এ প্রজন্মের সেরা মডেল নিঝুম ফারুকী

নিঝুম ফারুকী। বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় মডেল। মডেলিং ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন ২০০২ থেকে। বেশ কিছুদিন তিনি দেশের বাহিরে থেকে আবার দেশে ফিরেন ২০১২সালে। ফিরেই তিনি দখল করে নিয়েছেন TVC জগতে শীর্ষ স্থান। তাঁর সফলতার রহস্য নিয়ে আজ মুখোমুখি হয়েছেন BD Gossips এর সামনে।

BD Gossips: কেমন আছেন?

নিঝুম ফারুকী: আলহামদুলিল্লাহ, ভালো আছি।

BD Gossips: আপনার এই মডেলিং এ যাত্রা শুরু হলো কবে থেকে?

নিঝুম ফারুকী: প্রফেশনালি ২০০৪ সালে। ‘P&G You Got The Look 2004’ এর মাধ্যমে। সেখানে আমি বেস্ট অফ টেন হয়েছিলাম। এমনিতে ২০০২ এ আমি প্রথম র‍্যাম্প এ হাঁটি।13162249_964718830313457_544357570_n

BD Gossips: ছোটবেলা থেকেই কি আপনার মডেলিং এ আসার শখ ছিল?

নিঝুম ফারুকী: না, আসলে ছোটবেলা থেকে শখ ছিল না। আমি যখন ক্লাস সেভেন কি এইট এ পড়ি তখন এলিফ্যান্ট রোড এ Monsoon Rain এর শো-রুম এ ছবি দেখে খুব শখ হয়েছিল আমি একদিন এই ব্রান্ড এর মডেল হব। এবং আমি ২০০৪/২০০৫ এর দিকে এই ব্রান্ড এর মডেল হয়েছিলাম।

BD Gossips: শুনেছি আপনার একটা ব্যান্ড ও ছিল। ওটার কি হলো? ওটা কি এখনও আছে?

নিঝুম ফারুকী: না। ব্যান্ডটা আসলে ১৯৯৯ সালে কলেজে পড়ার সময় করা হয়েছিল। ব্যান্ড এর নাম ছিল ইমোশন। মডেলিং এর ব্যস্ততার কারনে পরবর্তীতে আর ব্যান্ড টা কন্টিনিউ করতে পারিনি।

BD Gossips: তা মডেলিং ছাড়া অন্য কিছু করছেন কি?

নিঝুম ফারুকী: একটা ক্যানাডিয়ান কোম্পানি ‘পেইজা বাংলাদেশ’ এ ম্যানেজার হিসাবে কাজ করছি এবং কিছু চ্যারিটি মূলক প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত আছি।

BD Gossips: আপনিতো বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ইতিমধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়েছেন। এই পর্যন্ত কতগুলো বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন?

নিঝুম ফারুকী: দেশে ফেরার পর এখন পর্যন্ত আমার ৩০টির উপরে টিভি বিজ্ঞাপন রিলিজ হয়েছে এবং বেশ কিছু কাজ হাতে আছে। তবে আমি যখন মডেলিং শুরু করি তখন শুধু র‍্যাম্প, ম্যাগাজিন আর বিলবোর্ড এর জন্যই কাজ করতাম।

BD Gossips: নাটক/টেলিফিল্মে খুব অল্প পরিসরে কাজ করতে দেখেছি আপনাকে। সামনে আবার কবে নাটক/ টেলিফিল্মে আপনাকে দেখতে পাব?

নিঝুম ফারুকী: আমি আসলে নাটক, টেলিফিল্মে খুব বেশি অভিনয় করি না। তবে ঈদের সময় এক্সক্লুসিভ কিছু কাজ করেছি। এছাড়া আশাকরি আমার আরেকটি নাটক কিছুদিনের মধ্যে অন এয়ার হবে। নাটকের পরিচালক নাহিদ হাসান। নাটকের নাম “নিউ রোমিও এন্ড জুলিয়েট”। এই নাটকে তৌসিফ, অ্যালেন, সাফা সহ আরও অনেকে আছে।

