All posts by bdgossips

গান শুনে কি কখনো গায়ে কাঁটা দেয়? তাহলে আপনি স্পেশাল!

আপনার কি কখনো কখনো বিশেষ কোনো গান শুনে বা সিনেমা দেখে গায়ে কাঁটা দিয়ে ওঠে লোম খাড়া হয়ে যায়? বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়দের থেকে এই কথাটা মাঝেমধ্যেই শুনে থাকি আমরা। বিশেষত, কোনও দৃশ্য দেখলে বা কোনও গান শুনলে, তাঁদের নাকি গায়ে কাঁটা দিয়েছিল।

ইংরেজিতে একে বলে ‘গুসবাম্পস্’। কিন্তু, আদৌ কি গায়ে কাঁটা দেয়?

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, না, কাঁটা দেওয়ার অর্থ তা নয়। এর অর্থ অন্য। কোনও কিছু শুনে বা দেখে শরীরে বিশেষ কোনও অনুভূতি হলে, বুঝতে হবে ওই গান বা দৃশ্য-এর আবেগকে বিশেষভাবে আত্মস্থ করছেন আপনি। এই ধরনের মানুষরা আর পাঁচজনের থেকে আলাদা হন।

হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ম্যাথু স্যাচ সম্প্রতি এই তথ্য জানিয়েছেন, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জার্নালে। ম্যাথুর মতে, এই ধরনের বিশেষ অনুভূতিসম্পন্ন মানুষদের মস্তিষ্ক আর পাঁচজনের থেকে আলাদা হয়। অর্থাৎ, এদের ব্রেন আবেগ বা অনুভূতিকে বিশেষভাবে গ্রহণ করতে পারে। তাই এই ধরনের মানুষরা ‘বিরল’ হন।

এরা সত্যিই স্পেশাল মানুষ।

Advertisements

প্রচ্ছদে শহিদ -মীরা জুটি, ইন্টারনেটে ভাইরাল

শহিদ কাপুর ও মীরা রাজপুত। দাম্পত্য জীবনে মধুর এলিমেন্ট এঁদের প্রচুর।

প্রেমের অনেক রঙিন ফ্রেম এঁরা উপহার দিয়েছেন।

হাঁটুর বয়সী মীরাকে ২০১৫ সালে বিয়ে করেন শহিদ কাপুর। কারিনা-প্রিয়াঙ্কা বিভিন্ন ঘাটের পানি খেয়ে শহিদ শেষ পর্যন্ত সম্বন্ধ করে বিয়েতে সম্মত হন। তাও আবার ১৩ বছরের ছোট মেয়েকে বিয়ে করেন শহিদ। উচ্চবিত্ত পরিবারের মেয়ে হলেও বলিউডি ঘরানার সঙ্গে খুব বেশি যোগ ছিল না তাঁর। কিন্তু ধীরে ধীরে দু’ বছর পেরিয়ে তিনিও আজ গ্ল্যামার জগতের বাসিন্দা।

সুন্দরী মীরা তাই এখন জনপ্রিয় ম্যাগজিনের কাভার পেজে আসার যোগ্যতাও অর্জন করে নিয়েছেন। প্রথম কভার পেজ অ্যাপিয়ারেন্সে তাঁর সঙ্গী তাঁর হাবি শহিদ কাপুর। প্রথম সব কিছুর আনন্দই আলাদা।

আর তাই আবেগে ভেসে শহিদের বউ নিজেদের ম্যাগাজিনের কাভার পেজের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় দিয়ে দিয়েছেন।

বয়সকালে সুস্থ থাকতে বিয়ে করুন : গবেষণা

ব্রিটেনের লগবোরোহ ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, বয়সকালে স্মৃতিভ্রংশ ব্যাপক হারে দেখা যায়। এ অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে পারে বিয়ে।

এ ছাড়াও সহায়তা করে বন্ধুত্ব। কাজেই বিবাহিত জীবন এবং বন্ধুত্বই বুড়োদের স্মৃতি হারানো থেকে বাঁচাতে পারে।

গবেষণায় বলা হয়, বয়স হলে আলঝেইমার্সের মতো রোগ সারাইয়ের কাজ করে থাকে বিয়ে। এ কাজে বিশেষজ্ঞরা একটানা ৭ বছর ধরে ৬৬৭৭ জন মানুষের ওপর গবেষণা চালিয়েছেন। আলঝেইমার্সের ঝুঁকি আগেভাগেই অনেকাংশে কমিয়ে আনে বিবাহিত জীবন। যদি কাছের কিছু বন্ধু-বান্ধব থাকে তবুও উপকার মিলবে।

আলঝেইমার্সে আক্রান্তদের ওপর গবেষণা করে দেখা গেছে, বেশ কিছু লক্ষণ আগে থেকেই দেখা দেয়। যেমন- মধ্যবয়সে শ্রবণশক্তি কমে আসা। বিষণ্নতা দেখা দেয় ধীরে ধীরে।

শারীরিকভাবেই অকর্মন্য ভাব চলে আসে। সামাজিকভাবেও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে থাকে মানুষ। উচ্চ রক্তচাপও দেখা দিতে থাকে।

রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে মালেক আফসারীর অন্তর জ্বালা’

বিজয় দিবস উপলক্ষে আগামী ১৫ ডিসেম্বর দেশব্যাপী মুক্তি পেতে যাচ্ছে মালেক আফসারীর অন্তর জ্বালা’। পরীমনি ও জায়েদ খান অভিনীত প্রাথমিকভাবে সারা দেশের ১৭৫ প্রেক্ষাগৃহে দেখানো হবে ছবিটি। পরে প্রেক্ষাগৃহের সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে। ‘অন্তর জ্বালা’র পরিচালক মালেক আফসারী নিজেই এসব তথ্য জানান।

