যে পাঁচ কারণে ঘুমানোর সময় কাপড় পরা উচিত নয়

সারাদিন শিক্ষাক্ষেত্রে অথবা কর্মক্ষেত্রে টিপটপ পোশাকে থাকতে আপনাকে। দিনের শেষে পোশাক পালটে একটু রিল্যাক্স করার চেয়ে বেশি সুখকর যেন আর কিছুই হয় না। কিন্তু বাড়ি গিয়ে যে পোশাক বদলান, রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে কি সেই পোশাক খুলে রাখেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে বেশিরভাগই বললেন, না। কারণ এ দেশে গুটিকয়েক মানুষ নগ্ন হয়ে ঘুমোন। শুধু এ দেশ কেন, মার্কিন মুলুকের ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশন জানাচ্ছে, মাত্র ১২ শতাংশ আমেরিকান রাতে অন্তর্বাস খুলে ঘুমোন। মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে নগ্ন হয়ে ঘুমের কী প্রয়োজন? বিজ্ঞান বলছে, এতে শরীর এবং মন দুই-ই ভাল থাকে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, নিচের অন্তর্বাস খুলে ঘুমানোর কী কী উপকারিতা রয়েছে।

ঘুম ভাল হয়: রাতে ঘুমের সময় মানুষের শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে সামান্য নেমে যায়। আবার ঘুম থেকে উঠলে তা বেড়ে যায়। চিকিৎসকদের মতে, অন্তর্বাস পরে ঘুমোলে শরীরের নিচের ভাগের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। বিছানার সঙ্গে অন্তর্বাস ঘষা খাওয়া অথবা ঘুমের সময় পাস ফেরার কারণে এমনটা হয়ে থাকে। যাতে ঘাম হয় এবং ঘুম ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর রাতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটলে সকালটা মোটেই ভাল লাগে না। এই কারণেই অন্তর্বাস খুলে ঘুমোলে ঘুম ভাল হয়।

বেশি স্বাস্থ্যকর: বর্তমানে অনেকেই এসি ঘরে ঘুমিয়ে অভ্যস্ত। অতিরিক্ত ঠান্ডার মধ্যে ঘুমোলে ঘাড়ের কাছে একটি ব্রাউন ফ্যাট জমা হয়। যা দেহের অতিরিক্ত ক্যালোরি ঝরিয়ে দিতে সাহায্য করে। কিন্তু যাঁরা অপেক্ষাকৃত গরম ঘরে ঘুমিয়ে অভ্যস্ত, তাঁদের নগ্ন হয়ে ঘুমোলেই বেশি ভাল। কারণ এতে শরীরের তাপমাত্রা কম থাকে। অর্থাৎ ক্যালোরি ঝরাতেও এই প্রক্রিয়া সাহায্য করে।

সংক্রমণ দূরে রাখে: মহিলা ও পুরুষ উভয়ই যদি নিচের অন্তর্বাস পরে ঘুমোন, সেক্ষেত্রে তা থেকে যৌনাঙ্গে নানা রোগ সংক্রমণের সম্ভাবনা থেকে যায়। এমন স্পর্শকাতর জায়গায় ব়্যাস, ফুসকুড়ির মতো ইনফেকশন হলে তা অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক। তাই শোওয়ার সময় এসব স্থান সম্পূর্ণ পোশাক মুক্ত রাখাই শ্রেয়।

স্পার্ম সুরক্ষিত রাখে: পুরুষদের ক্ষেত্রে এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত ৯৫-৯৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে স্বাভাবিকভাবে বীর্য উৎপন্ন হয়। কিন্তু টাইট অন্তর্বাস থাকলে সেই অঙ্গের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। ফলে বীর্যের গুণগত ক্ষতির সম্ভাবনা থেকেই যায়। এই কারণে নগ্ন হয়ে ঘুমানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।

পার্টনারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা: রাতের অন্ধকারে বিছানায় নগ্ন অবস্থায় পার্টনারের সঙ্গে ঘুমিয়ে যে সুখ, তার পোশাক পরে থাকার সঙ্গে তুলনাই চলে না। গবেষকরা বলছেন, এক শরীরের সঙ্গে অন্য শরীরের স্পর্শে মাথা থেকে অক্সিটোসিন হরমোন অনেকটা মুক্ত হয়। যার ফলে ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। আর তাতে যে যৌনজীবন আরও সুখের হয়ে ওঠে, তা বলাই বাহুল্য।

