Category Archives: Fashion & Lifestyle

যে পাঁচ কারণে ঘুমানোর সময় কাপড় পরা উচিত নয়

সারাদিন শিক্ষাক্ষেত্রে অথবা কর্মক্ষেত্রে টিপটপ পোশাকে থাকতে আপনাকে। দিনের শেষে পোশাক পালটে একটু রিল্যাক্স করার চেয়ে বেশি সুখকর যেন আর কিছুই হয় না। কিন্তু বাড়ি গিয়ে যে পোশাক বদলান, রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে কি সেই পোশাক খুলে রাখেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে বেশিরভাগই বললেন, না। কারণ এ দেশে গুটিকয়েক মানুষ নগ্ন হয়ে ঘুমোন। শুধু এ দেশ কেন, মার্কিন মুলুকের ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশন জানাচ্ছে, মাত্র ১২ শতাংশ আমেরিকান রাতে অন্তর্বাস খুলে ঘুমোন। মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে নগ্ন হয়ে ঘুমের কী প্রয়োজন? বিজ্ঞান বলছে, এতে শরীর এবং মন দুই-ই ভাল থাকে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, নিচের অন্তর্বাস খুলে ঘুমানোর কী কী উপকারিতা রয়েছে।

ঘুম ভাল হয়: রাতে ঘুমের সময় মানুষের শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে সামান্য নেমে যায়। আবার ঘুম থেকে উঠলে তা বেড়ে যায়। চিকিৎসকদের মতে, অন্তর্বাস পরে ঘুমোলে শরীরের নিচের ভাগের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। বিছানার সঙ্গে অন্তর্বাস ঘষা খাওয়া অথবা ঘুমের সময় পাস ফেরার কারণে এমনটা হয়ে থাকে। যাতে ঘাম হয় এবং ঘুম ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর রাতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটলে সকালটা মোটেই ভাল লাগে না। এই কারণেই অন্তর্বাস খুলে ঘুমোলে ঘুম ভাল হয়।

বেশি স্বাস্থ্যকর: বর্তমানে অনেকেই এসি ঘরে ঘুমিয়ে অভ্যস্ত। অতিরিক্ত ঠান্ডার মধ্যে ঘুমোলে ঘাড়ের কাছে একটি ব্রাউন ফ্যাট জমা হয়। যা দেহের অতিরিক্ত ক্যালোরি ঝরিয়ে দিতে সাহায্য করে। কিন্তু যাঁরা অপেক্ষাকৃত গরম ঘরে ঘুমিয়ে অভ্যস্ত, তাঁদের নগ্ন হয়ে ঘুমোলেই বেশি ভাল। কারণ এতে শরীরের তাপমাত্রা কম থাকে। অর্থাৎ ক্যালোরি ঝরাতেও এই প্রক্রিয়া সাহায্য করে।

সংক্রমণ দূরে রাখে: মহিলা ও পুরুষ উভয়ই যদি নিচের অন্তর্বাস পরে ঘুমোন, সেক্ষেত্রে তা থেকে যৌনাঙ্গে নানা রোগ সংক্রমণের সম্ভাবনা থেকে যায়। এমন স্পর্শকাতর জায়গায় ব়্যাস, ফুসকুড়ির মতো ইনফেকশন হলে তা অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক। তাই শোওয়ার সময় এসব স্থান সম্পূর্ণ পোশাক মুক্ত রাখাই শ্রেয়।

স্পার্ম সুরক্ষিত রাখে: পুরুষদের ক্ষেত্রে এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত ৯৫-৯৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে স্বাভাবিকভাবে বীর্য উৎপন্ন হয়। কিন্তু টাইট অন্তর্বাস থাকলে সেই অঙ্গের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। ফলে বীর্যের গুণগত ক্ষতির সম্ভাবনা থেকেই যায়। এই কারণে নগ্ন হয়ে ঘুমানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।

পার্টনারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা: রাতের অন্ধকারে বিছানায় নগ্ন অবস্থায় পার্টনারের সঙ্গে ঘুমিয়ে যে সুখ, তার পোশাক পরে থাকার সঙ্গে তুলনাই চলে না। গবেষকরা বলছেন, এক শরীরের সঙ্গে অন্য শরীরের স্পর্শে মাথা থেকে অক্সিটোসিন হরমোন অনেকটা মুক্ত হয়। যার ফলে ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। আর তাতে যে যৌনজীবন আরও সুখের হয়ে ওঠে, তা বলাই বাহুল্য।

সিগারেট ছেড়ে দেওয়ার পর শরীরে যেসব পরিবর্তন হয়

ধূমপান ধীরে ধীরে নষ্ট করে দেয় শরীরের সব অঙ্গ। ছেড়ে দেওয়ার পর কয়েক বছরের মধ্যে শরীর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে বলে জানান ডাক্তাররা। এছাড়া সিগারেট ছেড়ে দেওয়ার পর আমাদের শরীরে যেসব পরিবর্তন হয় সেগুলো হলো-

১. সিগারেট খাওয়া ছেড়ে দেওয়ার ২০ মিনিটের মধ্যেই আমাদের রক্তচাপ কমে গিয়ে স্বাভাবিক হয়ে যায়। হাত ও পায়ে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে।

২. সিগারেট খাওয়া ছেড়ে দেওয়ার ৮ ঘণ্টার মধ্যে আপনার শরীরে জমে থাকা কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যাবে। অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ায় ফুসফুস থেকে ক্ষতিকারক ও অস্বস্তিকর ব্যাকটেরিয়া দূর হবে।

৩. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফুসফুসে জমে থাকা নিকোটিন শরীর থেকে বেরিয়ে যাবে। ফলে ঘ্রাণ ও স্বাদ বোধ বাড়বে।

৪. ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার ৩ দিনের মধ্যে আপনার ব্রঙ্কিয়াল টিউব প্রসারিত হবে। ফলে অনেক স্বাভাবিক ভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস চালাতে পারবেন, এনার্জি ফিরে আসবে, স্ট্রেস কমবে।

