Category Archives: Fashion & Lifestyle

গান শুনে কি কখনো গায়ে কাঁটা দেয়? তাহলে আপনি স্পেশাল!

আপনার কি কখনো কখনো বিশেষ কোনো গান শুনে বা সিনেমা দেখে গায়ে কাঁটা দিয়ে ওঠে লোম খাড়া হয়ে যায়? বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়দের থেকে এই কথাটা মাঝেমধ্যেই শুনে থাকি আমরা। বিশেষত, কোনও দৃশ্য দেখলে বা কোনও গান শুনলে, তাঁদের নাকি গায়ে কাঁটা দিয়েছিল।

ইংরেজিতে একে বলে ‘গুসবাম্পস্’। কিন্তু, আদৌ কি গায়ে কাঁটা দেয়?

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, না, কাঁটা দেওয়ার অর্থ তা নয়। এর অর্থ অন্য। কোনও কিছু শুনে বা দেখে শরীরে বিশেষ কোনও অনুভূতি হলে, বুঝতে হবে ওই গান বা দৃশ্য-এর আবেগকে বিশেষভাবে আত্মস্থ করছেন আপনি। এই ধরনের মানুষরা আর পাঁচজনের থেকে আলাদা হন।

হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ম্যাথু স্যাচ সম্প্রতি এই তথ্য জানিয়েছেন, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জার্নালে। ম্যাথুর মতে, এই ধরনের বিশেষ অনুভূতিসম্পন্ন মানুষদের মস্তিষ্ক আর পাঁচজনের থেকে আলাদা হয়। অর্থাৎ, এদের ব্রেন আবেগ বা অনুভূতিকে বিশেষভাবে গ্রহণ করতে পারে। তাই এই ধরনের মানুষরা ‘বিরল’ হন।

এরা সত্যিই স্পেশাল মানুষ।

Advertisements

বয়সকালে সুস্থ থাকতে বিয়ে করুন : গবেষণা

ব্রিটেনের লগবোরোহ ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, বয়সকালে স্মৃতিভ্রংশ ব্যাপক হারে দেখা যায়। এ অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে পারে বিয়ে।

এ ছাড়াও সহায়তা করে বন্ধুত্ব। কাজেই বিবাহিত জীবন এবং বন্ধুত্বই বুড়োদের স্মৃতি হারানো থেকে বাঁচাতে পারে।

গবেষণায় বলা হয়, বয়স হলে আলঝেইমার্সের মতো রোগ সারাইয়ের কাজ করে থাকে বিয়ে। এ কাজে বিশেষজ্ঞরা একটানা ৭ বছর ধরে ৬৬৭৭ জন মানুষের ওপর গবেষণা চালিয়েছেন। আলঝেইমার্সের ঝুঁকি আগেভাগেই অনেকাংশে কমিয়ে আনে বিবাহিত জীবন। যদি কাছের কিছু বন্ধু-বান্ধব থাকে তবুও উপকার মিলবে।

আলঝেইমার্সে আক্রান্তদের ওপর গবেষণা করে দেখা গেছে, বেশ কিছু লক্ষণ আগে থেকেই দেখা দেয়। যেমন- মধ্যবয়সে শ্রবণশক্তি কমে আসা। বিষণ্নতা দেখা দেয় ধীরে ধীরে।

শারীরিকভাবেই অকর্মন্য ভাব চলে আসে। সামাজিকভাবেও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে থাকে মানুষ। উচ্চ রক্তচাপও দেখা দিতে থাকে।

সুস্বাস্থ্যের জন্য আট ঘণ্টা ঘুম কতটা জরুরী?

পৃথিবীজুড়ে বিভিন্ন চালানো গবেষণায় তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে, কারা বেশি রোগাক্রান্ত হয়। যারা কম ঘুমায় কিংবা যারা বেশি ঘুমায় তারা নানা রোগে আক্রান্ত হয় এবং কম বাঁচে।

কম ঘুমানোর কারণে তারা রোগাক্রান্ত হচ্ছে কি না সেটি বলা বেশ কঠিন। এখানে কম ঘুমানো মানুষ বলতে তাদেরকে বোঝানো হয়েছে যারা রাতে ছয় ঘণ্টার কম ঘুমায়। অন্যদিকে বেশি ঘুমানো মানুষ বলতে তাদের বোঝানো হয়েছে যারা নয় কিংবা ১০ ঘণ্টার বেশি ঘুমায়।

বয়:সন্ধিকালের আগ পর্যন্ত প্রতি রাতে ১১ ঘণ্টা ঘুমানোর জন্য পরামর্শ দেয়া হয়েছে। নবজাতকের জন্য প্রতিদিন ১৮ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন বলে উল্লেখ করা হয়েছে গবেষণায়। যাদের বয়স ১৩ থেকে ১৯ বছর তাদের প্রতিরাতে ১০ ঘণ্টা ঘুমানো উচিত।

