আলোচনায় সারিকা

বিয়ের পর সংসারে মনযোগ দেয়ায় জনপ্রিয় মডেল, অভিনেত্রী সারিকা শোবিজ থেকে দূরে। তবে বহুদিন পর আলোচনায় এলেন একমাত্র মেয়ের জন্মদিন পালন করার খবর দিয়ে। মেয়ে সারিশ আনাহ করিমের প্রথম জন্মদিন ছিলো ৪ মে। এ উপলক্ষে রাজধানীর একটি অভিজাত ক্লাবে আয়োজন করা হয় বিশেষ অনুষ্ঠান। সারিকার আমন্ত্রণে সেখানে হাজির ছিলেন শোবিজের অনেক তারকা।

তাদের মধ্যে ছিলেন অভিনেত্রী বিজরী বরকতউল্লাহ, সংগীতশিল্পী হৃদয় খান, অভিনেতা জাহিদ হাসান ও তার স্ত্রী মৌ, আজিজুল হাকিম ও তার স্ত্রী জিনাত হাকিম, অপূর্বসহ অনেকেই।

বুধবার রাত ৮টায় মেয়েকে নিয়ে কেক কাটেন সারিকা ও তার স্বামী ব্যবসায়ী মাহিম করিম।

২০১৪ সালের ১২ আগস্ট বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন সারিকা। বছর ঘুরতেই তার কোল জুড়ে আসে মেয়ে সারিশ আনাহ। সংসার ও সন্তান নিয়ে ব্যস্ত সারিকা দূরে সরে যান মিডিয়া থেকে। আপাতত সংসার নিয়েই থাকতে চান তিনি।

কোন ধরনের পাত্রদের নাকচ করে দেয় মেয়েরা?

বিবাহযোগ্য হয়ে গেলেই পাত্র-পাত্রীর খোঁজ শুরু হয়ে যায়। কেউ কেউ নিজে দেখে বিয়ে করে নেয়। বাকিরা আবার সেই রিস্কেই যায় না। বাড়ির গুরুজনদের উপর বিষয়টা ছেড়ে রাখে। তাই শুরু হয় খোঁজ। যবে থেকে ইন্টারনেটের দাসত্ব গ্রহণ করেছে মানুষ, পাত্র-পাত্রী দেখার কাজটাও সেখানেই সেরে ফেলছে। তার জন্য রয়েছে বিভিন্ন ম্যাট্রিমোনিয়াল সাইট। অনেকেরই নিশ্চিন্ত বিয়ে হয়েছে ইন্টারনেটকে ভরসা করে। তবে সেই সব কাপলের সংখ্যা কম। বেশিরভাগই ভীষণ বিপদে পড়েছে। এবং বিপদে পড়েছে পাত্রীরাই বেশি। কেননা, ম্যাট্রিমোনিয়াল সাইটে অধিকাংশ পাত্রীর অ্যাকাউন্ট নির্ভেজাল হলেও, পাত্রদের অনেকেরই নাকি অ্যাকাউন্টে গলদ! কেউ স্রেফ ফ্লার্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খোলে, কারোর অ্যাকাউন্টটাই নাকি ফেক। তবে ভুক্তভোগী পাত্রীরা আর বোকামোয় পা বাড়ায় না। অনেক দেখেশুনে তবেই নির্বাচন করে পাত্রদের। তারা এখন জেনে গেছে কাদের প্রথমেই বাদ দিতে হবে।

যে পাত্রের অ্যাকাউন্ট খোলে তার বাবা-মা

ছেলের বিয়ে করার বিন্দুমাত্র শখ নেই। কিন্তু বাবা-মা নাছোড়বান্দা। জোর করেই চলেছে। এমনকী ছেলেকে লুকিয়ে অ্যাকাউন্টও খুলে ফেলেছে ম্যাট্রমোনিয়াল সাইটে। এমন অ্যাকাউন্ট কিন্তু এক ঝটকায় মেয়েরা নাকচ করে দেয়। কারণ তারা বুঝে যায় এই অ্যাকাউন্টের সঙ্গে ছেলের কোনও যোগ নেই। বাবা-মায়ের প্রচেষ্টা যায় বিফলে।