Advertisements

শাবানার সমালোচনায় তসলিমা নাসরিন

দীর্ঘদিন ভারতে নির্বাসিত জীবনযাপন করছেন বিতর্কিত বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিন। সেখান থেকেই বিভিন্ন সময় বাংলাদেশের নানা ইস্যু নিয়ে স্ট্যাটাস দিয়ে বা নানা জায়গায় মন্তব্য করে আলোচনায় আসেন তিনি। বরাবরই বেছে নেন ‌‘হট টপিকস’।

এবার তিনি ঢাকাই ছবির জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবানার সমালোচনা করলেন। আজ ১৯ জুলাই নিজের ব্যক্তিগত ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাস দেন তসলিমা। সেখানে এই অভিনেত্রীর কঠোর সমালোচনা করেন।

তিনি লিখেছেন, “শাবানা এতকাল পরপুরুষকে আলিঙ্গন করে, তাদের সঙ্গে কোমর দুলিয়ে নেচে যে ‘পাপ’ কামিয়েছেন, তা মোচন করতে হজে যাচ্ছেন, মসজিদ মাদ্রাসা বানাচ্ছেন।’

প্রায় এক যুগ আগে শাবানা মুসলমানের দেশ ত্যাগ করে ইহুদি নাসারাদের দেশ যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য চলে গেছেন বলেও তসলিমা জানান।

তসলিমা তার স্ট্যাটাসে লেখেন, বাংলাদেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবানা এখন আর অভিনয় করেন না, এখন তিনি বোরখা পরেন। ইসলামের গভীর জলে শরীর মন সব ডুবিয়ে দিয়েছেন এবং মুসলমানের দেশ ত্যাগ করে ইহুদি নাসারাদের দেশ যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় একযুগ আগে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য চলে গেছেন। তবে দেশে ফিরে ক’দিন আগে দেশের মানুষের জন্য একটি মসজিদ আর কোরান শিক্ষার ইস্কুল বানিয়ে দিয়েছেন।

তিনি নিশ্চিতই বেহেশতে যেতে চান। এতকাল অভিনয় করে, পরপুরুষকে আলিঙ্গন করে, তাদের সঙ্গে কোমর দুলিয়ে নেচে যে ‘পাপ’ কামিয়েছেন, তা মোচন করতে নামাজ রোজা তো করছেনই, হজে যাচ্ছেন, মসজিদ-মাদ্রাসা বানাচ্ছেন।’

স্ট্যাটাসে আরও বলা হয়, ‘টাকা থাকলে আমাদের দেশের বেহেস্তলোভী মূর্খগুলো ঠিক এই কাজই করে। মহল্লায় মহল্লায় এখন শত শত অপ্রয়োজনীয় মসজিদ। এই মসজিদগুলোর খুতবা শুনে শুনে ছেলেরা বিপথে যাচ্ছে, জিহাদি হচ্ছে, যুক্তিবাদিদের, মানববাদিদের, অমুসলিমদের, নারীদের ঘৃণা করা শিখছে।

মাদ্রাসায় আকছার ধর্ষণও হচ্ছে। বাংলাদেশের মসজিদ মাদ্রাসাগুলোয় কী শেখানো হয়, কী হয়- তা লক্ষ রাখার জন্য কোনো সরকারি ব্যবস্থা নেই। একটা রুগ্ন, পঙ্গু, অসুস্থ, দুর্বল, বিকৃত, লোভী, স্বার্থপর প্রজন্ম তৈরি করার জন্য মসজিদ মাদ্রাসার ভূমিকা অপরিসীম।’

তসলিমা শাবানাকে নিয়ে তার স্ট্যাটাসে আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে বাসই শুধু করেন শাবানা, ভালো কিছু শেখেননি ওখানে। যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ধনীদের দানের টাকায় চলে। আপনার টাকা পয়সা প্রচুর। আপনি কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে দিন। বাংলাদেশে কোরান শিক্ষার ইস্কুলের অভাব নেই, অভাব বিজ্ঞান শিক্ষার ইস্কুলের। অভাব ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র, নারী স্বাধীনতা, সমানাধিকার, মানবাধিকার, ইত্যাদি ভালো জিনিস শেখার ইস্কুলের। দেশের ভালো চাইলে ছেলেদের নারীবিদ্বেষী মোল্লা আর জিহাদি জঙ্গি না বানিয়ে মানুষ বানানোর চেষ্টা করুন।”

এই স্ট্যাটাস ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে তুমুল তর্ক-বিতর্ক। তসলিমা নাসরিনের স্ট্যাটাসের নিচেও অনেকে স্ট্যাটাসটির সমালোচনা করছেন। তবে বেশিরভাগ মন্তব্যই তসলিমাকে সমর্থন দিয়ে।