BD Gossips: বড় পর্দায় কাজ করার ব্যাপারে কি ভাবছেন?13183166_964713066980700_1491402998_n

নিঝুম ফারুকী: আমি এমনিতে খুব ভেবে-চিন্তে কাজ করি। আর খুব ভেবে-চিন্তে কাজ করি বলেই হয়তো এখন পর্যন্ত সিনেমায় কোন কাজ করা হয়নি। তবে কথা চলছে সামনে  হয়তো আমার পছন্দের কোন প্রোজেক্টে দর্শক আমাকে দেখতে পাবে ইনশাআল্লাহ্‌।

BD Gossips: কি খাবার খেতে বেশি পছন্দ করেন?

নিঝুম ফারুকী: সাধারণ খাবারের মধ্যে আলুভর্তা, ভাত খেতে পছন্দ করি। তবে আমি মাছে ভাতে বাঙ্গালী না। মাংস আমার বেশি পছন্দ।

BD Gossips: আপনার প্রিয় পোশাক?

নিঝুম ফারুকী: টি শার্ট, আর জিন্স।

BD Gossips: আপনার অবসর সময় কিভাবে কাটে?

নিঝুম ফারুকী: আমি অবসর খুব একটা পাই না। তাই যেটুকু অবসর সময় পাই, তার বেশির ভাগটাই আমার পরিবার, ভাই-বোন ও বন্ধুদের দেয়ার চেষ্টা করি। মাঝে মাঝে গীটার প্লে করি। এছাড়া মর্নিং স্টার নামে একটা স্কুল আছে সেখানে সময় কাটাই। আমার অবসরটাও আসলে খুব ব্যস্ত কাটে।

BD Gossips: এমন কেউ কি আছে যাকে আপনি অনুসরণ করেন বা আদর্শ মানেন?

নিঝুম ফারুকী: আমি মডেল নোবেল ভাইকে সব সময় অনুসরণ করতাম, এখনও করি। আমি যতটুকু জানি, ওনার লাইফ স্টাইলটা অনেক সৎ ও নির্ভেজাল। আমি দেখিছি উনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজও পরেন এবং আমিও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি।

আপনার এই মূল্যবান সময় দেয়ার জন্য BD Gossips এর পক্ষ থেকে আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।1

 

Advertisements

নায়িকাদের প্রযোজনার অর্থের উৎস কোথায়?

ঢাকাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে উঠতি নায়িকারাই এখন সিনেমা নির্মাণে অর্থ লগ্নি করছেন। এদের মধ্যে কেউ কেউ আবার নিজের অভিনীত প্রথম ছবি মুক্তির আগেই প্রযোজক বনে যাচ্ছেন! আর্থিকভাবে সচ্ছল পরিবার থেকে না এলেও সিনেমায় অর্থলগ্নির নেপথ্যে অনেকের বেলায় রয়েছে ভিন্ন ইতিহাস। বিস্তারিত –

ঢাকাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির বর্তমান অবস্থার কথা যদি এখন কেউ কাউকে প্রশ্ন করেন, তবে কেউই তার সঠিক মূল্যায়ন করতে পারবেন না। কারণ সেই মূল্যায়নের জায়গায় দাঁড়িয়ে নেই আজকের ঢাকার ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি। এই টালমাটাল অবস্থায় যখন এফডিসির প্রায় সব স্টুডিও বিভিন্ন চ্যানেলের নামের ভাড়া হয়ে যায় বছরব্যাপী- তখন যারা বলেন ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির দারুণ এক উন্নয়নের আশা দেখছেন, তারা যে বোকামির প্রলাপ আওড়ান, সেটা মেধাবীরা সবাই বোঝেন।