মতলব অন্য

কোনও কোনও ছেলে মনে করে মেয়ে পটানোর আদর্শ স্থান হল ম্যাট্রিমোনিয়াল সাইট। সুবোধ পাত্রটি সেজে সেখানে হানা দেয়। কিন্তু বারংবার ঠকে মেয়েরা সব চিটিংবাজি ধরতে শিখে গেছে। আজকাল সেই সব ফাঁদে তারা আর পা বাড়ায় না।

ফেক প্রোফাইল

অনেক পুরুষ নিজের সম্পর্কে ও পরিবারের সম্পর্কে মিথ্যে কথা লিখে ফেক প্রোফাইল বানায়। বলে নাকি বাড়ি প্যারিসে, চাকরি জার্মানিতে, পরিবার অ্যামেরিকায়। আসলে এগুলো সব মিথ্যে, সব ভাঁওতা। এমনকী, প্রোফাইল পিকচারটাও কোথাও থেকে ঝাঁপা।

বন্ধুটাইপ পাত্র

এরা খুব কুল মানসিকতা সম্পন্ন। কথা শুরু করে “Hey” বলে। ফলে কন্যে ভেবে নেয়, ছেলে যথেষ্ট সিরিয়াস নয়। বিয়েশাদির ব্যাপারে এর সঙ্গে না এগোনোই ভালো।

রাঁধুনি খোঁজা পাত্র

জীবনসঙ্গিনী কম, বাড়ি সামলানোর জন্য লোক খোঁজে এরা। এমন কেউ যে জামা কাপড় কেচে দেবে, রান্না করে মুখের সামনে তুলে ধরবে, বাড়িটা পরিষ্কার করে টিপটপ রাখবে। তার উপর কন্যেকে হতে হবে সুন্দরী, ফর্সা, শিক্ষিতা। বর্তমানে চাকুরিরতা হলে আরও ভালো, কিন্তু বিয়ের পর চাকরি ছেড়ে দিতে হবে। মানে, পারফেক্ট হোমমেকার হতে হবে আরকী। আজকালকার মেয়েরা কিন্তু তাতে রাজিই হবে না। সুতরাং, এমন পাত্রের প্রোফাইলও কিন্তু নাকচ হয়ে যায় আধুনিকারদের কাছে।

বাকৃবির শিক্ষার্থীদের টেলিছবি ‘জেড ফ্যাক্টর’

টেলিছবিটির নাম ‘জেড ফ্যাক্টর’। এই টেলিছবিটি নির্মাণ করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী সামস সুমন। আর ছবিতে অভিনয় করেছেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই। সম্প্রতি টেলিছবিটির উদ্বোধনী প্রদর্শনী হয়ে গেল বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে।

‘জেড ফ্যাক্টর’ টেলিছবির চিত্রনাট্যও লিখেছেন পরিচালক সামস সুমন। এ ছবির মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন হাসান, জেরিন ও রকিব। টেলিছবিটির অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীসহ সবাই নতুন।
‘জেড ফ্যাক্টর’-এর গল্প প্রসঙ্গে পরিচালক সামস সুমন জানিয়েছেন, ক্যাম্পাসের দুজন শিক্ষার্থীর প্রেম ও এর পেছনের নানা ধরনের ঘটনা নিয়েই এগিয়েছে এ ছবির গল্প।

পরিচালক আরও জানান, টেলিছবিটিতে ব্যবহৃত ‘অবেলায় বড় ভালোবাসি’ গানটি লিখেছেন কৃষি অনুষদের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নাবিল তাহমিদ। কণ্ঠ দিয়েছেন কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থী আজহিয়াত হিয়া, মত্স্য-বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থী প্রমি এবং কৃষি প্রকৌশল ও কারিগরি অনুষদের শিক্ষার্থী রিক্তা।
এরই মধ্যে গানটি ইউটিউবে আপলোড করা হয়েছে বলেই জানিয়েছেন নির্মাতা সামস সুমন।

আসছে হৃতিকের নতুন ছবি ‘কাবিল’

