কোহলির প্রেমের ফাদেঁ তামান্না-ইজাবেলে

বলিউড অভিনেত্রী আনুশকা শর্মার আগে আরও দুই নায়িকাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলেছিলেন ভারতীয় ক্রিকেট তারকা বিরাট কোহলি! তারা হলেন দক্ষিণী অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া ও ব্রাজিলীয় সুন্দরী ইজাবেলে।

একসময় তামান্নার সঙ্গে কোহলির সম্পর্ক ছিল। সেলকন’র বিজ্ঞাপনে কোহলির সঙ্গে দেখা গিয়েছিল তাকে।

তামান্না সুন্দরী। বুদ্ধিমতীও বটে। ২০১২ থেকে কোহলির সঙ্গে তার সম্পর্কের শুরু। একবার একটি আইপিএল ম্যাচের আগে কোহলি তার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের দলবল নিয়ে তামান্নার অভিনীত চলচ্চিত্র ‘হিম্মতওয়ালা’ দেখতে সিনেমা হলেও গিয়েছিলেন। অবশ্য চলচ্চিত্রটি দেখে কোহলি অত্যন্ত হতাশ হন। বিরতিতেই তামান্না ভাটিয়াকে ফেসবুকে আনফ্রেন্ড করে দেন কোহলি।

নিন্দুকেরা অবশ্য অন্য কথা বলে থাকেন। বিরাট ও তামান্নার মাঝে চলে এসেছিলেন ব্রাজিলীয় সুন্দরী ইজাবেলে। রাজ পুরোহিতের চলচ্চিত্র ‘সিক্সটিনে’ অভিনয় করার জন্য চুক্তি করেছিলেন ইজাবেলে।

প্রায় বছর দেড়েকের মতো ভারতে ছিলেন ব্রাজিলীয় সুন্দরী। এ সময় কোহলির সঙ্গে প্রথমে বন্ধুত্ব, পরে সেই বন্ধুত্ব গড়ায় আরও দূর পর্যন্ত। সিঙ্গাপুরে বিরাট ও ইজাবেলেকে ডেটিং করতেও দেখা যায়। প্রতিটি গসিপ ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে কোহলি ও ইজাবেলের প্রেম নিয়ে চর্চাও হত। এতে লাভের লাভ হয় ইজাবেলের। যথেষ্ট পাবলিসিটি পেয়ে যান তিনি। কিন্তু কোহলির সঙ্গে বেশিদিন সম্পর্ক টেকেনি ইজাবেলের। তার পরেই আনুশকার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন কোহলি।

আনুশকার সঙ্গেও বিচ্ছেদ ঘটেছে ভারতীয় ক্রিকেটের মারকুটে ব্যাটসম্যানের। এখন দেখার পালা ফের প্রেমের খেলায় কার সঙ্গে জড়ান কোহলি।

Advertisements

‘নকল চলচ্চিত্রের বিরুদ্ধে সরকারের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত’

সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকাই চলচ্চিত্রে ‘নকল সন্ত্রাস’-এর বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে। একের পর এক চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য, পোস্টারসহ সব বিষয়েই নকলের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এতে দেশীয় চলচ্চিত্র যেমন স্বকীয়তা, সুনাম হারাচ্ছে, তেমনই ধীরে ধীরে ধ্বংসের মুখে পতিত হচ্ছে দেশের চলচ্চিত্র জগৎ। এতে দেশের চলচ্চিত্রবোদ্ধারা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলছেন, ‘একটা ইন্ডাস্ট্রির যদি মৌলিকত্বই না থাকে তাহলে সে ইন্ডাস্ট্রি বেশিদিন টিকে থাকতে পারে না’।

সম্প্রতি বেশ কয়েকটি ছবি মুক্তির পরেই নকলের বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় এসেছে। সমালোচনার মুখে পড়েছেন চলচ্চিত্র অঙ্গনের সঙ্গে জড়িতরা। বর্তমান সময়ে নকলের বিষয়টি এতটাই ভয়াবহ হয়ে উঠেছে যে বিষয়টি নিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। এক-দেড় দশক আগে হিন্দি ছবি থেকে টুকলিফাই করা হতো, বর্তমানে তামিল, তেলেগু, মারাঠি, কোরিয়ানসহ বিভিন্ন ছবি থেকে হুবহু নকল করা হচ্ছে।

