Category Archives: Uncategorized

লিংকিন পার্ক’ খ্যাত চেস্টার বেনিংটন আর নেই

চলে গেলেন গায়ক, গীতিকার, অভিনেতা চেস্টার বেনিংটন। লিংকিন পার্কের অন্যতম প্রধান গায়ক ছিলেন তিনি। তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।  লস অ্যাঞ্জেলেসে বৃহস্পতিবার ভোরে (স্থানীয় সময়) তার বাড়িতেই তার দেহ পাওয়া যায়।

লিংকিন পার্কের হাত ধরেই তার পরিচিতি। এছাড়াও দুটি রক ব্যান্ডের সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন। তার প্রতিভা তাকে স্থান দেয় “শ্রেষ্ঠ ১০০ হেভি মেটাল ভোকালিস্ট”-এর তালিকায় (হিট প্যারাডর এই স্থান দেয়)।

চেস্টার বেনিংটনের দুটি বিয়ে। ছয় সন্তান বর্তমান। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৪১। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সংগীত জগত এবং তার অনুরাগীমহলে।

বিবারের জরিমানা

গাড়ি চালানোর সময় ফোনে ব্যবহার করায় জরিমানা গুণতে হয়েছে কানাডিয়ান পপ তারকা জাস্টিন বিবারকে। বিবার শনিবার নিজের কালো মার্সিডিজ ওয়াগন চালাচ্ছিলেন তিনি।

সে সময় ফোনে কথা বলার সময় পুলিশের নজরে পড়েন এই শিল্পী। তার গাড়ি থামিয়ে জরিমানা করেন পুলিশ। বিবারও কিছু না বলে জরিমানা দিয়ে দেন।

এর আগেও একবার গতিসীমা লঙ্ঘন করায় আটক হতে হয়েছিলন তাকে। ২০১৫ সালে বেভারলি হিলসে গতিসীমা ২৫ মাইলের বেশি বেগে গাড়ি চালিয়েছিলেন তিনি। ফলে পুলিশ গাড়ি থামিয়ে তাকে আটক করে।

এবার গাড়ি চালানোর সময় ফোন ব্যবহার করায় ১৬২ ডলার জরিমানা করা হয়। অস্ট্রেলিয়া সফর শেষে মাত্রই যুক্তরাষ্ট্রে ফিরেছেন তিনি। ২৯ জুলাই আবার সফর শুরু করবেন বিবার।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালেও ট্রাফিক আইন না মানার অভিযোগ এসেছিল বিবারের বিরুদ্ধে। তখন তিনি মদ্যপ অবস্থায় গাগি চালাচ্ছিলেন।

‘রংবাজ’ ঈদে আসবেই; পারলে ঠেকাক: পরিচালক রনি

পরিচালক সমিতি নিষিদ্ধ হওয়ার পর এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে নিজের বক্তব্য দিয়েছেন শাকিব খান ও বুবলী অভিনীত ‘রংবাজ’ সিনেমাটির পরিচালক শামীম আহমেদ রনি। এক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, “রংবাজ” ঈদে আসবেই … ইনশাআল্লাহ …. পারলে ঠেকাক। এর আগে শনিবার এক সংবাদ সম্মেলেনে পরিচালক সমিতির সিদ্ধান্ত অমান্য করায় রনির সদস্যপদ বাতিল ঘোষণা করে পরিচালক সমিতি।

এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে রনি লিখেন, “সুপারস্টার শাকিব খান এবং আমি নিষিদ্ধ …. হাহাহা …. ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে আর কতো কি করবেন তিনি? …. নাকি নতুনদের তিনি আসতেই দিবেন না? উনি পরপর দুদিন আমার চিঠি একস্পেট করেননি ক্ষমতার অপব্যবহার করে …. আমি ছবি বানাবো, শাকিব খান ছবিতে অভিনয় করবে .. “রংবাজ” ঈদে আসবেই … ইনশাআল্লাহ …. পারলে ঠেকাক তিনি . .”

চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন সাক্ষরিত প্রেস রিলিজে পরিচালক রনিকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে, “সম্প্রতি অভিনেতা শাকিব খান কর্তৃক ‘দৈনিক প্রথম আলো’ পত্রিকায় দেয়া সাক্ষাৎকারে পরিচালকদের হেয় প্রতিপন্ন করে উক্তি করায় শাকিব খানকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতির সম্মানজনক সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত আপনাকে শাকিব খান সম্পৃক্ত কোনো কাজ না করার জন্য পত্রের মাধ্যমে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়। কিন্তু আপনি সমিতির সিদ্ধান্তকে নূন্যতম সম্মান না দেখিয়ে আপনার চলচ্চিত্র নির্মাণের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। যা সমিতির নিয়মনীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ”

“এমতাবস্থায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি মনে করে, রনি সমিতির গঠনতন্ত্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তাই কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠনতন্ত্র এর ৫ (ক) ধারা বলে শামীম আহমেদ রনির সদস্যপদ বাতিল ঘোষণা করেছে। ”

এই বিজ্ঞপ্তি পাওয়ার ৭ কার্যদিবসের মধ্যে পরিচালক রনিকে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির নিজস্ব পরিচয়পত্র এবং বিএফডিসির গেট পাস সমিতির কার্যালয়ে জমা দিতে হবে। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আইসিইউতে গীতিকার কবির বকুল

নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত গীতিকার কবির বকুল। গতকাল শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) রাতে তাকে নগরীর স্কয়ার হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।

কবির বকুল নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছেন। রক্তক্ষরণজনিত সমস্যাও রয়েছে বলে জানা গেছে।

কবির বকুল ও দিনাত জাহান মুন্নী দম্পতির সংসারে প্রেরণা ও প্রতীক্ষা নামে দুই কন্যা ও প্রচ্ছদ নামে এক পুত্রসন্তান রয়েছে।

