বন্ধ করুন এবং ৩০ মিনিটের একটি সংক্ষিপ্ত ঘুম দিন। আপনি হয়তো ভাবতে পারেন যত সহজে বলা হচ্ছে তত সহজে হয়তো কাজটি করা নাও সম্ভব হতে পারে। অনেকেই আছেন যারা সহজেই এটি করতে সক্ষম। তারা শোয়া মাত্রই ঘুমিয়ে পড়েন। তবে অনেকে আবার অবিচলিতভাবে দাবি করেন তারা দিবা নিদ্রা যেতে পারেন না। কিন্তু সত্য হলো দিবানিদ্রায় ঘুমাতেই হবে তেমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
এ ক্ষেত্রে যা গুরত্বপূর্ণ তা হলো এই সময়টুকুতে আপনি আপনার চোখ দুটো বন্ধ বরে রাখবেন এবং দুনিয়ার কোলাহোল থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকবেন। ঘুমাতে পারলে ভালো। তবে দিবানিদ্রায় পুরোপুরি ঘুমাতে তেমন কোনো কথা নেই। দিবানিদ্রা আসলে ঘুম ও জেগে থাকার মাঝামাঝি একটি অবস্থা। এটি দিনের এমন একটি সময় যখন আপনি দুনিয়ার আর কোনো কিছু নিয়ে ভাববেন না। যখন আপনার মনটি থাকবে পুরোপুরি ফাকা।
দিবানিদ্রার পর আপনার চারপাশ সম্পর্কে পুনরায় সচেতন হতে পাঁচ মিনিট সময় নিন। দিবানিদ্রা শেষে তৎক্ষণাৎ আপনার ডেস্কের দিনের আলো ছড়ানো ল্যাম্পটি জালিয়ে দিন অথবা ঘরের বাইরে গিয়ে দিনের আলোয় যান। এতে তাৎক্ষণিকভাবেই আপনার জড়তা কেটে যাবে।

প্রথম লুকেই চমকে দিল ‘বাহুবালী ২’

মুক্তি পেয়েছে বলিউডের সাড়া জাগানো সিনেমা ‘বাহুবালী’র সিক্যুয়াল ‘বাহুবালী ২: দ্য কনক্লুশন’র মোশন পোস্টার।

সুপার ডুপার হিট ‘বাহুবলী’র সিক্যুয়াল এই ছবিটি মুক্তি পাবে আগামী বছরের ২৮ এপ্রিল।

কিন্তু ছবি মুক্তির প্রায় ছয় মাস আগে থেকেই ছবি নিয়ে যে রকম উদ্দীপনা শুরু হয়েছে তাতে দর্শকদের মতে ফের আরও একবার ‘বাহুবলী টাইম’ শুরু হয়ে গিয়েছে।

শনিবার মুম্বাই ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের (মামি) মঞ্চে ছবির পরিচালক এস এস রাজামৌলি এই পোস্টার প্রকাশ করেছেন।

পোস্টারে বিধ্বস্ত চেহারায় পেশীবহুল প্রভাস। ডান হাতে খোলা তলোয়ার, বাম হাতে মোটা শিকল জড়ানো। ঝড়, বৃষ্টি, বজ্রপাত ভেদ করে নিকষ কালো ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে বেড়িয়ে আসছেন স্বয়ং বাহুবালী।

স্কিনি জিন্সের ইতি

সর্বশেষ নিউ ইয়র্ক ফ্যাশন উইকে ভিক্টোরিয়া বেখহামকে দেখা গেল অভিনব স্টাইলে ট্রাউজারের সাথে বো পরতে। এক সময়কার স্কিনি জিন্সের এই পোস্টার গার্লের এমন পোজ যেন সবাইকে রীতিমতো বিস্মিত করেছে। সেখানে তিনি পরেছিলেন লিনেন কাপড়ের ঢোলা ব্যাগি ট্রাউজার এবং ট্রাউজারের ওপর একটি বো। এছাড়া একটি বারও সেখানে তিনি জিন্স পরেন নি। এখানে তার বার্তাটি যেন পরিস্কার- জিন্স এখন খুব সাধারণ হয়ে গেছে এবং ফ্যাশনে একঘেয়েমি চলে এসেছে।