চলচ্চিত্র গবেষকরা জানিয়েছেন, ‘নকলে নাজেহাল বাংলা সিনেমার চিত্রনাট্যের অবস্থা এতটাই খারাপ প্রায় ৯০ ভাগ ছবি নকলের অভিযোগে অভিযুক্ত। সেখানে বাদ যাচ্ছে না যৌথ প্রযোজনার ছবিগুলোও’।

বাংলাদেশের স্বনামধন্য গীতিকার, সুরকার ও নির্মাতা গাজী মাজহারুল আনোয়ার মনে করেন, ‘যে কোনো নকল বিষয়ই তো খারাপ, নকল বিষয়টি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। আর সিনেমার চিত্রনাট্য নকল, সেটি তো আরও ভয়াবহ। আমাদের তো সেন্সরবোর্ড রয়েছে। তাদের তো এসব বিষয়ে ধরনের ধারণা থাকা উচিত বলে আমি মনে করি। কারণ তা না হলে একটা সময় গিয়ে নকলের প্রবণতা এতটা বেড়ে যবে, তখন তা সামাল দিতে হিমশিম খেতে হবে। চিত্রনাট্য যদি নকল হয়, তাহলে চলচ্চিত্রের মূল বিষয়টাই তো নষ্ট হয়ে গেল’।

তবে খ্যাতিমান এ চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক অনুকরণের পক্ষে যুক্তি দাঁড় করিয়ে বললেন, ‘নকল একটা কথা, অনুকরণ আরেকটা বিষয়। একটি ছবির চিত্রনাট্যকে অনুকরণ করে নিজেদের মতো করে আরেকটি সিনেমা নির্মাণ করা যেতে পারে। আবার হুবহু একটি ছবিকে আমি এখানে কার্বন কপি করে বানিয়ে দিলাম, সেটি তো গ্রহণযোগ্য নয়। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে অনুকরণ হতে পারে, সেটি আমাদের জনগন কিংবা জাতিকে বিব্রত না করে, আমাদের সংস্কৃতি মূল্যবোধকে নষ্ট না করে। আর নকলকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া উচিত নয়।’

প্রায় সাত বছর পর নতুন সিনেমার চিত্রনাট্য লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার। ছবির নাম ‘ফাগুনের আগুন’। এটি পরিচালনা করবেন নির্মাতা শফিক হাসান। সর্বশেষ ‘পাষাণের প্রেম’ নামে একটি ছবির চিত্রনাট্য লিখেছিলেন তিনি।

গাজী মাজহারুল আনোয়ার  মনে করেন বর্তমানে চলচ্চিত্রের সার্বিক যে অবস্থা তাতে সরকারের পক্ষ থেকে একটা ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে যে ভাল ছবির নির্মাতা নেই, বিষয়টা তো এমন নয়। মৌলিক গল্প লেখক, চিত্রনাট্যকার সবই আছে। স্বাধীনতা উত্তরকাল থেকে অনেক অনেক মূল্যবান ছবি আমরা নির্মাণ হয়ে আসছে। সেগুলো তো ব্যবসা সফল হয়েছে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই ছবি নির্মাণ করা উচিত বলে আমি মনে করি। সিনেমার নকল সন্ত্রাসের জন্য এককভাবে নির্মাতারা দায়ী হবে, বিষয়টি আমি তা মনে করি না। তবে চলচ্চিত্রে মৌলিকত্ব না থাকলে সে মাধ্যমটি বেশিদূর এগিয়ে যেতে পারবে বলে অমার মনে হয় না’।