লিঙ্গ সমতা দাম্পত্য সম্পর্ককে আরো স্থিতিশীল করে

নারী-পুরুষের রোমান্টিক সম্পর্ক ঐতিহাসিকভাবেই এমন যে, পুরুষরা নারীদের প্রণয় প্রার্থনা করবে এবং নারীদেরকে “লালন-পালন” করবে। আর এটি খুবই শক্তিশালি একটি ঐতিহ্য।
কাউকে বাইরে ঘুরতে নিয়ে যাওয়া, বিল দেওয়া, বা পরিবারের প্রধান উপার্জনকারী হওয়া যাই হোক না কেন বেশিরভাগ রোমান্সের ধারণাই এখনো পুরুষদের উদ্যোক্তা এবং পরিচালক হওয়ার ভিত্তিতেই গঠিত। আর নারীরা হবেন গ্রহিতা এবং ঘরের তত্বাবধায়ক।
তথাপি সমাজ বদলাচ্ছে। নারীরা অনেক বেশি হারে পুরষদের ক্ষেত্রগুলোতে প্রবেশ করছে। তারা এখন উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন চাকরি করছেন এবং যৌন স্বাধীনতা উপভোগ করছেন।
কিন্তু এসব কি রোমান্সকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে? অনেকে লিঙ্গ সমতাকে নারী-পুরষের রোমান্সের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক হিসেবে দেখে থাকেন। বিশেষ করে লিঙ্গ সমতার দাবিতে নারীবাদিরা পুরুষ-বিদ্বেষী বা সমকামি হয়ে ওঠেন এই অভিযোগে লিঙ্গ সমতার বিষয়টিকে খারাপ চোখে দেখা হয়। কিন্তু বিষয়টা কি সত্যিই তাই?
ঐতিহ্যগতভাবে নারীদের উচ্চ সামাজিক মর্যাদা এবং প্রভাব অর্জনের রুটটি ছিল উচ্চ-মর্যাদার রোমান্টিক জীবন সঙ্গিনীকে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য আকর্ষণ করা।
কিন্তু লিঙ্গ সমতার আন্দোলন যখন পরিস্থিতি বদলে দিতে শুরু করেছে, রোমান্সের সাংস্কৃতিক স্ক্রিপ্ট নারীদের সামাজিক ভুমিকা কাটছাট করতে শুরু করে দিয়েছে এবং এখনও তা করে চলেছে।
উদারহণত, যখন নবযৌবনপ্রাপ্ত নারীরা তাদের প্রথম যৌন অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করে তারা প্রায়ই বলে যে, ঘটনাক্রমে তাদের ওই অভিজ্ঞতা হয়েছে। অন্যদিকে, ছেলেরা তাদের প্রথম যৌন অভিজ্ঞতাকে তাদের সক্রিয় তৎপরতার ফল হিসেবেই বর্ণনা করে। যৌনতায় ক্ষমতার এই ভারসাম্যহীনতা প্রাপ্তবয়স্কদের বেলায়ও ঘটে। যেখানে পুরুষরাই নারীদের চেয়ে যৌন মিলনের উদ্যোগ নেন বেশি এবং যৌন মিলনের ক্ষেত্রে কর্তৃত্ব করেন।
তবে নারী-পুরুষের ঐতিহ্যবাহী রোমান্টিক সম্পর্কও দিনেকে দিন আরো সমতাভিত্তিক হয়ে উঠছে। আর লিঙ্গ সমতার দাবিতে আন্দোলনের ফলে নারীরা রোমান্সের ক্ষেত্রে আরো বেশি বেশি সক্রিয় হয়ে উঠছে। এবং অনেক বেশি আধিপত্যবাদি যৌন আচরণ প্রদর্শণ করছে।
এর ফলে যৌনতা এবং সম্পর্কের ক্ষেত্রে অসন্তুষ্টি তৈরি হচ্ছে।
তবে, বিপরীতক্রমে নারী-পুরুষের সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমতার ফলে উন্নত পারস্পরিক যোগাযোগ, উন্নত সম্পর্কের সন্তুষ্টি এবং উন্নত যৌন জীবন প্রতিষ্ঠা হয়।
গবেষণায় দেখা গেছে, যে নারীরা নারীবাদি পুরুষদের সঙ্গে সম্পর্কে আবদ্ধ আছেন তারা তাদের সম্পর্ককে অনেকে বেশি স্বাস্থ্যকর বলে আখ্যায়িত করেছেন। গুনগত মান এবং দীর্ঘস্থায়িত্ব উভয় দিক থেকেই। অন্তত যারা অনারীবাদি পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কবদ্ধ আছেন তাদের তুলনায়।
আর যে নারীরা ঐতিহ্যবাহী রোমান্টিক ধারণায় বিশ্বাস করে তারা সমতা অনুসন্ধানে নিজেদের ইচ্ছা এবং সক্ষমতা সীমিত করেন। এক গবেষণায় দেখা গেছে, যে নারীরা জীবন-যাপনের জন্য পুরুষদের উপরই নির্ভর করতে চান তারা উচ্চ শিক্ষা এবং উচ্চ মর্যাদার পেশা গ্রহণেও কম আগ্রহী থাকেন।
পুরুষরা কী ভুক্তভোগী?
অনেকে মনে করেন লিঙ্গ সমতার ফলে দাম্পত্য সম্পর্কে সমস্যা দেখা দিবে। কিন্তু আসলেই কি তাই?
গবেষণায় দেখা গেছে, নারী-পুরুষের আয়ের সমতা এবং গৃহস্থালি কাজ ভাগাভাগি করার ফলে সম্পর্ক অনেক বেশি স্থিতিশীল হয় এবং যৌনমিলন হয়ে বেশি।
এমনকি প্রকৃতপক্ষে স্বামীটি যখন ঘরের কাজে বেশি দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং বাজার করেন ও শিশুদের যত্ন নেন তখন বিয়ে বিচ্ছেদের সম্ভাবনা কমে আসে। তেমনি বাবারা যখন পিতৃত্বকালীন ছুটি নেন এবং ঘরের যত্নে আরো বেশি সময় ব্যয় করেন তখন দাম্পত্য জীবন অনেক বেশি স্থিতিশীল হয়।
আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, যে পুরুষরা নারীবাদি নারীদের সঙ্গে সম্পর্কবদ্ধ আছেন তারা সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনেক বেশি স্থিতিশীলতা এবং যৌন সন্তুষ্টি থাকার কথা বলেছেন।
তবে অন্য গবেষণায় দেখা গেছে, যে পুরুষরা ঐতিহ্যবাহী রোমান্সের ধারণায় বিশ্বাসী তারা অনেক বেশি সন্তুষ্টিমূলক এবং প্রতিশ্রুতিশীল সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী থাকেন।

বিপিএল সুন্দরী আমব্রিন

ঘরোয়া ক্রিকেটের বৃহৎ আয়োজন বিপিএল উপস্থাপনা দিয়েই আলোচনায় এসেছেন মিষ্টি মেয়ে আমব্রিন। যা চলছে এখনও। এবার দ্বিতীয়বারের মতো বিপিএলের চতুর্থ আসর উপস্থাপনা করছেন তিনি। আর এতেই নতুন করে এসেছেন আলোচনায়। এ আলোচনা ছড়িয়েছে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশের মাটিতেও।

শুধু উপস্থাপনা দিয়েই আলোচিত হচ্ছেন তা কিন্তু নয়। এর পিছনে ভিন্ন কিছু কারণও রয়েছে। সেটি হল তার ফ্যাশন। বিপিএল আসরে যারা গ্যালারিতে বা টিভি সেটের সামনে বসে উপভোগ করছেন তারা আমব্রিনের মনোমুগ্ধকর উপস্থাপনার পাশাপাশি তার ফ্যাশন সচেতনা দেখেও অভিভূত হচ্ছেন।