সেই হিসেবে দেশের সবচেয়ে বেশি প্রেক্ষাগৃহে ছবি মুক্তি দিয়ে নতুন রেকর্ড গড়তে যাচ্ছেন পরিচালক মালেক আফসারী। এর আগে যে রেকর্ডটি ছিল আরেক নামি চলচ্চিত্র নির্মাতা বদিউল আলম খোকনের ঝুলিতে। তাঁর ‘রাজাবাবু’ ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল ১৬৪টি হলে। সেটি টপকে নতুন রেকর্ডের পথে পরীমনি-জায়েদ জুটির ‘অন্তর জ্বালা’

ছবি নিয়ে মালেক আফসারি বলেন, ‘চলচ্চিত্রাঙ্গনে নানা অস্থিরতার বিরাজ করছিল। সেজন্য এতদিন মুক্তি দেইনি। এখন পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ায় মুক্তি দিতে যাচ্ছি। এবার আর তারিখ পরিবর্তন হবে না।’

নায়ক মান্নার পরিবেশনা সংস্থা কৃতাঞ্জলি চলচ্চিত্র থেকে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘অন্তর জ্বালা’। ছবিতে পরীমনি এবং জায়েদ খান ছাড়াও অভিনয় করছেন নবাগত জয় চৌধুরী, মৌমিতা মৌ, প্রয়াত খল অভিনেতা মিজু আহমেদ, সাঙ্কু পাঞ্জা, রেহেনা জলী, বড়দা মিঠু ও চিকন আলী।

মহাকাশে আরো ২০ ‘পৃথিবী’র খোঁজ পেল নাসা

এই ব্রহ্মাণ্ডে যে আমরা আর একা নই, তা আরো একবার প্রমাণ করল নাসার ‘কেপলার মিশন’। এই সৌরমন্ডলের বাইরে প্রাণ খুঁজতে গিয়ে কয়েকটি নতুন ‘জায়গা’ পেয়ে গেলেন মহাকাশবিজ্ঞানীরা।
আর তা একটা কিংবা দুইটা নয়। ২০টি। যারা সবাই ভিন গ্রহ। এই ব্রহ্মাণ্ডে সম্ভাব্য কোন কোন জায়গায় প্রাণ আছে, তা খুঁজতে মহাকাশে পাড়ি জমিয়েছিল ‘কেপলার’ মহাকাশযান। তাতেই ধরা দিয়েছে এই ২০টি নতুন গ্রহ।
পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতির মতো আমাদের সৌরমণ্ডলের গ্রহগুলো ছাড়াও অনেক অনেক গ্রহ রয়েছে অন্যান্য সৌরমন্ডলে। অন্য সৌরমণ্ডলের এই গ্রহগুলোকেই আমরা বলি ‘ভিনগ্রহ’ (এক্সো-প্ল্যানেট্‌স)। নাসা জানিয়েছে, এই ভিন গ্রহগুলো পৃথিবীর মতোই পাথুরে গ্রহ বা ‘রকি প্ল্যানেট’।
আবহাওয়াতেও কিছু সাদৃশ্য রয়েছে। এরা সবাই নিজেদের মতো পাক মারছে কোনো না কোনো  নক্ষত্রের চারপাশে। নাসার বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবীর সঙ্গে সবচেয়ে বেশি মিল রয়েছে যে ভিন গ্রহটির তার নাম ‘কেওআই-৭৯২৩.০১’।

সুস্বাস্থ্যের জন্য আট ঘণ্টা ঘুম কতটা জরুরী?

পৃথিবীজুড়ে বিভিন্ন চালানো গবেষণায় তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে, কারা বেশি রোগাক্রান্ত হয়। যারা কম ঘুমায় কিংবা যারা বেশি ঘুমায় তারা নানা রোগে আক্রান্ত হয় এবং কম বাঁচে।

কম ঘুমানোর কারণে তারা রোগাক্রান্ত হচ্ছে কি না সেটি বলা বেশ কঠিন। এখানে কম ঘুমানো মানুষ বলতে তাদেরকে বোঝানো হয়েছে যারা রাতে ছয় ঘণ্টার কম ঘুমায়। অন্যদিকে বেশি ঘুমানো মানুষ বলতে তাদের বোঝানো হয়েছে যারা নয় কিংবা ১০ ঘণ্টার বেশি ঘুমায়।

বয়:সন্ধিকালের আগ পর্যন্ত প্রতি রাতে ১১ ঘণ্টা ঘুমানোর জন্য পরামর্শ দেয়া হয়েছে। নবজাতকের জন্য প্রতিদিন ১৮ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন বলে উল্লেখ করা হয়েছে গবেষণায়। যাদের বয়স ১৩ থেকে ১৯ বছর তাদের প্রতিরাতে ১০ ঘণ্টা ঘুমানো উচিত।

ডাবলিনের ট্রিনিটি কলেজের মস্তিষ্ক বিষয়ক গবেষক শেন ও’মারা বলেন, শুধু কম ঘুমের কারণেই স্বাস্থ্য খারাপ হয় কি না সেটি বলা খুব কঠিন। তবে একটির সাথে আরকেটির সম্পর্ক আছে।

উদাহরন স্বরূপ বলা যায়, যারা কম ব্যায়াম করে তারা কম শারীরিকভাবে কম ফিট থাকে।

ফলে যার ফলে বেশি ঘুম পায় এবং নিজেকে ক্লান্ত মনে হয়। আবার ক্লান্ত থাকার কারণে ব্যায়াম করা কমে যায়।