হৃতিক রোশন আপাতত আলোচনায় রয়েছেন কেবলই কঙ্গনার সঙ্গে আইনিবিরোধ নিয়ে। এর মাঝে যেন মানুষজন ভুলেই গিয়েছিল যে তিনি একজন অভিনেতা, তাঁরও সিনেমা আসতে পারে কিছুদিন পর। হৃতিক-ভক্তদের জন্য উপহার, এই ড্যাশিং নায়কের আসন্ন ছবি ‘কাবিল’-এর টিজার মুক্তি পেয়েছে আজ।

২০১৭ সালের শুরুর দিকেই মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে ছবিটির। এর ফলে আগামী বছরের শুরুতে বক্স অফিসে অজয়-শাহরুখ সংঘর্ষ এখন ত্রিমুখী হয়ে যাচ্ছে। এই লড়াই যে বেশ ভালোই জমবে তার সম্ভাবনা জাগাতে পেরেছে বটে ‘কাবিল’-এর টিজার।

টিজারটি প্রকাশ করেছেন হৃতিক নিজেই। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এটি আপলোড করার সময় তিনি লিখেছেন, ‘অজস্র চোখ আমাকে দেখছে…অথচ আমিই দর্শক…আমিই পর্যবেক্ষক…মানসচক্ষু সবই দেখতে পায়!’ ছবির টাইটেল সংলাপও এটিই, ‘দ্য মাইন্ডস আই সিইজ অল।’

‘কাবিল’ পুরোপুরিই রোশন পরিবারের ছবি হতে যাচ্ছে! প্রযোজনায় থাকছেন হৃতিকের বাবা রাকেশ রোশন, সঙ্গীতায়োজনে চাচা রাজেশ রোশন। ছবিটি পরিচালনা করবেন সঞ্জয় গুপ্ত। হৃতিকের বিপরীতে এই ছবিতে অভিনয় করবেন যামি গৌতম। আগামী বছর, অর্থাৎ ২০১৭ সালের ২৬ জানুয়ারি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে ‘কাবিল’ ছবিটির। একই দিনে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে অজয় দেবগনের ‘বাদশাহো’ এবং শাহরুখ খানের ‘রইস’ ছবিটির।

২০১৪ সালের ‘ব্যাং ব্যাং’ ছবির পর এ বছর ১২ আগস্ট আসছে হৃতিকের নতুন ছবি ‘মোহেনজো দারো’। ছবিটি পরিচালনা করেছেন আশুতোষ গোওয়ারিকর।

 

 

ঢাকায় ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা : সিভিল ওয়ার’

সুপারহিরো সিনেমার দর্শকদের লম্বা সময়ের অপেক্ষা শেষ হচ্ছে। ৫ মে বিশ্বব্যাপী মুক্তি পাচ্ছে মার্ভেলের ছবি ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা : সিভিল ওয়ার’। সেদিনই ছবিটি ঢাকার স্টার সিনেপ্লেক্সেও মুক্তি পাচ্ছে।

শুক্রবার থেকে চলবে এ ছবির নিয়মিত প্রদর্শনী।

‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা : সিভিল ওয়ার’ নিয়ে আগ্রহের মূল কারণ হলো এর অতিমানবেরা। এই ছবিতে প্রথমবারের মতো মার্ভেল কমিকসের দুই জনপ্রিয় অতিমানবকে দেখা যাবে একে অপরের বিপক্ষে লড়তে। ছবিটি মূল ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা’ সিরিজের হলেও, এতে এবার গুরুত্বপূর্ণ অংশে দেখা যাবে ‘আয়রন ম্যান’কেও।

বরাবরের মতোই ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন ক্রিস ইভানস ও ‘আয়রন ম্যান’ হিসেবে দেখা যাবে রবার্ট ডাউনি জুনিয়রকে। তা ছাড়া মার্ভেলের অন্য জনপ্রিয় সুপারহিরো যেমন ‘ব্ল্যাক উইডো’, ‘হকআই’, ‘উইন্টার সোলজার’, ‘ফ্যালকন’, ‘স্কারলেট উইচ’, ‘ভিশন’, ‘অ্যান্ট ম্যান’ ও ‘স্পাইডার ম্যান’কে দেখা যাবে এবারের কিস্তিতে। সেসব চরিত্রে আগের মতোই থাকছেন স্কারলেট জোহানসন, জেরেমি রেনার, সেবাস্টিয়ান স্টান, অ্যান্থনি ম্যাকি, এলিজাবেথ অলসেন, পল ব্যাটেনি, পল রুড ও টম হল্যান্ড।