আমব্রিনের এই ফ্যাশন নিয়ে ফোন আসছে ভারতসহ অনেক দেশ থেকেই। এতে বিশ্বের বড় বড় প্রতিষ্ঠানের মডেলরা তার পোশাক ও হেয়ার স্ট্যাইলের প্রশংসা করেছেন। বিষয়টি জানালেন আমব্রিন নিজেই। তাদের মধ্যে অনেকেই আবার অবাক হচ্ছেন বাংলাদেশী মেয়ের এমন ফ্যাশন সচেতন হওয়া দেখে। সত্যিই এর আগে দেশে এমন স্ট্যাইলিশ উপস্থাপিকা খুঁজে পাওয়া ছিল দুষ্কর। শুধু কী স্ট্যাইলিস্ট! কথার পীঠে কথা সাজিয়ে উপস্থাপনায় ভিন্ন মাত্রা দিয়ে দর্শকদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে জুড়ি নেই আমব্রিনের।

উপস্থাপনায় নয়, ব্যক্তি আমব্রিনও চমৎকার একজন মানুষ। মিষ্টি কথায় অল্পতেই অন্যদের সঙ্গে মিশে যাওয়ার ক্ষমতা রয়েছে এ মডেল কন্যার। উপস্থাপনা, অভিনয় ও মডেলিং সব জায়গাতে সরব উপস্থিতি এ তারকার। কাজ নিয়ে হাজারো ব্যস্ততা থাকলেও নিয়মের মধ্যে দিয়ে যাপিত জীবন পার করেন আমব্রিন। কথা রাখাটাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বের দৃষ্টিতে দেখেন এ তারকা।

নিজের সব কাজই ঠিক সময়ে করাটাকে অভ্যাসে পরিণত করে নিয়েছেন তিনি। সময়ের প্রতি আনুগত্য প্রকাশের ভাবটা এখনকার শিল্পীদের মধ্যে দেখা না গেলেও তার মধ্যে এমনটি নেই। বিপিএলের ব্যস্ততা থাকা সত্ত্বেও যে টাইমে কথা বলবে বলে কথা দিয়েছিলেন ঠিক সে টাইমে সব ব্যস্ততা ছেড়ে চলে এলেন পাশে। প্রাণ খুলে দিলেন আড্ডা। জানালেন আজকের আমব্রিন হওয়ার গল্প।

২০০৭ সালে লাক্স চ্যানেলে আই প্রতিযোগিতায় শীর্ষ দশে ঠাঁই হয়েছিল আমব্রিনের। সেটিকে পুঁজি করেই সামনে এগিয়ে চলার ছক এঁকেছিলেন তিনি। নিজের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে সেই ছকেই হেঁটেছেন এ তারকা এবং এখনও হাঁটছেন বলে জানালেন। ক্যারিয়ারের একেবাইরে শুরুতে ‘চলো বিয়ে করি’ নামে আফজাল হোসেন পরিচালিত একটি নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমেই নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ পান আমব্রিন। এরপর আর তাকাতে হয়নি পিছনে। একের পর এক নাটকে অভিনয় করে চলেছেন। পাশাপাশি কাজ করেছেন বিজ্ঞাপনেও। তানভীর হাসানের নির্দেশনায় বাংলা লিংকের কল ব্লকের কমার্শিয়াল বিজ্ঞাপনের মাধ্যমেই বিজ্ঞাপন জগতে পা রাখেন তিনি। রাতারাতি হয়ে যান বিজ্ঞাপন কন্যা।

এ পর্যন্ত প্রায় দুই ডজন বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। অভিনয়ের মতো বিজ্ঞাপনেও তার শৈল্পিক উপস্থিতি লক্ষণীয়। তবে এ দুই পরিচয়ের বাইরে বর্তমানে যে পরিচয়টিই আমব্রিনের সবচেয়ে বেশি প্রচার পাচ্ছে, সেটি হল উপস্থাপক। এ সময়ে যা সবচেয়ে বেশি দেখা যায় তা হচ্ছে উপস্থাপনা। এ মাধ্যমে তার উপস্থিতি দর্শককে মুগ্ধ করছে নিয়মিত। প্রথম উপস্থাপনা করেন এনটিভি’র ‘মিউজিক-ই ফোনি’ অনুষ্ঠানে। এতে টানা দু’বছর উপস্থাপনা করে বেশ দর্শকপ্রিয়তা পান তিনি। তাই এ মাধ্যমেই ব্যস্ততা বাড়ছে তার। বেশ কয়েকটি চ্যানেলে একাধিক অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করছেন তিনি। পাশাপাশি দেশের বড় বড় ইভেন্টগুলোরও উপস্থানার দায়িত্বও আসে তার কাঁধে।