৫. ২ সপ্তাহের মধ্যে শরীরে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক হয়ে ফুসফুসের কর্মক্ষমতা ৩০ শতাংশ বেড়ে যায়। ফলে হাঁটাচলা করতে আগে যে হাঁফিয়ে উঠতেন, এই সময় থেকে তা কমে গিয়ে এনার্জি ফিরে পাবেন।

৬. ৩-৯ মাসের মধ্যে বুঝতে পারবেন আপনার আর নিশ্বাস নিতে বিশেষ কষ্ট হচ্ছে না। ধূমপানের কারণে যে খুকখুকে কাশি হতো তাও অনেক কমে এসেছে। এই সময় থেকে ব্রঙ্কিয়াল টিউবের ফাইবার আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসতে থাকে। যা ফুসফুস থেকে ব্যাকটেরিয়ার দূর করে পরিষ্কার রাখে।

৭. ধূমপান ছাড়ার ১ বছর পরও যারা কোনও দিন ধূমপান করেননি তাদের তুলনায় আপনার হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি থাকে দ্বিগুণ।

৮. সিগারেট ছেড়ে দেওয়ার ৫ বছরের মধ্যে স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়। কোনও দিন ধূমপান না করলেও যে ঝুঁকি থাকে, ৫ বছর পর ঝুঁকির পরিমাণ ঠিক ততটাই কমে আসে।

৯. ধূমপানের ফলে ফুসফুসের যে ক্ষতি হয়, ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার পর ১০ বছর সময় লাগে ফুসফুসের আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসতে।

পেটে কৃমি আছে কি না কীভাবে বুঝবেন

হঠাৎ হঠাৎ পেটে ব্যথা বা মাথার যন্ত্রণা। কিন্তু চিকিৎসকের কাছে যেতেই তিনি বলে দিচ্ছেন তেমন কিছুই হয়নি আপনার। সারাদিন শরীরে অ্স্বস্তি বোধ লেগেই রয়েছে। এটার কারণ একটাই হতে পারে, আর সেটা হল কৃমি। কিন্তু পেট ব্যথা আর মাথা যন্ত্রণাই শুধু নয়, আপনার শরীরে যে কৃমি বাসা বেঁধেছে, তা বোঝার জন্য আরও কয়েকটি উপসর্গ রয়েছে।

কী সেই উপসর্গগুলি?
• অস্থিরতা, অকারণে অতিরিক্ত চিন্তা, অবসাদে ভোগা, আত্মহত্যাপ্রবণ হওয়া।
• মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ার অতিরিক্ত ইচ্ছা।
• রক্তাল্পতা এবং আয়রন ডেফিশিয়েন্সি। কৃমি থাকলে শরীরে রক্তের পরিমাণ কমতে কমতে অ্যানিমিয়া পর্যন্ত হতে পারে।
• ত্বকের রোগে আক্রান্ত হওয়া, র‌্যাশ, অ্যাকনে, চুলকুনি ইত্যাদি হওয়া।
• মাড়ি থেকে রক্তপাত হওয়া।
• ঘুমনোর সময়ে মুখ থেকে লালা পড়া।
• ফুড অ্যালার্জি।
• খিদে না পাওয়া।
• মেনস্ট্রুয়াল সাইকেলে সমস্যা।
• অকারণে ক্লান্ত হয়ে পড়া।
• গা-হাত-পা ব্যথা।
• নিশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া।
• স্মৃতিভ্রম হওয়া।

উপসর্গগুলি পড়ে অনেকেই নিজেদের সমস্যার সঙ্গে মিল খুঁজে পাবেন, কারণ সমীক্ষা বলেছে ৮৫ শতাংশ মানুষের পেটে কৃমি থাকে। কিন্তু কীভাবে মুক্তি পাবেন কৃমির হাত থেকে! মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসক আব্রাম বের জানিয়েছেন, ওষুধ নয়, কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতেই কৃমি থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

• কাঁচা রসুন— কাঁচা রসুন অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। রসুন প্রায় ২০ ধরনের ব্যাকটেরিয়া এবং ৬০ ধরনের ফাংগাস মেরে ফেলতে পারে। তাই নিয়মিত কুচনো কাঁচা রসুন খান অথবা রসুনের জুস করে খান।
• লবঙ্গ— লবঙ্গ কলেরা, ম্যালেরিয়া, যক্ষ্মাকে প্রতিরোধ করতে পারে। এ ছাড়া রোজ লবঙ্গ খেলে ব্যাকটেরিয়া,ভাইরাস, ফাংগাস ইত্যাদি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
• আদা— আদা হজমের সমস্ত রকমের সমস্যা মেটাতে সক্ষম। হজমের সমস্যা, অ্যাসিডিটি, পেটে ইনফেকশন, ইত্যাদি দূর করতে আদার জুড়ি মেলা ভার। এই সমস্যাগুলিও কৃমি থেকে তৈরি হয়। তাই এই ধরনের সমস্যা দূর করতে কাঁচা আদার রস খান খালি পেটে।
• শশার বীজ— ফিতাকৃমি রুখতে শশার দানা সর্বশ্রেষ্ঠ। শশার দানাকে গুঁড়ো করে নিন। প্রতিদিন এক চা-চামচ করে খান।
• পেঁপে— পেটের সমস্যা দূর করতে পেঁপের থেকে ভাল কিছু হয় না। যে কোনও ধরনের কৃমি তাড়াতে পেঁপের বীজ শ্রেষ্ঠ। ভাল ফল পেতে পেঁপে এবং মধু খান।
• কাঁচা হলুদ— কাঁচা হলুদ অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে।

প্রেমিকার যে অভ্যাসগুলি পছন্দ নয় পুরুষদের?