রাশিয়ান রূপকথায় স্পর্শিয়া

নাটকে তো নিয়মিত অভিনয় করাই হয় অর্চিতা স্পর্শিয়ার। পাশাপাশি তাঁর আছে স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবিতে অভিনয়ের অভিজ্ঞতাও। তবে এবারের ছবিটি নাকি তাঁর কাছে ভিন্ন কিছু। রাশিয়ান একটি রূপকথার গল্প অবলম্বনে তৈরি হয়েছে অবিশ্বাস নামের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। এই ছবির নায়িকা হয়েছেন স্পর্শিয়া।
পাঁচ মিনিট ব্যাপ্তির এই ছবিটি নিয়ে স্পর্শিয়া বলেন, ‘অবিশ্বাস তৈরি হয়েছে বিশ্বাস ও অবিশ্বাসের একটি খেলা নিয়ে। এই প্রথম বেশ সাহসী একটি চরিত্রে অভিনয় করলাম। তরুণ একটি টিমের সঙ্গে কাজ করে ভালো লেগেছে।’
রোমান্টিক ধাঁচের এই স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি নির্মাণ করেছেন ভিকি জাহেদ। এতে আরও অভিনয় করেছেন শামীম হাসান সরকার। পরিচালক বললেন, ১৭ শতকের একটি গল্পকে বর্তমান সময়ের ছাঁচে ফেলে তৈরি করা হয়েছে। সম্প্রতি ঢাকার উত্তরায় এ ছবির দৃশ্য ধারণ শেষ হয়েছে। শিগগিরই ছবিটি অনলাইনে সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

কে হচ্ছে বন্ড গার্ল, প্রিয়াঙ্কা নাকি দীপিকা?

বলিউড দাপিয়ে বেড়িয়ে এবার হলিউডে নিজেদের জায়গা তৈরি করছেন দীপিকা পাড়ুকোণ ও প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। ভাগ্য সুপপ্রসন্ন হলে এবার এদের মধ্যে একজনকে দেখা যেতে পারে পরবর্তী বন্ডগার্ল হিসেবে। পিঙ্কভিলার প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছে।
জেমন বন্ড ফ্রাঞ্চাইজের নির্মাতারা ড্যানিয়েল ক্রেগের বিকল্প হিসেবে নতুন বন্ডকে খুঁজছেন এটি সবার জানা। এর সঙ্গে সঙ্গে সবার মনে এক প্রশ্ন কে হচ্ছেন বন্ডগার্ল? আর এই চরিত্রের ক্ষেত্রে না শোনা যাচ্ছে দীপিকা ও প্রিয়াঙ্কার নাম। তারা নাকি এজন্য অডিশনও দিয়েছেন।
প্রিয়াঙ্কা ও দীপিকা দুইজনই হলিউডে ব্যস্ত সময় পার করছেন। একজন ‘থ্রিপল এক্স’ ছবির সিরিজে কার করছেন, আরেকজন ‘বওয়াচ’ ছবিতে কাজ করছেন।
অবশ্য প্রিয়াঙ্কা ও দীপিকা ছাড়াও বন্ডগার্ল হিসেবে আরো কয়েকটি নাম শোনা যাচ্ছে। সূত্র জানিয়েছে, কে না বন্ডগার্ল হতে চায়? এটা এমন একটি চরিত্র যেটি সবার জন্যই আকাঙ্ক্ষিত, কিন্তু সুযোগ পায় একজনই। এখন এটি সম্পূর্ণ নির্মাতাদের ওপর নির্ভর করছে।
এবার দেখার পালা কে হচ্ছেন বন্ডগার্ল, প্রিয়াঙ্কা, দীপিকা নাকি অন্য কেউ!

খালি পেটে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত একেবারেই নেবেন না

কর্মক্ষেত্রে আপনার নিশ্চয়ই লাঞ্চ করার জন্য একটি বিরতির ব্যবস্থা রয়েছে? এ বিরতির সময়টি কোনোভাবেই যেন মিস না হয় সেজন্য মনোযোগী হতে বলেছেন গবেষকরা। বিশেষ করে আপনার যদি কর্মক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয় থাকে তাহলে খাবার কোনোভাবেই বাদ দেওয়া যাবে না। কারণ খালি পেটে সিদ্ধান্ত নিলে তা ভুল হওয়ার আশঙ্কা থাকে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।

খালি পেটে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত একেবারেই নেওয়া উচিত নয়। সম্প্রতি এক গবেষণার আলোকে গবেষকরা জানিয়েছেন, খালি পেটে আপনার দেহের হরমোনের মাত্রা পরিবর্তিত হয়ে যায়। এতে রক্তে উচ্চমাত্রায় গ্রেলিনের উপস্থিতি দেখা যায়। ফলে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয় না।