ডাবলিনের ট্রিনিটি কলেজের মস্তিষ্ক বিষয়ক গবেষক শেন ও’মারা বলেন, শুধু কম ঘুমের কারণেই স্বাস্থ্য খারাপ হয় কি না সেটি বলা খুব কঠিন। তবে একটির সাথে আরকেটির সম্পর্ক আছে।

উদাহরন স্বরূপ বলা যায়, যারা কম ব্যায়াম করে তারা কম শারীরিকভাবে কম ফিট থাকে।

ফলে যার ফলে বেশি ঘুম পায় এবং নিজেকে ক্লান্ত মনে হয়। আবার ক্লান্ত থাকার কারণে ব্যায়াম করা কমে যায়।

অনেকে আছেন যারা সাংঘাতিক ভাবে ঘুম বঞ্চিত। রাতে এক-দুই ঘণ্টার বেশি তাদের ঘুম হয় না। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এর কারণে স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যায়।

ঘুম কম হবার কারণে শারীরিকভাবে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। পৃথিবীজুড়ে ১৫৩টি গবেষণা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কম ঘুমের কারণে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ এবং মোটা হয়ে যাবার সম্পর্ক আছে। প্রায় ৫০লাখ মানুষের উপর এসব গবেষণা চালানো হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, একটানা কয়েক রাত যদি ঘুম কম হয় তাহলে সেটি ডায়াবেটিসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যেতে পারে। এ ধরনের নিদ্রাহীনতা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে শরীরের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়।

ঘুম কম হলে টিকার কার্যকারিতা এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুম হলে ক্ষুধার তীব্রতা বাড়ে এবং এতে বেশি খাবারের চাহিদা তৈরি হয়। ফলে মোটা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এর ফলে মস্তিস্কের কার্যক্ষমতা কমে যায় এবং এর ফলে দীর্ঘমেয়াদী স্মৃতি বিভ্রম তৈরি হতে পারে।

অধ্যাপক ও’মারা বলেন, দিনের বেলায় মস্তিকের ভেতরে নানা ধরনের জিনিস তৈরি হয় এবং রাতে ঘুমের মাধ্যমে সেগুলো অপসারণ হয়ে যায়। এ কারণে মস্তিষ্ক দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়ে।

তবে অতিরিক্ত ঘুম হলে শরীরের উপর কী ধরনের প্রভাব পড়ে সেটি পুরোপুরি বোঝা যাচ্ছে না ।

আমরা যখন ঘুমাই তখন গুমরে কয়েকটি স্তরের ভেতর দিয়ে যাই। ঘুমের একটি চক্র আছে। প্রতিটি চক্র ৬০ থেকে ১০০ মিনিট পর্যন্ত থাকে। ঘুমের বিভিন্ন স্তরের সময় আমাদের শরীরের ভেতরে যেসব বিভিন্ন ধরনের ক্রিয়া-বিক্রিয়া ঘটে।
এ স্তরগুলোর মধ্যে আছে- ঘুম-ঘুম ভাব, হালকা গভীর ঘুম এবং গভীর ঘুম।

শিফট অনুযায়ী কাজ করলে সেটি স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক ফেলে। গবেষকরা বলছেন, যারা নাইট শিফটে কাজ করেন তারা দিনের এমন এক সময়ে ঘুমাতে যান যখন তাদের ঘুম কম হয়। ফলে তাদের ডায়াবেটিস এবং মোটা হয়ে যাবার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমের রিপোর্ট দেখে মনে হয় আমরা সাংঘাতিক নিদ্রাহীনতায় ভুগছি। কিন্তু আমরা কি আসলেই আগের চেয়ে কম ঘুমাচ্ছি? কিন্তু বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, কোন কোন দেশে মানুষের মাঝে গড়ে ঘুমের সময় বেড়েছে। আবার কোথাও কিছুটা কমেছে।

ক্যাফেইন এবং অ্যালকোহল পানের কারণে ঘুমের উপর প্রভাব রাখতে পারে।

আমাদের জীবন, স্বাস্থ্য এবং মানসিক অবস্থার উপর ঘুমের প্রভাব কতটা -সেটা কি আমরা জানি? প্রতিদিন আমাদের কতক্ষণ ঘুমানো উচিত? আমরা প্রায়ই শুনি যে প্রতি রাতে আমাদের আট ঘন্টা ঘুমানো উচিত। যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস এবং আমেরিকার ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশন বলে, প্রতি রাতে আটঘন্টা ঘুম প্রয়োজন। কিন্তু আট ঘণ্টা ঘুমের এ ধারনা কোথা থেকে আসলো?

