প্রেমিকার যে অভ্যাসগুলি পছন্দ নয় পুরুষদের?

পিরিতি নাকি কাঁঠালের আঠা। একবার লাগলে আর ছাড়ে না। অবশ্য ভালোবাসার প্রথম অনুভূতিতে মনের মানুষের অনেক দোষ-ত্রুটিই অদেখা থেকে যায়। কিন্তু প্রেম একটু জুড়ে বসতেই ফের বদভ্যাসের কাঁটাগুলি গায়ে বিঁধতে শুরু করে। কেবল পুরুষই নন, বদভ্যাসের এই তালিকায় মেয়েরাও কম যান না। প্রেমিকার এমন বেশ কিছু অভ্যাস রয়েছে, যা পুরুষদের একেবারেই না-পসন্দ। বিশেষ করে :

মেয়েদের পেটে নাকি কোনো কথাই থাকে না। বেশির ভাগ মহিলারাই নিজের সম্পর্কের গোপন তথ্য অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করে ফেলেন। আর অন্যদের মতামত অনুযায়ী নিজের সম্পর্কের তুল্যমূল্য বিচার করতে শুরু করেন।

প্রেমিক যখন মনযোগ দিয়ে কোনো কাজ করছেন, তখনই মেয়েদের যাবতীয় কথা তাঁকে জানানোর ইচ্ছে হয়। কাজ যত গুরুত্বপূর্ণই হোক না কেন শ্রীমতির কথায় কান দিলেই বিপদ।

প্রেমিকের প্রেম যখন নারী শরীরের উষ্ণতা চায়, ঠিক সেই মুহূর্তে তাঁর আবেদনে বিন্দুমাত্র সাড়া না দিয়ে অন্য কাজে ব্যস্ত হয়ে যাওয়া একদম পছন্দ নয় পুরুষদের।

সম্পর্কের মধ্যে থাকলেও প্রত্যেকের নিজস্ব স্পেস থাকা উচিত। আর এই কথা পুরুষদের ক্ষেত্রে একটু বেশিই প্রযোজ্য। প্রত্যেক মুহূর্তের ওঠাবসার খবর পুরুষরা প্রেমিকাকে দিতে একদম ভালোবাসেন না।

নিজের মনের কথা বলা ভালো। কিন্তু হামেশা কথা বলতে থাকলে তা বিরক্তির পর্যায় পৌঁছে যায়। মাঝে মধ্যে না বলেও অনেক কথা বলে ফেলা যায়। আর এ কথাটি অনেক মহিলাই বোঝেন না।

আমায় কি মোটা লাগছে? ওকে কি আমার থেকে বেশি ভালো দেখতে? প্রেমিকার এমন তুলনামূলক প্রশ্ন পুরুষদের একদমই পছন্দ নয়।

প্রত্যেক পুরুষ চান প্রেমিকা তাঁর জীবনের প্যাশনটিকে বুঝুক। আর তা না বুঝলে সম্পর্ক টেকানো বেশ মুশকিল। জোর করে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা পালটানো তাঁরা একদম পছন্দ করেন না।

অবশ্য সম্পর্ক কেবলমাত্র পুরুষ কিংবা নারীর গুণাগুণের ওপর নির্ভর করে না। দুজনের মিলিত প্রয়াসেই তা হয়ে ওঠে পোক্ত।

Advertisements

নওয়াজউদ্দিনের টুইটে তোলপাড় বলিউড

অভিনেতা নওয়াজউদ্দিন সিদ্দীকীর এক টুইটেই বলিউডে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

গত ১৭ জুলাই তিনি টুইটারে লেখেন, ‘আমি কালো আর দেখতেও ভাল নই। এজন্য আমি ফর্সা ও সুন্দর কাউকে জুটি হিসেবে পাবো না। সেটা মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ! তবে আমি কখনোই এসবে গুরুত্ব দেইনি।’

হঠাৎ তিনি কেনো ফর্সা কালো নিয়ে টু্ইট করতে গেলেন।

আসলে ঘটনার সূত্রপাত তার সাম্প্রতিক ছবি ‘বাবুমশাই বন্দুকবাজ’ ছবির কাস্টিং ডিরেক্টর সঞ্জয় চৌহানের একটি মন্তব্যে।

সঞ্জয় সম্প্রতি বলেছেন, ছবিতে নওয়াজ থাকায় তিনি কোনও ‘ফর্সা’ বা ‘হ্যান্ডসাম’ অভিনেতাকে কাস্ট করতে পারেননি।

নাম ধরে না করলেও নওয়াজের এই টুইট যে সঞ্জয়ের মন্তব্যেরই জবাব, তা স্পষ্ট অনেকের কাছেই।

বলিউডে একস্ট্রা বা জুনিয়র আর্টিস্ট হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন নওয়াজ। এখন তিনি বলিউডের অন্যতম সফল অভিনেতা।

‘রইস’-এর কড়া পুলিশ অফিসার হোক বা অপ্রতিরুদ্ধ দশরথ মাঝির চরিত্র, সবেতেই দর্শক, সমালোচকদের মন জয় করেছেন নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী।

নওয়াজ জানান, কোনোদিনই তিনি নিজের লুক বা ত্বকের রঙের প্রতি নজর দেননি; বরং গুরুত্ব দিয়েছেন ‘মেথডিক্যাল’ অভিনয়ে।

এর পরেই তার সংযোজন, ‘কিন্তু কোনও কাস্টিং ডিরেক্টর যদি আমার জন্য কোনও ফর্সা বা ‘হ্যান্ডসাম’ অভিনেতাকে কাস্ট করতে না পারেন, তো সেটা তার সমস্যা।’
তবে ওই অভিযোগ ভিত্তিহীন জানিয়ে সঞ্জয় চৌহান বলেন, ‘আমার বক্তব্যকে বিকৃত করা হয়েছে। আমি বলেছিলাম, এই ছবিতে আমার নওয়াজের মতো অভিনেতারই প্রয়োজন। আমি জানি না কোথা থেকে এই ‘ফেয়ার অ্যান্ড হ্যান্ডসাম’ কথাটা জুড়ে দেওয়া হল। এ কথা আমি বলিনি।’

চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের নীরবতা রহস্যজনক

ভালো নেই ঢাকাই চলচ্চিত্র শিল্প। চরম অস্থির সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এখন। চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি কর্র্তৃক শাকিব খানকে বারবার নিষিদ্ধ করা, যৌথ প্রযোজনায় চলচ্চিত্র নির্মাণের নামে যৌথ প্রতারণা করা হচ্ছে- এমন দাবির পক্ষে-বিপক্ষে আন্দোলন-পাল্টা আন্দোলন নিয়ে বিভাজন হয়ে পড়ছে এফডিসি। ফলে একরাশ হতাশা নিয়ে কেবলই ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ঢাকাই চলচ্চিত্র। এর ওপর আবার বিষফোঁড়া হয়ে উঠছে সাফটা চুক্তির নামে ভারত থেকে আনা ছবি। তবে সাফটা চুক্তির আওতায় ছবি বিনিময়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বঞ্চিত হলেও বিষয়টি নিয়ে কারও কোনো উচ্চবাচ্য নেই। সবাই যৌথ প্রযোজনার ভালো-মন্দ বিষয়ক চুলচেরা বিশ্লেষণ নিয়ে ব্যস্ত।

যৌথ প্রযোজনার শুরুর দিকেও এমনটি দেখা গিয়েছিল। তখন গণমাধ্যমগুলো, বিশেষ করে দৈনিক যুগান্তরে নিয়মবহির্ভূত যৌথ প্রযোজনার ছবি নিয়ে নিয়মিত প্রতিবেদন লিখে গেলেও টনক নড়েনি চলচ্চিত্র পাড়ার মানুষগুলোর। কিন্তু যখন এটা বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে, পিঠ ঠেকে গেছে দেয়ালে, যৌথ প্রযোজনার জন্য দেশীয় শিল্পীরা বেকার হয়ে পড়ছেন তখনই ঘুরে দাঁড়িয়েছেন তারা। নেমেছেন আন্দোলনে। ততদিনে যৌথ প্রযোজনার বাইরে দাঁড়িয়ে ঘাড়ে চেপেছে আরেক বিপদ। সেটি হচ্ছে এই সাফটা চুক্তির মাধ্যমে ছবি বিনিময়। বিষয়টি নিয়ে এখনও মুখ খুলছেন না কেউ। যখন ঢালিউডে একের পর এক ছবি মুখ থুবড়ে পড়ছে, তখন সাফটা চুক্তির মতো বিষফোঁড়া দেশীয় চলচ্চিত্রকে আরও বেশি হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। বিগ বাজেটের পাশাপাশি স্বল্প বাজেটের ছবিগুলোর বেলায়ও একই দশা হচ্ছে। দু’একটি ব্যতিক্রম ছাড়া কোনো ছবিই ব্যবসা করতে পারছে না। ঠিক এ অবস্থায় বাংলাদেশে দেদার আসছে কলকাতার সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবিগুলো। সাফটা চুক্তির আওতায় বিনিময় চুক্তির মাধ্যমেই এসব ছবি আসছে। নিয়ম মেনেই আসছে। কিন্তু নিয়ম যখন গলায় ফাঁস হয় তখন সেই নিয়মের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর যৌক্তিকতা বিশ্লেষণের কোনো প্রয়োজন হয় না। ঠিক এ বিষয়টিই চলচ্চিত্র পরিবার তথা চলচ্চিত্র শিল্পের বোধে আসছে না। সাফটা চুক্তির বিনিময় প্রথা লাভ তো নয়ই উল্টো দেশের চলচ্চিত্র শিল্পকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়া হচ্ছে।kafon

মূলত সার্কভুক্ত দেশগুলো তাদের ব্যবসায়িক স্বার্থে ২০০৪ সালে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করে। এটিই সাফটা চুক্তি নামে পরিচিত। পরে ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয় সে চুক্তি। এ চুক্তির মাধ্যমেই চলচ্চিত্র বিনিময় শুরু করে বাংলাদেশ ও ভারত। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশে একটি ভারতীয় ছবি আমদানির বিপরীতে একটি বাংলাদেশি ছবি ভারতে রফতানি করতে হবে। বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ সালের গেজেটে ষষ্ঠ অধ্যায়ের ২৬ অনুচ্ছেদের ৪৯ (গ)-তে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে নির্মিত চলচ্চিত্র রফতানির বিপরীতে সাফটাভুক্ত দেশগুলো থেকে সমানসংখ্যক চলচ্চিত্র তথ্য মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তি সাপেক্ষে আমদানি করা যাবে। উভয় পক্ষের ব্যবসায়িক লাভের জন্যই এ সাফটা চুক্তি। কিন্তু চলচ্চিত্র বিনিময়ের বেলায় সেটা হচ্ছে কই? কলকাতার নতুন ছবির আমদানির বিপরীতে বাংলাদেশ থেকে যে চলচ্চিত্র পাঠানো হচ্ছে তা কি আদৌ বাইরের দেশে পাঠানোর মতো ছবি- সেটা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়? কলকাতার নতুন ছবির বিপরীতে কেনই বা কয়েক বছরের অখাদ্য পুরনো বাংলাদেশী ছবি ভারতে পাঠানো হচ্ছে? যে ছবি থেকে বাংলাদেশের দর্শকরাই মুখ ফিরিয়ে নিতে দেখা গেছে। ছবি বিনিময়ের একটা হিসাব টানলেই বোঝা যাবে সাফটা চুক্তির আওতায় কীভাবে প্রতারণা করা হচ্ছে বাংলাদেশের সঙ্গে। ২০১৬ সালে ‘রাজা ৪২০’-এর বদৌলতে বাংলাদেশে কলকাতার ‘কেলোরকীর্তি’, বাংলাদেশী ‘ছুঁয়ে দিলে মনে’র বিপরীতে কলকাতার ‘বেলাশেষে’ মুক্তি পায়। পরে বাংলাদেশের ছবি ‘সম্রাট’র বিনিময়ে এখানে মুক্তি পায় কলকাতার নতুন ছবি ‘অভিমান’। একই বছরে ১৭ মার্চ ‘রাজা বাবু’ ছবির বদৌলতে বাংলাদেশে মুক্তি দেয়া হয় কলকাতার তখনকার তাজা ছবি ‘তোমাকে চাই’ এবং ভারতের নতুন ছবি ‘হরিপদ ব্যান্ডওয়ালা’র বিপরীতে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাঠানো হয় দেশের বিতর্কিত ছবি ‘নগর মাস্তান’। এরপর পর্যায়ক্রমে ভারতীয় ছবি ‘বেপরোয়া’, ‘যুদ্ধশিশু’, ‘খোকাবাবু’, ‘খোকা ৪২০’, ‘ওয়ান্টেড’ মুক্তি পেয়েছে। প্রতিটি ছবির বিপরীতে যাচ্ছেতাই ছবি কলকাতায় পাঠানো হয়েছে। হিসাবের গভীরে গেলে বাংলাদেশের দর্শকদের মাথা চক্কর দিয়ে উঠবে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১৩ সালে সাফটা চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের ৮টি ছবি পাঠানো হয় ভারতে। অপরদিকে ভারতের ৮টি ছবি আনা হয় বাংলাদেশে। সে সময় নানা জটিলতার কারণে বাংলাদেশ সবগুলো ছবি প্রদর্শন করতে না পারলেও বছরখানেকের ব্যবধানে ভারতীয় পাঁচটি ছবি মুক্তি দেয়া হয় দেশের হলগুলোতে। বাংলাদেশ থেকে রফতানি করা মাত্র একটি ছবি মুক্তি দেয় ভারত। পরের বছর ২০১৪-২০১৫ সালের মধ্যে ভারত থেকে আমদানি করা ‘যুদ্ধশিশু’ ৩০টি হলে, ‘খোকা’, ‘খোকা ৪২০’, ‘ওয়ান্টেড’, বেপরোয়া’ বাংলাদেশের অর্ধশতাধিক হলে প্রদর্শিত হলেও এর বিপরীতে পাঠানো অন্যতম ছবি ‘মা আমার স্বর্গ’ কলকাতার শুধু ‘সোসাইটি’ নামের একটি হলে মুক্তি দেয়া হয়। জানা গেছে, এসব ছবি আমদানি-রফতানির সঙ্গে যুক্ত ছিল বাংলাদেশের খান ব্রাদার্স ও ইন উইন এন্টারপ্রাইজ নামের দুটি প্রতিষ্ঠান। এছাড়াও কলকাতায় বাংলাদেশের যে ছবিগুলো যায় সেগুলো মুক্তি দেয়া হয় অজপাড়া গাঁয়ে অবস্থিত প্রেক্ষাগৃহগুলোতে।