এ বিষয়ে গবেষণা করেছেন সুইডেনের ইউনিভার্সিটি অব গটেনবার্গের গবেষক ক্যারোলিনা স্কিবিকা। তিনি বলেন, ‘প্রথমবারের মতো আমরা নির্ণয় করতে পেরেছি যে, কিভাবে গ্রেলিনের মাত্রা বেড়ে যায় খাবার খাওয়া না হলে। এ কারণে মস্তিষ্ক প্রভাবমুক্তভাব কাজ করতে পারে না এবং ঝোঁকের বশে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।’

এ কারণে ক্ষুধার্ত অবস্থায় সিদ্ধান্ত নিলে তা ভুল হতে পারে বলে মনে করছেন গবেষকরা। তবে এ গবেষণাটি ইঁদুরের মস্তিষ্কের ওপর করা হয়েছে। ভবিষ্যতে মানুষের মস্তিষ্কের ওপর এ বিষয়টি অনুসন্ধান করে নিশ্চিত হতে চাইছেন গবেষকরা। তবে সেজন্য আরও কিছুদিন সময়ের প্রয়োজন। গবেষকরা বলছেন, ঝোঁকের বশে সিদ্ধান্ত নেওয়া মূলত একটি মস্তিষ্কবিষয়ক এবং আচরণগত সমস্যা, যা এক ধরনের অটিজম, ড্রাগ ও খাবারের সমস্যা তৈরি করতে পারে।

এ কারণে গবেষকরা বলছেন, সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য খালি পেট মোটেই ভালো নয়। এতে ভুল সিদ্ধান্ত হতে পারে। তাই গুরুত্বপূর্ণ কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কিছু অন্তত খেয়ে নিন। এতে আপনার সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বাড়বে।

ঈদে শাকিব রাজত্বের বাধা কলকাতার জিৎ

আর মাস দুয়েক বাদেই ঈদ। দেশের সবচেয়ে বড় উৎসবকে কেন্দ্র করে ছবি মুক্তি দেয়ার লড়াই পুরনো কাসুন্দি। কে কার আগে এ লড়াইয়ে শামিল হবেন এ নিয়ে এরইমধ্যে ফিল্মিপাড়ায় আলোচনা জমে উঠেছে।

হিসাব-নিকাশ শুরু করেছেন পরিচালক, প্রযোজক ও বুকিং এজেন্টরা। গেল কয়েক বছর ধরে ঈদ মানেই শাকিব খান- এমন সমীকরণ বিরাজ করছে চিত্রাঙ্গনে। মাঝে দুই ঈদে অনন্ত জলিল তার ছবি নিয়ে লড়াইয়ে শামিল হলেও গেল দুই বছর তিনি ছবিশূন্য। নতুন ছবির ঘোষণা দিয়েও নির্মাণ কাজে দেরি করছেন। ফলে শাকিব খানের জন্য মাঠ একেবারেই খালি বলা চলে।

শাকিবকে নিয়ে যেসব নির্মাতা বা প্রযোজক ছবি নির্মাণ করছেন তারা চেষ্টা করছেন নির্মাণাধীন ছবিগুলোর কাজ দ্রুত শেষ করে সেন্সরে জমা দিতে। যাতে ঈদের লড়াইয়ে শামিল হতে পারেন।

জানা গেছে, এবারের ঈদে শাকিব খান অভিনীত তিনটি ছবি মুক্তির জন্য লড়াইয়ে শামিল হচ্ছে। এরমধ্যে যৌথ প্রযোজনার ছবি ‘শিকারী’র ঈদ যাত্রা অনেকটা নিশ্চিত বলা চলে। শাকিব অভিনীত ‘রাজনীতি’ ও ‘পাঙ্কু জামাই’ নামে আরও দুটি ছবি ঈদে মুক্তির বাহাস করলেও শেষ পর্যন্ত টিকে থাকার রসদ ছবিগুলোর নির্মাতাদের মধ্যে নেই বলেই অনেকের ধারণা।