আজ যখন জাজ মাল্টিমিডিয়া নামের এক বিতর্কিত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের হাতে সিনেমা হলের প্রজেকশনের ক্ষমতা চলে যায় একচ্ছত্রভাবে, যখন তারা নিজেদের প্রযোজিত যে কোনো মানের ছবিই হল বুকিং করে নেয় অনায়াসেই, পাছে অন্য ভালো নির্মাতারা হল বুকিংয়ের সুযোগই পান না। কিংবা পেতে হলেও অনৈতিক চর্চার হাত বেয়ে পেতে হয়; ঠিক সে সময় কারও বলার সাধ্য থাকে না এ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন লালিত ছিল, এ ইন্ডাস্ট্রি জহির রায়হানের আশায় বুক বাঁধা উঠোন ছিল, এ ইন্ডাস্ট্রি আলমগীর কবির, খান আতাউর রহমানের দৃপ্ত হাতের হাতিয়ার ছিল। কারণ আজকের ঢাকাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি যে গভীর এক অনৈতিক পথে অন্ধকার কুড়াচ্ছে! খানিক বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিলেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যাবে।

দীর্ঘদিন ধরে ঢাকাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে একটা কথা চাউর রয়েছে। নির্মাতার হাতে নাকি আর ইন্ডাস্ট্রি নেই! যা কিছু আছে সেটা এখন প্রযোজক বা লগ্নিকারীর হাতে চলে গেছে! এরপর শোনা গেল নির্মাতাদের নাকি শাকিব খান বা গুটিকতক প্রভাবশালী নায়কের কাছে হুজুর হুজুর করতে হয়। সময় বদলায়। কিন্তু সেই সময়টা এত অভিশপ্ত হয়ে বদলে যাবে কে জানত?

ইন্ডাস্ট্রির এ সংকটের চলমান দিনে আজ প্রযোজক বা নায়ক নন, খোদ নায়িকাদের কাছেই নিজের অস্তিত্ব যাচাই-বাছাই করতে হচ্ছে। তাও সেটা সিনিয়র কোনো নায়িকা হলে কথা ছিল না। চলচ্চিত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিল্পী, কলা-কুশলীদের জন্য এর চেয়ে লজ্জার, অপমানের আর কি আছে? কারণ উঠতি নায়িকারা এখন ছবির লগ্নিকারী। সেই নায়িকা লেবাসধারী অনৈতিক লগ্নিকারীরা নাকি নায়ক বা নির্মাতাকে ভাড়া করছেন, নিজেদের পরিচয়ের শরীরে ‘নায়িকা’ তকমাটি স্থায়ী করার জন্য এটাই এখন অন্যতম উপায়।

বিশ্বের কম বেশি প্রায় সব দেশেই নায়িকারা প্রযোজক হয়েছেন বা হচ্ছেন। ইতালির মনিকা বেলুচি বা হলিউডের অ্যাঞ্জেলিনা জোলিরা ছবির প্রযোজক হন ছবির শেয়ার মানি হোল্ডার হিসেবে। আমাদের দেশে ‘প্রযোজক আর লগ্নিকারী স্বত্বা’ এই দুটি জিনিস যে আলাদা সেটাও বোঝার মতো ক্ষমতা নেই কারও! একজন প্রযোজক কখনও নিজের গাঁটের পয়সা ইনভেস্ট করেন না। কিন্তু প্রযোজক সব অর্থ জোগান দেন, তার ব্র্যান্ড ভ্যালুর খাতিরে। তার প্রভাবেই বা তার প্রতি আস্থা রেখেই লগ্নিকারীরা অর্থ বিনিয়োগ করেন।

অথচ অবাক করার মতো বিষয় হল আমাদের দেশে যারা প্রযোজক এবং লগ্নিকারী তারা সবাই নবাগত। তাও আবার তারা উঠতি নায়িকা। যাদের ক্যারিয়ারে এখনও কোনো অবস্থান তৈরি হয়নি! তাদের প্রতি ইন্ডাস্ট্রি কীভাবে কোন মোহে আস্থা রাখছেন সেটাই প্রশ্ন সাপেক্ষ। কী তাদের অর্থের উৎস? এ প্রশ্নের কোনো জবাব নেই।