রণবীর সিংই দেশের পরবর্তী সুপারস্টার: রোহিত শেট্টি

সাফল্যের একের পর এক ধাপ পেরিয়ে চলেছেন রণবীর সিং। সঞ্জয়লীলা বনশালির পদ্মাবতীর শুটিং এখনও শেষ করে উঠতে পারেননি। এর মধ্যেই আরও এক ব্লকবাস্টার পরিচালকের সঙ্গে জুটি বেঁধে ফেললেন বলিউডের বাজিরাও। এবার নায়ককে দেখা যাবে রোহিত শেট্টির নয়া অ্যাকশন ফ্লিকে। ছবির নাম এখনও ঠিক হয়নি। ঠিক হয়নি নায়িকাও। কিন্তু রণবীর সিংই যে তাঁর নায়ক সে কথা সগর্বে ঘোষণা করে দিয়েছেন রোহিত। পরিচালকের মতে, রণবীরই ভবিষ্যতের সুপারস্টার।

আপাতত রিয়ালিটি শো খতরোঁ কে খিলাড়ির অষ্টম মরশুম নিয়ে ব্যস্ত পরিচালক। সেখানে সঞ্চালনার দায়িত্বে ফিরেছেন তিনি। তারই এক সাংবাদিক বৈঠকে রণবীর প্রসঙ্গ ওঠে। সেখানেই বাজিরাও-য়ের প্রশংসা শোনা যায় রোহিতের মুখে। রণবীরের কোন বিষয়টি তাঁর সবচেয়ে বেশি ভাল লাগে? এই প্রশ্নের উত্তরে পরিচালক বলেন, রণবীরের প্রাণশক্তি অফুরন্ত। সব সময় প্রবল এনার্জি থাকে তাঁর মধ্যে। আর এই জন্যই তাঁর জনপ্রিয়তা দিনের পর দিন বেড়ে চলেছে। রণবীরই বলিউডের পরবর্তী সুপারস্টার বলে ঘোষণা করেন পরিচালক।

জানান, আগামী ছবি নিয়ে নায়কের সঙ্গে কথাবার্তা অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। সব ঠিক থাকলে এই দিওয়ালির পরই শুরু হয়ে যাবে ছবির শুটিং। ছবিতে রণবীরকে নাকি প্রচুর স্টান্ট করতে দেখা যাবে। এমন স্টান্ট তাঁকে আগে করতে দেখা যায়নি। তবে রণবীরের নায়িকাকে এখনও পর্যন্ত খুজে বের করতে পারেননি পরিচালক। নতুন কাউকে নেবেন, নাকি পুরনো কারও উপর ভরসা রাখবেন, সে বিষয়ে এখনও দ্বিধা রয়েছে তাঁর মনে।

ভারতীয় শিল্পীরা আমাদের মূল্যায়ন করেন না

সঙ্গীতশিল্পী নাজমুন মুনীরা ন্যান্সী। অডিও গানের পাশাপাশি প্লে-ব্যাকেও চোখ পড়ার মতো উপস্থিতি ছিল তার। বর্তমানে প্লে-ব্যাকে নয়, অডিও গান ও স্টেজ শো নিয়েই ব্যস্ত আছেন তিনি। সমসাময়িক ব্যস্ততা ও অন্যান্য প্রসঙ্গে আজ কথা বলেছেন তিনি।

* বর্তমান কাজের ব্যস্ততা কী নিয়ে?

** সারা বছরই কোনো না কোনো গানের রেকর্ডিং থাকে। বেশ কয়েকটি মিক্স অ্যালবামের কাজ করলাম। সামনের সপ্তাহে তিনটি গানের রেকর্ডিং আছে। পাশাপাশি স্টেজ শো আগের মতোই করছি।

* গেল ঈদে আপনার বেশ কয়েকটি গান প্রকাশ হওয়ার পরও তা আলোচনার বাইরে, কারণ কী?