অন্যদিকে ঈদে মুক্তির জন্য ‘বাদশা’ নামের আরও একটি ছবির বিশেষ প্রস্তুতি চলছে। এ ছবিতে অভিনয় করেছেন কলকাতার জিৎ। এ ছবিটিও যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত। যদিও শিকারী এবং বাদশা দুটি ছবিই বাংলাদেশী বিতর্কিত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজের অর্থে নির্মিত। প্রতিষ্ঠানটি একই সময় দুটি ছবির মুক্তি দিয়ে রিস্ক নিতে চাইবে কি না সেটাও প্রশ্নসাপেক্ষ।

পাশাপাশি বাপ্পি সাহা অভিনীত ‘সুলতানা বিবিয়ানা’ নামের আরও একটি ছবি ঈদে নাক গলানোর চেষ্টা করছে। সম্ভব হবে কি না সেটা স্পষ্ট না হলেও যদি শেষ পর্যন্ত ‘সুলতানা বিবিয়ানা’ লড়াইয়ে টিকে থাকতে পারে তবে এবারের ঈদ শাকিবের জন্য কিছুটা দুশ্চিন্তা বয়ে নিয়ে আসতে পারে।

তবে ‘বাদশা’ যদি না আসে তাহলে ঈদে রাজত্বের ব্যাপারে নিশ্চিন্তে নাকে তেল দিয়ে এখনই ঘুমিয়ে পড়তে পারেন শাকিব খান। চলচ্চিত্রের কৌশলী রাজনীতিতে শেষ পর্যন্ত কী ঘটে সেটা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে দর্শকদের।

‘উড়তা পাঞ্জাবে’র সেটে পাত্তা পাননি আলিয়া!

‘উড়তা পাঞ্জাব’ ছবিতে অভিবাসী বিহারী শ্রমিকের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন আলিয়া ভাট। চরিত্র অনুযায়ী মেকআপ নিতে হয়েছিল তাকে। আর সেটাতেই হয় বিপত্তি। আলিয়াকে চিনতে না পারায় সেটে পাত্তা পাননি তিনি।
একটি গানের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে আলিয়া বলেছেন, আমরা যখন শুটিং শুরু করি তখন আমি সেটে হাঁটছিলাম। কিন্তু আমাকে চিনতে না পারায় কেউ পাত্তা দেয়নি। কেউ বুঝতেই পারেনি যে সেটা আমি ছিলাম। যখন আমি অভিষেক চৌবের সঙ্গে কথা বলা শুরু করি তখন তারা বিষয়টি বুঝতে পারে।
ছবিতে নিজের চরিত্রে নিয়ে আলিয়া বলেছেন, যদি কোনো চরিত্রে রাগী, দুঃখী কিংবা বিক্ষিপ্ত হয় সেখানে আলিয়ার কিছু করার থাকে না, কারণ এটি চরিত্র। আমার চরিত্র যেরকম চায় আমি সেরকমই আমি অভিনয় করি।
‘উড়তা পাঞ্জাব’ ছবিতে আরো অভিনয় করেছেন শহিদ কাপুর, দিলজিত দোসাঞ্জ  ও কারিনা কাপুর খান। আগামী ১৭ জুন ছবিটি মুক্তি পাবে।

আমরা স্বপ্ন মনে রাখতে পারি না কেন?

কখনো এক লাফে এভারেস্টে উঠে যাওয়া, কখনও সমুদ্রের গভীরে ডুব। এখনই আন্টার্টিকায় পেঙ্গুইনদের সঙ্গে খেলা, এখনই আবার সুপারম্যান হয়ে আকাশে উড়ে যাওয়া। স্বপ্নে কি না ঘটে। স্বপ্ন হল মানুষের জীবনের সেইসব ঘটনা যা আসলে ঘটেই না। ঘুমের মধ্যে চোখের পর্দায় দেখা ‘আন রিলিজড সিনেমা’। কিন্তু এইসব ‘সিনেমা’র বেশিরভাগটাই ঘুম ভাঙলে আর মনে থাকে না। আমরা ভুলে যায় গতকাল রাতে দেখা স্বপ্নগুলো। কেন এমনটা হয়? কেন মনে থাকে না গতকাল রাতে দেখা স্বপ্ন?