পিরিতি নাকি কাঁঠালের আঠা। একবার লাগলে আর ছাড়ে না। অবশ্য ভালোবাসার প্রথম অনুভূতিতে মনের মানুষের অনেক দোষ-ত্রুটিই অদেখা থেকে যায়। কিন্তু প্রেম একটু জুড়ে বসতেই ফের বদভ্যাসের কাঁটাগুলি গায়ে বিঁধতে শুরু করে। কেবল পুরুষই নন, বদভ্যাসের এই তালিকায় মেয়েরাও কম যান না। প্রেমিকার এমন বেশ কিছু অভ্যাস রয়েছে, যা পুরুষদের একেবারেই না-পসন্দ। বিশেষ করে :

মেয়েদের পেটে নাকি কোনো কথাই থাকে না। বেশির ভাগ মহিলারাই নিজের সম্পর্কের গোপন তথ্য অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করে ফেলেন। আর অন্যদের মতামত অনুযায়ী নিজের সম্পর্কের তুল্যমূল্য বিচার করতে শুরু করেন।

প্রেমিক যখন মনযোগ দিয়ে কোনো কাজ করছেন, তখনই মেয়েদের যাবতীয় কথা তাঁকে জানানোর ইচ্ছে হয়। কাজ যত গুরুত্বপূর্ণই হোক না কেন শ্রীমতির কথায় কান দিলেই বিপদ।

প্রেমিকের প্রেম যখন নারী শরীরের উষ্ণতা চায়, ঠিক সেই মুহূর্তে তাঁর আবেদনে বিন্দুমাত্র সাড়া না দিয়ে অন্য কাজে ব্যস্ত হয়ে যাওয়া একদম পছন্দ নয় পুরুষদের।

সম্পর্কের মধ্যে থাকলেও প্রত্যেকের নিজস্ব স্পেস থাকা উচিত। আর এই কথা পুরুষদের ক্ষেত্রে একটু বেশিই প্রযোজ্য। প্রত্যেক মুহূর্তের ওঠাবসার খবর পুরুষরা প্রেমিকাকে দিতে একদম ভালোবাসেন না।

নিজের মনের কথা বলা ভালো। কিন্তু হামেশা কথা বলতে থাকলে তা বিরক্তির পর্যায় পৌঁছে যায়। মাঝে মধ্যে না বলেও অনেক কথা বলে ফেলা যায়। আর এ কথাটি অনেক মহিলাই বোঝেন না।

আমায় কি মোটা লাগছে? ওকে কি আমার থেকে বেশি ভালো দেখতে? প্রেমিকার এমন তুলনামূলক প্রশ্ন পুরুষদের একদমই পছন্দ নয়।

প্রত্যেক পুরুষ চান প্রেমিকা তাঁর জীবনের প্যাশনটিকে বুঝুক। আর তা না বুঝলে সম্পর্ক টেকানো বেশ মুশকিল। জোর করে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা পালটানো তাঁরা একদম পছন্দ করেন না।

অবশ্য সম্পর্ক কেবলমাত্র পুরুষ কিংবা নারীর গুণাগুণের ওপর নির্ভর করে না। দুজনের মিলিত প্রয়াসেই তা হয়ে ওঠে পোক্ত।

বর্তমান সময়ে ডিজাইনারদের প্রিয় ম্যাক্সি ড্রেস

বর্তমানে ফ্যাশন বিশ্বে নারীদের অন্যতম পছন্দ ম্যাক্সি ড্রেস। গ্রীষ্মে এবং ছুটির দিনের জন্য এটি সবচেয়ে মানানসই। এছাড়া এটি পরলে এর সাথে আর পায়জামা বা প্যান্টস পরার দরকার হয় না। এজন্য ম্যাক্সির দৈর্ঘ্যও একটি বড় ব্যাপার এবং নানান রকম স্টাইলে এটি পরা যায়। বর্তমান সময়ে ডিজাইনারদের কাছেও এটি বেশ প্রিয়। চলুন দেখা যাক বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় ডিজাইনাররা এটি নিয়ে কে কী বলছেন।

ডিজাইনার প্রিয়া কাটারিয়া পুরি বলেন, ‘সিলুয়েট থেকে শুরু করে, প্লীট থেকে স্ট্রাইপ, মেটালিক থেকে মনোক্রম, এই সিজনের সাধারণ পোশাক হিসেবে ম্যাক্সি হচ্ছে সর্বোচ্চ ট্রেন্ড। আপনি যদি ডেয়ারিং কোন ট্রেন্ড বেছে নিতে চান, তাহলে লেস ভিতরের দিকে এমন অথবা পাশ দিয়ে চিরা ম্যাক্সি শপিং করতে পারেন। আমার প্রিয় হচ্ছে উবার হাই স্লিটের সাথে ডেনিম ম্যাক্সি স্কার্ট এবং এর সাথে আমি পরি হাতে বোনা টপস এবং টাই-আপ স্যান্ডেল। কোন রবিবার কিংবা কোন ফেস্টিভালের জন্য এটাই আমার প্রিয়।’

ডিজাইনার কিন্নারি কামাত এবং সাকশা পরখ বলেন, ‘একটি সাধারণ এ-লাইন ম্যাক্সি এখন হেমলাইন, গঠন এবং সিলুয়েট অনুযায়ী অনেক স্টাইলে পাওয়া যাচ্ছে। এই সিজনের জন্য টপ ৫ এর মধ্যে আছে প্লীটেড ম্যাক্সি ড্রেস যার মাধ্যমে সামার ভাবটি ফুটে ওঠে। এছাড়া সেক্সি লুকের জন্য অফ-দ্য-শোল্ডার ম্যাক্সি, বোহেমিয়ান লুকের জন্য ড্রপ ওয়েস্ট ম্যাক্সি, নিজেকে বোল্ডভাবে উপস্থাপনের জন্য বিভিন্ন কালারফুল এবং প্রিন্টেড ম্যাক্সি, কিংবা আপনি কোনকিছুই কেয়ার করেন না এমনভাবে উপস্থাপনের জন্য পরতে পারেন স্প্যাগেটি স্ট্রাইপড ম্যাক্সি। যাই হোক, ম্যাক্সি ড্রেসের জন্য দৈর্ঘ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিব্রতকর দৈর্ঘ্যের ম্যাক্সির চেয়ে খারাপ আর কিছু হতে পারে না। মনে রাখতে হবে, ম্যাক্সির দৈর্ঘ্য যদি গোড়ালি পর্যন্ত না হয়, তাহলে সেটা ম্যাক্সি ড্রেস না, অন্য কিছু।’