** বৈশাখ এবং ঈদে আমার যে গানগুলো প্রকাশ হয়েছে তা নিয়ে আমি খুব আশাবাদী ছিলাম। আমার নির্দিষ্ট কিছু গানের সমালোচক আছেন তারাও বলেছেন, কাজগুলো বেশ ভালো হয়েছে। কিন্তু তারপরও কেন দর্শক-শ্রোতাদের কাছ থেকে সাড়া পাইনি তা বুঝতে পারছি না। তবে আমি এটাকে ব্যর্থ বলব না। কারণ আমি নিজে কাজগুলো করে সন্তুষ্ট ছিলাম।

* সম্প্রতি একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীর সঙ্গে গান করেছেন…

** কাজটি আমার কোনো প্রজেক্টে ছিল না। আমার কাজ ছিল গান গাওয়া। তাছাড়া আমি চেয়েছিলাম সবাই ছেলেটিকে প্রমোট করুক। কারণ ছেলেটি যথেষ্ট প্রতিভাবান। যদি আমরা নতুনদের সুযোগ না দিই আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন মুখ কীভাবে আসবে।

* চলচ্চিত্রের গানেও আপনার উপস্থিতি নেই বললেই চলে…

** অন্যদের অবস্থা জানি না, তবে চলচ্চিত্রে আমার গানের অবস্থা খুব খারাপ। আগে কোনো ছবি হলেই আমার জন্য একটি হলেও গান বরাদ্দ থাকত। কিন্তু এখন আর তা হচ্ছে না। বাইরের শিল্পী বা কম্পোজার দিয়ে কম টাকা দিয়ে ছবির গান করিয়ে নেয়া হচ্ছে। তাছাড়া আমি যাদের সঙ্গে কাজ করতাম তারা আর সেভাবে কাজ করছেন না। তাই করছি না।

* যৌথ প্রযোজনায়, গান হচ্ছে বিষয়টি কীভাবে দেখছেন?

** যৌথ প্রযোজনার গান করতে সমস্যা নেই, কলকাতাসহ অন্যান্য দেশে নিজেকে পরিচিত করতে পারলে আমার ভালো লাগত। কিন্তু কলকাতার শিল্পীদের আমরা যতটা সম্মান দিয়ে আমাদের দেশে গান করাই তারা আমাদের ততটা মূল্যায়ন করেন না। এমনও দেখেছি, তাদের চ্যানেলে আমাদের শিল্পীদের সঙ্গে গান প্রচারের সময় তা কেটে তাদের শিল্পীদের গান চালাচ্ছেন। তাই যৌথ প্রযোজনার গানের বিষয়টি আমি ভালো চোখে দেখি না।

সিগারেট ছেড়ে দেওয়ার পর শরীরে যেসব পরিবর্তন হয়

ধূমপান ধীরে ধীরে নষ্ট করে দেয় শরীরের সব অঙ্গ। ছেড়ে দেওয়ার পর কয়েক বছরের মধ্যে শরীর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে বলে জানান ডাক্তাররা। এছাড়া সিগারেট ছেড়ে দেওয়ার পর আমাদের শরীরে যেসব পরিবর্তন হয় সেগুলো হলো-

১. সিগারেট খাওয়া ছেড়ে দেওয়ার ২০ মিনিটের মধ্যেই আমাদের রক্তচাপ কমে গিয়ে স্বাভাবিক হয়ে যায়। হাত ও পায়ে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে।

২. সিগারেট খাওয়া ছেড়ে দেওয়ার ৮ ঘণ্টার মধ্যে আপনার শরীরে জমে থাকা কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যাবে। অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ায় ফুসফুস থেকে ক্ষতিকারক ও অস্বস্তিকর ব্যাকটেরিয়া দূর হবে।

৩. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফুসফুসে জমে থাকা নিকোটিন শরীর থেকে বেরিয়ে যাবে। ফলে ঘ্রাণ ও স্বাদ বোধ বাড়বে।

৪. ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার ৩ দিনের মধ্যে আপনার ব্রঙ্কিয়াল টিউব প্রসারিত হবে। ফলে অনেক স্বাভাবিক ভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস চালাতে পারবেন, এনার্জি ফিরে আসবে, স্ট্রেস কমবে।

৫. ২ সপ্তাহের মধ্যে শরীরে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক হয়ে ফুসফুসের কর্মক্ষমতা ৩০ শতাংশ বেড়ে যায়। ফলে হাঁটাচলা করতে আগে যে হাঁফিয়ে উঠতেন, এই সময় থেকে তা কমে গিয়ে এনার্জি ফিরে পাবেন।

৬. ৩-৯ মাসের মধ্যে বুঝতে পারবেন আপনার আর নিশ্বাস নিতে বিশেষ কষ্ট হচ্ছে না। ধূমপানের কারণে যে খুকখুকে কাশি হতো তাও অনেক কমে এসেছে। এই সময় থেকে ব্রঙ্কিয়াল টিউবের ফাইবার আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসতে থাকে। যা ফুসফুস থেকে ব্যাকটেরিয়ার দূর করে পরিষ্কার রাখে।