চলচ্চিত্রের এ অস্থির সময়েও থেমে নেই সাফটা চুক্তির আওতায় বাংলাদেশকে বঞ্চিত করার প্রক্রিয়া। জানা গেছে, এবার বাংলাদেশের আরেক অখাদ্য ছবি ‘মাস্তানী’র বিনিময়ে ঈদে কলকাতায় মুক্তিপ্রাপ্ত দেবের ছবি ‘চ্যাম্প’ দেশে মুক্তি দেয়া হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে ‘চ্যাম্প’ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান তিতাস কথাচিত্রের কর্ণধার আবুল কালামের কথায় কিছুটা নিশ্চিতই হওয়া গেছে। তিনি জানান, চ্যাম্প মুক্তির বিষয়টি তথ্যমন্ত্রণালয়ের বিবেচনাধীন রয়েছে। আগামী মাসেই ছবিটি হলে মুক্তি দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে চলচ্চিত্র বোদ্ধারা বলেন, বাংলাদেশের বড়পর্দায় কলকাতার বাজার তৈরি করতেই এই প্রতারণামূলক ছবি বিনিময় চলছে। এতে করে বিদেশে আমাদের চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। রফতানি করা ছবির বিপরীতে বাংলাদেশি ছবি ভারতে মুক্তি না পেলেও কোনো তদারকি নেই। ভারতের ভালো ছবির বিপরীতে বাংলাদেশের নিন্মমানের ছবি পাঠানো হচ্ছে যা ভারতে বাংলাদেশের সিনেমার বাজারকে আরও খারাপ করে তুলছে। এতে অন্য দেশের দর্শকরা মনে করছেন, বাংলাদেশের পরিচালকরা এ রকম নিন্মমানের ছবিই নির্মাণ করেন। যৌথ প্রযোজনা ঠেকাতে দেশের শিল্পীরা হল মালিককে লাঞ্ছিত করতেও পিছপা হননি। অথচ সাফটা চুক্তির আওতায় এত বড় ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে, বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে ভারতে এত নোংরাভাবে উপস্থাপনা করা হচ্ছে বিষয়টি নিয়ে কথা বলছেন না শিল্পীদের কোনো গ্রুপ। শুধু শাকিব খানকে ঠেকানোর আন্দোলনেই সক্রিয় দেখা যাচ্ছে তাদের। এহেন পরিস্থিতিতে সাফটা চুক্তির মাধ্যমে ছবি বিনিময়ের বিষয়টি নিয়ে কথা না বললে এটিও যৌথ প্রযোজনার মতো ঢাকাই চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির জন্য কালসাপ হয়ে দাঁড়াবে।

বর্তমান সময়ে ডিজাইনারদের প্রিয় ম্যাক্সি ড্রেস

বর্তমানে ফ্যাশন বিশ্বে নারীদের অন্যতম পছন্দ ম্যাক্সি ড্রেস। গ্রীষ্মে এবং ছুটির দিনের জন্য এটি সবচেয়ে মানানসই। এছাড়া এটি পরলে এর সাথে আর পায়জামা বা প্যান্টস পরার দরকার হয় না। এজন্য ম্যাক্সির দৈর্ঘ্যও একটি বড় ব্যাপার এবং নানান রকম স্টাইলে এটি পরা যায়। বর্তমান সময়ে ডিজাইনারদের কাছেও এটি বেশ প্রিয়। চলুন দেখা যাক বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় ডিজাইনাররা এটি নিয়ে কে কী বলছেন।

ডিজাইনার প্রিয়া কাটারিয়া পুরি বলেন, ‘সিলুয়েট থেকে শুরু করে, প্লীট থেকে স্ট্রাইপ, মেটালিক থেকে মনোক্রম, এই সিজনের সাধারণ পোশাক হিসেবে ম্যাক্সি হচ্ছে সর্বোচ্চ ট্রেন্ড। আপনি যদি ডেয়ারিং কোন ট্রেন্ড বেছে নিতে চান, তাহলে লেস ভিতরের দিকে এমন অথবা পাশ দিয়ে চিরা ম্যাক্সি শপিং করতে পারেন। আমার প্রিয় হচ্ছে উবার হাই স্লিটের সাথে ডেনিম ম্যাক্সি স্কার্ট এবং এর সাথে আমি পরি হাতে বোনা টপস এবং টাই-আপ স্যান্ডেল। কোন রবিবার কিংবা কোন ফেস্টিভালের জন্য এটাই আমার প্রিয়।’