ডিজাইনার সিদ্ধার্থ টাইটলার বলেন, ‘আপনি এমন কিছু চান না যেটা পরে আপনি কয়েক ঘন্টা আরামদায়ক অনুভব করতে পারবেন না। এমন কিছু বেছে নিন যেটা স্টাইলের সাথে পরেও ভালোভাবে থাকতে পারবেন।’ ম্যাক্সি ড্রেস নিয়ে তিনি বলেন, ‘একটি চওড়া অথবা চিকন বেল্ট ম্যাক্সি ড্রেসের সাথে ভালো মানায়। একটি ঢোলা অথবা প্লীটেড ম্যাক্সি ড্রেসের সাথে চিকন বেল্ট ভালো মানায়। আবার স্ট্র্যাপলেস ম্যাক্সির সাথে চওড়া বেল্ট মানানসই। প্লেইন হল্টারনেক ম্যাক্সির সাথে লম্বা ইয়াররিং ভালো মানায়। লম্বা হাতাযুক্ত রাউন্ড নেক ম্যাক্সির সাথে বড় নেকলেস পরা যেতে পারে। প্রিন্টেড ম্যাক্সির সাথে খুব বেশি জুয়েলারির প্রয়োজন হয় না যদি না সেটা খুব ভালো মানায়।’

ক্যারোজল থেকে ডিজাইনার শিমরন আরিয়া বলেন, ‘ম্যাক্সি ড্রেস সবাইকেই ভালো মানায়। এর জন্য এই গাইডলাইন মেনে চলা যেতে পারে- আপনি যদি বড় বক্ষের অধিকারী হন, তাহলে স্ট্র্যাপলেস কিংবা রাফেলড এবং প্লীটেড পরিহার করুন। আর আপনি যদি চিকন গড়নের হন, তাহলে এ-লাইন অথবা ইম্পায়ার ওয়েস্টলাইন বেছে নিন। এছাড়া প্রিন্টের ম্যাক্সি মোটাদের চেয়ে চিকনদেরই ভালো মানায়।’

৭ উপায়ে বাড়ান আপনার স্মৃতিশক্তি!

আপনি হয়তো খেয়াল করে দেখবেন কিছু লোক চমৎকার ভাবে মনে রাখতে পারছে কোন ঘটনা বা বিষয়বস্তুর পুঙ্খানুপুঙ্খ। আবার খুব সহজেই শিখে নিচ্ছে নতুন কিছু। আর আপনি মনে মনে আক্ষেপ করেন সেই লোকের মতো কেন আপনার স্মরণশক্তি নেই? তবে কি আপনার মেধা কম!

না, আপনার মেধা অবশ্যই কম না। সকলে একভাবে মনে রাখতে পারে না। কারণ, সবার মস্তিষ্কের গঠন একরকম নয়। তবে কয়েকটি সহজ কৌশলে আপনিও বাড়িয়ে নিতে পারেন মেমোরি পাওয়ার।

১। ব্যায়াম করুন আর শরীরকে রাখুন সচল:
ব্যায়াম শুধু আপনার শরীরকেই সচল করে না, এটি আপনার মস্তিষ্ককেও সচল রাখে। স্থূলতা এবং অতিরিক্ত ওজন আপনার ব্রেইনের জন্যও ক্ষতিকর। নিয়মিত ব্যায়াম না করলে কিংবা শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো সচল না থাকলে রক্তবাহী নালীগুলো চর্বি জমে। ফলে স্বাভাবিক রক্তচলাচল ব্যহত হয়। মস্তিষ্কে রক্তের মাধ্যমে অক্সিজেন সরবারাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়। যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে মস্তিষ্কের কোষগুলোও। তাই নিয়মিত ব্যায়াম করুন, সচল রাখুন আপনার শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো।

২। মানসিক চাপ কমিয়ে আনুন, বিষন্নতা দূর করুন:
রাগ, ক্ষোভ বা উদ্বেগ আপনার ব্রেনকে কিছু সময়ের জন্য স্থবির করে দেয়, যা আপনার স্মরণশক্তি কমে যাওয়ার ক্ষেত্রে যথেষ্ট প্রভাব ফেলতে পারে। মানসিক চাপের মধ্যে বিষন্নতা সবচেয়ে মস্তিষ্কের ক্ষতি করে। বিষণ্ণতা আপনার মনোযোগ দেয়ার ক্ষমতা কমিয়ে ফেলে এবং রক্তে করটিসলের লেভেল বাড়িয়ে দেয়। করটিসেলের লেভেল বেড়ে গেলে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা কমে যায়, বিশেষ করে হিপ্পোক্যাম্পাসের। যেখানে শর্টটার্ম মেমোরি সংরক্ষিত থাকে। তাই বিষণ্ণতাসহ সকল মানসিক চাপ যতদূর সম্ভব কমিয়ে ফেলুন।

৩। পর্যাপ্ত ঘুমান:
একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনিক আট ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন। একটা চমৎকার ঘুম আপনার মস্তিষ্ককে অধিক কার্যকরী করে তোলে। ঘুমের সময় সাম্প্রতিক সময়ের তথ্যগুলোকে মস্তিষ্কসংরক্ষণ করতে থাকে। আর ঘুমকে বলা হয় মেমোরি চার্জার। ঘুমের সময় আপনার মেমোরি পরবর্তী স্মৃতি ধরার জন্য প্রস্তুত হয়। তাই নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুমের মাধ্যমে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে পারেন।

৪। বিষয়গুলো লিখে রাখুন:
যে বিষয়গুলো স্মৃতিতে রাখতে চান তা লিখে ফেলার অভ্যাস করুন। এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও আছে। লেখার সময় মস্তিষ্কে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তপ্রবাহের পরিমাণ বাড়ে। তাই লিখে রাখুন ডায়রিতে, ই-মেইলে বা ব্যক্তিগত ব্লগে।

৫। গান শুনুন:
অবাক হচ্ছেন? ভাবছেন- স্মৃতির সাথে গান শোনার কী সম্পর্ক? গবেষকরা দেখিয়েছেন কিছু সংগীত স্মৃতিশক্তি বাড়াতে উপকারি। ব্যাপারটা এই রকম: কোন ঘটনার সময় আপনি যদি কোন গান শুনেন তবে পুনরায় সেই গান শোনার সময় সেই ঘটনার আবহের স্মৃতি আপনার মস্তিষ্কে জেগে উঠবে।