ফিটনেস : বয়স বাড়লেও শরীরটা ঝরঝরে রাখতে চাইলে

বয়স চল্লিশ পার হলেই জীবনটা আর আগের মতো থাকে না। শরীরে তখন স্থান করে নিতে থাকে বিভিন্ন রোগব্যাধি।

উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল বা ব্লাড সুগারের মতো সমস্যা আঁকড়ে ধরলে অবাক হওয়ার কিছু থাকে না। এটা ঠিক যে নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করলে এসব সমস্যা থেকে কিছুটা মুক্ত থাকা যায়। কিন্তু শরীরে যদি বাত থাকে তাহলে হাঁটাহাঁটিটা আর সহজ বিষয় থাকে না। বাত থাকলেও সমস্যা নেই, আবার সময়ের অভাব থাকলেও সমস্যা নেই। সব সমস্যার মুক্তি থেকে দরকার শুধু ইচ্ছাশক্তি। আর এ জন্য বাড়িতেই যেকোনো সময় ২০-২৫ মিনিটের ব্যায়াম যথেষ্ট। আগের দিন আমরা শুধু প্ল্যাংক অনুশীলন দেখেছি। আজ অন্য ব্যায়াম বিষয়ে জানব।
হাতে ভর রেখে স্কোয়াট

হাঁটু হলো হিঞ্জ জয়েন্ট।

অনেকটা কপাটের মতো। একে ভালো রাখতে স্কোয়াটের কোনো জুড়ি নেই। একটি চেয়ার বা টেবিলে হাতের ভার রেখে হাঁটুটা যতটা ভাঁজ করলে ব্যথা লাগে না ততটা ভাঁজ করে স্কোয়াট করতে হবে। সম্ভব হলে ৯০ ডিগ্রি, অর্থাৎ যতক্ষণ না হাঁটু ও কোমর সমান্তরালে আসে ততক্ষণ স্কোয়াট করলে ভালো। এ অনুশীলনের সময় পেছনে একটি টুল বা একটি বাক্স ধরনের কিছু রেখে নিলে অনুশীলনে সুবিধা হবে। স্কোয়াট করার সময় যখন টুলে নিতম্ব স্পর্শ করবে তখন উঠে দাঁড়ালেই হবে। এভাবে ১০ বার করুন।

ওয়াল পুশ আপ

কাঁধের সমান উচ্চতা এবং কাঁধের প্রস্থের সমান দূরত্বে দুই হাত দেয়ালে রেখে দেয়াল থেকে একটু সরে দাঁড়াতে হবে। এবার বুক দেয়ালের কাছে আনার চেষ্টা করতে হবে, আবার ফিরে যেতে হবে আগের অবস্থানে। এভাবে ১০ থেকে ১২ বার করতে হবে। এতে বুক আর কাঁধের পেশির জোর বাড়ে। কাঁধের বল অ্যান্ড সকেট জয়েন্টও ভালো থাকে।

শূন্যে পাঞ্চ অ্যান্ড কিক

আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে শুরুতেই প্রথম আড়াআড়ি চারটি ঘুষি ছুড়ুন। তবে এক হাতে নয়, দুই হাতে। একইভাবে পর পর চারটি লাথি ছুড়ুন। হাত ও পা ছোড়ার সময় কাছাকাছি কোনো জিনিস না থাকার বিষয়টি আগেই নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় হিতে বিপরীত হতে পারে। আঘাত পেয়ে ব্যায়ামের ইচ্ছাটাই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এভাবে কয়েকবার ঘুষি ও লাথি ছুড়ুন। সব মিলিয়ে ৪৫ সেকেন্ড থেকে এক মিনিট বিরামহীনভাবে এটি করতে হবে। কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে আবার করতে হবে।