খানিক উদাহরণ দিয়ে বিষয়টা স্পষ্ট করা যাক-

ববি : ক্যারিয়ার এখনও প্রতিষ্ঠা পায়নি তার। ছবি সুপারহিট তো দূরের কথা এখনও সেই অর্থে হিট ছবির তালিকাও নেই নিজের ক্যারিয়ারে। অথচ তিনি এখন প্রযোজক এবং লগ্নিকারী হিসেবে ঢাকঢোল পিটিয়ে মহরত করছেন নিজের ছবির। অর্থবিত্ত নেই ব্যক্তি কিংবা পারিবারিক জীবনে। এ যদি হয় অবস্থা, তবে প্রশ্ন থেকে যায় তার আয়ের উৎস কী? বা নিজের ব্র্যান্ড ভ্যালুর খবর? ব্র্যান্ড ভ্যালু বলতে নির্মাতা ইফতেখার চৌধুরীর সঙ্গে লিভ টুগেদার করেন, এটা সবার কাছেই নিরেট জলের মতো সত্য তথ্য ইন্ডাস্ট্রিতে। এর বাইরে তার কোনো ছবির সম্মানী কি ফিক্সড হয়েছে? বা কেউ জানেন? জানেন না! আর নিজের অভিনয় করা একটি ছবিতে কত টাকা সম্মানী পেলে, এরপর কতটি ছবি করলে এক কোটি টাকা (আনুমানিক) বাজেটের একটি ছবিতে বিনিয়োগ করা যায়? প্রশ্ন ওঠে, ববির আয়ের উৎস কী? ছবি প্রযোজনা করার জন্য এত অর্থ তিনি পেলেন কোথায়? প্রশ্ন যখন জবাবহীন হয়ে পড়ে, দুর্নীতি বা অনৈতিক চর্চা যখন তাদের গোড়ায় থাকে, তখন সেই প্রোডাকশনের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তো উঠবেই। ইন্ডাস্ট্রির ভবিষ্যৎ তো বটেই।

মিষ্টি জান্নাত : ক্যারিয়ারে এখনও ঠিক মতো কেউ জানেন না, তিনি আসলে কী? কোন পেশায় অবস্থান করেন? অথচ বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের একাধিক টকশো ও প্রিন্ট কিংবা অনলাইন গণমাধ্যমে বলেছেন অমুক অমুক ছবি করছেন। একটি নামকাওয়াস্তে ছবি রিলিজ হয়েছে, তাও মাত্র হাতেগোনা কয়েকটি হলে। এর মধ্যেই তিনি একাধিক ছবির প্রযোজক বনে গেছেন। শুধু দেশে নয়, কলকাতার সঙ্গে ওখানকার নায়ক দেব, জিৎ, সোহমকে নিয়ে ছবি প্রযোজনার ঘোষণা দিয়েছেন। যদিও বলে থাকেন, বাবার অর্থেই মিষ্টি জান্নাত সিনেমার লগ্নিকারী, দামি গাড়িতে চড়ছেন। প্রশ্ন হচ্ছে, ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অবস্থা কি এতটাই লাভজনক যে তার পৈতৃক অর্থ লগ্নি করে একাধিক ছবিতে বিনিয়োগ করা যায়? কিংবা বাবার কী পরিমাণ অলস বৈধ অর্থ পড়ে আছে, যেটা জলে ফেলে দিলে কোনো সমস্যা হবে না? মিষ্টি তাই নায়িকা সুলভ আচরণ নয়, বরং টিভি মিডিয়ার কবির তিথি বা ভাবনাসহ একাধিক উঠতি মডেল-অভিনেত্রীকে বলছেন, আমার পরের ছবিতে তোমাকে নেয়া যায় কি না ভাবছি। স্বভাবতই তার পারিবারিক অর্থের উৎসও প্রশ্ন সাপেক্ষ! এ ক্ষেত্রে ডিরেক্টরস মিডিয়ার সংজ্ঞা কোথায় হারায়? আর এ জলে অর্থ ফেলার মতো এতবড় লগ্নিকারীর টাকার উৎস কোথায়? একটু খোঁজ করলেই থলের কালো বিড়ালটা বেরিয়ে আসবে। আর যা অস্পষ্ট অর্থ তা কোনোদিনই সুফল বয়ে আনতে পারে না। এ কথা আমরা কে না জানি?