দেশ-বিদেশী শিল্পীদের নিয়ে আয়োজিত বেশিরভাগ অনুষ্ঠানের সঞ্চালনের ভূমিকায় আমব্রিনের নামটিই আগে উঠে। বিন্দাস হয়ে চলাফেরা করাতেই ভালো লাগে তার। ফ্যাশনে ব্যাপক এক্সপেরিমেন্ট করতেও ভালোবাসেন। দেশ-বিদেশী কোনো তারকাকে অনুকরণের চেষ্টা তার নেই। বরং তার ফ্যাশন যাতে অন্যরা ফলো করে সেটাই সবসময় করেন তিনি। নিজের মেকআপ-গেটআপ নিয়ে তার বিস্তর গবেষণা।

এ বিষয়ে বিদেশ থেকে রূপসজ্জার ওপর কোর্সও করে এসেছেন। ইন্টেরিয়র আর্কিটেক্চার বিষয়ে পড়াশোনা করলেও মিডিয়াতে কাজ করাকেই জীবনের ব্রত হিসেবে নিয়েছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে আমব্রিন বলেন, ‘মিডিয়া আমার অনেক ভালো লাগার। আজীবন এখানেই থাকতে চাই।’ তাই বর্তমানে নিজের উপস্থাপনার পরিধিটা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ছড়িয়ে দেয়ার স্বপ্ন দেখছেন এ তারকা।

ভারতে সবচেয়ে দামি কমেডিয়ান এখন কপিল শর্মা

‘কপিল শর্মা শো’-এর হাত ধরে একটি চ্যানেলের টিআরপি তরতরিয়ে বেড়ে চলেছে। সম্প্রতি একটি মিডিয়া রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, টিআরপি’র বিচারে এখন এই শো সেরা পাঁচে জায়গা করে নিয়েছে।

এই সাফল্যের কথা মাথায় রেখে শো-এর মূল আকর্ষণ কপিল শর্মার সঙ্গে চুক্তি পুনর্নবীকরণ করতে চলেছে ওই চ্যানেল কর্তৃপক্ষ। এক বছরের জন্য চুক্তি পুনর্নবীকরণের টাকার অঙ্কটা শুনলে মাথা ঘুরে যেতে পারে অনেকেরই। ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, এক বছরের এই চুক্তির জন্য কপিল পাচ্ছেন ১১০ কোটি টাকা।

মাস খানেক আগেই একটি মিডিয়া রিপোর্টে প্রকাশিত হয়েছিল ‘কপিল শর্মা শো’-এর কমেডিয়ানদের পর্ব-পিছু আয়ের তালিকা। সেই তালিকা অনুযায়ী, ‘কমেডি নাইটস উইথ কপিল’-এর প্রত্যেক পর্ব-পিছু প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা পারিশ্রমিক নিতেন কপিল। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, এ ছাড়াও একা কোনো শো পরিচালনা করার জন্য প্রায় ৭৫ লাখ টাকা পারিশ্রমিক দাবি করছেন কপিল শর্মা। দেশের বাইরের কোনও শো-এর জন্য তাঁর পারিশ্রমিক নাকি প্রায় এক কোটি টাকা। এর সঙ্গে ইদানীং বেশ কিছু বিজ্ঞাপন থেকেও মোটা টাকা আয় করছেন কপিল শর্মা।

সাম্প্রতিক এই মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী কপিল শর্মার সারা বছরের আয় এক লাফে অনেকটাই বেড়ে গেল।

হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন আজ

বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে জ্বল জ্বল করা নক্ষত্র তিনি। তার বইয়ের ভাষায় কথার জাদুতে মোহিত হননি এমন বাঙালি পাঠক পাওয়া যাবে না। তার নির্মিত চরিত্র হিমু, মিসির আলীরাও পাঠকের কাছে তারকা হয়ে গেছে।

এই কথার জাদুকর আর কেউ নন হুমায়ূন আহমেদ। কিন্তু তাকে ছাড়াই রোববার পালিত হবে তার জন্মদিন। রোববার হুমায়ূন আহমেদের ৬৯তম জন্মদিন। ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

হুমায়ূন আহমেদকে হারানোর শোক আজও লালন করছেন লাখো পাঠকের হৃদয়। তবুও আনন্দ আয়োজনে ভক্ত-পাঠকরা কাল (রোববার) পালন করবেন তার জন্মদিন।
জন্মদিনের আনুষ্ঠানিকতা তেমন পছন্দ ছিল না হুমায়ূন আহমেদের।

তবুও রাত ঠিক ১২টা ১ মিনিটে প্রিয়জনদের নিয়ে ঠিকই কেক কাটা হতো। সকাল হলে ভক্তরা ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাত প্রিয় লেখককে। এছাড়া দিনব্যাপী নানা আয়োজন তো থাকতই।

হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন উপলক্ষে ১৩ নভেম্বর রাত ১২টা ০১ মিনিটে হুমায়ূন আহমেদের বাসায় কেক কেটে জন্মদিন উদযাপন করবেন পরিবারের সদস্যরা। আর সকালে নূহাশ পল্লীতে থাকছে বিশেষ অনুষ্ঠান।

প্রিয় লেখকে জন্মদিন উপলক্ষে চ্যানেল আইতে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে হিমু মেলা। পঞ্চমবারের মতো আয়োজিত হচ্ছে এ মেলা। এবারের মেলার নামকরণ করা হয়েছে ‘ডিউ-চ্যানেল আই হিমু মেলা’ ১৬।

এদিন বিকাল ২টা ৩০ মিনিটে হিমুপ্রেমিরা হলুদ পাঞ্জাবী গায়ে দিয়ে চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে উপস্থিত হবেন। এ সময় মেলার উদ্বোধনী পর্বে অংশ নেবেন হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন ও দুই ছেলে এবং বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্টজনরা।

মেলার উন্মুক্ত মঞ্চ থেকে পরিবেশিত হবে হুমায়ুন আহমেদের  লেখা ও পছন্দের চলচ্চিত্র ও নাটকের গান। প্রবীন শিল্পীদের পরিবেশনের পাশাপাশি গানগুলো পরিবেশন করবেন চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠ ও ক্ষুদে গানরাজের শিল্পীরা।

আরো থাকবে নাচ, কবিতা আবৃত্তি স্মৃতিকথা। থাকবে হুমায়ুন আহমেদের বই, চলচ্চিত্র ও নাটকের ভিডিও সিডির স্টলসহ  নানা আয়োজন। হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন উপলক্ষে দেশের বাইরে কানাডার টরেন্টোতে চলছে হুমায়ূন আহমেদের একক বই মেলা।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১৯ জুলাই ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন হুমায়ূন আহমেদ।

নতুন চেহারায় ডিপজল

জনপ্রিয় অভিনেতা ডিপজল। খল চরিত্রের পাশাপাশি ছবির প্রধান নায়ক চরিত্রে অভিনয় করেও দর্শকের কাছে প্রশংসিত হয়েছেন তিনি। অনেক দিন ধরেই আড়ালে রয়েছেন। শোনা গেল তিনি আবার ফিরছেন। এরই মধ্যে ডিপজলের মেয়ে অলিজা শেয়ার করেছেন নিজের বাবার ছবি। লিখেও দিয়েছেন, ঢাকায় ফিরছি, সাথে বাবার ‘নতুন লুক’। বড় পর্দার জনপ্রিয় চিত্রনাট্যকার ছটকু আহমেদ ডিপজলের এই লুকে মুগ্ধ। লিখেছেন, ‘সুপার’। মেয়েকে সাথে নিয়ে লন্ডন থেকে থাইল্যান্ড হয়ে গতকাল ঢাকা ফিরেছেন। নতুন লুকে ডিপজলকে একেবারে আলাদা লাগছে। একেবারে ভিন্ন ডিপজল।

জানা গেছে, নিজের প্রযোজনা সংস্থা থেকে চারটি ছবি নির্মাণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। আর ছবিগুলোর কাহিনী লেখার জন্য দায়িত্ব দিয়েছেন ছটকু আহমেদকে। আগস্টে ডিপজলের ফুলবাড়িয়ার বাসায় দেখা করে এসব বিষয় চূড়ান্ত করেছেন তিনি। ছটকু আহমেদ বলেন, চলচ্চিত্রকে এখনও অনেক ভালোবাসেন তিনি। আমার লেখা স্ক্রিপ্টেই ছবিগুলো নির্মাণ হবে। আমাকে এ জন্য সাইনিং মানিও দিয়েছেন তিনি। ‘কোটি টাকার কাবিন’, ‘চাচ্চু’ ছবিগুলো যেমন ছিল ঠিক সেই ঘরানার গল্পের ছবি লিখছি। এরই মধ্যে একটি গল্প লেখার কাজ শেষ হয়েছে। তাহলে কী নতুন ছবিত্রে ডিপজলকে এই লুকে দর্শকরা?