সহজে জেনে নিন কোন ডিমে পুষ্টি বেশি

ডিমকে বলা হয়, ‘পাওয়ার হাউস অব নিউট্রিশন’। অর্থাৎ পুষ্টির শক্তির ঘর। প্রাণীজ প্রোটিনের মধ্যে ডিম হলো আদর্শ প্রোটিন। এখানে সব ধরনের পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এটি শরীরের অনেক উপকারে আসে। ডিম শুধু আদর্শ প্রোটিনই নয়, বরং অনেক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে এতে রয়েছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড। এটি হৃদরোগের বিরুদ্ধে অনেক কার্যকরী।
আমরা সবাই কম বেশি ডিম পছন্দ করি। কেউ হাঁসের ডিম পছন্দ করি। কেউ বা আবার বেছেনি মুরগির ডিম। ডিমের একটা বিষয়ে নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তায় পড়তে হয়। যারা মুরগির ডিম খান, তারা প্রায়ই বুঝতে পারেন না কোনটা খাবেন- বাদামি নাকি সাদাটা? এখানে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বাদামি ও সাদা ডিমের পার্থক্যের কথা।
বাদামি নাকি সাদা?
অন্যান্য খাবারের হিসাব যদি করেন, তবে সাদার চেয়ে বাদামিটাই বেশি স্বাস্থ্য ও পুষ্টিকর বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। যেমন- সাদা আটার চেয়ে বাদামি আটা বেশি পুষ্টিকর। সাদা চালের চেয়ে বাদামি চালের ভাত বেশি স্বাস্থ্যকর। সেই হিসাবে বাদামি ডিম কেন বেশি ভালো হবে না? এটা নিয়ে আরো প্রশ্ন রয়েছে।
বাদামি ডিমে কি ব্যাকটেরিয়া আক্রমণের ভয় কম থাকে? এদের স্বাদ কি সাদার চেয়ে বেশি? এটাই কি বেশি প্রাকৃতিক? আসলে কোনটা ভালো মানের ডিম তা জানতে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর পেতে হবে। এখানে আরো কিছু তথ্য জেনে নিন। এতে করে বাদামি ও সাদা ডিমের মধ্যে পার্থক্য আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন।
ডিমের কুসুম
বাদামি ডিমের কুসুমের রং একটু বেশি গাঢ়। কারণ বাদামি ডিম যেসব মুরগি পাড়ে, তাদের বেশি পরিমাণ শস্য খাওয়ানো হয়।
দাম
বাদামি ডিমগুলো সাদা ডিমের চেয়ে অপেক্ষাকৃত বেশি দামের হয়ে থাকে। বাদামি ডিম যে মুরগি পাড়ে তাদের আকার অনেক বড়। এদের খাবারের পেছনেও খরচ বেশি। তাই এই ডিমের দাম বেশি হয়ে থাকে। কিন্তু সাদা ডিম যেসব মুরগি পাড়ে, তাদের খাবারের পেছনে অপেক্ষাকৃত কম খরচ হয়।
সরবরাহ
বাজারে সাদা ডিমের সরবরাহ একটু বেশিই দেখবেন। আবার বাদামিটাও বেশি থাকতে পারে। কারণ সাদা পালকের মুরগি অনেক বেশি মেলে। আবার এরা ডিমও পাড়ে বেশি।
পুষ্টিগুণ
গবেষণায় দেখা গেছে, বাদামি ডিমের পুষ্টিগুণ সাদা ডিমের চেয়ে বেশি। এতে ওমেগা-ফ্যাটি অ্যাসিড বেশি পরিমাণ থাকে।
স্বাদ
বাদামি ও সাদা ডিমের স্বাদ ভিন্ন। আসলে মুরগিকে যে খাবার দেওয়া হবে তার ওপর নির্ভর করবে ডিমের পুষ্টিগুণ কেমন হবে।

খাওয়ার পর যে কাজগুলো কখনো করবেন না

দুপুরে ডায়েট মেনে খাচ্ছেন, রাতেও বেশ নিয়ম মেনেই খাওয়াদাওয়া করছেন, তা সত্ত্বেও শরীর যেন কিছুতেই ভাল যাচ্ছে না। শরীর ভাল রাখতে কী করবেন, বুঝে উঠেতেই যেন পারছেন না।

এমন যদি হয়, তাহলে দুপুরে, রাতে কিংবা সকালে যে কোনও সময় ভরপেট খাওয়াদাওয়ার পর বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলুন।

যেমন খাওয়ার পর পরই কখনও ধূমপান করবেন না। খাওয়ার পর যদি আপনি ধূমপান করেন, তাহলে যে প্রয়োজনীয় জিনিস আপনার শরীরে প্রবেশ করেছিল, তার পুষ্টিগুণ কিন্তু নামতে শুরু করে দেবে। তাই খাওয়ার পর সিগারেটকে বলুন না। গবেষকদের একাংশ বলছেন, খাওয়ার পর সিগারেট খেলে তা ক্যান্সারের প্রবণতা অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

অনেকেরই খাওয়াদাওয়ার পর চা পানের অভ্যাস আছে। বিশেষত রাতের খাবারের পর। কিন্তু, খাওয়াদাওয়ার পর চা খেলে হজমের গণ্ডগোল হয়। অনেকেরই ধারণা রয়েছে, খাওয়ার পর ফল নাকি ভাল।

কিন্তু, খাওয়াদাওয়ার পর ফল খাওয়ার অভ্যেসও সঠিক নয়। যদিও আপনার হজমের গণ্ডগোল, লিভারের সমস্যা থাকে, তাহলে কখনওই খাওয়ার পর (বিশেষ করে মিল বা ডিনার) ফল খাবেন না।

পেটপুরে খাবার পর কখনও সঙ্গে সঙ্গে ঘুমোতে যাবেন না। গবেষণা বলছে, খাওয়ার পর পরই ঘুমোতে গেলে, খাবার কম হজম হয়। ফলে, হৃদরোগের সম্ভাবনা প্রবল হয়। খাওয়ার পর স্নান করতে যাবেন না। এতেও শরীরের বেশ ক্ষতি হয়।

মেদ কমাতে ভরসা রাখুন এই খাবারে

ওজন কমানোর জন্য শাক, সবজি খেয়েই দিন কাটিয়ে দিচ্ছেন? তাও ফল পাচ্ছেন না? ভাত খাওয়া তো প্রায় ছেড়েই দিয়েছেন। রুটিও খাচ্ছেন, তার পরিমাণও কম।

যদি এমন অবস্থা হয়, তাহলে সত্যি বেশ চিন্তার। পরামর্শ নিয়ে ফল, সবজি খাওয়া শুরু করলেন, অথচ কিছু হচ্ছে না। এমন যদি হয়, তাহলে এমন কিছু ফল এবং সবজির কথা জেনে নিন, যা খেলে ওজন কমবে আপনার। কারণ ওই সব ফল এবং সবজিতে যে ক্যালোরির পরিমাণ এক্কেবারে কম।