৭. ধূমপান ছাড়ার ১ বছর পরও যারা কোনও দিন ধূমপান করেননি তাদের তুলনায় আপনার হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি থাকে দ্বিগুণ।

৮. সিগারেট ছেড়ে দেওয়ার ৫ বছরের মধ্যে স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়। কোনও দিন ধূমপান না করলেও যে ঝুঁকি থাকে, ৫ বছর পর ঝুঁকির পরিমাণ ঠিক ততটাই কমে আসে।

৯. ধূমপানের ফলে ফুসফুসের যে ক্ষতি হয়, ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার পর ১০ বছর সময় লাগে ফুসফুসের আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসতে।

লিংকিন পার্ক’ খ্যাত চেস্টার বেনিংটন আর নেই

চলে গেলেন গায়ক, গীতিকার, অভিনেতা চেস্টার বেনিংটন। লিংকিন পার্কের অন্যতম প্রধান গায়ক ছিলেন তিনি। তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।  লস অ্যাঞ্জেলেসে বৃহস্পতিবার ভোরে (স্থানীয় সময়) তার বাড়িতেই তার দেহ পাওয়া যায়।

লিংকিন পার্কের হাত ধরেই তার পরিচিতি। এছাড়াও দুটি রক ব্যান্ডের সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন। তার প্রতিভা তাকে স্থান দেয় “শ্রেষ্ঠ ১০০ হেভি মেটাল ভোকালিস্ট”-এর তালিকায় (হিট প্যারাডর এই স্থান দেয়)।

চেস্টার বেনিংটনের দুটি বিয়ে। ছয় সন্তান বর্তমান। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৪১। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সংগীত জগত এবং তার অনুরাগীমহলে।

বাহুবলীকে হারিয়ে দিতে আসছে তানাজি

আসছে তানাজি। বুধবার প্রকাশিত হয়েছে ছবির প্রথম পোস্টার। আর প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে টুইটারে তাকে লক্ষ করে ভেসে এসেছে প্রবল উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা। মারাঠি ইতিহাসের উজ্জ্বল নাম তানাজি মালুসারে। প্রায় সাড়ে তিনশো বছর আগে সিনহাগাদের যুদ্ধে তাঁর প্রবল বিক্রম আজও কিংবদন্তি হয়ে আছে। সেই বীর যোদ্ধাকে এ বার রুপোলি পর্দায় নিয়ে আসছেন অজয় দেবগণ। ছবির পোস্টারে দেখা যাচ্ছে একটি ঢালের সাহায্যে আত্মরক্ষা করছেন তানাজি-বেশী অজয়। তাঁর ঢালে এসে ঠিকরে যাচ্ছে অসংখ্য তির।

একে কিংবদন্তি তানাজি, তায় অজয়ের মতো জনপ্রিয় অভিনেতা। দুয়ে মিলে তৈরি হয়েছে তুমুল উচ্চাশা। টুইটারে সুপার্ব, ইনটেন্স ইত্যাদি প্রতিক্রিয়া দিয়েছে সকলে। তবে সেরা কমেন্টটি নিঃসন্দেহে করেছেন একজন। যিনি বলেছেন, বাহুবলী কে? আমি কেবল তানাজিকে চিনি।

প্রসঙ্গত, বাহুবলীর তুমুল সাফল্যের পরে রাজারাজরা, তরবারি, ধনুক, তিরের আকর্ষণ বেড়ে গিয়েছে দর্শকদের কাছে। তবে বাহুবলী নিছকই কাল্পনিক চরিত্র। সেই জায়গায় তানাজি কিন্তু ঐতিহাসিক চরিত্র। তাই তাঁর আবেদন এক অন্য মাত্রায় দর্শকদের কাছে পৌঁছবে এ কথা বলাই যায়।

তবে বাহুবলী-এর দুটি ছবি যে ইতিহাস রচনা করেছে তাকে ছোঁয়া মোটেই সহজ হবে না কোনও ছবির পক্ষেই। কিন্তু সব সময়ই সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাজকে যে মাথায় রেখে স্বপ্ন রচিত হবে, সেও তো জানা কথাই। তাই দর্শকরা আশা করতেই পারেন, এই ছবি নতুন কোনও কীর্তি রচনা করবে। তানাজি সে আশা পূরণ করতে পারবে কি না, সেটা জানতে অবশ্য লম্বা অপেক্ষা করতে হবে। ওম রাউতের পরিচালনায় এই ছবি মুক্তি পাওয়ার কথা ২০১৯ সালে।