অনেকে আছেন যারা সাংঘাতিক ভাবে ঘুম বঞ্চিত। রাতে এক-দুই ঘণ্টার বেশি তাদের ঘুম হয় না। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এর কারণে স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যায়।

ঘুম কম হবার কারণে শারীরিকভাবে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। পৃথিবীজুড়ে ১৫৩টি গবেষণা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কম ঘুমের কারণে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ এবং মোটা হয়ে যাবার সম্পর্ক আছে। প্রায় ৫০লাখ মানুষের উপর এসব গবেষণা চালানো হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, একটানা কয়েক রাত যদি ঘুম কম হয় তাহলে সেটি ডায়াবেটিসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যেতে পারে। এ ধরনের নিদ্রাহীনতা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে শরীরের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়।

ঘুম কম হলে টিকার কার্যকারিতা এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুম হলে ক্ষুধার তীব্রতা বাড়ে এবং এতে বেশি খাবারের চাহিদা তৈরি হয়। ফলে মোটা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এর ফলে মস্তিস্কের কার্যক্ষমতা কমে যায় এবং এর ফলে দীর্ঘমেয়াদী স্মৃতি বিভ্রম তৈরি হতে পারে।

অধ্যাপক ও’মারা বলেন, দিনের বেলায় মস্তিকের ভেতরে নানা ধরনের জিনিস তৈরি হয় এবং রাতে ঘুমের মাধ্যমে সেগুলো অপসারণ হয়ে যায়। এ কারণে মস্তিষ্ক দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়ে।

তবে অতিরিক্ত ঘুম হলে শরীরের উপর কী ধরনের প্রভাব পড়ে সেটি পুরোপুরি বোঝা যাচ্ছে না ।

আমরা যখন ঘুমাই তখন গুমরে কয়েকটি স্তরের ভেতর দিয়ে যাই। ঘুমের একটি চক্র আছে। প্রতিটি চক্র ৬০ থেকে ১০০ মিনিট পর্যন্ত থাকে। ঘুমের বিভিন্ন স্তরের সময় আমাদের শরীরের ভেতরে যেসব বিভিন্ন ধরনের ক্রিয়া-বিক্রিয়া ঘটে।
এ স্তরগুলোর মধ্যে আছে- ঘুম-ঘুম ভাব, হালকা গভীর ঘুম এবং গভীর ঘুম।

শিফট অনুযায়ী কাজ করলে সেটি স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক ফেলে। গবেষকরা বলছেন, যারা নাইট শিফটে কাজ করেন তারা দিনের এমন এক সময়ে ঘুমাতে যান যখন তাদের ঘুম কম হয়। ফলে তাদের ডায়াবেটিস এবং মোটা হয়ে যাবার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমের রিপোর্ট দেখে মনে হয় আমরা সাংঘাতিক নিদ্রাহীনতায় ভুগছি। কিন্তু আমরা কি আসলেই আগের চেয়ে কম ঘুমাচ্ছি? কিন্তু বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, কোন কোন দেশে মানুষের মাঝে গড়ে ঘুমের সময় বেড়েছে। আবার কোথাও কিছুটা কমেছে।

ক্যাফেইন এবং অ্যালকোহল পানের কারণে ঘুমের উপর প্রভাব রাখতে পারে।

আমাদের জীবন, স্বাস্থ্য এবং মানসিক অবস্থার উপর ঘুমের প্রভাব কতটা -সেটা কি আমরা জানি? প্রতিদিন আমাদের কতক্ষণ ঘুমানো উচিত? আমরা প্রায়ই শুনি যে প্রতি রাতে আমাদের আট ঘন্টা ঘুমানো উচিত। যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস এবং আমেরিকার ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশন বলে, প্রতি রাতে আটঘন্টা ঘুম প্রয়োজন। কিন্তু আট ঘণ্টা ঘুমের এ ধারনা কোথা থেকে আসলো?

জানুয়ারিতে কপিল শর্মার বিয়ে

আগামী বছরের জানুয়ারিতে প্রেমিকা গিনি চাতরাথের সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হতে যাচ্ছেন কপিল শর্মা। কপিলের একটি ঘনিষ্ঠসূত্র সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘দুই পরিবারের পক্ষ থেকে অনেক চাপ দেওয়া হচ্ছে।

গিনির পরিবার চাইছেন এ জুটির সম্পর্কটির আনুষ্ঠানিক পরিণতি হোক। কপিলের মা বিয়ে করার জন্য তাকে জোর করছেন, কারণ গিনিকে তিনি অনেক পছন্দ করেন এবং তার সঙ্গে সম্পর্কটাও বেশ ভালো।

গিনি প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, কপিল নিজেকে শুধরে নেওয়ার পরই তাকে বিয়ে করবেন। এখন মদ, নেশা থেকে দূরে রয়েছেন কপিল। তার মনের অবস্থাও ভালো। তাই এখন কপিল বিয়ে করার জন্য মনস্থির করেছেন।