দিপালী : ক্যারিয়ার শুরু এটিএন বাংলার একটি চলচ্চিত্র দিয়ে। ছবির নাম ‘পায়রা’। সেই ছবিটির শুটিং হল, এডিটিং চলল কিন্তু মুক্তি মিলল না। তখন থেকে প্রচারিত, তিনি ছবির নায়িকা কাম প্রযোজক। অথচ তার আয়ের উৎস বা তার নির্দিষ্ট ব্যবসার খবর কেউ জানেন না। তিনিও পৈতৃক লগ্নি থেকে প্রযোজক হয়েছেন বলে জানান। অথচ সূত্র বলে ভিন্ন কথা। একাধিক ছবিতে লগ্নি করার মতো অর্থ তার বাবার নেই। অথচ তিনিই এখন ঢাকাই ছবির লগ্নিকারী হিসেবে নির্মাতা থেকে কাস্টিং সবই ঠিক করছেন। কিশোর নামের এক রিয়েলিটি শো গায়কের সঙ্গে তার প্রেম এবং লিভ টুগেদারের গুঞ্জনও এখন ইন্ডাস্ট্রিতে খোলামেলা আলোচনা। এ প্রেমিক তার উপার্জিত সব অর্থই প্রেমিকার ছবির পেছনে ঢেলে দিয়েছেন বলেও গুজব রয়েছে। এমন অনৈতিক আর বেপরোয়া জীবনের বাসিন্দা দিপালীই এখন ছবির লগ্নিকারী। প্রশ্নের পর প্রশ্ন আছে যাদের অর্থের উৎস নিয়ে, কিন্তু জবাব নেই!

লাবন্য লী : নিজের ক্যারিয়ারে এখনও ‘চিত্রনায়িকা’ শব্দটি যোগ হয়নি তার। অথচ তিনিই তার প্রথম ছবির প্রযোজক ও লগ্নিকারী! উপস্থাপক (আরজে) নীরব খানের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক বা নানা প্রেমালাপের বাহাস ফেসবুকে প্রতিদিনই কারও না কারও ইনবক্সে চালাচালি হয়। লাবন্য লী এখন নির্মাতা রয়েল খানকে নিয়ে একটি ছবি নির্মাণ করছেন। হ্যাঁ, নবাগত নায়িকারাই যখন প্রযোজক বা লগ্নিকারী হয়ে বসেন তখন তো এটা বলাটাই স্বাভাবিক যে, লী-ই এখন নির্মাতা রয়েল খানকে ভাড়া করেছেন। ইন্ডাস্ট্রির অবস্থা কোথায় গিয়ে দাঁড়ালে ঢাকাই চলচ্চিত্রের এমন জীর্ণদশা হওয়া সম্ভব, সেটা ভাবার কোনো অবকাশ নেই।

তানহা মৌমাছি : এ চিত্রনায়িকার এটি পোশাকি নাম। তবে চরিত্রগত অবস্থানে মৌমাছির মতোই আচরণ বটে! কারণ খোদ যিনি তাকে ফিল্মে আনার প্রধান সহযোগী ছিলেন, সেই অভিনেতা প্রযোজক ফিরোজ শাহী নিজেই বলেছেন তার সম্পর্কে। যে ঢাকা শহরে তানহা মৌমাছির একটি থাকার জায়গাও ছিল না। ভাড়া বাসায় জীর্ণ অবস্থায় কাটত দিনরাত। অথচ কোনো ছবি রিলিজের আগেই এখন জিপ হাঁকাচ্ছেন! ‘এই গল্পে ভালোবাসা নেই’ নামের একটি ছবির শুটিংকালীন ফিরোজ শাহীর পরিচিত এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে পরিচয় ঘটে মৌমাছির। অতঃপর সেই বিবাহিত ব্যবসায়ীর সঙ্গে প্রেম অভিসারে তার রক্ষিতা বনে গেলেন। আর আলাদীনের চেরাগের মতোই হাতে চলে এলো অগুণতি অর্থ। খোদ যিনি তানহাকে চলচ্চিত্রে আনলেন, সেই ফিরোজকেই তানহা মৌমাছি চ্যালেঞ্জ করছেন, ছবিটির প্রযোজক হিসেবে তার নাম জুড়ে দেয়ার জন্য। সেটা যত অংকই হোক, নয়তো টাকা ছাড়াই অন্য ক্ষমতা বলেও নাকি ফিরোজ শাহীর কাছ থেকে ছবিটি কেড়ে নেয়ার ক্ষমতা তার রয়েছে! তাই মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন!