প্রেমিকার সামনে যে প্রশংসাগুলো কখনই করবেন না

মেয়েদের মন বোঝা নাকি বড় কঠিন বিষয়। আপনি সরল মনে তাকে প্রশংসা করছেন; অথচ দেখা যাবে প্রেমিকা তার অন্য মানে করে বসে আছে! এ তো গেল প্রচলিত কথা, এতে গুরুত্ব না দিলেও চলবে। তবে যে কোনো সম্পর্ক ভাল রাখার ক্ষেত্রেই কিছু নিয়ম ও নীতি মেনে চলতে হয়। সেক্ষেত্রে বিশেষ কিছু প্রশংসাসূচক বাক্য মেয়েদের সামনে না বলাই ভাল।

১. ‘বাঃ, বেশ ভাল হয়েছে তোমার স্বাস্থ্য’: আপনি হয়তো প্রশংসাসূচক সুরেই কথাটা বলছেন। কিন্তু মেয়েরা ভাববেন, আপনি তাকে মোটা বলতে চাইছেন! এতে তাদের চটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

২. ‘ঠিকঠাক’: আপনার সঙ্গিনী যখন কোনও প্রস্তাব দিচ্ছেন, বা কোনও বিষয়ে আপনার মতামত চাইছেন তখন বিনা আপত্তিতে যদি বলেন ‘ঠিকাঠাক’ আছে তবেই বিপদ!  যেমন ধরুন, তিনি নতুন পোশাকে সেজে বললেন, ‘কেমন লাগছে আমাকে?’ তখন আপনি যদি ক্যাজুয়ালি বলেন, ‘ঠিকঠাক’, তাহলে সে ভাববে আপনি তার দিকে ভালভাবে দৃষ্টি দেননি। তার বদলে একটু উৎসাহব্যঞ্জক কিছু বলুন, যেমন ‘দারুণ’ কিংবা ‘এক্সসিলেন্ট’।

৩. ‘সেই মেয়েটিকে সেদিন যা লাগছিল না!’: নিজের বান্ধবীর সামনে ভুলেও অন্য কোনও মেয়ের প্রশংসা করবেন না। এটা অত্যন্ত বিপজ্জনক।

৪. ‘যাই হোক’: কোনও ঝগড়া বা তর্কের মাঝখানে এই কথাটি বলেছেন কি মরেছেন। মেয়েটি নির্ঘাৎ ধরে নেবেন, আপনি তার কথাকে পাত্তাই দিচ্ছেন না কিংবা তার কথাকে যুক্তিহীন বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন।

৫. ‘তুমি যখন ঘুমের মধ্যে নাক ডাক, তখন তোমায় ভারি মিষ্টি লাগে’: সত্যি সত্যি মিষ্টি লাগলেও বলবেন না এই কথা। কোনো মেয়ে চট করে স্বীকার করতে চান না যে, তিনি নাক ডাকেন।

৬. ‘শাড়িটার দাম কত?’: সত্যিই কি আপনি জানতে চান আপনার প্রেমিকার শাড়টির কত দাম? আর চাইলেও প্রশ্নটি না করাই ভাল। কারণ অনেক মেয়েই কিন্তু এই ধরনের প্রশ্নে বিব্রত বোধ করতে পারেন।

শামসুর রাহমানকে স্মরণ

কবিতা, স্মৃতিচারণা ও গানে গানে স্মরণ করা হলো কবি শামসুর রাহমানকে। গতকাল বুধবার বিকেলে কেন্দ্রীয় গণগ্রন্থাগারের সেমিনার কক্ষে তাঁর কবিতা আবৃত্তি করেন তরুণ কবিরা। কবির দশম প্রয়াণবার্ষিকীতে এ আয়োজন করে সাংস্কৃতিক সংগঠন আন্তর্জাতিক সাহিত্য সংস্কৃতি সংযোগ।
এই স্মরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান। সংগঠনের সভাপতি কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের সভাপতিত্বে শামসুর রাহমানকে নিয়ে স্মৃতিচারণা করেন কবি নির্মলেন্দু গুাণ, কবি আসাদ মান্নান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সায়েম রানা, বেগম আখতার কামাল, চিত্রশিল্পী নাজমা আক্তার, সংগীতশিল্পী বাবু রহমান প্রমুখ।
কবি নির্মলেন্দু গুমণ বলেন, ‘প্রায় ত্রিশ বছর আগে কবি শামসুর রাহমান যখন অসুস্থ হয়ে মহাখালী হাসপাতালে চিকিত্সাধীন ছিলেন, তখন তাঁকে নিয়ে একটি কবিতা লিখে তাঁকে শুনিয়েছিলাম। কবিতাটি লেখার পর প্রায় ত্রিশ বছর তিনি বেঁচে ছিলেন।’ অনুষ্ঠানে তিনি ‘শামসুর রাহমানের জন্য এলিজি’ কবিতাটি আবৃত্তি করেন।
সেলিনা হোসেন বলেন, ‘যাঁরা অসাধারণ কাজ করে পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন, তাঁদের মৃত্যুদিবস বলে কিছু নেই। আমাদের কবিতার ধারাকে যাঁরা ভিন্নমাত্রায় উপস্থাপন করেছেন, তাঁদের মধ্যে শামসুর রাহমান অন্যতম। রাজনীতির স্রোতোধারায় সংস্কৃতির যে প্রবহমানতা ছিল, কালের স্রোতে আজ তা কমে গেছে। তরুণেরাই পারে সেসব কীর্তিমানের কবিতার প্রবাহ আগামী প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে পৌঁছে দিতে।’ অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি করেন বদরুল হায়দার, লিলি হক, মিলন সব্যসাচী প্রমুখ। গান করে গানের দল ‘চাষার পাল’। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ পথিক। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কবির ভাগনে নাদিম রহমান।