ডিজাইনার কিন্নারি কামাত এবং সাকশা পরখ বলেন, ‘একটি সাধারণ এ-লাইন ম্যাক্সি এখন হেমলাইন, গঠন এবং সিলুয়েট অনুযায়ী অনেক স্টাইলে পাওয়া যাচ্ছে। এই সিজনের জন্য টপ ৫ এর মধ্যে আছে প্লীটেড ম্যাক্সি ড্রেস যার মাধ্যমে সামার ভাবটি ফুটে ওঠে। এছাড়া সেক্সি লুকের জন্য অফ-দ্য-শোল্ডার ম্যাক্সি, বোহেমিয়ান লুকের জন্য ড্রপ ওয়েস্ট ম্যাক্সি, নিজেকে বোল্ডভাবে উপস্থাপনের জন্য বিভিন্ন কালারফুল এবং প্রিন্টেড ম্যাক্সি, কিংবা আপনি কোনকিছুই কেয়ার করেন না এমনভাবে উপস্থাপনের জন্য পরতে পারেন স্প্যাগেটি স্ট্রাইপড ম্যাক্সি। যাই হোক, ম্যাক্সি ড্রেসের জন্য দৈর্ঘ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিব্রতকর দৈর্ঘ্যের ম্যাক্সির চেয়ে খারাপ আর কিছু হতে পারে না। মনে রাখতে হবে, ম্যাক্সির দৈর্ঘ্য যদি গোড়ালি পর্যন্ত না হয়, তাহলে সেটা ম্যাক্সি ড্রেস না, অন্য কিছু।’

ডিজাইনার সিদ্ধার্থ টাইটলার বলেন, ‘আপনি এমন কিছু চান না যেটা পরে আপনি কয়েক ঘন্টা আরামদায়ক অনুভব করতে পারবেন না। এমন কিছু বেছে নিন যেটা স্টাইলের সাথে পরেও ভালোভাবে থাকতে পারবেন।’ ম্যাক্সি ড্রেস নিয়ে তিনি বলেন, ‘একটি চওড়া অথবা চিকন বেল্ট ম্যাক্সি ড্রেসের সাথে ভালো মানায়। একটি ঢোলা অথবা প্লীটেড ম্যাক্সি ড্রেসের সাথে চিকন বেল্ট ভালো মানায়। আবার স্ট্র্যাপলেস ম্যাক্সির সাথে চওড়া বেল্ট মানানসই। প্লেইন হল্টারনেক ম্যাক্সির সাথে লম্বা ইয়াররিং ভালো মানায়। লম্বা হাতাযুক্ত রাউন্ড নেক ম্যাক্সির সাথে বড় নেকলেস পরা যেতে পারে। প্রিন্টেড ম্যাক্সির সাথে খুব বেশি জুয়েলারির প্রয়োজন হয় না যদি না সেটা খুব ভালো মানায়।’

ক্যারোজল থেকে ডিজাইনার শিমরন আরিয়া বলেন, ‘ম্যাক্সি ড্রেস সবাইকেই ভালো মানায়। এর জন্য এই গাইডলাইন মেনে চলা যেতে পারে- আপনি যদি বড় বক্ষের অধিকারী হন, তাহলে স্ট্র্যাপলেস কিংবা রাফেলড এবং প্লীটেড পরিহার করুন। আর আপনি যদি চিকন গড়নের হন, তাহলে এ-লাইন অথবা ইম্পায়ার ওয়েস্টলাইন বেছে নিন। এছাড়া প্রিন্টের ম্যাক্সি মোটাদের চেয়ে চিকনদেরই ভালো মানায়।’

‘টাকার জন্য করণ আমাদেরকে ব্যবহার করছেন’

করণ জোহর নাকি তাঁদের ব্যবহার করে টাকা উপার্জন করছেন। সম্প্রতি, পরিচালক-প্র‌যোজক করণ জোহরের বিরুদ্ধে এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন রণবীর কাপুর। করণের বিতর্কিত চ্যাট শো ‘কফি উইথ করণ ‘-এর বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন রণবীর। ফেমাস ইউটিউব চ্যানেল ‘অল ইন্ডিয়া বকচোদ‘-এ গিয়ে একটি সাক্ষাৎকারে গিয়ে কিছু তিক্ত স্ৱীকারোক্তি করেন ‘জগ্গা জাসুস’ অভিনেতা রণবীর কাপুর।

সাফ জানান, তিনি করণের ‘কফি উইথ করণ ‘– শোয়ের বিপক্ষে। রণবীর এও জানান, তিনি এবং আনুশকা শর্মা মিলে করণের এই শো বন্ধ করে দিতে চেয়েছিলেন। সেজন্য আনুশকা গোটা বলিউড ইন্ডাস্ট্রিকেই পাশে পাওয়ার চেষ্টাও করেছিল।

রণবীর বলেন, কফি উইথ করণ নিয়ে সমস্য হলো এখানে ‌যখন আমরা কথা বলি তখন খুব সহজ, সাদা সিধা ভাবেই কথা বলি, কারণ আমরা করণকে সবাই চিনি। তবে তখন আর এটা খেয়াল থাকে না ‌যে এটা কোটি কোটি লোক শুনছেন। ‌যাঁরা আপনার প্রত্যেকটা কথা সিরিয়াসলি নিতে পারেন। তাই করণের এই শো নিয়ে আমি আতঙ্কিত।

রণবীরের দাবি, এবছর করণের ‘কফি উইথ করণ ‘ -শোতে আমাকে প্রায় জবরদস্তি নিয়ে ‌যাওয়া হয়েছিল। আমি ‌যেতে চাই নি। আর এই শো-তে ‌যা হয় তা খুবই অনুচিত। আমাদের মতো বলিউড তারকাদের ব্যবহার করা হয় মাত্র।

প্রসঙ্গত, এবছর  ‘কফি উইথ করণ ‘-এ দীপিকার প্রাক্তন ও বর্তমান বয়ফ্রেন্ডকে একসঙ্গে এনেছিলেন করণ। ‌যা তাঁদের কাছে খুবই অস্ৱস্তিকর ছিল। এর আগেও করণ একইসঙ্গে রণবীরের সঙ্গে দীপিকা ও সোনম তাঁর দুই প্রাক্তন ও বর্তমান গার্লফ্রেন্ডকে একসঙ্গে বসিয়েছিলেন। ‌যা নিয়েও খুব বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং এই কারণে ব্যক্তিগত জীবনে ভীষণই সমস্যায় পড়কে হয় রণবীরকে।

করণের বিরুদ্ধে রণবীরের এই বিস্ফোরক মন্তব্য নিয়ে ‌যে বলিউড সরগরম হবে তা বলাই বাহুল্য।

৭ উপায়ে বাড়ান আপনার স্মৃতিশক্তি!