২০১৪ সালে ভারতীয় একটি হিন্দি দৈনিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কপিলের ভাই অশোক শর্মা জানান, কপিল জলন্ধর-নিবাসী ভবনীত চাতার্থকে বিয়ে করতে চায়। দু’জনে এক সঙ্গে কমেডি শো ‘হাস বলিয়ে’-তে অংশগ্রহণ করেছিল। তাদের বলিউড ফিল্ম ‘ব্যাংক চোর’ রিলিজ করার পরে বিয়ে করবে বলে স্থির করেছে।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই বিয়ে আর হল না কেন? ২০১৫ সালে যখন যশরাজ ফিল্মসের ছবি ‘ব্যাংক চোর’-এ কাজ করার সুযোগ কপিলের হাতছাড়া হল, তখনও শোনা যাচ্ছিল কপিল আর ভবনীতের বিয়ের খবর একেবারে পাক্কা। তারপর ‘কিস কিস কো পেয়ার করু’ ছবির কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন কপিল। সেই সময় থেকেই আস্তে আস্তে কপিল-ভবনীতের প্রেম নিয়ে চর্চা কমে আসতে শুরু করে। একটা সময়ে ভবনীত কপিলের জীবন থেকে একেবারেই উধাও হয়ে যান।

‘ফিরাঙ্গি’ ছবির প্রচারণা নিয়ে ব্যস্ত কপিল শর্মা। এটি তার অভিনীত দ্বিতীয় ছবি। আগামী ২৪ নভেম্বর মুক্তি পাবে ছবিটি।

ফিটনেস : বয়স বাড়লেও শরীরটা ঝরঝরে রাখতে চাইলে

বয়স চল্লিশ পার হলেই জীবনটা আর আগের মতো থাকে না। শরীরে তখন স্থান করে নিতে থাকে বিভিন্ন রোগব্যাধি।

উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল বা ব্লাড সুগারের মতো সমস্যা আঁকড়ে ধরলে অবাক হওয়ার কিছু থাকে না। এটা ঠিক যে নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করলে এসব সমস্যা থেকে কিছুটা মুক্ত থাকা যায়। কিন্তু শরীরে যদি বাত থাকে তাহলে হাঁটাহাঁটিটা আর সহজ বিষয় থাকে না। বাত থাকলেও সমস্যা নেই, আবার সময়ের অভাব থাকলেও সমস্যা নেই। সব সমস্যার মুক্তি থেকে দরকার শুধু ইচ্ছাশক্তি। আর এ জন্য বাড়িতেই যেকোনো সময় ২০-২৫ মিনিটের ব্যায়াম যথেষ্ট। আগের দিন আমরা শুধু প্ল্যাংক অনুশীলন দেখেছি। আজ অন্য ব্যায়াম বিষয়ে জানব।
হাতে ভর রেখে স্কোয়াট

হাঁটু হলো হিঞ্জ জয়েন্ট।

অনেকটা কপাটের মতো। একে ভালো রাখতে স্কোয়াটের কোনো জুড়ি নেই। একটি চেয়ার বা টেবিলে হাতের ভার রেখে হাঁটুটা যতটা ভাঁজ করলে ব্যথা লাগে না ততটা ভাঁজ করে স্কোয়াট করতে হবে। সম্ভব হলে ৯০ ডিগ্রি, অর্থাৎ যতক্ষণ না হাঁটু ও কোমর সমান্তরালে আসে ততক্ষণ স্কোয়াট করলে ভালো। এ অনুশীলনের সময় পেছনে একটি টুল বা একটি বাক্স ধরনের কিছু রেখে নিলে অনুশীলনে সুবিধা হবে। স্কোয়াট করার সময় যখন টুলে নিতম্ব স্পর্শ করবে তখন উঠে দাঁড়ালেই হবে। এভাবে ১০ বার করুন।

ওয়াল পুশ আপ

কাঁধের সমান উচ্চতা এবং কাঁধের প্রস্থের সমান দূরত্বে দুই হাত দেয়ালে রেখে দেয়াল থেকে একটু সরে দাঁড়াতে হবে। এবার বুক দেয়ালের কাছে আনার চেষ্টা করতে হবে, আবার ফিরে যেতে হবে আগের অবস্থানে। এভাবে ১০ থেকে ১২ বার করতে হবে। এতে বুক আর কাঁধের পেশির জোর বাড়ে। কাঁধের বল অ্যান্ড সকেট জয়েন্টও ভালো থাকে।

শূন্যে পাঞ্চ অ্যান্ড কিক

আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে শুরুতেই প্রথম আড়াআড়ি চারটি ঘুষি ছুড়ুন। তবে এক হাতে নয়, দুই হাতে। একইভাবে পর পর চারটি লাথি ছুড়ুন। হাত ও পা ছোড়ার সময় কাছাকাছি কোনো জিনিস না থাকার বিষয়টি আগেই নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় হিতে বিপরীত হতে পারে। আঘাত পেয়ে ব্যায়ামের ইচ্ছাটাই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এভাবে কয়েকবার ঘুষি ও লাথি ছুড়ুন। সব মিলিয়ে ৪৫ সেকেন্ড থেকে এক মিনিট বিরামহীনভাবে এটি করতে হবে। কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে আবার করতে হবে।