এই ডিজাইনারের পছন্দ যেন বলে দিচ্ছে জিন্সের ট্র্যাক এখন কোন দিকে ধাবিত হচ্ছে। ফ্যাশন বিশ্বে জিন্স প্রবেশ করেছিল ঢোলা এবং ব্যাগি স্টাইল হিসেবে।

এরপর আসল বয়ফ্রেন্ড এবং মম জিন্স যা ক্রপ স্টাইলের হাত ধরে এসেছে। এরপর আরও পরিবর্তন এনেছে ভেটমেন্টস স্টাইল। তবে জেগিংস, লেগিংস এবং অ্যাথলেজার আসার পর মূলত জিন্সের পতন শুরু।

ক্লো কার্দাশিয়ানের সহযোগিতায় তৈরি ‘গুড আমেরিকান’ কালেকশনটি যেন আরও একবার বলে দিল স্কিনি জিন্সকে গুডবাই বলার সময় হয়েছে। এই কালেকশনে হাই ফ্যাশন আইটেম না রেখে বরং গুরুত্ব পেয়েছে আরামদায়ক পোশাকগুলো। এই কালেকশনের জিন্সগুলো এসেছে অনেকটা অ্যাথলেজারের আইডিয়া থেকে। এটা পরে আপনি ইয়োগা করতে পারবেন, স্বচ্ছন্দবোধ করবেন এবং বন্ধুদের সাথে ইনস্টাগ্রামের জন্য ছবিও তুলতে পারবেন। এটা যেন এক প্রকার হাইব্রিড জিন্স- হাফ অ্যাথলেজার এবং হাফ বডি-ফিট।

যে বলিউড তারকারা পর্দায় কখনোই চুমু খাননি!

বলিউড সিনেমায় বিকিনি দৃশ্য কিংবা ঘনিষ্ঠ দৃশ্য এখন ডালভাত হয়ে গেছে। খুল্লাম-খুল্লা সিনেমার যুগেও অনেক বলিউড তারকা আছেন যারা কখনোই অনস্ক্রিন চুমু খাননি। তেমন কয়েকজনের কথা জেনে নিন :

ফাওয়াদ খান : ‘নো কিসিং অনস্ক্রিন’ ক্লাবের নয়া সদস্য পাক অভিনেতা ফাওয়াদ খান। তার মতে, পাক ফ্যানরা তাকে এই ‘অবতারে’ হয়ত গ্রহণ করতে পারবেন না। তাই ফ্যানদের জন্যই তার এমন নীতি।

আসিন : চুমুতে চরম অনাগ্রহ রয়েছে দক্ষিণী অভিনেত্রী আসিনেরও।

আলি জাফর : ‘লন্ডন’, ‘নিউ ইয়র্ক, প্যারিস’ ছবির জন্য পর্দায় লিপ-লকের কথা ছিল তার। কিন্তু তিনি অস্বীকার করায় অবশেষে কিসিং সিনের জন্য জাফরের বডি ডাবলের দারস্থ হন পরিচালক।

তামান্না ভাটিয়া : শুধু লিপ-লকই নয়, বিকিনি পরা থেকেও শত হস্ত দূরে থাকেন তামান্না।

তুষার কাপুর : সেক্স কমিডিতে যতই মুখ দেখান না কেন অনস্ক্রিন চুমুতে মোটেই রাজি নন তুষার কাপুর।

সালমান খান : ব্যক্তিগত জীবনে প্রেমকুমার হলেও পর্দায় এক্কেবারে গুড বয় ভাইজান। রোমান্টিক দৃশ্য অবধি ঠিক আছে। কিন্তু পর্দায় চুমু? কখনোই না!