পেটে কৃমি আছে কি না কীভাবে বুঝবেন

হঠাৎ হঠাৎ পেটে ব্যথা বা মাথার যন্ত্রণা। কিন্তু চিকিৎসকের কাছে যেতেই তিনি বলে দিচ্ছেন তেমন কিছুই হয়নি আপনার। সারাদিন শরীরে অ্স্বস্তি বোধ লেগেই রয়েছে। এটার কারণ একটাই হতে পারে, আর সেটা হল কৃমি। কিন্তু পেট ব্যথা আর মাথা যন্ত্রণাই শুধু নয়, আপনার শরীরে যে কৃমি বাসা বেঁধেছে, তা বোঝার জন্য আরও কয়েকটি উপসর্গ রয়েছে।

কী সেই উপসর্গগুলি?
• অস্থিরতা, অকারণে অতিরিক্ত চিন্তা, অবসাদে ভোগা, আত্মহত্যাপ্রবণ হওয়া।
• মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ার অতিরিক্ত ইচ্ছা।
• রক্তাল্পতা এবং আয়রন ডেফিশিয়েন্সি। কৃমি থাকলে শরীরে রক্তের পরিমাণ কমতে কমতে অ্যানিমিয়া পর্যন্ত হতে পারে।
• ত্বকের রোগে আক্রান্ত হওয়া, র‌্যাশ, অ্যাকনে, চুলকুনি ইত্যাদি হওয়া।
• মাড়ি থেকে রক্তপাত হওয়া।
• ঘুমনোর সময়ে মুখ থেকে লালা পড়া।
• ফুড অ্যালার্জি।
• খিদে না পাওয়া।
• মেনস্ট্রুয়াল সাইকেলে সমস্যা।
• অকারণে ক্লান্ত হয়ে পড়া।
• গা-হাত-পা ব্যথা।
• নিশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া।
• স্মৃতিভ্রম হওয়া।

উপসর্গগুলি পড়ে অনেকেই নিজেদের সমস্যার সঙ্গে মিল খুঁজে পাবেন, কারণ সমীক্ষা বলেছে ৮৫ শতাংশ মানুষের পেটে কৃমি থাকে। কিন্তু কীভাবে মুক্তি পাবেন কৃমির হাত থেকে! মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসক আব্রাম বের জানিয়েছেন, ওষুধ নয়, কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতেই কৃমি থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

• কাঁচা রসুন— কাঁচা রসুন অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। রসুন প্রায় ২০ ধরনের ব্যাকটেরিয়া এবং ৬০ ধরনের ফাংগাস মেরে ফেলতে পারে। তাই নিয়মিত কুচনো কাঁচা রসুন খান অথবা রসুনের জুস করে খান।
• লবঙ্গ— লবঙ্গ কলেরা, ম্যালেরিয়া, যক্ষ্মাকে প্রতিরোধ করতে পারে। এ ছাড়া রোজ লবঙ্গ খেলে ব্যাকটেরিয়া,ভাইরাস, ফাংগাস ইত্যাদি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
• আদা— আদা হজমের সমস্ত রকমের সমস্যা মেটাতে সক্ষম। হজমের সমস্যা, অ্যাসিডিটি, পেটে ইনফেকশন, ইত্যাদি দূর করতে আদার জুড়ি মেলা ভার। এই সমস্যাগুলিও কৃমি থেকে তৈরি হয়। তাই এই ধরনের সমস্যা দূর করতে কাঁচা আদার রস খান খালি পেটে।
• শশার বীজ— ফিতাকৃমি রুখতে শশার দানা সর্বশ্রেষ্ঠ। শশার দানাকে গুঁড়ো করে নিন। প্রতিদিন এক চা-চামচ করে খান।
• পেঁপে— পেটের সমস্যা দূর করতে পেঁপের থেকে ভাল কিছু হয় না। যে কোনও ধরনের কৃমি তাড়াতে পেঁপের বীজ শ্রেষ্ঠ। ভাল ফল পেতে পেঁপে এবং মধু খান।
• কাঁচা হলুদ— কাঁচা হলুদ অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে।

ডিভোর্সের কথা স্বীকার করলেন তাহসান-মিথিলা

দীর্ঘদিনের গুঞ্জন অবশেষে সত্যি হলো। আনুষ্ঠানিকভাবে ডিভোর্স হতে যাচ্ছে দেশের জনপ্রিয় তারকা জুটি তাহসান-মিথিলার। ২০ জুলাই দুপুর দেড়টার দিকে তাহসান তার ভ্যারিফায়েড পেজ থেকে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে ডিভোর্সের বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন।