সহজে জেনে নিন কোন ডিমে পুষ্টি বেশি

ডিমকে বলা হয়, ‘পাওয়ার হাউস অব নিউট্রিশন’। অর্থাৎ পুষ্টির শক্তির ঘর। প্রাণীজ প্রোটিনের মধ্যে ডিম হলো আদর্শ প্রোটিন। এখানে সব ধরনের পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এটি শরীরের অনেক উপকারে আসে। ডিম শুধু আদর্শ প্রোটিনই নয়, বরং অনেক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে এতে রয়েছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড। এটি হৃদরোগের বিরুদ্ধে অনেক কার্যকরী।
আমরা সবাই কম বেশি ডিম পছন্দ করি। কেউ হাঁসের ডিম পছন্দ করি। কেউ বা আবার বেছেনি মুরগির ডিম। ডিমের একটা বিষয়ে নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তায় পড়তে হয়। যারা মুরগির ডিম খান, তারা প্রায়ই বুঝতে পারেন না কোনটা খাবেন- বাদামি নাকি সাদাটা? এখানে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বাদামি ও সাদা ডিমের পার্থক্যের কথা।
বাদামি নাকি সাদা?
অন্যান্য খাবারের হিসাব যদি করেন, তবে সাদার চেয়ে বাদামিটাই বেশি স্বাস্থ্য ও পুষ্টিকর বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। যেমন- সাদা আটার চেয়ে বাদামি আটা বেশি পুষ্টিকর। সাদা চালের চেয়ে বাদামি চালের ভাত বেশি স্বাস্থ্যকর। সেই হিসাবে বাদামি ডিম কেন বেশি ভালো হবে না? এটা নিয়ে আরো প্রশ্ন রয়েছে।
বাদামি ডিমে কি ব্যাকটেরিয়া আক্রমণের ভয় কম থাকে? এদের স্বাদ কি সাদার চেয়ে বেশি? এটাই কি বেশি প্রাকৃতিক? আসলে কোনটা ভালো মানের ডিম তা জানতে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর পেতে হবে। এখানে আরো কিছু তথ্য জেনে নিন। এতে করে বাদামি ও সাদা ডিমের মধ্যে পার্থক্য আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন।
ডিমের কুসুম
বাদামি ডিমের কুসুমের রং একটু বেশি গাঢ়। কারণ বাদামি ডিম যেসব মুরগি পাড়ে, তাদের বেশি পরিমাণ শস্য খাওয়ানো হয়।
দাম
বাদামি ডিমগুলো সাদা ডিমের চেয়ে অপেক্ষাকৃত বেশি দামের হয়ে থাকে। বাদামি ডিম যে মুরগি পাড়ে তাদের আকার অনেক বড়। এদের খাবারের পেছনেও খরচ বেশি। তাই এই ডিমের দাম বেশি হয়ে থাকে। কিন্তু সাদা ডিম যেসব মুরগি পাড়ে, তাদের খাবারের পেছনে অপেক্ষাকৃত কম খরচ হয়।
সরবরাহ
বাজারে সাদা ডিমের সরবরাহ একটু বেশিই দেখবেন। আবার বাদামিটাও বেশি থাকতে পারে। কারণ সাদা পালকের মুরগি অনেক বেশি মেলে। আবার এরা ডিমও পাড়ে বেশি।
পুষ্টিগুণ
গবেষণায় দেখা গেছে, বাদামি ডিমের পুষ্টিগুণ সাদা ডিমের চেয়ে বেশি। এতে ওমেগা-ফ্যাটি অ্যাসিড বেশি পরিমাণ থাকে।
স্বাদ
বাদামি ও সাদা ডিমের স্বাদ ভিন্ন। আসলে মুরগিকে যে খাবার দেওয়া হবে তার ওপর নির্ভর করবে ডিমের পুষ্টিগুণ কেমন হবে।

ওয়েব সিরিজের নামে কী চলছে?