৬। পুষ্টিকর খাবার খান:
মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য অবশ্যই আপনাকে ভিটামিন যুক্ত পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। তাজা ফলমূল, গাঢ় সবুজ শাকসবজি, মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, গমের রুটি প্রভৃতি প্রোটিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন। পরিমাণ মতো বিশুদ্ধ পানি পান করুন। প্রচুর চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার করুন। বিশেষ করে বাসি-দূষিত খাবার খাবেন না। ওগুলো স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। আর ধূমপান ও মাদক সেবন থেকে বিরত থাকুন। এগুলো আপনার মস্তিষ্কের জন্য ভয়ানক ক্ষতিকর।

৭। অন্যকে শেখান:
নিজে যা শিখতে চাচ্ছেন। তা একবার শিখে নিয়ে অন্যকে শেখান। আরজনকে শেখাতে গিয়ে দেখবেন আপনার জানার ঘাটতিগুলো ধরতে পারছেন। আবার চর্চাও হবে আরেক জনকে শেখানোর মাধ্যমে। নতুন কিছু বিষয়ে আপনার কোন চিন্তা আরেকজনের সাথে শেয়ারও করতে পারেন। তাহলে আপনার স্মৃতিতে তা স্থায়ী হবে। লোকটাকে দেখা মাত্রই বিষয়টি আপনার স্মৃতিতে আসবে।

চর্চা আর প্রচেষ্টার মাধ্যমে সব কিছু অর্জন সম্ভব। একটু চেষ্টা করলেই বাড়িয়ে নিতে পারেন স্মৃতিশক্তি, মনে রাখার ক্ষমতা। সুস্থ থাকুন।

আয়ুর্বেদিক শাস্ত্র মতে খাবার খাওয়ার ১৫টি নিয়ম

খাবার খেলাম আর অমনিই শরীর চাঙা হয়ে উঠল, এমনটা বাস্তবে কিন্তু হয় না। খাবার খাওয়ারও কিছু নিয়ম আছে, তা না মানলে যতই পেট পুরে খান না কেন, শরীরের কোনো উপকারেই লাগবে না। উল্টো দেহের ক্ষয় হতে শুরু করবে।
পরিসংখ্যান বলছে প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষই জানেন না কীভাবে খাবার খেতে হয়। যে কারণে অনেকে নানাবিধ পেটের রোগে আক্রান্ত হন। সেই সঙ্গে দেহে দেখা দেয় পুষ্টির অভাব। তাই খাবার খাওয়ার সময় কী কী নিয়ম মেনে চলা উচিত, সে সম্পর্কে জ্ঞান থাকাটা জরুরি। না হলে কিন্তু বিপদ!

ভারতীয় আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাশাস্ত্র অনুসারে খাবার খাওয়ার সময় ১৫টি বিষয়ে নজর রাখা জরুরি। এমনটা করলে খাবার ঠিক মতো হজম হবে। ফলে পেট খারাপ হওয়ার আশঙ্কা কমবে। সেই সঙ্গে শরীরের পুষ্টির অভাব ঘটার কারণে নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমবে।

আসুন জেনে নেওয়া যাক খাবার খাওয়ার সঠিক নিয়মগুলো…
১. খাবার খাওয়ার সময় ততক্ষণ পর্যন্ত খাবার চিবতে থাকুন, যতক্ষণ না তা মিহি পেস্টে পরিণত হচ্ছে। যখন দেখবেন এমনটা হয়ে গেছে তখনই গিলবেন, তার আগে নয়।
২. টিভি দেখতে দেখতে অথবা কোনো কাজ করার সময় খাবার খাবেন না। কারণ একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে মন দিয়ে খাবার না খেলে শরীরের কোনো উপকার হয় না। বরং এমনটা করলে নানাবিধ ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। প্রসঙ্গত, খেতে খেতে কথা বলতেও মানা করেন অনেক চিকিৎসক। কারণ এমনটা করলেও নাকি খারাপ হয়। মোট কথা মনোযোগ সহকারে খাবার খেতে হবে। না হলেই কিন্তু বিপদ!
৩. খাবার খাওয়ার আগে ভুলেও ঠাণ্ডা পানি খাবেন না। এমনটা করলে হজমপ্রক্রিয়া বিঘ্নিত হবে। ফলে বদহজম, গ্যাস-অম্বল, পেটে অস্বস্তি প্রভৃতি সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
৪. খেতে খেতে কোল্ড ড্রিঙ্ক খাওয়া একেবারেই চলবে না। কারণ এমনটা করলে হজম প্রক্রিয়া একেবারে খারাপ হয়ে যায়। ফলে খাবার ঠিকমতো হজম না হওয়ার কারণে দেখা দেয় বহু সমস্যা।
৫. আয়ুর্বেদ শাস্ত্রমতে ভালোবেসে বানানো খাবার শরীরে পজিটিভ এনার্জির মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে মন এবং মস্তিষ্ক চাঙা হয়ে ওঠে। অন্যদিকে, খিটখিটে বা অখুশি মন নিয়ে বানানো খাবার খেলে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়।
৬. তাড়াতাড়ি খাবার খাওয়া একেবারেই উচিত নয়। বরং খাওয়ার সময় মনকে শান্ত রেখে থেমে থেমে খাবার গেলা উচিত। এমনটা করলে হজমক্ষমতার যেমন উন্নতি ঘটে, তেমনই খাবারে থাকা পুষ্টি ঠিক মতো শরীর দ্বারা শোষিত হয়।
৭. খাবার খাওয়ার পর মনে করে একটু বসে নেবেন, তারপর কাজ শুরু করবেন বা অফিসে রওনা দেবেন। তাড়াহুড়ো করে খেয়ে অফিসে বেরিয়ে পড়ার অভ্যাস ছাড়ুন। এমনটা করলে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হয়।
৮. যতক্ষণ না পেট কিছুটা ভরে যাচ্ছে, ততক্ষণ আস্তে আস্তে খাওয়া উচিত। চিকিৎসাবিজ্ঞান বলে পাকস্থলির এক তৃতীয়াংশ যতক্ষণ না ভরছে ততক্ষণ পর্যন্ত তাড়াহুড়ো করে খাবার খাওয়া একেবারেই উচিত নয়।
৯. সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার এবং রাতের খাবারের মাঝে যেন কম করে ৩-৪ ঘণ্টার ব্যবধান থাকে। কারণ যেকোনো খাবার ঠিকমতো হজম হতে এই সময়টা লাগে। তাই ৩-৪ ঘণ্টার আগে বারে বারে খাবার খেলে পেট খারাপ হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়।
১০. সূর্যাস্তের আগে পর্যন্ত আমাদের হজমক্ষমতা খুব ভালো থাকে। যেই না অন্ধকার হতে শুরু করে, আমনি ঘড়ির কাঁটার সঙ্গে তাল মিলিয়ে হজমশক্তিও কমে যেতে শুরু করে। সেই কারণেই তো দুপুর পর্যন্ত ভারি খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। এর পর থেকে খাবার পরিমাণ কমিয়ে ফেলাটাই বাঞ্ছনীয়।
১১. খাবার খাওয়ার সময় পানি যেন ঘরের তাপমাত্রার সমান থাকে। এর থেকে বেশি ঠাণ্ডা হলে কিন্তু হজমে সহায়ক এসিডগুলি ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। ফলে বদহজম সহ আরও নানা ধরনের পেটের সমস্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়।
১২. যাদের খুব খিদে পায়, তারা অল্প অল্প করে বারে বারে খেতে পারেন। তবে প্রতিটি খাবার খাওয়ার মধ্যে যেন কম করে ৩ ঘণ্টার ব্যবধান থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখার চেষ্টা করবেন।
১৩. ভারি কোনো খাবার খাওয়ার আগে সুযোগ থাকলে অল্প করে আদা বা লেবু খেয়ে নেবেন। এমনটা করলে শরীরে পিত্তরসের ভারসাম্য ঠিক থাকবে। ফলে খাবার হজমে কোনো সমস্যা হবে না।
১৪. লাঞ্চের আগে বা পরে ১ গ্লাস লাচ্ছি খাওয়ার চেষ্টা করবেন। এতে ঠিকমতো খাবার হজমের পথ প্রশস্ত হবে।
১৫. আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং আয়ুর্বেদিক শাস্ত্র মতে রাতের খাবার ৮টার মধ্যে সেরে ফেলা জরুরি। শুধু তাই নয়, রাতের খাবার হতে হবে হালকা এবং সহজপাচ্য। যাতে তাড়াতাড়ি হজম হয়ে যেতে পারে।