আপনি হয়তো খেয়াল করে দেখবেন কিছু লোক চমৎকার ভাবে মনে রাখতে পারছে কোন ঘটনা বা বিষয়বস্তুর পুঙ্খানুপুঙ্খ। আবার খুব সহজেই শিখে নিচ্ছে নতুন কিছু। আর আপনি মনে মনে আক্ষেপ করেন সেই লোকের মতো কেন আপনার স্মরণশক্তি নেই? তবে কি আপনার মেধা কম!

না, আপনার মেধা অবশ্যই কম না। সকলে একভাবে মনে রাখতে পারে না। কারণ, সবার মস্তিষ্কের গঠন একরকম নয়। তবে কয়েকটি সহজ কৌশলে আপনিও বাড়িয়ে নিতে পারেন মেমোরি পাওয়ার।

১। ব্যায়াম করুন আর শরীরকে রাখুন সচল:
ব্যায়াম শুধু আপনার শরীরকেই সচল করে না, এটি আপনার মস্তিষ্ককেও সচল রাখে। স্থূলতা এবং অতিরিক্ত ওজন আপনার ব্রেইনের জন্যও ক্ষতিকর। নিয়মিত ব্যায়াম না করলে কিংবা শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো সচল না থাকলে রক্তবাহী নালীগুলো চর্বি জমে। ফলে স্বাভাবিক রক্তচলাচল ব্যহত হয়। মস্তিষ্কে রক্তের মাধ্যমে অক্সিজেন সরবারাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়। যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে মস্তিষ্কের কোষগুলোও। তাই নিয়মিত ব্যায়াম করুন, সচল রাখুন আপনার শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো।

২। মানসিক চাপ কমিয়ে আনুন, বিষন্নতা দূর করুন:
রাগ, ক্ষোভ বা উদ্বেগ আপনার ব্রেনকে কিছু সময়ের জন্য স্থবির করে দেয়, যা আপনার স্মরণশক্তি কমে যাওয়ার ক্ষেত্রে যথেষ্ট প্রভাব ফেলতে পারে। মানসিক চাপের মধ্যে বিষন্নতা সবচেয়ে মস্তিষ্কের ক্ষতি করে। বিষণ্ণতা আপনার মনোযোগ দেয়ার ক্ষমতা কমিয়ে ফেলে এবং রক্তে করটিসলের লেভেল বাড়িয়ে দেয়। করটিসেলের লেভেল বেড়ে গেলে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা কমে যায়, বিশেষ করে হিপ্পোক্যাম্পাসের। যেখানে শর্টটার্ম মেমোরি সংরক্ষিত থাকে। তাই বিষণ্ণতাসহ সকল মানসিক চাপ যতদূর সম্ভব কমিয়ে ফেলুন।

৩। পর্যাপ্ত ঘুমান:
একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনিক আট ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন। একটা চমৎকার ঘুম আপনার মস্তিষ্ককে অধিক কার্যকরী করে তোলে। ঘুমের সময় সাম্প্রতিক সময়ের তথ্যগুলোকে মস্তিষ্কসংরক্ষণ করতে থাকে। আর ঘুমকে বলা হয় মেমোরি চার্জার। ঘুমের সময় আপনার মেমোরি পরবর্তী স্মৃতি ধরার জন্য প্রস্তুত হয়। তাই নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুমের মাধ্যমে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে পারেন।

৪। বিষয়গুলো লিখে রাখুন:
যে বিষয়গুলো স্মৃতিতে রাখতে চান তা লিখে ফেলার অভ্যাস করুন। এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও আছে। লেখার সময় মস্তিষ্কে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তপ্রবাহের পরিমাণ বাড়ে। তাই লিখে রাখুন ডায়রিতে, ই-মেইলে বা ব্যক্তিগত ব্লগে।

৫। গান শুনুন:
অবাক হচ্ছেন? ভাবছেন- স্মৃতির সাথে গান শোনার কী সম্পর্ক? গবেষকরা দেখিয়েছেন কিছু সংগীত স্মৃতিশক্তি বাড়াতে উপকারি। ব্যাপারটা এই রকম: কোন ঘটনার সময় আপনি যদি কোন গান শুনেন তবে পুনরায় সেই গান শোনার সময় সেই ঘটনার আবহের স্মৃতি আপনার মস্তিষ্কে জেগে উঠবে।

৬। পুষ্টিকর খাবার খান:
মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য অবশ্যই আপনাকে ভিটামিন যুক্ত পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। তাজা ফলমূল, গাঢ় সবুজ শাকসবজি, মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, গমের রুটি প্রভৃতি প্রোটিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন। পরিমাণ মতো বিশুদ্ধ পানি পান করুন। প্রচুর চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার করুন। বিশেষ করে বাসি-দূষিত খাবার খাবেন না। ওগুলো স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। আর ধূমপান ও মাদক সেবন থেকে বিরত থাকুন। এগুলো আপনার মস্তিষ্কের জন্য ভয়ানক ক্ষতিকর।

৭। অন্যকে শেখান:
নিজে যা শিখতে চাচ্ছেন। তা একবার শিখে নিয়ে অন্যকে শেখান। আরজনকে শেখাতে গিয়ে দেখবেন আপনার জানার ঘাটতিগুলো ধরতে পারছেন। আবার চর্চাও হবে আরেক জনকে শেখানোর মাধ্যমে। নতুন কিছু বিষয়ে আপনার কোন চিন্তা আরেকজনের সাথে শেয়ারও করতে পারেন। তাহলে আপনার স্মৃতিতে তা স্থায়ী হবে। লোকটাকে দেখা মাত্রই বিষয়টি আপনার স্মৃতিতে আসবে।

চর্চা আর প্রচেষ্টার মাধ্যমে সব কিছু অর্জন সম্ভব। একটু চেষ্টা করলেই বাড়িয়ে নিতে পারেন স্মৃতিশক্তি, মনে রাখার ক্ষমতা। সুস্থ থাকুন।

বয়সে ছোট প্রেমিক পছন্দ ঐশ্বরিয়ার!