আমরা আমাদের জীবনের এক তৃতীয়াংশ সময় ঘুমিয়ে থাকি। আর সেই ঘুমন্ত সময়ের ২৫ শতাংশ আমরা স্বপ্ন দেখি। মূলত আমরা ঘুমের REM  বা Rapid Eye Movement স্টেজে স্বপ্ন দেখি। এই পর্যায়ে আমাদের অক্ষিগোলক শুধু নড়াচড়া করে, শরীরের বাকি অংশ স্থির থাকে। শরীরের বাকি অংশ স্থির থাকে বলেই আমরা যখন স্বপ্ন দেখি তখন আমাদের শরীর রিঅ্যাক্ট করে না। এমনটা না হলে ঘুমের মধ্যেই হয়ত আমরা বিছানা থেকে ঝাঁপ মারতাম অথবা ছুটে চলে যেতে চাইতাম সূর্যের দিকে। তবে আমরা যে সবসময় REM স্টেজেই স্বপ্ন দেখি তা নয়। REM স্টেজের মনে রাখার ক্ষমতা কম থাকে তাই আমরা এই সময়ে দেখা স্বপ্ন ভুলে যাই। কিন্তু তবে অন্য অংশে দেখা স্বপ্নও কেন মনে থাকে না?

মানুষের মাথা কম্পিউটারের মতোই কাজ করে। তা নিজেই বেছে নেয় কোন তথ্য মনে রাখতে হবে আর কোন তথ্য ডিলিট করে দিলে চলবে। স্বপ্নের ক্ষেত্রেও এমনটা হয়। তবে এই মনে রাখা এবং ডিলিট করে দেওয়ার বিষয়টা নির্ভর করে আলফা ওয়েভের ওপর। যারা স্বপ্ন কম মনে রাখতে পারে তাদের ওয়েভগুলো বাকিদের তুলনায় উঁচু উঁচু হয়। যারা বেশিক্ষণ পর্যন্ত মনে রাখতে পারে তাদের ওয়েভ প্রসেসিং আরও গভীর হয়। এবং এই গভীর প্রসেসিংয়ের ফলে অনেক সময় ঘুম ভেঙে যায়। আর এই ঘুম ভেঙে যাওয়ার ফলে স্বপ্ন স্টোর হয়ে যায় লং-টার্ম মেমরিতে। ফলে মানুষ পরের দিন সকালেও মনে রাখতে পারে স্বপ্ন। কিন্তু এই বিভেদ দেখা যায় না REM স্টেজে। বিজ্ঞানীদের দাবি এই বিষয়ে শক্তপোক্ত কোনও উপসংহার পেতে হলে এখনও অনেক পরীক্ষানিরীক্ষা চালাতে হবে।

বিয়ে করবো ৮, ৯, ১০ বছর পরে – সাবিলা নূর

বিয়ে করবো ৮, ৯, ১০ বছর পরে। কি? ১০ বছর পরে? না না এক্স্যাক্ট ১০ বছর পরে নয়, তবে অন্তত ৮ বছর পরে তো হবেই, এখন পড়াশোনা করছি। পড়াশোনা শেষ হোক, তারপরে ক্যারিয়ারেরও একটা ব্যাপার আছে-বলছিলেন এ সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবিলা নূর।

মাদারস ডে উপলক্ষ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় সাবিলা নূর ও সালমান মুক্তাদিরের বিয়ের খবর। বিয়ের সাজে তাঁদের বেশকিছু ছবি ছড়িয়ে পড়ে। যেখানে সালমান মুক্তাদির ও সাবিলা নূরকে বর ও বৌইয়ের সাজে দেখা যাচ্ছিল। বিয়ে তাহলে করেন নি? না না এখনই তো বিয়ে নয়, বললামই তো। আসলে হয়েছেটা কি গতকাল সালমান বলল তাঁর মা’কে সারপ্রাইজ দেবে। আমাকে পরিকল্পনা জানালো।

আমি রাজি হয়ে গেলাম। আসলে বিষয়টা বেশ মজার হয়েছে। আমি বেশ মজা পেয়েছি। সাবিলা বলেন, এর আগে  এ ধরনের একটা প্রাঙ্ক করেছিলাম সেটাও মানুষ এখনো বিশ্বাস করতে চায় না। আর তাছাড়া মাদারস ডে তে ও ওর মাকে সারপ্রাইজ দিতে চেয়েছে পরিকল্পনা একটু আলাদাই মনে হলো, রাজি হয়ে গেলাম।