জানা যাচ্ছে, ওজন কমানোর জন্য আপনি বাঁধাকপি খেতে পারেন। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ বাঁধাকপিতে ক্যালোরি খুব কম থাকে বললেই চলে।

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ফুলকপিও খেতে পারেন। কারণ, এই সবজিতেও ক্যালোরির পরিমাণ বেশ কম। ফুলকপি যদি সেদ্ধ করে খেতে পারেন, তাহলে ওজন ঝরবে।

কুমড়া খেলেও ওজন ঝরবে। ভিটামিন এ সমৃদ্ধ কুমড়ো সেদ্ধ করে, তার উপর যদি লবণ ছড়িয়ে খেতে পারলে পেটও যেমন বাড়বে তেমনি ওজনও কমবে।

স্ট্রবেরি খেতে অনেকেই বেশ পছন্দ করেন। আর তাই পছন্দের খাবারকে যদি প্রয়োজন বানিয়ে ফেলেন, তাহলে চটপট ওজন ঝরতে পারে আপনার।

প্রতিদিন টমেটো খাওয়া অভ্যাস করলেও ওজন কমতে পারে। ভুড়ি কমাতে তাই প্রতিদিনের সালাতে টমেটো রাখলে, উপকার পাবেন আপনি। পাশাপাশি স্বাস্থ্য ভাল রাখতেও আপনাকে সাহায্য করবে টমেটো।

তরুণ উদ্যোক্তা তামরিন-এর অনলাইন কাস্টমাইজড টিশার্ট শপ “Tattoo Style”

লাজুক শান্তশিষ্ট যে মেয়েটি ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে পড়তো, যেই মেয়েটি সবার থেকে নিজেকে আড়াল করে রাখতো, সেই মেয়েটি আজ একজন সফল তরুণ উদ্যোক্তা। কথা হচ্ছে ‘ট্যাট্টু স্টাইল’ এর উদ্যোক্তা খানম তামরিন জাহা কে নিয়ে। তার নিজের হাতে করা কাস্টমাইজড ডিজাইনের টি শার্ট দিয়ে গড়ে তুলেছেন অনলাইন শপ ‘Tattoo Style’ । বয়সে তরুণ, বিশ্ববিদ্যালের গণ্ডিও এখনো শেষ হয়নি। তবু নিজের মেধা ও পরিশ্রম দিয়ে পড়াশুনার পাশাপাশি দক্ষতার সাথে পরিচালনা করছেন নিজের ব্যবসা। তার এ পথ চলার গল্প নিয়ে আজ মুখোমুখি হয়েছেন BD Gossips এর সাথে।

BD Gossips: কেমন আছেন? ব্যস্ততা কেমন?

তামরিন: ভালো আছি। পড়াশুনার বাহিরে আমার আসলে পুরো সময় কেটে যায় Tattoo Style এর পিছনেই।

BD Gossips: আপনার অনলাইন শপ Tattoo Style এর শুরুটা কিভাবে হল?22657314_1876200485727629_239748780_n

তামরিন: শুরুটা করেছিলাম একদমই শখের বশে। আমি আকাআকি করতে খুব ভালবাসি। পরিবার-বন্ধুবান্ধবদের শখ করে কাস্টমাইজড টিশার্ট ডিজাইন করে দিতাম। তারা সেই টিশার্ট গুলো খুব পছন্দ করতো। মূলত সেখান থেকেই শুরু।

BD Gossips: কাস্টমাইজড টিশার্ট ডিজাইনটা আসলে কি?

তামরিন: সাধারণত কি হয়, সবাই বিভিন্ন টিশার্ট এর কালেকশন থেকে বাছাই করে কোন টিশার্ট কিনে। দেখা যায় একি ডিজাইনের টিশার্ট অনেকেই পরছে। আর আমার কাস্টমাইজড ডিজাইন এই গতানুগতিক ধারা থেকে একটু ব্যতিক্রম। আমি কাস্টমারদের তাদের পছন্দ অনুযায়ী ডিজাইন করে দেই। কাস্টমারদের পছন্দ বলেতে, তারা যে রকম চাইবে তেমন। যেমন টিশার্ট এর উপর তাদের নাম বা পছন্দের কোন কোটেশন, কোন ইলাস্ট্রেশন, রাশি সাইন বা পছন্দের কোন কার্টুন দিয়ে এক্স্যাক্ট ঐ রকমের টিশার্ট ডিজাইন।

BD Gossips: এত কিছু থাকতে আপনি কেন কাস্টমাইজড টিশার্ট ডিজাইনই করছেন?

তামরিন: আসলে আকাআকি আর ডিজাইন করা আমার খুব পছন্দের কাজ। তাই আমি হ্যান্ড প্রিন্টের মাধ্যমেই ডিজাইন গুলো করে থাকি। আর আমার কাজ গুলিও সবাই পছন্দ করছে। বলা যায় আমার প্যাশনই আমার পেশায় পরিণত হয়েছে।

22627590_1876201345727543_1621700858_n

BD Gossips: শুরুতে আপনার কি কি সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছিল?