ওজন কমাতে চাইলে খেতে হবে ডিম!

ডিম যাঁদের প্রিয় খাবার, এই খবর শুনে তারা হয়তো স্বস্তির হাসি হাসতে পারেন। যদিও এই তথ্য সার্বিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার বিষয়ে, তবুও ডিম-রসিকদের জন্য এ খবর নিঃসন্দেহে আকর্ষণীয়! ডিম খেলে স্বাস্থ্যর বেশ কয়েকটি লাভ হয়। ডিম থেকে পাওয়া সুবিধাগুলো না জানা থাকলে, দেখে নিন একনজরে।

ডিম খেয়ে কমিয়ে ফেলতে পারেন ওজন
বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিম দিয়েই ১৪ দিনে শরীর থেকে ঝরিয়ে ফেলা যেতে পারে ১০ কিলো ওজন। শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটাই সত্যি। ফিটনেস বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাদ্যাভ্যাসের সামান্য রদবল এবং আহারে রোজ ডিম খেলে মাত্র ১৪ দিনেই অন্তত ১০ কিলো ওজন ঝরিয়ে ফেলা সম্ভব। তবে, এই সময়টাতে জাঙ্ক ফুড, মিষ্টি জাতীয় খাদ্য বা পানীয় এবং অ্যালকোহল বর্জন করতে হবে। এমনকি, রোজ চিনি ও লবণ খাওয়ার পরিমাণও কমাতে হবে।

প্রোটিনের যোগান দেয় ডিম
আপনার বাচ্চা যদি ডিম খাওয়ার জন্য বায়না ধরে, তাহলে হয়তো মাঝেসাঝেই আপনি সে জন্য বকুনি দিয়ে থাকেন ওকে। তবে জানেন কি, ডিমে সবচেয়ে বেশি প্রোটিন থাকে। যা আপনার বাচ্চার স্বাস্থ্য গড়তে সাহায্য করবে। যা রক্তচলাচল ও ত্বককে ভালো রাখবে।

কোলেস্টেরলের জন্য ডিম
ডিমে থাকে কোলেস্টেরল যা হাঁটা চলা অথবা দৈহিক পরিশ্রম করলে, শরীরকে এনার্জি যোগায়। ডিমের কুসুমে থাকে কোলেস্টেরল।

পেশি নির্মাণে ডিম
যারা বডি মাসল বানানোর আকাঙ্ক্ষা করেন, তাঁদের জন্য ডিম খুবই প্রয়োজনীয়। কারণ শরীরে পেশি গঠন করতে সাহায্য করে ডিম। ফলে যাঁদের বডি বিল্ডিং এর শখ রয়েছে, তাঁরা ডিম খেয়ে সুস্বাস্থ্যর অধিকারী হতেই পারেন।

উচ্চতা বাড়ানোয় ডিম
উচ্চতা পেতে কে না চান! দীর্ঘাঙ্গ শরীর সব ক্ষেত্রেই আকর্ষণীয়। তাই উচ্চতা পেতে হলে আপনাকে অবশ্যই খেতে হবে ডিম। যাঁরা এমনিতেই ডিম খেতে ভালোবাসেন, তাঁদের জন্য এই তথ্য নিঃসন্দেহে সুখবর!