বিরতিহীন ধারাবাহিক ‘মায়ার বাঁধন’ নিয়ে আসছেন নওশীন

আগামী ৬ মে থেকে বেসরকারি টেলিভিশন বৈশাখীতে শুরু হচ্ছে দেশের প্রথম বিরতিহীন ধারাবাহিক ‘মায়ার বাঁধন’। ফারস্পিড এন্টারটেইনমেন্টের ব্যানারে নির্মিত এই ধারাবাহিকটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন সুস্ময় সুমন।

নাটকটিতে অভিনয় করেছেন নওশীন, ইন্তেখাব দিনার, হাসান ইমাম, মো মো মোরশেদ, আসিফ স্বরুপ, জেরিন, শিশুশিল্পী অহনাসহ আরো অনেকে।

নাটকটিতে অভিনয় প্রসঙ্গে নওশীন বলেন, নাটকটির গল্প খুবই চমৎকার। আশাকরি দর্শকদের নাটকটি ভালো লাগবে। ইন্তেখাব দিনার বলেন, এই প্রথম বিরতিহীন ধারাবাহিক নাটক টিভিতে প্রচার হবে।

আমার বিশ্বাস দর্শক নাটকটির গল্প পছন্দ করবে। প্রধান সহকারী পরিচালক হিসেবে জাফর ইকবাল এবং সহকারী পরিচালক হিসেবে রেজওয়াদুদ মাহিন, হাসিবুর রহমান ও সাঈম শামস কাজ করেছেন। চিত্রগ্রহন করেছেন মো স্বপন।

প্রতি শুক্র ও শনিবার রাত ৯টা ১৫ মিনিটে ধারাবাহিকটি বিরতিহীনভাবে প্রচারিত হবে।

অপেক্ষার অবসান, অবশেষে শাবনূর…

চিত্রনায়িকা শাবনূর দীর্ঘদিন পর নতুন চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করছেন। সেই সঙ্গে অপেক্ষার অবসান হলো পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান মানিকের। তার ছবিতেই আবারও অভিনয় করতে যাচ্ছেন শাবনূর। ছবির নাম ‘কতদিন দেখি না তোমায়’। আর এ ছবির প্রথম ধাপের শুটিং হবে টাঙ্গাইলে।

ছবিটি প্রসঙ্গে পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান মানিক বলেন, আমার পরিচালিত বেশ কিছু ছবির অভিনেত্রী শাবনূর। তিনি আবারও অভিনয়ে ফিরছেন। চলতি মাসের শেষদিকে টাঙ্গাইলে নতুন এ ছবির কাজ শুরু করবো। এ ছবিতে শাবনূরকে একটি স্কুলের গানের শিক্ষিকার চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে।

শাবনূরের বিপরীতে ফেরদৌসকে নেয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত করেছি। ‘কতদিন দেখি না তোমায়’ ছবিতে আরও অভিনয় করছেন সাইমন ও প্রিয়ন্তি। ছবিটি নিয়ে শাবনূর বলেন, এ ছবিটি করব। তবে গরমটা এখনও বেশি। একটু কমলে আউটডোর ও ইনডোরে কাজ শুরু হবে।

আমিও কাজটি ভালোভাবে শেষ করতে চাই। ১০ দিনের জন্য টাঙ্গাইলে এ ছবির কাজ হবে। এরপর এফডিসি, রাঙ্গামাটি ও কক্সবাজারে এ ছবির দৃশ্যধারণের কাজ হবে বলে জানা যায়। ইয়লো প্রোডাকশন হাউজের ব্যানারে নির্মিতব্য এ ছবির সংগীত পরিচালনা করবেন আলী আকরাম শুভ, আরেফিন রুমি ও জেকে।