ব্যবসা সফল করার ৪ উপায়, যা সব ব্যবসায়ীর জন্যই শিক্ষণীয়

একটি গাছকে যেমন দীর্ঘদিন যত্ন করে বড় করতে হয় তেমন ব্যবসাকেও দীর্ঘদিন পরিচর্যার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত করতে হয়। অনেকেই মন করতে পারেন একটি নির্দিষ্ট ফর্মুলা প্রয়োগ করে ব্যবসাকে সফল করে তুলবেন। কিন্তু এটি কখনোই পরিকল্পনামতো কাজ করে না। অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিনিয়ত ব্যবসায় নিত্যনতুন কৌশল অবলম্বন করতে হয়। এক্ষেত্রে চারটি কৌশল তুলে ধরা হলো এ লেখায়, যা বিচক্ষণভাবে প্রয়োগ করে ব্যবসা সফল করা সম্ভব। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস নিউজ ডেইলি।

১. বিশ্বাস অর্জন করা ব্যবসার জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনি যদি গ্রাহক কিংবা ক্রেতাদের বিশ্বাস অর্জন করতে পারেন তাহলে ব্যবসায়ী হিসেবে সফল হবেন, এটা নিশ্চিত করে বলা যায়। কিন্তু বিশ্বাস অর্জন করা কোনো সহজ কাজ নয়। এজন্য বহুদিন সময়ের প্রয়োজন হয়। এছাড়া সততা ও নিয়মানুবর্তিতার মাধ্যমে ক্রেতাকে সঠিক সেবা দিতে হয়।

২. ছোট লক্ষ্য বহু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই ০ থেকে ১০০তে পৌঁছাতে চায় অত্যন্ত দ্রুত। যদিও বাস্তবে সে অগ্রগতি সম্ভব হয় না। এতে ব্যবসাও বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু লক্ষ্য যদি থাকে নির্দিষ্ট একটি এলাকা তাহলে তা সাফল্য লাভে সহায়তা করে। এক্ষেত্রে প্রথমেই বাজারের সম্পূর্ণ অংশকে টার্গেট করা ঠিক নয়। বাজারের নির্দিষ্ট একটি অংশকে লক্ষ্য করে সে অনুযায়ী দৃষ্টি নিবদ্ধ করতে হয়। এটি ব্যবসায় সাফল্য আনতে দারুণ সহায়ক।

৩. অনলাইনে প্রসার আগের তুলনায় এখন প্রতিনিয়ত ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্র পরিবর্তিত হচ্ছে। অতীতে যেমন ক্রেতাদের কাছে পৌঁছানো কঠিন ছিল এখন অনলাইনের প্রসারে তা সহজ হয়ে গিয়েছে। ফলে অনলাইন ব্যবহার করে যে কেউ ব্যবসায় সফলতা পেতে পারে।

৪. ঝুঁকি নিন ব্যবসায় ঝুঁকি নেওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিজের নিরাপদ স্থানে থেকে আরাম করে ব্যবসা হয় না। এজন্য পথে নামতে হয়। ব্যাপক পরিশ্রম ও ঝুঁকি নিয়ে তবেই সফল হওয়া যায়। এক্ষেত্রে ঝুঁকি নেওয়া যেমন প্রয়োজনীয় তেমন সবক্ষেত্রে ঝুঁকি নেওয়াও কার্যকর নয়। তাই নিজের বিচক্ষণতা ব্যবহার করে ঠিক করতে হবে কোন বিষয়ে ঝুঁকি নেওয়ার ফলাফল ভালো হবে। এরপর সে বিষয়ে ঝুঁকি নিয়ে হলেও এগিয়ে যেতে হবে। সঠিক পথে এগোলে একপর্যায়ে সফলতা ধরা দেবেই।