ওয়েব সিরিজ। নামটা খুব অপরিচিত ঠেকছে, তাই না? কেউ কেউ হয়তো ভাবছেন, ‘এটা আবার কী জিনিস?’ সহজ ভাষায়, শুধু অনলাইন বা অনলাইন টিভির জন্য তৈরি ও প্রকাশিত ধারাবাহিকের (ধারাবাহিক ভিডিও) নাম ওয়েব সিরিজ। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও শুরু হয়েছে ওয়েব সিরিজ। মূলত টিভি মিডিয়ার বাইরে ইন্টারনেটে নাটক প্রচারের মাধ্যমকে ওয়েব সিরিজ বলে। এ মাধ্যমে নাটকের সেন্সর বলতে আপাতত কোনো কিছুই বাংলাদেশে নেই। এর ফলে যে যার মতো করে নাটক বানিয়ে ইউটিউব চ্যানেলে প্রচার করছে। সাধারণত ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, ট্যাব ও স্মার্টফোনই এ ধরনের সিরিজ দেখার মাধ্যম। মূলত নব্বই দশকে আমেরিকায় এর জন্ম। বিশ শতকের শেষ দিকে উত্থান। একুশ শতকে এর বিশ্বভ্রমণ, বিনোদনের প্রভাবশালী বিকল্প মাধ্যম হয়ে ওঠা। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও এর জয়যাত্রা শুরু অনেক আগে। তবে বাংলাদেশে ওয়েব সিরিজের মাত্র ঊষাকাল যাচ্ছে। আর ঊষাতেই বিতর্ক, সমালোচনা ও চায়ের টেবিলে ঝড়! তার আগে দেশীয় বিনোদনের এ নতুন মাধ্যমের সঙ্গে পরিচয় পর্বটা সারা যাক।
ওয়েব সিরিজের ইতিহাস
নব্বই দশকে আমেরিকান লেখক ট্রেসি রিড লিখিত ‘কোয়ান্টামলিঙ্ক সিরিয়াল’ (১৯৮৮-৯৯) দিয়ে ওয়েব সিরিজের আত্মপ্রকাশ। এরপর স্কট জাকারিনের সৃষ্টি ‘দ্যা স্পট’ (The Spot)। ১৯৯৫-৯৭ সালে প্রচারিত এই সিরিজের জন্য এর প্রকাশনা সংস্থা ‘ইন্টারনেটের অস্কার’খ্যাত ‘Webby awards’ পুরস্কার পায়। মূলত এ সিরিজ দিয়েই এ ধারার জয়যাত্রা। তারপর অ্যানিমেটেড Bullseye Art, 1998 সালে কমেডি Stella Shorts, 2003 সালে Weird TV 2000, তারপর একে একে Red Vs. Blue, Sam Has 7 Friends, Bravo ইত্যাদি সিরিজ এ ধারাটিকে প্রচণ্ড জনপ্রিয় করে তোলে। তন্মধ্যে Sam Has 7 Friends সিরিজটি ২০০৬ সালের ‘ডে টাইম অ্যামি অ্যাওয়ার্ডে’র জন্য মনোনীত হয়।
তবে ওয়েব সিরিজকে সারা বিশ্বে জনপ্রিয় করার পেছনে নেটফ্লিক্সের বেশ ভালো অবদান। ২০১৩ সালে নেটফ্লিক্সের ৩টি সিরিজ (House of Cards, Arrested Development I Hemlock Grove) প্রাইমটাইম অ্যামি অ্যাওয়ার্ডে মনোনয়ন পায়। ২০১৬ সালে বিভিন্ন ওয়েব সিরিজ Streamys, Webbys, Indie Series Awards, Emmy Awards, Canadian Screen Awards সহ বিভিন্ন গুরুত্বপর্ণ পুরস্কারে ভূষিত হয়। বর্তমানে ওয়েব সিরিজকে কেন্দ্র করে সারা বিশ্বে ২১টি আন্তর্জাতিক উৎসব ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান প্রচলিত আছে।
বাংলাদেশে ওয়েব সিরিজ
ঈদ উপলক্ষে বরাবরই অসংখ্য নাটক-টেলিফিল্ম-অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়। এতকাল সেটি ছিল টিভিকেন্দ্রিক। গত রোজার ঈদে ওই ধারায় প্রথমবারের মতো যুক্ত হল অনলাইন। টিভির পাশাপাশি ওই সময় ইউটিউব চ্যানেলে একাধিক ধারাবাহিক নাটক প্রকাশ পায়। তার মধ্যে সিএমভির ইউটিউব চ্যানেলে ৭ পর্বের ‘আমি ক্রিকেটার হতে চাই’ ও ‘অ্যাডমিশন টেস্ট’; ‘এল আমোর টিভি’ নামের ইউটিউব চ্যানেলে ‘টেস্টিং সল্ট’, বাংলা ঢোলের উদ্যোগে ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম বাংলাফ্লিক্সে প্রচার পায় বিশেষ নাটক ‘উপহার’। বাংলাদেশে ওয়েব সিরিজের আনুষ্ঠানিক প্রকাশটা মূলত তখন। এরপর ঈদুল ফিতরের ধারাবাহিকতায় ঈদুল আজহায়ও প্রকাশ পেল একাধিক নাটক। তন্মধ্যে সিএমভির ব্যানারে ৭ পর্বের ওয়েব সিরিজ ‘দ্য লিস্ট’, ধ্রুব এন্টারটেইনমেন্টের ব্যানারে সাত পর্বের দুই সিরিজ ‘বাঘবন্দি’ ও ‘আবাসিক হোটেল’, কিংবা টয়া অভিনীত ‘পালাবি কোথায়’ উল্লেখযোগ্য।
কেন ওয়েব সিরিজ?
ট্রেন্ড বা ধারা বদলে বরাবরই তারুণ্যের রুচি মুখ্য ভূমিকা পালন করে। বিনোদনের ক্ষেত্রে তারা এখন প্রবলভাবে টিভিবিমুখ এবং ইউটিউবমুখী। টিভির নাটক, অনুষ্ঠানই এখন জনপ্রিয় হচ্ছে ইউটিউবে। সময়ের আবর্তনে ইউটিউবের ভিউয়ারই হয়ে গেছে জনপ্রিয়তার মাপকাঠি। আর গান তো এখন পুরোদস্তুর ইউটিউবনির্ভর। তো দর্শক আকর্ষণ বা জনপ্রিয়তার মাধ্যম যদি ইউটিউবই হয়, তবে কেন শুধু ইউটিউব বা অনলাইনের জন্য নাটক বা অনুষ্ঠান নয়? এ ভাবনা বা দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই মূলত বাংলাদেশে ওয়েব সিরিজের উদ্যোগ। তা ছাড়া বিষয়বস্তু নির্বাচন ও প্রকাশের অবাধ স্বাধীনতা, তরুণ জনপ্রিয় নির্মাতা, অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সংযুক্তি; ওয়েব সিরিজের সম্ভাবনাকে বেশ ভালোভাবে জাগিয়ে তুলেছে।
ওয়েব সিরিজ নিয়ে বিতর্কটা যেখানে
আলোচনা বা প্রশংসা নয়, সমালোচনা ও বিতর্ক দিয়েই বাংলাদেশে ‘ওয়েব সিরিজ’-এর জনযাত্রা। ইতিবাচকতা নয়, নেতিবাচকতা দিয়েই ওয়েব সিরিজের দৃষ্টি আকর্ষণ। এমনকি কপালে জনপ্রিয়তার তকমা সাঁটার আগেই সেঁটে গেছে যৌনতা, অশ্লীলতার তকমা। গত ঈদুল আজহায় প্রচারিত ‘দ্য লিস্ট’, ‘বাঘবন্দি’ ‘পালাবি কোথায়’ প্রভৃতি ওয়েব সিরিজে অপ্রাসঙ্গিক ও অহেতুক যৌনতার সুড়সুড়ি, অশালীন সংলাপ ও অঙ্গভঙ্গি, মাদক গ্রহণের দৃশ্যবালীর কারণেই মূলত এই সমালোচনা। বিষয়বস্তু বা শিল্পগুণের বদলে ‘অকাক্সিক্ষত’ দৃশ্যের বন্দুকে সস্তা ও দ্রুত জনপ্রিয়তা বা বিপুল ভিউয়ার শিকারের চেষ্টা, নাটকগুলোতে খুব দৃষ্টিকটুভাবে পরিলক্ষিত হয়।