বয়সে অনেক ছোট একজনের সঙ্গে প্রেম করবেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন! বয়সে ছোট প্রেমিকই নাকি পছন্দ রাইসুন্দরীর।

তবে এটি বাস্তবে নয়; ‘ফান্নে খাঁ’ ছবিতে এমন ভূমিকায় দেখা যাবে এই তাকে।

সর্বশেষ ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’ ছবিতে ঐশ্বর্যকে দেখা গিয়েছিল রণবীর কাপুরের বিপরীতে। এ রকম এক ব্যতিক্রমী জুটিকে নিয়ে তখন যথেষ্ট শোরগোলও ছিল।

কিন্তু বড়পর্দায় তাদের কেমিস্ট্রি ছিল চোখে পড়ার মতো।

আবারও বলিউড পেতে চলেছে এমন এক ব্যতিক্রমী জুটিকে।

যদিও এখন পর্যন্ত ঠিক হয়নি কে থাকছেন ঐশ্বর্যের বিপরীতে। রাজকুমার রাও না ভিকি কৌশল- এখন এ নিয়েই চলছে জল্পনা।

আগস্ট মাসে শুরু হবে ‘ফান্নে খাঁ’র শ্যূটিং।

আয়ুর্বেদিক শাস্ত্র মতে খাবার খাওয়ার ১৫টি নিয়ম

খাবার খেলাম আর অমনিই শরীর চাঙা হয়ে উঠল, এমনটা বাস্তবে কিন্তু হয় না। খাবার খাওয়ারও কিছু নিয়ম আছে, তা না মানলে যতই পেট পুরে খান না কেন, শরীরের কোনো উপকারেই লাগবে না। উল্টো দেহের ক্ষয় হতে শুরু করবে।
পরিসংখ্যান বলছে প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষই জানেন না কীভাবে খাবার খেতে হয়। যে কারণে অনেকে নানাবিধ পেটের রোগে আক্রান্ত হন। সেই সঙ্গে দেহে দেখা দেয় পুষ্টির অভাব। তাই খাবার খাওয়ার সময় কী কী নিয়ম মেনে চলা উচিত, সে সম্পর্কে জ্ঞান থাকাটা জরুরি। না হলে কিন্তু বিপদ!

ভারতীয় আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাশাস্ত্র অনুসারে খাবার খাওয়ার সময় ১৫টি বিষয়ে নজর রাখা জরুরি। এমনটা করলে খাবার ঠিক মতো হজম হবে। ফলে পেট খারাপ হওয়ার আশঙ্কা কমবে। সেই সঙ্গে শরীরের পুষ্টির অভাব ঘটার কারণে নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমবে।

আসুন জেনে নেওয়া যাক খাবার খাওয়ার সঠিক নিয়মগুলো…
১. খাবার খাওয়ার সময় ততক্ষণ পর্যন্ত খাবার চিবতে থাকুন, যতক্ষণ না তা মিহি পেস্টে পরিণত হচ্ছে। যখন দেখবেন এমনটা হয়ে গেছে তখনই গিলবেন, তার আগে নয়।
২. টিভি দেখতে দেখতে অথবা কোনো কাজ করার সময় খাবার খাবেন না। কারণ একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে মন দিয়ে খাবার না খেলে শরীরের কোনো উপকার হয় না। বরং এমনটা করলে নানাবিধ ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। প্রসঙ্গত, খেতে খেতে কথা বলতেও মানা করেন অনেক চিকিৎসক। কারণ এমনটা করলেও নাকি খারাপ হয়। মোট কথা মনোযোগ সহকারে খাবার খেতে হবে। না হলেই কিন্তু বিপদ!
৩. খাবার খাওয়ার আগে ভুলেও ঠাণ্ডা পানি খাবেন না। এমনটা করলে হজমপ্রক্রিয়া বিঘ্নিত হবে। ফলে বদহজম, গ্যাস-অম্বল, পেটে অস্বস্তি প্রভৃতি সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
৪. খেতে খেতে কোল্ড ড্রিঙ্ক খাওয়া একেবারেই চলবে না। কারণ এমনটা করলে হজম প্রক্রিয়া একেবারে খারাপ হয়ে যায়। ফলে খাবার ঠিকমতো হজম না হওয়ার কারণে দেখা দেয় বহু সমস্যা।
৫. আয়ুর্বেদ শাস্ত্রমতে ভালোবেসে বানানো খাবার শরীরে পজিটিভ এনার্জির মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে মন এবং মস্তিষ্ক চাঙা হয়ে ওঠে। অন্যদিকে, খিটখিটে বা অখুশি মন নিয়ে বানানো খাবার খেলে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়।
৬. তাড়াতাড়ি খাবার খাওয়া একেবারেই উচিত নয়। বরং খাওয়ার সময় মনকে শান্ত রেখে থেমে থেমে খাবার গেলা উচিত। এমনটা করলে হজমক্ষমতার যেমন উন্নতি ঘটে, তেমনই খাবারে থাকা পুষ্টি ঠিক মতো শরীর দ্বারা শোষিত হয়।
৭. খাবার খাওয়ার পর মনে করে একটু বসে নেবেন, তারপর কাজ শুরু করবেন বা অফিসে রওনা দেবেন। তাড়াহুড়ো করে খেয়ে অফিসে বেরিয়ে পড়ার অভ্যাস ছাড়ুন। এমনটা করলে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হয়।
৮. যতক্ষণ না পেট কিছুটা ভরে যাচ্ছে, ততক্ষণ আস্তে আস্তে খাওয়া উচিত। চিকিৎসাবিজ্ঞান বলে পাকস্থলির এক তৃতীয়াংশ যতক্ষণ না ভরছে ততক্ষণ পর্যন্ত তাড়াহুড়ো করে খাবার খাওয়া একেবারেই উচিত নয়।
৯. সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার এবং রাতের খাবারের মাঝে যেন কম করে ৩-৪ ঘণ্টার ব্যবধান থাকে। কারণ যেকোনো খাবার ঠিকমতো হজম হতে এই সময়টা লাগে। তাই ৩-৪ ঘণ্টার আগে বারে বারে খাবার খেলে পেট খারাপ হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়।
১০. সূর্যাস্তের আগে পর্যন্ত আমাদের হজমক্ষমতা খুব ভালো থাকে। যেই না অন্ধকার হতে শুরু করে, আমনি ঘড়ির কাঁটার সঙ্গে তাল মিলিয়ে হজমশক্তিও কমে যেতে শুরু করে। সেই কারণেই তো দুপুর পর্যন্ত ভারি খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। এর পর থেকে খাবার পরিমাণ কমিয়ে ফেলাটাই বাঞ্ছনীয়।
১১. খাবার খাওয়ার সময় পানি যেন ঘরের তাপমাত্রার সমান থাকে। এর থেকে বেশি ঠাণ্ডা হলে কিন্তু হজমে সহায়ক এসিডগুলি ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। ফলে বদহজম সহ আরও নানা ধরনের পেটের সমস্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়।
১২. যাদের খুব খিদে পায়, তারা অল্প অল্প করে বারে বারে খেতে পারেন। তবে প্রতিটি খাবার খাওয়ার মধ্যে যেন কম করে ৩ ঘণ্টার ব্যবধান থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখার চেষ্টা করবেন।
১৩. ভারি কোনো খাবার খাওয়ার আগে সুযোগ থাকলে অল্প করে আদা বা লেবু খেয়ে নেবেন। এমনটা করলে শরীরে পিত্তরসের ভারসাম্য ঠিক থাকবে। ফলে খাবার হজমে কোনো সমস্যা হবে না।
১৪. লাঞ্চের আগে বা পরে ১ গ্লাস লাচ্ছি খাওয়ার চেষ্টা করবেন। এতে ঠিকমতো খাবার হজমের পথ প্রশস্ত হবে।
১৫. আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং আয়ুর্বেদিক শাস্ত্র মতে রাতের খাবার ৮টার মধ্যে সেরে ফেলা জরুরি। শুধু তাই নয়, রাতের খাবার হতে হবে হালকা এবং সহজপাচ্য। যাতে তাড়াতাড়ি হজম হয়ে যেতে পারে।