পরীমনি : এটিও পোশাকি নাম। বিতর্ক কাকে বলে ও কত প্রকার এবং কী কী- তা এ মেয়েটির স্বল্প দিনের ক্যারিয়ার ঘাঁটলেই বোঝা যায়। আজ অব্দি হাতেগোনা কয়েকটি ছবি রিলিজ হয়েছে মাত্র। এখনও হিট তো দূরের কথা, ছবি ফ্লপ বলতে যা যা অর্জন করতে হয়, সেটিও অর্জিত হয়নি তার ছবিতে। অথচ তাকে ছবিতে কাস্ট করলেই বিশেষ লগ্নিকারী অর্থ জোগান দেন। অস্পষ্ট প্রযোজক হিসেবেই থাকেন পরী! কোটি টাকার ফ্ল্যাট-গাড়ি নিয়ে সত্যিকার অর্থেই বলিউডের ‘ডার্টি পিকচার’-এর ‘সিল্ক’-এর জীবন যাপিত করছেন। আর এত অর্থের উৎস আপনি কী করে মেলাবেন। তা যে কোনো সৎ ব্যবসায়ী বা বিশ্বের সেরা গণিতবিদেরাও হার মানবেন!

ইন্ডাস্ট্রির এ অনৈতিক আর অশুদ্ধ চর্চায় চলচ্চিত্র সমাজের উন্নয়ন তা আশার গুড়ে বালি। তারা নিন্দিত হচ্ছেন সমাজে কেউ কেউ, কিন্তু কোনো মিডিয়া প্রকাশ না করায় নব্য নির্মাতা, উঠতি হিরো, বা স্ট্রাগলার হিরোরা এসব উঠতি নবাগত কাম প্রডিউসারদের তোষামোদিতে ব্যস্ত থাকছেন। কোনো ছবির কাস্টিং থেকে শুরু করে মিউজিক ডিরেক্টর, ছবির নির্মাতাকে বলেন ‘প্লিজ আপনি একটু ম্যাডামকে অনুরোধ করেন, তারপর আমি সুপারিশ করব।’

বিশ্বের উন্নত দেশে যখন প্রযোজকরা থাকছেন সবচেয়ে মেধাবী, সবচেয়ে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন, সে ছেলে হোক বা মেয়ে হোক বা কোনো সিনিয়র নায়িকা। সেখানে আমাদের দেশে একের পর এক নব্য প্রযোজক, শরীরি বা অশরীরি লগ্নিকারীর জন্ম হচ্ছে নানা অনৈতিক রেকর্ডের বেড়াজালে। তাদের কাছ থেকে ইন্ডাস্ট্রির উন্নয়ন কতটা প্রত্যাশা করবেন, কারা করবেন তা বোঝাই যায়। তবে মৌসুমি হাওয়ার মতোই এরা টিকবে না নিশ্চয়ই। কিন্তু ইন্ডাস্ট্রিকে নোংরা আর অসভ্যতার কাছে যে ঠেলে দেবে, সেই নোংরা, নর্দমা পরিষ্কার করতেও তো আগামী প্রজন্মের সময় লেগে যাবে। ততদিনে আমরা কতদূর পেছাব, কতটা অন্ধকারে গড়াবে আমাদের সেলুলয়েডের আলো কে জানে? কে জানে?

নতুন কোচিং সেন্টার খুললেন তাঁরা!