উল্লেখ্য, বিয়ে ও মাতৃত্বের কারণে বেশ কয়েক বছর ক্যামেরার আড়ালে ছিলেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবনূর। কয়েক মাস আগে অসমাপ্ত ছবি ‘পাগল মানুষ’-এর শুটিংয়ে অংশ নেন তিনি। এরপর অংশ নেন একটি বিজ্ঞাপনের শুটিংয়ে। এ বিজ্ঞাপনের নির্দেশনা দেন আহমেদ ইলিয়াস।

ফেসবুক বয়ফ্রেন্ডকে খুঁজছেন শার্লিন

নিশো একজন বড় সেলিব্রেটি। একদিন সকালবেলা শুটিংয়ে যাওয়ার পথে শার্লিন নামের এক মেয়ের সাথে দেখা হয় তার। মেয়েটির গাড়ি নষ্ট হয়ে যাওয়ার ফলে নিশোর কাছে লিফ্ট চায় সে। মেয়েটির অনুরোধে নিশো তাকে গাড়িতে ওঠায়। কিন্তু মেয়েটি কোথায় নামবে তার কোন ঠিক ঠিকানা নেই। সে এক এক জায়গায় নামে এবং কি সব কাজ করে আবার মন খারাপ করে চলে আসে। কিছু বলেও না নিশোকে।

তাকে নিয়ে ঘুরতে ঘুরতে নিশো যখন বিরক্ত ঠিক তখন জানা যায় আসল কথা। মেয়েটি আসলে তার ফেসবুক বয়ফ্রেন্ডকে খুঁজছে। ছেলেটা হঠাৎ করেই লাপাত্তা হয়ে যায়।

এমন গল্প নিয়ে এগিয়ে যায় টেলিফিল্ম ‘টু লাভ ইউ মোর’। মেহেদী হাসান জনির রচনা ও পরিচালনায় এতে অভিনয় করেছেন নিশো, শার্লিন প্রমুখ।

৫ মে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টা ৫০ মিনিটে মাছরাঙা টেলিভিশনে প্রচারিত হবে টেলিফিল্মটি।

চলচ্চিত্রে অবস্থা যাচ্ছে তাই – পপি

চিত্রনায়িকা পপি দীর্ঘদিন ধরেই বড়পর্দায় অনুপস্থিত। তার অভিনীত সর্বশেষ ছবি প্রয়াত নির্মাতা আবদুল্লাহ আল মামুন ‘দুই বেয়াইয়ের কীর্তি’ মুক্তি পায় গেল বছর ২৯ মে। এতে তার বিপরীতে ছিলেন ফেরদৌস। এরপর থেকে পপি রয়েছেন রুপালি পর্দার অন্তরালে।

কয়েকমাস আগে পপি কাজ করছিলেন ‘সোনা বন্ধু’ শিরোনামের একটি ছবিতে। কিন্তু নানা কারণে সে ছবির শুটিং বন্ধ হয়ে যায়। এরপর গেল ফেব্রুয়ারিতে জসিম উদ্দিন পরিচালিত ‘আমেরিকান ড্রিমস’ ছবিতে কাজের জন্য চুক্তিবদ্ধ হলেও ছবির শুটিংয়ের আগে পপি নিরুদ্দেশ হয়ে যান। পড়ে তাকে ছাড়াই শুটিং শুরু করেন ছবির নির্মাতা এম জসিম উদ্দিন।

এরপর বড়পর্দায় আর নতুন কোনো খবরে নেই পপি। তবে মাঝে মধ্যে দুই একটি বিজ্ঞাপন এবং বিশেষ দিবসের নাটকে দেখা যায় পপিকে।

পপির বর্তমান হালচাল জানতে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কিছুটা অভিমান নিয়েই বলেন, ‘আমার হাতে আপাতত নতুন কোনো কাজ নেই। ঈদেও তেমন কিছুতে মনে হয় থাকছি না। বেশ কিছু নাটক-টেলিছবির প্রস্তাব পেয়েছি। সেগুলো পছন্দ হয়নি। যদি নতুন ছবিতে কাজ করি তখন সবাইকে জানাবো।’