ভিটামিন, মিনারেলের যোগান দেয় ডিম
ডিমের মধ্যে যে প্রোটিন থাকে তা ভিটামিন B2 নির্ভর। সঙ্গে থাকে বহু খনিজও। তাই ডিম স্বাস্থ্যর পক্ষে খুবই উপকারী। অনেক বিশেষজ্ঞই বলেন প্রতিদিন ডিম খাওয়া উচিত। তবে শীতকালে ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যকর বলেও অনেকের পরামর্শ।

চোখ ভালো রাখতে ডিম
ডিমের কুসুমের অংশটি পরোক্ষভাবে চোখকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। তাই চোখ ভালো রাখতেও প্রয়োজন ডিম।

আদর করলে বাচ্চাদের বুদ্ধির বিকাশ দ্রুত হয়! কেন জানেন?

যত বেশি আমরা বাচ্চাদের আলিঙ্গন করি বা জড়িয়ে ধরি, তত বেশি ওদের বুদ্ধির বিকাশ হয়। ওহায়োর ন্যাশনাল চিলড্রেন’স হাসপাতালের গবেষকরা জানিয়েছেন, এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে স্বাবলম্বী, স্মার্ট হয়ে ওঠার জন্য বাচ্চাদের বড় হওয়ার সময় আদর খুবই জরুরি। যত বেশি আমরা বাচ্চাদের আলিঙ্গন করি বা জড়িয়ে ধরি, তত বেশি ওদের বুদ্ধির বিকাশ হয়।

গবেষণার জন্য তারা ১২৫ জন নবজাতককে বেছে নিয়েছিলেন তারা। দেখা হয়েছিল আদরে তারা কীভাবে সাড়া দেয়। গবেষণায় দেখা যায়, যে শিশুরা প্রেগন্যান্সির ফুল-টার্মে জন্মেছে তারা প্রি-ম্যাচিরড শিশুদের তুলনায় আদরে বেশি সাড়া দেয়। এই গবেষণাতেই দেখা যায়, যারা বাবা-মা বা হাসপাতাল নার্সদের কাছে বেশি আদর পাচ্ছে তাদের মস্তিষ্ক যেকোন বিষয়ে তত তাড়াতাড়ি প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে।

গবেষক ডা. নাতালি মায়েত্রে সায়েন্স ডেইলিকে জানান, প্রি-টার্ম শিশুদের মস্তিষ্ক ও বুদ্ধির সঠিক বিকাশের জন্যও তাদের কোলে নেওয়া, আদর করা খুব জরুরি। সায়েন্স ডেইলিতে এই গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে।

প্রেগন্যান্ট? আম খাওয়ার সময় মেনে চলুন এগুলো

সারা গরম কাল আম উপভোগ করার সময়। সুস্বাদু পাকা আম হোক বা মুখরোচক কাঁচা-মিঠে আম। যে কোনও আমই খেতে যেমন ভাল লাগে, তেমনই শরীরের পক্ষেও উপকারী। তবে আপনি যদি প্রেগন্যান্ট হন তা হলে আম খাওয়ার ব্যাপারে কিছুটা সতর্কতা মেনে চলতে হবে। আম খাওয়া এই সময় খুবই পুষ্টিকর হলেও কিছু ঝুঁকি থেকেই যায়। জেনে নিন কী ভাবে সতর্ক থেকে আম খাবেন।

উপকারিতা
আমের মধ্যে থাকে আয়রন যা রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে, ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখতে ও ভিটামিন সি রক্তে ফ্রি র‌্যাডিক্যালের মোকাবিলা করে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। পটাশিয়াম শরীরে তরলের ভারসাম্য বজায় রাখে ও ফাইবার হজমে সাহায্য করে। এ ছাড়াও আমের আরও অনেক গুণ রয়েছে। অন্যান্য ফলের তুলনায় মরসুমি আমে চিনির পরিমাণও বেশি থাকে। ক্যালোরি বেশি থাকার জন্য গর্ভাবস্থার তৃতীয় পর্যায়ে আম খাওয়া খুব জরুরি। এই সময় বেশি এনার্জির প্রয়োজন হয়।

ঝুঁকি
গর্ভাবস্থায় আম খুবই পুষ্টিকর। কিন্তু অনেক সময়ই আম পাকানোর জন্য ক্যালসিয়াম কার্বাইড দেওয়া হয়। যা গর্ভাবস্থায় ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। যদি আপনার জেস্টেশনাল ডায়াবেটিস বা গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস ধরা পড়ে থাকে তা হলে আম এড়িয়ে চলাই ভাল। আবার পরিমিত পরিমাণ না খেলে ডায়রিয়া হতে পারে। যা থেকে ডিহাইড্রেশনে ভুগতে পারেন।

কী ভাবে খাবেন
আম রাসায়নিক দিয়ে পাকানো হয়। তাই খাওয়ার আগে খুব ভাল করে ধুয়ে নিন। খোসা ছাড়িয়ে নিন ও খোসার গা থেকে সরাসরি আমের শাঁস খাবেন না। সবচেয়ে ভাল হয় যদি কাঁচা অবস্থায় আম কিনে বাড়িতে পাকিয়ে নিতে পারেন। তা হলে রাসায়নিক থাকার সম্ভাবনা কম। পাকা আম কাটার পর ছুরি, হাত ভাল করে ধুয়ে নিন। স্মুদি, জুস বা আমের কোনও ডেজার্ট বানাতে হলে বেশি চিনি মেশাবেন না।