অশ্লীলতা বনাম আইন
অশ্লীলতা মাত্রই কেবল নিন্দনীয় নয়, একই সঙ্গে দণ্ডনীয়। ওয়েব সিরিজের কিছু ভিডিওতে যৌনতার যে দৃষ্টিকটু বাণিজ্যিক সমীকরণ বা অশ্লীলতার যে স্যাঁতসেঁতে ব্যাকরণ ধরা পড়ে, তা প্রচলিত একাধিক আইনে অপরাধ। যেমন-
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (২০১৩ সালে সংশোধিত) : ওয়েবসাইটে বা অন্য কোনো ইলেকট্রুনিক বিন্যাসে কেউ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে এমন কিছু প্রকাশ করে যা অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেউ পড়লে, দেখলে বা শুনলে নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ হতে উদ্বুদ্ধ হতে পারে; তবে তিনি সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ড ও ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন (ধারা-৫৭)।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১
টেলিযোগাযোগ যন্ত্রপাতির মাধ্যমে কেউ অশ্লীল বার্তা প্রেরণ করলে তাকে সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড বা ৫ কোটি অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে হবে (ধারা-৬৯)।
পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২ : এখানে ‘পর্নোগ্রাফি’ মানে, যৌন উত্তেজনা সৃষ্টিকারী কোনো অশ্লীল সংলাপ, অভিনয়, অঙ্গভঙ্গি, নগ্ন বা অর্ধনগ্ন নৃত্য; যা চলচ্চিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও ভিজ্যুয়াল চিত্র, স্থিরচিত্র, গ্রাফিকস বা অন্য কোনো উপায়ে ধারণকৃত ও প্রদর্শনযোগ্য এবং যার কোনো শৈল্পিক বা শিক্ষাগত মূল্য নেই। এ সংজ্ঞামতে, যৌন উত্তেজক অঙ্গভঙ্গিও ‘পর্নোগ্রাফি’র কাতারে পড়ে, যার সর্বোচ্চ সাজা ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড [ধারা-২, ৮(৩)]। প্রস্তাবিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৬-এও একই ধাঁচের বিধান থাকছে। যৌন উত্তেজক অঙ্গভঙ্গি বা ভিডিওচিত্রকে এই আইনে নাম দেয়া হয়েছে ‘ডিজিটাল পর্নোগ্রাফি’, যার সর্বোচ্চ সাজা ৭ বছর কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয়ই (ধারা-১৮)।
উল্লেখ্য, ১৭ সেপ্টেম্বর পর্নোগ্রাফির অভিযোগে ‘নেশা’ নামক এক মিউজিক ভিডিওর সঙ্গে সম্পৃক্ত ৭ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে পর্নোগ্রাফি মামলা করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খন্দকার নাজমুল আহসান। এ ধরনের মামলা বাংলাদেশে এই প্রথম। যাত্রায় ওয়েব সিরিজে যা শুরু হয়েছে, তাতে আগামীতে এ ধরনের মামলার পুনরাবৃত্তি হলে, অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।
সংকটের কার্যকারণ ও সমাধান রেখা
টিভিতে প্রচারিত নাটকগুলো নির্মাতা সরাসরি দেখাতে পারে না। তজ্জন্য সংশ্লিষ্ট টিভি চ্যানেলের প্রিভিউ কমিটি বা চ্যানেল কর্তৃপক্ষের অনুমোদন লাগে। ছবির ক্ষেত্রেও একইভাবে আছে সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র। কিন্তু শুধু অনলাইনে গান বা ভিডিও প্রকাশে এ ধরনের অনুমোদন বা সেন্সরশিপের ব্যবস্থা নেই। নির্মাতারা এ ক্ষেত্রে বনের পাখির মতো নিরঙ্কুশ স্বাধীন। আর স্বাধীনতা যেখানে অবারিত, অপব্যবহার সেখানে অবধারিত। তাই ওয়েব সিরিজের অরাজকতা বা অশ্লীলতা ঠেকাতে চাইলে, এখানেও এক ধরনের সেন্সরশিপ সিস্টেম রাখা দরকার। তজ্জন্য সংস্কৃতি বা তথ্য মন্ত্রণালয়ে ‘অনলাইন কনটেন্ট পর্যবেক্ষণ কমিটি’ নামে কমিটি চালু করা যেতে পারে। অনলাইনে কোনো ভিডিও ছাড়ার আগে এ কমিটিতে জমা দিতে হবে। কমিটি সংশ্লিষ্ট ভিডিওতে অশ্লীলতা, মানহানি, ধর্ম অবমাননা, রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক কনটেন্টের বিষয়টা খতিয়ে দেখবে। তাদের অনাপত্তি পেলেই কেবল ভিডিওটি অনলাইনে ছাড়া যাবে। সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং বিটিআরসিতেও এ ধরনের একটা সেল থাকতে পারে। পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটও বিষয়টি নজরদারি করতে পারে।
অস্বীকারের জো নেই, ওয়েব সিরিজ বিনোদনের বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় একটা মাধ্যম। তবে বাংলাদেশে এখনও এ ধারা হাঁটি হাঁটি পা পা দশা। যুগের চাহিদায় ও সময়ের স্রোতে এখানেও ধারাটি আগামীতে জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারে। আমরা মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও সৃজনশীল শুদ্ধ সংস্কৃতিচর্চায় বিশ্বাসী। তাই চাই, ওয়েব সিরিজ এ দেশে সৃষ্টিশীলতার সর্বোচ্চ মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাক। কিন্তু শিশুকালেই ধারাটি যে আতঙ্কের বীজ ছড়াল, অশুভ বার্তা দিল- তা কোনোভাবে প্রত্যাশিত ও সমর্থনীয় নয়। তাই ওয়েব সিরিজের চারাটি পরিশুদ্ধ হয়ে, কলঙ্ক বা আগাছামুক্ত হয়ে এ দেশে বেড়ে উঠুক। প্রতিষ্ঠা পাক, প্রকৃত ও মুক্তমনা শিল্পচর্চার সর্বোৎকৃষ্ট পাদপীঠ হিসেবে।