শিল্পকলা পদক পাচ্ছেন ৭ গুণী

শিল্পকলা একাডেমি প্রবর্তিত ২০১৬ সালের শিল্পকলা পদক ঘোষণা করা হয়েছে। এ বছর শিল্পকলা পদক পাচ্ছেন দেশের ৭ গুণীজন।

মঙ্গলবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে পদকপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেন একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী।

এ বছর যন্ত্রসঙ্গীতে পবিত্র মোহন দে, নৃত্যকলায় মো. গোলাম মোস্তফা খান, আলোকচিত্রে গোলাম মুস্তাফা, চারুকলায় কালিদাস কর্মকার, লোকসংস্কৃতিতে সিরাজউদ্দিন খান পাঠান, নাট্যকলায় অধ্যাপক সৈয়দ জামিল আহমেদ এবং কণ্ঠসঙ্গীতে মিতা হক পুরস্কার পাচ্ছেন।

নির্বাচিত গুণীজনদের প্রত্যেককে স্বর্ণপদক, এক লাখ টাকা ও সনদপত্র প্রদান করা হবে।

বৃহস্পতিবার বিকালে শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে পদকপ্রাপ্তদের হাতে পদক তুলে দেবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী জানান, ২০১৩ সাল থেকে শিল্পকলা পদক প্রদান করা হচ্ছে।

তিনি জানান, পদক প্রদানের জন্য দশটি বিষয় রয়েছে- কণ্ঠসঙ্গীত, যন্ত্রসঙ্গীত, নৃত্যকলা, নাট্যকলা, চারুকলা, আবৃত্তি, আলোকচিত্র, যাত্রাশিল্প, চলচ্চিত্র ও লোকসংস্কৃতি।

আগামী বছর থেকে এর সঙ্গে সাংস্কৃতিক গবেষণা ও সৃজনশীল সংগঠক বিষয় দুইটি যুক্ত হবে বলেও জানান তিনি।

লিয়াকত আলী লাকী আরও জানান, এ পদক প্রদানের জন্য শিল্পকলা পদক প্রদান নীতিমালা রয়েছে।

সে অনুযায়ী একাডেমির মহাপরিচালক, একাডেমির সচিব, একাডেমির ছয়জন পরিচালক, সাতজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধির সমন্বয়ে ১৬ সদস্যের একটি কমিটি রয়েছে।

এই কমিটিই পদকপ্রাপ্তদের নির্বাচিত করেন বলে জানান একাডেমির মহাপরিচালক।

ওজন কমাতে চাইলে খেতে হবে ডিম!

ডিম যাঁদের প্রিয় খাবার, এই খবর শুনে তারা হয়তো স্বস্তির হাসি হাসতে পারেন। যদিও এই তথ্য সার্বিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার বিষয়ে, তবুও ডিম-রসিকদের জন্য এ খবর নিঃসন্দেহে আকর্ষণীয়! ডিম খেলে স্বাস্থ্যর বেশ কয়েকটি লাভ হয়। ডিম থেকে পাওয়া সুবিধাগুলো না জানা থাকলে, দেখে নিন একনজরে।

ডিম খেয়ে কমিয়ে ফেলতে পারেন ওজন
বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিম দিয়েই ১৪ দিনে শরীর থেকে ঝরিয়ে ফেলা যেতে পারে ১০ কিলো ওজন। শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটাই সত্যি। ফিটনেস বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাদ্যাভ্যাসের সামান্য রদবল এবং আহারে রোজ ডিম খেলে মাত্র ১৪ দিনেই অন্তত ১০ কিলো ওজন ঝরিয়ে ফেলা সম্ভব। তবে, এই সময়টাতে জাঙ্ক ফুড, মিষ্টি জাতীয় খাদ্য বা পানীয় এবং অ্যালকোহল বর্জন করতে হবে। এমনকি, রোজ চিনি ও লবণ খাওয়ার পরিমাণও কমাতে হবে।

প্রোটিনের যোগান দেয় ডিম
আপনার বাচ্চা যদি ডিম খাওয়ার জন্য বায়না ধরে, তাহলে হয়তো মাঝেসাঝেই আপনি সে জন্য বকুনি দিয়ে থাকেন ওকে। তবে জানেন কি, ডিমে সবচেয়ে বেশি প্রোটিন থাকে। যা আপনার বাচ্চার স্বাস্থ্য গড়তে সাহায্য করবে। যা রক্তচলাচল ও ত্বককে ভালো রাখবে।