নতুন চাকরিতে যোগ দেওয়ার আগে জেনে নিন…

নিজের ভূমিকা ও জটিলতার মাত্রা
যে পদে চাকরির জন্য ইন্টারভিউ দিয়েছেন, সে পদে আপনার দায়দায়িত্ব সম্পর্কে খুঁটিনাটি জেনে নিন। বুঝে নিতে হবে কাজের ধরন ও সম্ভাব্য জটিলতা। নয়তো ভালো মাইনে পেলেও পরে কিন্তু ভোগান্তিতে পড়বেন। মনের বিরুদ্ধে যখন সময় কাটবে, তখন কোনো চাকরিই ভালো লাগবে না।
কম্পানির অর্থনৈতিক স্বাস্থ্য
আপনি নিশ্চয়ই এমন কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে চান না, যেখানে চাকরি ছাড়তে হবে কম্পানির বেহাল দশার কারণে। তাই কম্পানির অর্থনৈতিক অবস্থা আগেভাগেই জেনে নিন।
কম্পানির ব্র্যান্ড ভ্যালু
বাজারে চাকরিদাতার ব্র্যান্ডের মূল্যমানের ওপর আপনার ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ  নির্ভর করে। চলতি বাজারের গড় মূল্যমানের চেয়ে কম হলে অদূর ভবিষ্যতেই এখানে ক্যারিয়ারের ইতি ঘটতে পারে। তাই প্রতিষ্ঠানের খুঁটি শক্তিশালী না হলে বিপদ।
কাজের পরিবেশ
কাজের পরিবেশ ও অফিস সংস্কৃতি বিষয়ে ইন্টারভিউয়ের সময়ই ধারণা পাওয়া যায়। আপনি জিজ্ঞাসাও করে নিতে পারেন। কাজের আদর্শ, উদ্যাপন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কর্মীদের অংশগ্রহণের পরিবেশ সম্পর্কে জেনে নিন। সাধারণ কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন আয়োজনের ছবি ও ভিডিও বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এগুলো প্রকাশ করে। তবুও আরো বেশি কিছু বুঝে নেওয়াটা জরুরি।
সুবিধাদি
হিসাব করে দেখুন, কম্পানি যে বেতন ভাতা কিংবা অন্যান্য সুবিধাদি দেবে, এর সঙ্গে বাজারের সামঞ্জস্যতা আছে কি না। কম হলে তা ভালো নয়। আবার খুব বেশি হলেও চিন্তার বিষয়। এও দেখতে হবে, পদোন্নতি মিললে বর্তমান বেতন ভাতার চেয়ে ২৫ থেকে ৫০ শতাংশ বেশি কি না।
ব্যক্তিগত জীবন
আপনার চাকরিটা এমন হবে, যেখানে ব্যক্তিগত জীবনের সঙ্গে কর্ম জীবনের সংঘাত থাকবে না। যে চাকরি এ দুই জীবনের মধ্যে ঝামেলা পাকিয়ে ফেলে, তাতে যোগ দেওয়ার আগে দ্বিতীয়বার ভেবে নিন।

সেলফি মেকআপ: ছয়টি চম‍ৎকার টিপস

আজকাল প্রায় সবাই সেলফিপ্রেমী, কোনো অনুষ্ঠানে গেলে সবাই ব্যস্ত হয়ে যাই সেলফি তুলতে। সেলফি তুলে সবার আগে সেই ছবি সামাজিক মাধ্যমে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করার এক ধরনের প্রতিযোগিতাও চলে।

সেলফি সুন্দর করে তুলতে হবে, এটা তো প্রথম শর্ত। আসুন জেনে নেই সেলফি মেকআপ কেমন হবে:
প্রাইমার দিয়ে শুরু করা যাক,

ভালো সেলফির জন্য প্রথম প্রয়োজন মসৃণ ত্বক। মসৃণ ও উজ্জ্বল ত্বক পেতে অন্য কিছু করার আগেই প্রাইমার লেয়ারের ব্যবহার বুদ্ধিমানের কাজ। এমনকি ফাউন্ডেশন ব্যবহার করার আগেই প্রাইমার ব্যবহার করা উচিৎ।

হাইলাইট
মুখের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো যেমন- নাক, কপাল, চোখ ও গালের মধ্যবর্তী অংশ ও থুতনিতে হাইলাইট করলে ছবিতে নিজেকে অনেক তরুণ ও উজ্জ্বল দেখায়। মূলত হাইলাইট হচ্ছে স্মার্টফোনের একটি ফিচার, কিন্তু ত্বক উজ্জ্বল করতে রিয়েল লাইফেও এর ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সারাদিন ত্বক মসৃণ ও উজ্জ্বল রেখে যখন-তখন সেলফি তোলার ক্ষেত্রে সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে ক্রিমি হাইলাইটার স্টিকের ব্যবহার করা।

হলুদাভ আবরণ-টিন্টেড পাউডার
হ্যাঁ ঠিক- যখন আপনি জানবেন যে, এখন আপনি সেলফি তুলবেন, তখন মুখের ত্বকে ফাউন্ডেশন লেয়ারের ওপর হলুদাভ বর্ণের টিন্টেড পাউডার ব্যবহার করুন। মুখে টিন্টেড পাউডারের প্রলেপ দিলেই ছবি হয়ে ওঠে উজ্জ্বল। স্মার্টফোনে এটি প্রিলোডেড গোল্ডেন টোনফিচার হিসেবে যুক্ত থাকে।

চোখের চারপাশ
প্রতিটি ছবির জন্য ফ্রেমিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আর চোখের চারপাশে ফ্রেমিং করতে পারলে বেশ সুন্দর সেলফি তোলা সম্ভব। আপার ও লোয়ার ল্যাশলাইনের সঙ্গে কালো রংয়ের আইলাইনার আঁকতে পারলে, সেলফি কিন্তু চমৎকার হয়।

ভ্রু-তেও একটু ছোঁয়া
জানেন কি, যত সুন্দর করে ভ্রু আঁকা যায় সেলফিতে নিজেকে ততটাই সুন্দর দেখানো সম্ভব! ভ্রু-এর কোনো অংশ যদি হালকা থাকে তবে দিয়ে সেখানে মুখের ধরণ অনুযায়ী আই ভ্রু পেনসিল দিয়ে এঁকে নিজেকে আকর্ষণীয় করে তোলা যায়। পেনসিল দিয়ে ছোট রেখা এঁকে ভ্রু-এর হালকা অংশ ভরাট করা যেতে পারে।

লিপস্টিক
সবশেষে কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মেকআপ আইটেম হচ্ছে লিপস্টিক। সুন্দর সেলফি তুলতে ঠোঁটের রংয়ের লিপস্টিক নিয়ে কাজ করতে হবে। ঠোঁটের রংয়ের চেয়ে একটু গাঢ় টোনের লিপস্টিক ব্যবহার করুন। এতে সেলফিতে দিপ্তীময় হাসি নিয়ে আসতে পারে। ঠোঁটের মেকআপে লিপব্রাশ ব্যবহার করুন।

সঠিক মেকআপে নিজেকে আরও সুন্দর আর আকর্ষণীয় করে তুলুন। পছন্দের সেলফি দিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে থাকুন।