তামরিন: শুরুতে প্রচুর সমস্যায় পড়তে হয়েছে। ডেলিভারি সার্ভিস এর গাফিলতি, হোল-সেল রেট এ কাঁচামাল না পাওয়া, পেজ এ মানুষের তেমন কোন রেসপন্স না পাওয়া.. এসব নিয়ে স্ট্রাগল ও যেমন করেছি আজকে কাজ নিয়ে তার ডাবল রিস্পন্স ও পাচ্ছি। ঐসময় সদ্য দাড় করানো ব্যবসার সব কাজ একা হাতে সামলানো আমার জন্যে ভালোই চ্যালেঞ্জিং একটা ব্যাপার ছিল।

BD Gossips: আপনার ভবিষ্যৎ পরিচল্পনা কি?

তামরিন: আপাতত ফেইসবুক পেইজ www.facebook.com/tattoostylebd এর মাধ্যমে আর আমার ডিজাইনের টিশার্ট কেনা গেলেও  আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হচ্ছে Tattoo Style কে একটা ব্র‍্যান্ড হিসেবে দাড় করানো। একটা আউটলেট দেয়া। এখন অনলাইন বেজড হলেও পরে মানুষ শপ থেকে এসে যাতে দেখে কিনতে পারে। সেখানে আমার নিজস্ব ডিজাইনের টিশার্টের পাশা পাশি আমার ডিজাইনের অন্যান্য ড্রেস আইটেম ও প্রডাক্ট থাকবে।

BD Gossips: ব্যস্ততার মাঝেও সময় দেয়ার জন্য BD Gossips পক্ষ থেকে আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

22687642_1876037692410575_580545142258719_n

স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছেন পুরুষেরাও

স্তন ক্যানসার শুধু নারীদের রোগ নয়, তা হতে পারে পুরুষেরও। সাম্প্রতিককালে পুরুষদের এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বাড়ছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ক্যানসার সোসাইটির একটি পরিসংখ্যান।

সেখানে দেখানো হয়, ২০১৫ সালে স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছিলেন ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৪০ জন নারী। সে বছর একই রোগে ভুগেছেন ২ হাজার ৩৫০ জন পুরুষ।

ক্যানসার বিশেষজ্ঞ জ্যানেল সেগে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ‘ইউএসএ টুডে’কে জানিয়েছেন, পুরুষের স্তনে কোষের সংখ্যা কম থাকাটা আশীর্বাদের সঙ্গে অভিশাপও। পুরুষের স্তনে কোষের ঘনত্ব বেশ কম। এ কারণে স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হলে ভেতরকার ‘গোটা’ শনাক্ত করা সহজ। আবার কোষের ঘনত্ব কম হওয়ায় পুরুষের স্তন থেকে ক্যানসার ছড়িয়ে পড়ার হার অনেক বেশি। পুরুষের স্তনে ক্যানসার শনাক্ত করার পর অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, রোগটা ছড়িয়ে পড়েছে দেহের অন্যান্য অংশেও।

মধ্যরাতের অনিদ্রা দূর করার ১০ উপায়

আপনি যদি প্রায়ই মধ্যরাতে জেগে ওঠেন তার মানে আপনি প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে (৭-৯ ঘণ্টা) ঘুমাতে পারছেন না। একে বলা হয় মধ্য রাতের অনিদ্রা।

যদি একনাগাড়ে তিন দিন মধ্যরাতে আপনার ঘুম ভেঙে যায় এবং আপনি ৩০ মিনিট করে জেগে থাকেন তাহলে বুঝতে হবে মারাত্মক কোনো সমস্যা হয়েছে।

অনিদ্রায় আক্রান্ত লোকদের শুধু ঘুমাতেই সমস্যা হয় এমন নয়। বরং ঘুমানোর পর বার বার ঘুম ভেঙে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দেয়।

আসুন জেনে নেওয়া যাক মধ্যরাতের অনিদ্রার কারণ এবং প্রতিকারগুলো।

১. ঘুমের মধ্যে দম বন্ধ হয়ে যাওয়া
রাতে ঘুমের মধ্যে হঠাৎ করেই শ্বাস বন্ধ হয়ে গিয়ে পুনরায় শুরু হওয়ার মতো ঘটনা ঘটলে ঘুম ভেঙে যায়। গলার টনসিলগুলো বড় হয়ে গেলে বা দেহের ওজন বেড়ে গেলে এমনটা হয়। কিন্তু আপনি হয়তো বিষয়টি বুঝতে পারছেন না।

২. বদহজম
পেটে খাবার বদহজম হলে মধ্যরাতে আপনার ঘুম ভেঙে যেতে পারে। বিশেষত আপনি যদি ঘুমানোর আগে বেশি খাবার খেয়ে ফেলেন অথবা মদপান করেন তাহলে এমনটা হতে পারে।