তিনবারের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জয়ী এই অভিনেত্রী হতাশা প্রকাশ করে আরো বলেন, ‘চলচ্চিত্রে অবস্থা যাচ্ছে তাই। দিন দিন হতাশা আর হতাশা শুনতে শুনতে কান ঝালাপালা হয়ে উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে আমি নিজেও হতাশ। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার পথ আমার জানা নেই। সবাই শুধু সমস্যা নিয়ে ভাবেছেন, উত্তরণের পথ খুঁজছেন না কেউ।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমি চাই আমাকে গল্প প্রধান ছবিতে অভিনয় করানো হোক। যেখানে নারী প্রধান চরিত্রই হবে মুখ্য। কিন্তু তেমন কোনো ছবির প্রস্তাব আমি পাচ্ছিনা। আমাকে দিয়ে এখন তো আর ওই কলেজ পড়ুয়া নায়িকার রোমান্টিক চরিত্র মানাবে না। চরিত্রে একটু গভীরতা থাকা চাই।’

এসময় তিনি পার্শ্ববর্তী দেশের চলচ্চিত্রের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, কলকাতার ছবিগুলো ঢাকার দর্শকরা সাদরে গ্রহণ করছেন। কিন্তু নিজেদের ছবি দেখছেন না। এর মানে এখানে দর্শকদের রুচি ও চাহিদা অনুযায়ী ছবি হচ্ছে না। এখন দর্শক পাল্টেছে। ধুন্ধুমার মারামারি আর গড়পড়তা গল্প দিয়ে তৈরি ছবির দর্শকের চেয়ে বাস্তব জীবনের মন নাড়া দেয়া গল্পের দর্শক এখন বেশি। এইসব বিষয়গুলো নির্মাতাসহ ছবি নির্মাণের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের নজর দেওয়া উচিত।

মডেল মুন দম্পতিকে ধরতে গোয়েন্দা অভিযান

মডেল জাকিয়া মুন ও তার স্বামী ব্যবসায়ী শফিউল আজম মহসিনকে ধরতে অভিযান চালিয়েছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর। শনিবার তাদের দু’জনেরই বাসায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানের খবর পেয়ে আগেই তারা পালিয়ে যান। ফলে তাদের ধরা যায়নি। তাদের ধরতে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান যুগান্তরকে বলেন, ৬ এপ্রিল মুনের গুলশানের বাসা থেকে কার্নেট সুবিধার অপব্যবহার করা প্রায় ৫ কোটি টাকা মূল্যের একটি পোরশে জিপ জব্দ করা হয়। গাড়িটি মডেল মুন ব্যবহার করতেন। গাড়িটি শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করা হলেও তা আর ফেরত পাঠানো হয়নি।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের সহকারী পরিচালক জোবায়দা খানমের নেতৃত্বে একটি টিম শনিবার মুনের বাসায় অভিযান চালান। মুন এলিফ্যান্ট রোডের এআরসি টাওয়ারের ২/এ, ৭৪ নম্বর অ্যাপার্টমেন্টে বসবাস করেন। মুনের মা জহুরা বেগমও থাকেন সেখানে। গাড়ি জব্দের পর থেকেই মুন আত্মগোপনে রয়েছেন। সেখানে তাকে না পেয়ে তার স্বামী ব্যবসায়ী মহসিনকে ধরতে গুলশান-১ এর ৩৩ নম্বর রোডের ১০ নম্বর বাড়ির বি-৫ অ্যাপার্টমেন্টে অভিযানে যায় ওই টিম। সেখানেও পাওয়া যায়নি তাদের।

প্রথম দেখায় কী করবেন?