কোলেস্টেরলের জন্য ডিম
ডিমে থাকে কোলেস্টেরল যা হাঁটা চলা অথবা দৈহিক পরিশ্রম করলে, শরীরকে এনার্জি যোগায়। ডিমের কুসুমে থাকে কোলেস্টেরল।

পেশি নির্মাণে ডিম
যারা বডি মাসল বানানোর আকাঙ্ক্ষা করেন, তাঁদের জন্য ডিম খুবই প্রয়োজনীয়। কারণ শরীরে পেশি গঠন করতে সাহায্য করে ডিম। ফলে যাঁদের বডি বিল্ডিং এর শখ রয়েছে, তাঁরা ডিম খেয়ে সুস্বাস্থ্যর অধিকারী হতেই পারেন।

উচ্চতা বাড়ানোয় ডিম
উচ্চতা পেতে কে না চান! দীর্ঘাঙ্গ শরীর সব ক্ষেত্রেই আকর্ষণীয়। তাই উচ্চতা পেতে হলে আপনাকে অবশ্যই খেতে হবে ডিম। যাঁরা এমনিতেই ডিম খেতে ভালোবাসেন, তাঁদের জন্য এই তথ্য নিঃসন্দেহে সুখবর!

ভিটামিন, মিনারেলের যোগান দেয় ডিম
ডিমের মধ্যে যে প্রোটিন থাকে তা ভিটামিন B2 নির্ভর। সঙ্গে থাকে বহু খনিজও। তাই ডিম স্বাস্থ্যর পক্ষে খুবই উপকারী। অনেক বিশেষজ্ঞই বলেন প্রতিদিন ডিম খাওয়া উচিত। তবে শীতকালে ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যকর বলেও অনেকের পরামর্শ।

চোখ ভালো রাখতে ডিম
ডিমের কুসুমের অংশটি পরোক্ষভাবে চোখকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। তাই চোখ ভালো রাখতেও প্রয়োজন ডিম।

চোখের জলে রাতিনকে বিদায় জানালেন শিল্পীরা

চোখের জলে প্রিয় সহকর্মী আবদুর রাতিনকে বিদায় জানালেন শিল্পীরা। এফডিসির জহির রায়হান কালার ল্যাবের সামনে রাখা রাতিনের মরদেহে একে একে ফুল দিয়ে সম্মান জানান চলচ্চিত্রশিল্পী ও কলাকুশলীরা।

বুধবার সকালে রাতিনের মৃত্যু সংবাদ আসার পরপরই তাকে শেষবারে মতো দেখার জন্য এফডিসিতে অপেক্ষা করছিলেন চলচ্চিত্রকর্মীরা। বিকেল সোয়া ৩টায় রাতিনের নিথর মরদেহ যখন এফডিসিতে আনা হয়, তখন চোখের জল সামলাতে পারেননি অনেকেই।

বেলা ৩টা ৩০ মিনিটে কালার ল্যাবের সামনে শিল্পী রাতিনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। নায়ক আলীরাজ, ওমর সানি, জায়েদ খান, সাইমনসহ শিল্পী ও কলাকুশলীরা জানাজায় অংশ নেন।

উল্লেখ্য, জনপ্রিয় খল-অভিনেতা আবদুর রাতিন গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটায় রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। কিছুদিন আগে তিনি চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হন।

কঙ্গনার কাছে ক্ষমা চাইলেন বরুণ ধাওয়ান

স্বজনপোষণ বিতর্কে আইফার মঞ্চে কঙ্গনাকে আক্রমণের জন্য ক্ষমা চাইলেন বরুণ ধাওয়ান। ট্যুইট করে এদিন ট্যুইট করে ক্ষমা চেয়ে নেন বরুণ। বলেন,‘আমি ‌যদি কাউকে আঘাত করে থাকি তাহলে আমি ক্ষমা চাইছি এবং আমার অনুশোচনা হচ্ছে এধরণের কাজের জন্য। ’

প্রসঙ্গত, স্বজনপোষণ বিতর্ক বলিউডে এই মহূর্তে মাথাচাড়া  দিয়ে উঠেছে। প্রথমে করণ জোহরের শো ‘কফি উইথ করণ’এ গিয়ে সরাসরি বলিউডে স্বজনপোষণ (nepotism )-এর অভি‌যোগ তুলেছিলেন কঙ্গনা রানাওয়াত। করণ জোহরকে সরাসরি বলেছিলেন, বলিউড স্বজপোষণের ধারক ও বাহক ও আপনি পালক।

আর এবারের আইফার মঞ্চে কঙ্গনার বিরুদ্ধে সেই ক্ষোভই উগরে দিয়েছেন করণ। ‌যার সঙ্গী হয়েছে সাইফ আলি খান ও উঠতি নায়ক বরুণ ধাওয়ান।

প্রসঙ্গত, শুরুটা করেন সাইফই, আইফার মঞ্চে বরুণ ধাওয়ান ‌যখন তাঁর  ‘ঢিসুম’ ফিল্মের জন্য সেরা কমিক চরিত্রে পুরস্কার পান তখন সাইফ বলেন,  ‘তুমি এখানে এসেছ তোমার চিত্র পরিচালক বাবা ডেভিড ধাওয়ানের জন্য। ‘সঙ্গে সঙ্গেই বরুনই সাইফকে উত্তর দেন,  ‘তুমিও এখানে এসেছ তোমার মা শর্মিলা ঠাকুরের জন্য। ‘এই কথপোকথনের মাঝে ঢুকেন করণ জোহরও। তিনি বলেন  ‘হ্যাঁ আমিও এখানে এসেছি আমার বাবা জশ জোহরের জন্য ‘। এরপরই তিন জন বলে ওঠেন ‘নেপোটিজম রকস’।

আর এরপরই ট্যুইটারে ও অন্যান্য সোশ্যাল সাইটে নেটিজেনদের  সমালোচনার মুখে পড়েন করণ জোহর, সাইফ আলি খান ও বরুণ ধাওয়ান। ‌আর তারপরই বরুণ ক্ষমা চেয়ে নিলেন। ‌যদিও করণ ও সাইফ অবশ্য নেটিজেনদের এই সমালোচনাকে পাত্তাই দেননি।