মহেশ-আল্লু অর্জুনের দ্বন্দ্ব!

দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক মহেশ বাবু ও আল্লু অর্জুন দ্বন্দ্বে জড়াতে যাচ্ছেন। তাদের পরবর্তী সিনেমা মুক্তি নিয়ে এই দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে বলে ভারতীয় পত্রিকা ডেকান ক্রনিকলে খবর প্রকাশ।
খবরে বলা হয়, মহেশ অভিনীত ‘ভারত আনে নেনু’ সিনেমাটি ২০১৮ সালের ২৭ এপ্রিল মুক্তি পাবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়েছে।
অন্যদিকে আল্লু অর্জুন অভিনীত ‘না পেরু সুরিয়া’ সিনেমাটি একইদিন মুক্তি দেয়া হবে বলে জানা গেছে। আর এ নিয়ে বেশ সরগরম তেলেগু ইন্ডাস্ট্রি। শুরু হয়েছে মহেশ-আল্লুর দ্বন্দ্ব নিয়ে কানাঘুষা।
একই দিন এই দুই তারকার সিনেমা মুক্তির বলে বক্স অফিসেও যে বড় ধরনের যুদ্ধ শুরু হবে সেটাও অনুমেয়। এখন দেখার বিষয় শেষ পর্যন্ত এই যুদ্ধে কে জয়ী হন।

নেটদুনিয়ায় জনপ্রিয় হওয়ায় মারাত্মক বিপদেও পড়েছিলেন সানি লিওন?

যেকোনো ছবি প্রমোশনের ক্ষেত্রে সোশাল মিডিয়া এখন গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে উঠেছে। প্রায় সমস্ত অভিনেতা, অভিনেত্রীরাই এদিকে আলাদা করে গুরুত্ব দিয়েছেন।

তবে তার মধ্যে মুষ্টিমেয় কয়েকজনই নেটদুনিয়ার নজর নিজের দিকে ঘুরিয়ে নিতে পারেন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম সানি লিওন। তবে নেটদুনিয়ায় জনপ্রিয় হওয়ার কারণে মারাত্মক বিপদেও পড়েছিলেন সানি।

এমনকি ছবি পোস্ট করে হেনস্তার শিকার হওয়া তো নৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে অভিনেত্রীদের কাছে। প্রাক্তন পর্নস্টার হওয়ার দৌলতে সানিকেও দেদার কটাক্ষ সহ্য করতে হয়েছে। নেটদুনিয়া ছাড়া বাস্তবেও ব্যঙ্গের মুখে পড়তে হয়েছে তাঁকে। তবে তার থেকেও মারাত্মক অভিজ্ঞতা হয়েছে তাঁর। নেটদুনিয়ায় এক ব্যক্তি তাঁকে রীতিমতো হুমকি দিত।  সানির বেশ কয়েকজন ভক্তকে নিয়ে এই কাণ্ড চালাতেন ওই ব্যক্তি।

প্রথমদিকে গুরুত্ব দেননি অভিনেত্রী। কিন্তু একদিন বিপদ ঘনায়। ওই ব্যক্তি পৌঁছে যান তাঁর বাড়ির সামনে। ঘরের ভিতর থেকেই ওই ব্যক্তির হই-হল্লাও শুনতে পান সানি। সে সময় তাঁর স্বামী বাড়িতে ছিলেন না। ড্যানিয়েল দেশের বাইরে ছিলেন বলে একাই থাকতেন সানি। এ রকম সময় শুরু হয় উপদ্রব। সেই সময়টা রীতিমতো ভয়ে ভয়ে থাকতেন সানি।

জানা গেছে, একদিন তো চেঁচামেচি শুনে এতটাই ভীত হয়ে পড়েছিলেন যে হাতে ছুরি নিয়ে দরজার দিকে এগিয়ে গিয়েছিলেন। এর পরই নিজের বাড়ির সামনে সিসিটিভি ইনস্টলের সিদ্ধান্ত নেন সানি। এখনও সে ঘটনার কথা মনে পড়লে শিরদাঁড়া দিয়ে ঠাণ্ডা স্রোত বয়ে যায় সানির।

পরে এ ব্যাপারে সানি লিওন জানিয়েছেন, সাইবার দুনিয়ার এটি একটি সমস্যা। পেশার খাতিরে অনেককেই এ দুনিয়ায় সক্রিয় থাকতে হয়। কিন্তু তার জন্য কম ভোগান্তি পোহাতে হয় না।

তবে সময় এমন যে নেটদুনিয়া থেকে দূরে থাকাও সম্ভব নয়। আপাতত ‘তেরি ইনতেজার’ ছবিতে তাঁকে দেখার অপেক্ষায় প্রহর গুনছে ভক্তরা।