হয় না, হয় না করে হয়েছে প্রেম। কত নির্ঘুম রাত, কান্নাকাটি, জল্পনা-কল্পনা। সবকিছুর ইতি টেনে প্রথম দেখা করতে যাচ্ছেন। দুশ্চিন্তায় আরও একটি রাতের ঘুম শেষ। যাওয়ার আগে ভুলে ফেলে গেলেন মানিব্যাগ। হাত ঘেমে, জিহ্বা শুকিয়ে অবস্থা বেশ খারাপ। যাক শেষ অবধি যখন পৌঁছালেন প্রেমিকার কাছে, তখন বলতে চাননি এমন একটি বেফাঁস কথা বলে ফেললেন। ব্যস, আর কী। বাকিটা না বললেও বোঝা যায়। শেষ পর্যন্ত কেমন কেটেছিল সেদিনটি।
আর যদি পারিবারিক সম্বন্ধের বিয়ে হয়। কথাবার্তা হয়ে গেছে পরিবারে–পরিবারে। পাত্র-পাত্রী প্রথম কোথাও দেখা করতে যাবেন। বিশেষ এই দিনটিতেও অনেকে গোলমাল বাধিয়ে ফেলেন। রিডার্স ডাইজেস্ট সাময়িকীর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, আপনি যা না, প্রথম দেখায় তা আপনি করতে যাবেন না। আপনি মানুষ হিসেবে যেমন, আপনার ব্যক্তিত্ব যেমন, তেমনই আচরণ করবেন। সঙ্গীর কাছে অবশ্যই স্বচ্ছ থাকা উচিত।
রেস্তোরাঁ বা অন্য কোথাও দেখা করতে যাওয়ার আগে ঠিক করে নিতে হবে। এই জায়গা দুজনেরই পছন্দের কি না। এমনকি খাবারের অর্ডার করার আগেও দুজনের পছন্দের কোনো খাবার অর্ডার দিন।
সাবধান ও সতর্ক থাকার চেয়ে মনে রাখবেন আন্তরিক ও ভদ্র থাকাটা বেশি জরুরি। আপনি একজন রুচিবান ব্যক্তি, এটা যেন প্রকাশ পায়।
প্রথম দেখায় যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন—
কথা বলুন সাধারণ কোনো বিষয়ে: খুব ভারী কোনো বিষয়ে কথা না বলে দুজনের আগ্রহ আছে এমন বিষয়ে কথা বলুন। বই, সিনেমা, গান এসব নিয়ে কিছুক্ষণ কথা তো বলাই যায়। কার কী পছন্দ, সেটাও জানা হয়ে যাবে। হেসে হেসে কথা বলুন। এতে দুজনের মধ্যে জড়তা থাকলে তা ভেঙে যাবে। সহজ হবে সম্পর্ক।
সরাসরি কথা বলুন: খাবার ভালো লাগছে কি না, জায়গা পছন্দ হলো কি না, এগুলো সরাসরি জিজ্ঞাসা। সঙ্গীকে বিব্রত না করে আপনার কিছু জানার থাকলে বিনয়ের সঙ্গে নরমভাবে জিজ্ঞাসা করতে পারেন। আপনি কতটা সংবেদনশীল সেটিও বোঝা যাবে।
ভিন্ন কোনো পরিকল্পনা: রেস্তোরাঁতে পুরো সময়টা না কাটিয়ে খাওয়ার পর সিনেমা দেখতে যেতে পারেন। বইয়ের দোকানেও ঢুঁ মারতে পারেন। আবার কিছুটা পথ পাশাপাশি একসঙ্গে হাঁটাও যেতে পারে। নীরব থেকেও অনেক কিছু বলা যায়। একে অন্যকে অনুভব করা যায়। গাড়ি থাকলে শহরের মধ্যে পছন্দের কোনো জায়গা ঘুরতে যেতে পারেন। সঙ্গীর পছন্দ হচ্ছে কি না, সেটি জিজ্ঞাসা করে নিতে ভুলবেন না। হাজার হোক প্রথম দেখা বলে কথা। সেদিন না জানলে কবে জানবেন।
উপহার: সামর্থ্য অনুযায়ী ছোট কোনো উপহার নিতে পারেন। দামি কোনো কিছু দিতে হবে তা তো নয়। ফুলে অ্যালার্জি না থাকলে ফুল, চকলেট ও বই দিতে পারেন। এগুলো পছন্দ করে না, এমন মানুষের সংখ্যা কম।
বেফাঁস কিছু বলে ফেললে: বলতে চাননি কিন্তু বন্দুকের গুলির মতো বেরিয়ে গেছে, এমন কোনো বেফাঁস কথা বললে সঙ্গে সঙ্গে ‘স্যরি’ বলবেন। আপনাকে যেন ভুল না বোঝে, আপনি সঙ্গীকে বিব্রত বা কষ্ট দিতে চাননি সেটি বুঝিয়ে বলুন। রাগ দেখাবেন না কোনোভাবেই।
বাড়াবাড়ি কিছু না করা: শুরুর দিনেই জোর করে হাত ধরা বা খুব বেশি ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা না করাই ভালো। সঙ্গীর কোনো আচরণ পছন্দ না হলে সেদিনই বলার দরকার নেই। পরেও বুঝিয়ে বলতে পারবেন।