সোনাক্ষী সিনহা : প্রথম হিরো দাবাং খানকেই নিজের আদর্শ বানিয়েছেন সোনাক্ষী। তিনিও নিজের ‘নো-কিস’ নীতি রীতিমতো মেনটেইন করেন। হ্যাঁ, ‘হলিডে’ ছবিতে ঘনিষ্ঠ দৃশ্য অবধি এগিয়েছিলেন ঠিকই। কিন্তু ওই পর্যন্তই।

শিল্পা শেঠি : রিচার্ড গেরের সঙ্গে অপ্রত্যাশিত পাবলিক লিপ-লক ছাড়া আর কখনও পর্দায় চুমু খেতে দেখা যায়নি শিল্পাকে।

রিতেশ দেশমুখ : ‘জানে কাহা সে আয়ি হ্যায়’ ছবির শুটিংয়ের সময় জ্যাকুলিন ফার্নান্ডেজকে কিস করতে প্রথম অস্বীকার করেছিলেন রীতেশ। পরেও আর কোনো ছবিতে লিপ-লক করেননি তিনি।

বিনামূল্যে ১০টি মূল্যবান ফ্যাশন টিপস

14046022_1063383290411552_5968540779830431494_nআপনি মানেন বা নাই মানেন, মানুষ মলাট দেখেই বই যাচাই করে। প্রতিদিন যাদের সঙ্গেই আপনার দেখা হচ্ছে তারা সবাই আপনাকে যাচাই করেন  পোশাক-পরিচ্ছদ দেখে। আর সে কারণেই আপনার এমন থাকা উচিত যাতে সবচেয়ে ভালো লাগে মানুষের কাছে। ফ্যাশন সম্পর্কে সচেতন হওয়া জরুরি। এখানে বিশেষজ্ঞরা দিচ্ছেন কিছু টিপস। এগুলো পেতে ফ্যাশন বিশেষজ্ঞদের যথেষ্ট মূল্য দিতে হয়। এখানে পাচ্ছেন একদম ফ্রি।

১. ফ্যাশনেবল হতে যে হাই হিল পরতে হবে এমন কোনো কথা নেই। পাগল চটিতেই দারুণ দেখাতে পারে। তা ছাড়া পুরুষদের ক্ষেত্রেও বিষয়টি প্রযোজ্য। স্নিকার্সের সঙ্গেও ব্লেজার ও জিন্স দারুণ স্মার্ট করে তোলে।

২. দামি পোশাকের সঙ্গে কমদামি জিনিসের মিশ্রণ চলতেই পারে। আবার দামি সাজের সঙ্গে কমদামি পোশাকেও ক্ষতি নেই।

৩. অন্যদের থেকে শিখতে পারেন। কিন্তু তাদের হুবহু অনুকরণ করবেন না। নিজের মতো থাকুন। আপনার যা ভালো লাগে তাই করুন।

৪. ফ্যাশনেবল জিনিসের জন্য অর্থ খরচ করতে পারেন। একাধিক জিনিস কেনার পরিবর্তে একটিই কিনুন। কিন্তু তা হবে ফ্যাশনেবল।

৫. স্কিনি জিন্স অনেকের প্রিয়। কিন্তু এটি সবাইকে ভালো লাগে না। তাই না মানালে কখনোই পরা উচিত নয়।

৬. কিছু সময় কোনো ফ্যাশন খুব বেশি জনপ্রিয় হয়ে যায়। এগুলো পরেন না এমন কারো দেখা মেলে না। এমন খুব বেশি প্রচলিত ফ্যাশন না করাই ভালো।

৭. ফ্যাশন হাউজে গিয়ে ডিজাইনারদের পোশাক কিনতে পারেন। তবে অনলাইনেও ঢুঁ মারতে পারেন। অনেকে প্রায় নতুন ডিজাইনারদের পোশাক অনেক কম দামে বিক্রি করেন।

৮. পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে বাড়তি অ্যাকসেরসরিজ ব্যবহার করতে পারেন।

৯. একটি সাইজ সবাইর জন্য প্রযোজ্য বলতে আসলে কোনো কথা নেই। প্রত্যেক মানুষের আকার ও আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন। তাই নিজের দেহে খাপ খায় এমন পোশাক দেখে কিনুন।