শুধুই মজা? শুধু মজা তা বলবো না। সালমানের তো একটা ভিডিওর ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে। মায়ের জন্য সারপ্রাইজ আবার ইউটিউব চ্যানেলের একটা ভিডিও দুটোই হলো -বলে গেলেন সাবিলা।  আর সালমান আমার বেশ ভালো বন্ধু, যোগ করেন সাবিলা।

সাবিলা নূর নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন। পাশাপাশি ব্যস্ত রয়েছেন টিভি নাটকে। সম্প্রতি ঈদের জন্য করলেন ‘লাভ অ্যান্ড কোং।’ নাটকটি লিখেছেন ও পরিচালনা করছেন মাসুদ সেজান। এছাড়াও অভিনয় করলেন, ইফতেখার আহমেদ অসীম পরিচালিত ‘পলায়ন বিদ্যা’, রুবায়েত মাহমুদ-এর পরিচালনায় ‘টুগেদার টু গেট হার, আরিফুর রহমানের ‘একটু ভুতের গল্প’ ও শ্রাবণী ফেরদৌসের পরিচালনায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুররের ‘সমাপ্তি।’

চ্যানেল আইয়ে পাঁচ মিনিটের নাটক

নাটক দেখার জন্য দর্শকদের এখন শুধু ঘণ্টাব্যাপী টেলিভিশন সেটের সামনে বসে থাকার দরকার নেই। তাঁরা চাইলে পাঁচ মিনিটেই পুরো নাটক দেখতে পারবেন। বড় নাটকের পাশাপাশি এখন থেকে পাঁচ মিনিটের নাটকও চালু করতে যাচ্ছে চ্যানেল আই। এমন একটি ভাবনা নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছে চ্যানেল আই কর্তৃপক্ষ। গতকাল রোববার সকালে প্রথম আলোকে পাঁচ মিনিট ব্যাপ্তির নাটক চালুর ব্যাপারটি নিশ্চিত করেন চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠানপ্রধান আমীরুল ইসলাম।
শিগগিরই পাঁচ মিনিট ব্যাপ্তির নাটক চালুর বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবে চ্যানেল আই। আমীরুল ইসলাম বলেন, ‘চ্যানেল আই প্রতিনিয়ত নতুন সব ভাবনা নিয়ে কাজ করে। তারুণ্য আর সময়ের সঙ্গে থাকার চেষ্টা করে। সেই প্রেক্ষাপট থেকে দীর্ঘদিন ধরে চিন্তাভাবনা করে আমাদের মনে হলো, এখন থেকে সংক্ষিপ্ত আকারেও নাটক চালুর উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। আলোচনার নানা পর্যায়ে এসে আমরা সবাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছি। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় আমরা দেখেছি, বড় আকারের গল্প ও উপন্যাসের পাশাপাশি পাঠকের কাছে কিন্তু ছোটগল্প ও ছোট আকারের উপন্যাসেরও আগ্রহ আছে। ঠিক তেমনি বড় দৈর্ঘ্যের নাটক ও টেলিছবির পাশাপাশি সংক্ষিপ্ত আকারের নাটক দেখার প্রতিও দর্শকের বিরাট একটা আগ্রহ আছে। সমাজের নানা পর্যায়ের মানুষের সঙ্গে কথা বলার পর এই ব্যাপারটি আরও ভালোভাবে টের পেয়েছি। আপাতত আমরা এটা নিরীক্ষা হিসেবে কাজ করছি। আমাদের দেশে তরুণেরা বেশ প্রতিভাবান। তাঁদের শুধু দরকার একটু পৃষ্ঠপোষকতা। আমরা এটাকে তরুণদের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখছি।’
চ্যানেল আই সূত্র জানিয়েছে, পাঁচ মিনিট দৈর্ঘ্যের এই নাটক নির্মাণের ক্ষেত্রে একদল তরুণ পরিচালক ও লেখক কাজ করবেন। আর এই দলের উপদেষ্টা হিসেবে থাকবেন গুণী অভিনয়শিল্পী ও নির্মাতা আফজাল হোসেন।