রবীন্দ্রনাথকে নির্মাণ করেছে বাংলাদেশ : পবিত্র সরকার

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও লেখক অধ্যাপক পবিত্র সরকার বলেছেন, রবীন্দ্রনাথকে নির্মাণ করেছে বাংলাদেশ। এ দেশেই রবীন্দ্রচর্চা বেশি হচ্ছে। প্রেম, প্রকৃতির সাড়া জাগানোর সৃষ্টি ছাড়াও রবীন্দ্রনাথের কোমল দিকের পাশাপাশি যে এক তেজোদীপ্ত দিক আছে, সেটা মুক্তিযুদ্ধের সময়েই প্রমাণিত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ও জীবনানন্দকে নতুন করে আবিষ্কার করেছে বাংলাদেশ।

07a5fdee3e561fe1f7cb4a637cc21088-Pobitro-Shakar
পবিত্র সরকার মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর একটি রেস্তোরাঁয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন।
সৃজনশীল প্রকাশনা সংস্থা ঐতিহ্য প্রকাশিত সৈয়দ আকরম হোসেন সম্পাদিত ৩০ খণ্ড ঐতিহ্য রবীন্দ্র-রচনাবলির প্রকাশনা অনুষ্ঠান আগামীকাল বুধবার বিকেল পাঁচটায় অনুষ্ঠিত হবে। শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কলকাতার রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সব্যসাচী বসু রায়চৌধুরী, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক পবিত্র সরকার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী অধ্যাপক রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা ও জাতীয় জাদুঘর বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সভাপতি আজিজুর রহমান।

এই প্রকাশনাটি বিস্তারিত জানাতে অনানুষ্ঠানিক আড্ডার আয়োজন করা হয়। এ আড্ডার মধ্যমণি ছিলেন পবিত্র সরকার। আরও উপস্থিত ছিলেন প্রকাশনা সংস্থা ঐতিহ্যর প্রধান নির্বাহী আরিফুর রহমান, ৩০ খণ্ড ঐতিহ্য রবীন্দ্র-রচনাবলির সম্পাদনা সহযোগী আবুল বাসার ফিরোজ, অস্ট্রিক আর্যু প্রমুখ।

এ সময় প্রকাশক আরিফুর রহমান দাবি করেন ২২৫০০ পৃষ্ঠার অধিক এই রচনাবলি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ প্রকাশনা। তিনি জানান, রবীন্দ্রনাথের প্রাপ্ত সমগ্র বাংলা রচনা প্রকাশক্রম-অনুসারে এই ত্রিশ খণ্ডে নতুনভাবে বিন্যাস করা হয়েছে। এই প্রথম রবীন্দ্রনাথের সমগ্র চিঠিপত্র ‘ছিন্নপত্র’, ‘ছিন্নপত্রাবলী’, ‘চিঠিপত্র’ (১-১৯ খণ্ড), ‘প্রমথনাথ বিশীকে লিখিত পত্র’, ‘ভানুসিংহের পত্রাবলী’ ও ‘পথে ও পথের প্রান্তে’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া অখণ্ড ‘গীতবিতান’ও ভিন্ন রূপে ও প্রকরণে প্রকাশ করা হয়েছে। সাহিত্য-ছবি-গান ও সুরের মিথস্ক্রিয়ার দিকে লক্ষ রেখে রবীন্দ্রনাথ-অঙ্কিত ‘রূপ-বিরূপ’র দুই শতাধিক রঙিন ছবি ও প্রাসঙ্গিক চার শতাধিক সাদা–কালো ছবিও রচনাবলির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ঐতিহ্য রবীন্দ্র-রচনাবলির মূল্য ধরা হয়েছে ৪০,০০০ টাকা। বিশেষ ছাড়ে স্বল্প সময়ের জন্য ক্রেতারা ১৯,৯০০ টাকায় এই রচনাবলি কিনতে পারবেন।