সুতরাং রাতে ঘুমানোর আগে খাবার খাওয়ার বদঅভ্যাস ত্যাগ করতে হবে এবং রাতে হালকা খাবার খেতে হবে।

৩. মানসিক চাপ
মানসিক চাপের কারণেও আপনার ঘুম নষ্ট হয়ে যেতে পারে। আপনি যদি দিনের শেষভাগে এসে মানসিক অবসাদে আক্রান্ত হন তাহলে সন্ধ্যার দিকে ব্যায়াম করুন।

৪. আলো
অনেকেই আলোর কারণে ঠিকমতো ঘুমাতে পারেন না। সুতরাং রাতে যদি লাইট জ্বালিয়ে রেখেই ঘুমানোর অভ্যাস থাকে আপনার তাহলে যতটুকু আলো থাকলে আপনি ঘুমাতে পারবেন সেভাবে লাইটটি অ্যাডজাস্ট করে নিন।

৫. আওয়াজ
ঘরের ভেতর বা বাইরের কোনো আওয়াজ আপনার ঘুম নষ্ট করতে পারে। আপনি যদি শহরে বসবাস করেন তাহলে আওয়াজের মধ্যেই ঘুমানোর অভ্যাস রপ্ত করে নিতে হবে।

৬. তাপমাত্রা
আপনি যখন ঘুমান তখন আপনার দেহের তাপমাত্রা কমে আসে। কেননা আপনার দেহ শান্ত হয়ে শক্তি পুনরুদ্ধারের কাজ করে ঘুমের মধ্যে। যে ঘরের তাপমাত্রা খুব কম বা খুব বেশি এমন ঘরে ঘুমালে আপনার ঘুমের মান নষ্ট হবে।

৭. আপনার পাশের ব্যক্তিটি
আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনী যদি নাক ডাকে, বা রাতে বারবার ঘুম থেকে জেগে উঠে লাইট অন করে ওয়াশরুমে যায়, আপনি যখন গভীর ঘুমে চলে গেছেন তখন আপনার দেহে হাত রাখে তাতেও আপনি মধ্যরাতের অনিদ্রায় আক্রান্ত হতে পারেন। সুতরাং আপনার যদি বিরক্তিকর জীবন সঙ্গী বা সঙ্গীনি থাকে তাহলে এখনই সময় একা একা ঘুমানোর। আর যাই হোক, ঘুমই তো সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ, তাই না?

৮. ঘুমানোর আগে বেশি পানি পান
মধ্যরাতে পেশাবের বেগ সৃষ্টি হওয়াটা ঘুম ভেঙে যাওয়ার অন্যতম একটি কারণ। সুতরাং রাতে ঘুমানোর অন্তত আধা ঘণ্টা আগে পানি পান করুন।

৯. ঘুমানোর আগে ফোন ব্যবহার
মোবাইলের আলো চোখের মাধ্যমে দেহে প্রবেশ করলে দেহে ঘুমের জন্য সহায়ক মেলাটোনিন হরমোন পর্যাপ্ত পরিমাণে নিঃসরণ বাধাগ্রস্ত হয়। স্মার্টফোন, ইলেকট্রনিক ডিভাইস মুখের খুব কাছে নিয়ে ধরে থাকলে ঘুমে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। আর মধ্যরাতে ঘুম ভেঙে যায় এ কারণে।

১০. ঘুমানোর আগে মদপান
মদপান করলে প্রাথমিকভাবে আপনার ঘুম আসতে পারে। কিন্তু মদের প্রভাব কেটে গেলে মধ্যরাতে আপনার ঘুম ভেঙে যেতে পারে। সুতরাং মদপানের অভ্যাস ছাড়ুন।

টয়লেটের কমোড ঢাকনা খোলা রেখে ফ্লাশ করলে কিন্তু ভয়ঙ্কর বিপদ!

টয়লেটের কাজ সারার পর কমোডের ঢাকনাটি বন্ধ করেই তাতে ফ্লাশ করা জরুরি। আর নয়তো ভয়ঙ্কর বিপদ আছে।

কেন জানেন? কারণ আপনি যখন কামোডে ফ্লাশ করেন তখন তাতে যে তীব্র গতিতে পানি নেমে আসে  এর ফলে পায়খানার ছোটা ছোট টুকরো স্প্রে আকারে বাতাসে মিশে গিয়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে। বাতাসে মিশ্রিত পায়খানা ১৫ ফুট পর্যন্ত উচ্চতায় উঠতে পারে।

সুতরাং আপনি যখনই টয়লেটের কমোড ফ্লাশ করবেন তখনই এর ঢাকনাটি নামিয়ে নেবেন।

সম্প্রতি অ্যাপ্লাইড মাইক্রোবায়োলজি নামের জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, টয়লেটের কমোডে আপনি যা কিছুই রাখেন না কেন তা সেখানে ফ্লাশ করার পরও দীর্ঘক্ষণ থাকতে পারে। এমনকি কামোড ঘষে-মেজে ধোয়ার আগ পর্যন্ত সেখানে জীবাণুরা থেকে যায়।