তিনি লিখেছেন, আমরা বেশ কয়েক মাস থেকেই আলাদা থাকছি। গত কয়েকমাস ধরেই বিষয়টি নিয়ে আমরা ভাবছিলাম। অবশেষে সিদ্ধান্ত নিলাম কোন চাপে না থেকে আলাদা থাকার। আমরা জানি আমাদের এই সিদ্ধান্তে অনেকে ব্যথিত হবেন। সে জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি।

tahasan-1437292195

তিনি আরও লিখেন, আমরা সব সময়ই আমাদের সম্পর্কটা ভালোবাসা ও নীতিবোধের মধ্যে রেখেছিলাম। আশা করবো এই সিদ্ধান্তের পরও সেটা অব্যহত থাকবে। আমাদের এই কঠিন সময়ে আমাদের ভক্তরা আমাদের সাথে থাকবেন বলেই বিশ্বাস করি আমরা।’

গুঞ্জন বা গসিপ যাই বলি না কেন, ইস্যুটা কিন্তু নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরেই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, জনপ্রিয় তারকা জুটি তাহসান-মিথিলা তাদের সম্পর্কের বিচ্ছেদ ঘটিয়েছেন। আর গতকাল রাত থেকে ফেসবুকে এই খবরটি আরো বেশি উত্তাপ ছড়ায় এই জুটির ভক্তদের মাঝে। অনেকেই ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়া শুরু করেন ডিভোর্সের ঘটনা নিয়ে।

এদিকে কিছুদিন আগে নিজেদের বিচ্ছেদের গুঞ্জন বিষয়ে মিথিলা বলেছিলেন, তাদের সম্পর্কের বিষয় নিয়ে মিডিয়ার মাথা না ঘামালেও চলবে।

তিনি বলেছিলেন,’কে কি বললো ওগুলো নিয়ে আমি একদমই ভাবি না। মানুষের কথা শোনার সময় আমার নেই। তারা তো কত কথাই বলবে! আমার লাইফ একটা রুটিনে চলে। আমি আমার কাজ আমি করে যাচ্ছি। আমি শুধু সবাইকে এটাই বলব, আমার যদি কিছু বলার থাকে আমরা সোচ্চার হয়ে সবলভাবে বলব। কেনো লুকোছাপার কিচ্ছু নেই। এ নিয়ে এতো মাথাব্যথার কোনো কারণ নেই। যাদের বিষয়ে কথা হচ্ছে, আমার মনে হয় মাথাব্যথাটা তাদেরই হওয়া উচিত। বাকি মানুষদের এ বিষয়ে চিন্তাভাবনা না করলেও চলবে। তাদের (তাহসান-মিথিলা) যদি কিছু বলার থাকে, যখন সময় হবে তারাই সব বলবে। যখন সময় হবে কি সত্যি না মিথ্যা সেটা সবাই জানতে পারব। আমি এমন একটা মানুষ যে ফেইক একটা লাইফ লিড করতে পারি না। আর কোনো মিথ্যার আশ্রয়ে আমি এমনিতেও থাকব না।’

বলে রাখা ভালো ২০০৪ সালে তাহসান মিথিলার প্রেম শুরু হয়েছিল। ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট তারা বিয়ে করেন। তাদের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।

এখনই মা হতে চাই : সানি লিওন

ভারতের এক জনপ্রিয় ইংরেজি দৈনিক আয়োজিত ফেসবুক লাইভে নিজের সম্পর্ক এবং পরিবার নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করলেন বলিউড ডিভা সানি লিওন।

সানি লিওন জানালেন, যদি জীবনে কখনও সন্তানলাভের সৌভাগ্য অর্জন করি ভগবানের কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকব আমি। স্বামী ড্যানিয়েল ওয়েবারের সঙ্গে নিজের পরিবার চান, একথাও পরিষ্কার জানিয়েছেন এই বলি ডিভা।

পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন করলে সানি জানান, আমি ব্যক্তিগতভাবে এখনই মা হতে চাই। কিন্তু আমি এখনও এমন কোনও সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি না।

শিশুদের প্রতি নিজের ভালোবাসার কথা বলতে গিয়ে সানি লিওন নিজের এক অভিজ্ঞতার কথাই তুলে ধরেন। একবার একটা শিশু আমার কোলে এত আদর খেয়েছে যে নিজের মায়ের কাছেই যেতে চাইছিল না। হাসতে হাসতে এই অভিজ্ঞতার কথাই ব্যক্ত করেছেন সানি লিওন।