১০. হতে পারে কোনো নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের পোশাক আপনার দেহে পুরোপুরি খাপ খায়। সে ক্ষেত্রে সেখান থেকে পোশাক কিনতে পারেন। এ ছাড়া অন্যান্য ব্র্যান্ডের প্রতি বিশ্বস্ত থাকতে পারেন।

টালিউড কাঁপানো বাংলাদেশি নায়িকারা

যৌথ প্রযোজনা বলুন আর একক নির্মাণ বলুন, টালিউডে বাংলাদেশি অভিনেত্রীদের আনাগোনা নিয়মিতই বলা যায়। সাম্প্রতিক সময়ে বাণিজ্যিক এবং আর্টফিল্মে বাংলাদেশি অভিনেত্রীরা অভিনয় করে দুই বাংলার দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছেন। তেমনই কয়েকজন অভিনেত্রীর কথা জেনে নিন :

জয়া আহসান: দুইবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী অভিনেত্রী ও মডেল জয়া আহসান টলিউডে বিখ্যাত হয়েছেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ‘রাজকাহিনী’ ছবিতে অভিনয় করে। অভিনেত্রী হওয়ার পাশাপাশি রবীন্দ্রসঙ্গীত ও উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে বিশেষ পারদর্শী জয়া। বাংলাদেশের টেলি-ড্রামা এবং ধারাবাহিকের জনপ্রিয় মুখ তিনি।

সোহানা সাবা: জনপ্রিয় টিভি এবং চলচ্চিত্র অভিনেত্রী সোহানা সম্প্রতি টলিউডে অয়ন চক্রবর্তী পরিচলিত ‘ষড়রিপু’ ছবিতে অভিনয় করেছেন। সোহানার জন্ম ঢাকায়। ক্যারিয়ারের শুরুতে তিনি ছিলেন একজন নৃত্যশিল্পী। পরবর্তীকালে তিনি টিভি ধারাবাহিক এবং নাটকে অভিনয় করা শুরু করেন। তার পড়াশোনা ও বেড়ে ওঠা সবই ঢাকায়। সম্প্রতি ‘ষড়রিপু’ ছবিতে অভিনয় করে তিনি বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন।

কুসুম শিকদার: টলিউডে তার প্রথম ছবি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় অভিনীত গৌতম ঘোষের ছবি ‘শঙ্খচিল’। জন্ম ঢাকায়। ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন একজন গায়িকা হিসাবে। বেশ কিছু মিউজিক অ্যালবামও রয়েছে তার। পরবর্তীকালে কিছু সৌন্দর্য্য প্রতিযোগিতায় অংশ নেন এবং তার পরেই অভিনয় জগতে পরিচিত হয়ে উঠেন।

মাহিয়া মাহি: বাংলাদেশের হালের আলোচিত অভিনেত্রী মাহি টলিউডে অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরার বিপরীতে ‘রোমিও ভার্সেস জুলিয়েট’ এবং অভিনেতা ওম সাহানীর বিপরীতে ‘অগ্নি ২’-এ অভিনয় করেছেন। বাংলাদেশের রাজশাহীতে জন্ম হয় এই সুন্দরী অভিনেত্রীর। ক্যারিয়ারের শুরুতেই তিনি বড় পর্দায় অভিনয় করা শুরু করেন। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই অভিনয় জগতে খ্যাতি অর্জন করেছেন এই অভিনেত্রী।

দিলরুবা ইয়াসমিন রুহি: টলিউডে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে ‘গ্ল্যামার’-এ কাজ করেছেন, যেখানে তিনি একজন মডেলের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এছাড়াও অভিনয় করেছেন ‘স্পর্শ’ ছবিতে। রুহির জন্ম ঢাকায়। ক্যারিয়ারের শুরুতে তিনি মডেলিং করতেন। তার পরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোট গল্পের উপর আধারিত একটি টেলি-ড্রামাতে অভিনয় করেছিলেন। এর পর একে একে বড় পর্দায় অভিনয়ের সুযোগ আসে তার কাছে।