টয়েলেটে বিপজ্জনক কোনো ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটলে তা ওয়াশরুমের মেঝে, সিঙ্ক এবং এমনকি আপনার টুথব্রাশেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।

কমোড ফ্লাশের সময় পানির তীব্র গতির আঘাতে বাতাসের সঙ্গে স্প্রে আকারে মিশে যাওয়া পায়খানা মুখে প্রবেশ করে স্যালমোনেলা, শিঘেলা, নরোভাইরাস এবং হেপাটাইটিস এ ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটতে পারে আপনার দেহে।

সুতরাং আপনার মুখগহ্বর পরিষ্কার সংক্রান্ত জিনিসপত্র টয়লেটের বাইরের ক্যাবিনেটে সংরক্ষণ করাটাই সবচেয়ে ভালো বুদ্ধি।

আর টয়লেট ত্যাগের আগে অবশ্যই প্রতিবার হাত ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে বের হবেন।

ওয়াশরুমে বংশবিস্তার করে এমন কয়েকটি ক্ষতির জীবাণু হলো- পাকস্থলি ও অন্ত্রের রোগ সংশ্লিষ্ট ভাইরাস, আণবিক প্যাথোজেন, ত্বকের রোগের জীবাণু, শ্বাসণালীর রোগ সংশ্লিষ্ট জীবাণু, ক্ষুদ্র ছত্রাক।

এছাড়া E.coli, Pseudomonas aeruginosa, Staphylococus aureus, Enterbacter এর মতো বিপজ্জনক জীবাণুও ওয়াশরুমে জন্ম নেয়।

সুতরাং পাবলিক ওয়াশ রুম বা টয়লেট ব্যবহারের সময়ও সাবধান থাকতে হবে। টয়লেটের দরজা কখনোই খালি হাতে ধরবেন না। ভেতর বা বাহির যে কোনো দিক থেকেই দরজা খোলার সময় এর নবটি টিস্যু পেপার দিয়ে ধরবেন।

আর ব্যাগ বা ফোন নিয়ে ওয়াশ রুম বা টয়েলেটে প্রবেশ করবেন না। কারণ সেসবে জীবাণু লেগে পরে তা আপনার দেহে প্রবেশ করবে।

সংক্রমণ থেকে রেহাই পেতে ভালো করে হাত ধোয়ার পর তা পেপার টাওয়েল দিয়ে মুছতে হবে।

পশ্চিমা ধাঁচের হাই কমোড থেকে প্রাচ্য ধাঁচের নিচু কমোডই এ কারণে বেশি নিরাপদ। তবে হাই কমোডেই কাজ সারতে বাধ্য হলে কমোডে না বসেই কাজ সারার চেষ্টা করুন।

বাড়ির পোকামাকড় দূর করতে যেসব গাছ

শীতকাল হোক কিংবা গরমকাল অথবা বর্ষাকাল, পোকামাকড়ের কারণে আমাদের সবাইকেই বেশ ভুগতে হয়। মশার কারণে জ্বর, এছাড়া বিভিন্ন পোকামাকড়ের কারণে আমাদের বিভিন্ন রোগ দেখা যায়।

অনেক চেষ্টা করেও বাড়ি থেকে কিছুতেই পোকামাকড়ের উপদ্রব কমাতে পারছেন না? তাহলে জেনে নিন, বাড়িতে কোন কোন গাছ লাগালে পোকামাকড় আপনার ধারেকাছেও ঘেঁষবে না।

১) গাঁদা ফুলের গাছ- শীতকাল আসলে প্রায় প্রত্যেকেই বাড়িতে গাঁদা ফুলের গাছ পুঁতে থাকি। গাঁদা ফুল দিয়ে ঘর সাজাই। পুজোর কাজেও এই ফুল ব্যবহার করি। কিন্তু আপনার যদি মনে হয় যে, গাঁদা ফুল শুধুমাত্র সৌন্দর্যের কারণেই ব্যবহার করা হয়, তাহলে ভুল ভাবছেন। গাঁদা ফুল গাছের উপকারিতা অনেক। এই গাছে এমন কিছু উপাদান থাকে, যার ফলে এই গাছের কাছে মশা এবং অন্যান্য পোকামাকড় আসতে পারে না। তাহলে বাড়ি থেকে মশা এবং অন্যান্য পোকামাকড় দূর করতে অবশ্যই গাঁদা গাছ বসান।

২) বেসিল পাতা- খাবারে স্বাদ বাড়াতে আমরা বেসিল পাতা ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু শুধুমাত্র খাবারের স্বাদ বাড়ানোই নয়, মশা-মাছি দূর করতেও সাহায্য করে এই গাছ।

৩) পুদিনা পাতা- খাবারে আমরা কখনও কখনও পুদিনা পাতা ব্যবহার করে থাকি।কিন্তু খাবারের বাইরেও এর আরও অনেক গুণাগুণ রয়েছে। পুদিনা পাতার গন্ধ মশা দূর করতে সাহায্য করে।