এরপর সম্পর্ক প্রসঙ্গে সানি নিজের মত জানাতে গিয়ে বলেন, কমিউনিকেশন এবং শ্রদ্ধা, এই দুটি বিষয়ই সম্পর্কে সবথেকে জরুরী। কমিউনিকেশন ছাড়া কখনই ওপর প্রান্তের মানুষটিকে চেনা যায় না। আর শ্রদ্ধা এমন একটি বিষয় যা একটা নির্দিষ্ট সীমারেখা তৈরি করতে শেখায়। কতটা পর্যন্ত বলা উচিত আর কোনটা বলা উচিত নয়, এটাই বুঝিয়ে দেয় পারষ্পরিক শ্রদ্ধা।

শাকিবের ওপর নিষেধাজ্ঞায় কার লাভ?

শাকিবের সঙ্গে কাজ করবেন না চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ১৬টি সংগঠন নিয়ে গঠিত চলচ্চিত্র ঐক্যজোট বা চলচ্চিত্র পরিবারের কোনো সদস্য। সম্প্রতি লিখিত আকারে এমন কথাই জানিয়েছেন ঐক্যজোটের নেতারা। এমন ঘোষণার পরই ফুঁসে উঠেছেন শাকিব ভক্তরা। শুধু ভক্তরাই নন, একই পরিবারের অনেক সদস্যও এমন সিদ্ধান্তের বিপক্ষে মত দিয়েছেন। তবে নিষেধাজ্ঞার ভয়ে তারা মুখ খুলতে পারছেন না। তাদের কথা হচ্ছে, যারা এখন শাকিব খানের সঙ্গে কাজ না করার সিদ্ধান্তের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সে পরিচালকরা এক সময় শাকিব খানকে দিয়ে ডজন ডজন ছবি বানিয়েছেন। তখন শাকিব তাদের কাছে ভালো ছিলেন। কারণ শাকিবের শিডিউল তারা পেতেন। তখন তাদের কারণে নতুন কোনো ডিরেক্টর শাকিবের শিডিউল পেতেন না। তখন তো তারা শাকিবের বিরুদ্ধে নামেননি? অনেকে আবার শাকিবের সঙ্গে কাজ না করার সিদ্ধান্তকে ‘মাথাব্যথা বলে মাথা কেটে ফেলার মতো অবস্থা’ বলে মন্তব্য করছেন। এখন কথা হচ্ছে, শাকিব খানের সঙ্গে কাজ না করলেই সমস্যার সমাধান হবে? যারা এখন শাকিব খানকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন তাদের একটু ভাবা দরকার চলচ্চিত্রের কত বড় ক্ষতি তারা ডেকে আনছেন। শাকিব খান বর্র্তমানে ব্যবসাসফল ছবির নায়ক। কিন্তু এ মুহূর্তে তাকে দূরে ঠেলে দেয়া হবে চরম বুদ্ধিহীনতার পরিচয়- এমনটাও বলছেন চলচ্চিত্রবোদ্ধারা। তারা বলছেন, সবাইকে মনে রাখতে হবে চলচ্চিত্র পরিবারের বাইরেও দেশে অনেক টেকনিশিয়ান, অভিনয় শিল্পী, নির্মাতা রয়েছেন। যারা এখনও কাজ করার জন্য ছোটাছুটি করছেন। কিংবা বিদেশ থেকে টেকনিশিয়ান, অভিনয়শিল্পী ও নির্মাতা নিয়ে এসে উপযুক্ত নিয়মে কাজ শুরু করেন শাকিব, তাহলে চলচ্চিত্র পরিবারের কী লাভ হবে? তাই হুট করে সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে একটু ভাবুন। যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে সেটি কী আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পীদের জন্য সুফল বয়ে আনবে?

Za ‘n Zee এর নতুন বিজ্ঞাপনে সাকিব আল হাসানের সাথে নিঝুম ফারুকী

কাজী ফুড ইন্ডাস্ট্রিজের অন্যতম ব্র্যান্ড জা এন জি (Za ‘n Zee) শাহী মালাই আইসক্রিমের বিজ্ঞাপনে বিশ্ব সেরা ক্রিকেট অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের সাথে এবার একই পর্দায় কাজ করলেন মডেল ও চিত্রনায়ক নিঝুম ফারুকী। সাকিব ফাহাদের নির্দেশনায় সম্প্রতি ঢাকার উত্তরায় বিজ্ঞাপনটির শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। খুব শীঘ্রই স্যাটেলাইট চ্যানেল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিজ্ঞাপনটি প্রচারিত হবে।

20180413_1363850153733654_1891535087_o