ধুম থেকে অভিষেক বাদ

‘ধুম-৪’ থেকে বাদ পড়ছেন অভিষেক বচ্চন। তাঁর থেকেও আকর্ষণী কাউকে নেওয়া হচ্ছে ‘ইনস্পেক্টর জয়’ চরিত্রটিতে। তবে বাদবাকী সবাই থাকছেন তাঁদের নিজ নিজ চরিত্রে।

‘ধুম’ ছবির চতুর্থ পর্ব ‘ধুম-৪’–এর শুটিং শুরু হবে শিগগির। সেখানে বদলে যাবে ইনস্পেক্টর জয়ের চলন-বলন। চরিত্রটিতে অভিনয়ের জন্য কথা বলা হয়েছে দুজন অভিনেতার সঙ্গে। জানা গেছে, অভিষেক বচ্চনের স্থলে আসতে পারেন সালমান খান কিংবা রণবীর সিং। যশরাজ ফিল্মস-এর সঙ্গে আলাপে দুজনই এই চরিত্রে অভিনয়ে রাজি আছেন বলে জানিয়েছেন। অন্যদিকে ‘ধুম-৪’ সম্পর্কে জানতে চাইলে অভিষেক জানিয়েছেন, ‘ধুম-৪’ নিয়ে তাঁর কিছু জানা নেই।
আগেও জানা গিয়েছিল যে ‘ধুম’ ছবিতে খলনায়কের চরিত্রতে অভিনয় করতে যাচ্ছেন সালমান খান। তবে রণবীরের নাম আসায় মনে হয়েছে অভিষেকের জায়গায় তিনিই আসছেন। এ বছরের শেষে বা আগামী বছরের শুরুতে শুটিং শুরু হবে ‘ধুম ৪’-এর। টাইমস্ অব ইন্ডিয়া

মুক্তি যন্ত্রণায় শাহরুখ খানের রইস

ফাঁড়া কাটছে না শাহরুখ খানের। ঠিক ছিল, ঈদে মুক্তি পাবে রইস। কিন্তু সালমান খানের সুলতান ছবির জন্য মুক্তি পিছিয়ে করে দেওয়া হল আগামী বছর। সেখানেও ঝামেলা, ২০১৭ সালের ২৬ জানুয়ারি মুক্তি পাচ্ছে ঋত্বিকের নতুন ছবি কাবিল। রইস টিমও মুক্তির জন্য ওই দিনটিই বেছে নিয়েছে। তাতেই ঝামেলার আশঙ্কা বাড়ছে। কাবিলের পরিচালক রাকেশ রোশন জানিয়ে দিয়েছেন, এই বছর ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁরা ঘোষণা করেছিলেন মুক্তির তারিখ। রইস এখন সেই তারিখ নিয়ে ঝামেলা পাকালে কিছু করার নেই। যেহেতু আগে বলেছেন, তাই ওই দিনেই মুক্তি পাবে কাবলি। মার্চ মাস থেকে শুটিং শুরু হয়েছে, মে মাসে শুটিংয়ে যোগ দিয়েছেন ঋত্বিক। প্রমোশনের দিন ঠিক করে হয়ে গেছে। এখন পরিকল্পনা পাল্টানো সম্ভব নয় বলেই পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন রাকেশ। এই বছর একই দিনে মুক্তি পেয়েছিল দিলওয়ালে ও বাজিরাও মাস্তানি। বক্স অফিসে প্রথমে দিলওয়ালে এগিয়ে থাকলেও পরে বাজিরাও টপকে গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত কাজল, শাহরুখ আড়ালে বলেওছিলেন, দিলওয়ালেতে অভিনয় করার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। আবার ফ্যান ছবি হিসেবে সমালোচকদের নজর কাড়লেও সুপারহিট নয়। রইসও যদি বাজার ধরতে না পারে, তাহলে কিন্তু কপালে ভাঁজ পড়বে এস আর কে’র। ‌‌সমস্যা আরও বাড়িয়েছেন অজয় দেবগান। অজয়ের নতুন ছবি বাদশাহ-র মুক্তির তারিখও ঠিক করা হয়েছে ২৬ জানুয়ারি। তাঁরাও বলছেন, তারিখ বদলে ফেলা সম্ভব নয়।