চার বন্ধু হাসান, মনির, তাহের ও মজনু। তাঁরা চারজন মিলে খুলেছেন কোচিং সেন্টার। নামটাও দিয়েছে তাঁদের নামের আদ্যক্ষর দিয়ে—হামতাম কোচিং সেন্টার। একটা কোচিং সেন্টার তৈরি করা নিয়েই এগিয়েছে গল্প। তবে এ সবই ঘটেছে নাটকে। নাটকের নামটাও কোচিং সেন্টারের নামেই, হামতাম কোচিং সেন্টার। গেল সপ্তাহে নাটকটির শুটিং হয় উত্তরায়। অনামিকা মণ্ডলের গল্পে নাটকটি নির্মাণ করেছেন শাহরিয়ার সুমন। আর চার বন্ধুর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তৌসিফ মাহবুব, অ্যালেন শুভ্র, কাজী আসিফ ও অর্ণব অন্তু। এ ছাড়া আরও অভিনয় করেছেন ঈশিকা খান, সামিয়া সাইদ, প্রিমা, লিসা, বাদল প্রমুখ। নাটকটিতে অভিনয় প্রসঙ্গে অভিনয়শিল্পী অ্যালেন শুভ্র বলেন, ‘মজার গল্প। ভালো লেগেছে। দর্শকেরা বেশ মজা পাবেন।’
পরিচালক জানালেন, হাসির নাটকটি প্রচারিত হবে আগামী ঈদুল ফিতরে।

চলতি বছরেই বিয়ে করছেন সালমান খান!

তিনি বলিউডের মোস্ট এলিজেবল ব্যাচেলর। বয়সে হাফ সেঞ্চুরি করেছেন সম্প্রতি। প্রায় ২৮ বছরের দীর্ঘ বলিউড কেরিয়ারে তাঁর জীবনে প্রেমের আসা-যাওয়া থেমে থাকেনি। কিন্তু বিয়ে এখনো অধরাই। হ্যাঁ, সালমান খানের কথাই বলছি। কিছু দিন আগেও সল্লু জানিয়েছিলেন, এই মুহূর্তে তাঁর বিয়ের কোনো সম্ভাবনা নেই। কিন্তু সম্প্রতি একটি রিপোর্ট এই ধারনাকে একেবারে উল্টে দিয়েছে।

সম্প্রতি বলিউডের একটি মিডিয়া রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, এ বছরই বিয়ে করছেন সালমান খান। কিছুদিন আগেই তাঁর অনামিকায় আংটি দেখে জোর জল্পনা শুরু হয়েছিল বলিউডে। তা হলে কি সেই জল্পনা সত্যি!

রিপোর্ট বলছে, এ বছরের শেষেই বিয়ে করছেন সালমান। কাকে বিয়ে করছেন তিনি? রিপোর্টের দাবি, বর্তমান বান্ধবী লুলিয়া ভান্তুরকেই নাকি বিয়ে করছেন সল্লু। কেন চটজলদি এমন সিদ্ধান্ত বদল করলেন সালমান! এর উত্তরে ওই মিডিয়া রিপোর্ট যা বলছে তা শুনলে হয়তো আরও চমকে যাবেন। লুলিয়ার অনুরোধে নয়, নিজের মা’কে খুশি করতেই নাকি চটজলদি নিজের সিদ্ধান্ত বদল করেছেন বলিউডের মোস্ট এলিজেবল ব্যাচেলর! এটাই কারণ! যত দিন না সালমান নিজে মুখে এই খবর জানাচ্ছেন তত দিন এ নিয়ে জল্পনা চলতেই থাকবে!

সূত্র: আনন্দবাজার

ক্ষণস্থায়ী প্রেমে ধূমপায়ী ও মদ্যপায়ী পুরুষরাই নারীদের পছন্দ!

স্বাস্থ্যের পক্ষে যতই ক্ষতিকর হোক, ক্ষণস্থায়ী প্রেমে সঙ্গী হিসাবে নারীরা পছন্দ করেন ধূমপায়ী এবং মদ্যপায়ী পুরুষদেরই। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে এই তথ্য। ১৭ থেকে ৩০ বছর বয়সী ২৩৯ জন নারীর ওপরে চালানো হয়েছিল এই সমীক্ষা। দেখা গেছে, ৮৭ শতাংশ নারী ধূমপায়ী ও মদ্যপায়ী পুরুষের পক্ষেই ভোট দিয়েছেন। তবে তাঁরা একথাও স্পষ্ট জানিয়েছেন, দীর্ঘমেয়াদী প্রেম কিংবা বিয়ের ক্ষেত্রে, নেশা করেন না (কিংবা কম নেশা করেন), এমন পুরুষই তাঁদের পছন্দ।

মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের এই সমীক্ষা কপালে ভাঁজ ফেলেছে সমাজবিজ্ঞানীদের। ঐ গবেষকদলের প্রধান, স্টিভ টেলর বলছেন, ক্ষণস্থায়ী প্রেমের ক্ষেত্রে নারীরা নানা রকম অ্যাডভেঞ্চার করতে চান। নানারকম বেপরোয়া পদক্ষেপও করতে চান। সমীক্ষার ফলে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। তবে আশার কথা এটাই, অবচেতনে হলেও তাঁরা জানেন, যে কোনো মাদকই শরীর ও মনের ক্ষতি করে। তাই দীর্ঘমেয়াদী প্রেম বা সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাঁরা নেশাগ্রস্ত সঙ্গী বেছে নিচ্ছেন না। গবেষকদের দাবি, স্বল্পমেয়াদী সম্পর্কের ক্ষেত্রে অ্যাডভেঞ্চারের নেশায় মাদকের জালে জড়িয়ে পড়ছেন। পরবর্তীকালে আর সেই নেশার কবল থেকে বেরিয়ে আসতে পারছেন না। এই বিষয়টাই সবচেয়ে উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন স্টিভ।‌

১০ বছর পর জাহিদ-নোভা

১০ বছর পর আবারও একসঙ্গে নাটকে অভিনয় করলেন জাহিদ হাসান ও নোভা। ঢাকার অদূরে পুবাইলে ‘প্রিন্টিং মিসটেক’ নামের এই নাটকের শুটিং করতে গিয়ে জাহিদ হাসানের সঙ্গে খুব সুন্দর সময় কেটেছে বলেই জানিয়েছেন নোভা।

ঈদের জন্য নির্মিত ‘প্রিন্টিং মিসটেক’ নাটকটির নির্মাতা অরণ্য আনোয়ার। গত রোববার সারা দিন পুবাইলে নাটকটির শুটিংয়ে অংশ নেন জাহিদ হাসান ও নোভা।1ee4fefa56b3ee185fabfa87a8482f03-Zahid-Nova--3-

নোভা বলেছেন, ‘১০ বছর পর জাহিদ ভাইয়ের সঙ্গে অভিনয় করছি। ২০০৬ সালে অনিমেষ আইচের “প্রেম ও ঘামের গল্প” নাটকে সর্বশেষ একসঙ্গে অভিনয় করেছিলাম। এরপর আর আমাদের একসঙ্গে কোনো নাটকে কাজ করা হয়নি। আজ শুটিং করতে এসে হঠাৎ মনে হলো, কীভাবে যে জীবন থেকে ১০টি বছর পার হয়ে গেল! কিন্তু মনে হচ্ছে, এই তো সেদিন!’

নোভা আরও বলেন, ‘এই নাটকের গল্পটি যেমন খুব মজার, তেমনি পুরো শুটিংয়ের সময়ও আমরা অনেক আনন্দ করেছি। জাহিদ ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা আগেও খুবই মজার ছিল; অনেক কিছু জানতে পারতাম। এবার শুটিং করতে গিয়েও তেমনটাই উপলব্ধি করেছি।’ তিনি এও বলেন, ‘অনেক কিছু শিখলাম। আমাদের খুব সুন্দর একটা সময় কেটেছে। বহুদিন পর কোনো নাটকের সেটকে অনেক বেশি আপন মনে হয়েছে।’

‘আমি ইন্টারনেট ব্যবহার করি শুধু পর্ন দেখার জন্য’

বিতর্ক যেন সব সময় রাম গোপাল বর্মার সঙ্গে ছায়ার মতো চলে। যখনই তিনি প্রচারের আলোয় আসেন, কোনো না কোনো বিতর্ক তাঁর পিছু পিছু চলে আসে। নানা কারণে বিভিন্ন সময় তাঁকে ঘিরে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে বলিউডে। সম্প্রতি আরও একবার তিনি খবরের শিরোনামে, এবং ফের বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে।
সম্প্রতি মুম্বাইয়ের একটা নামী ওয়েবসাইটের সঙ্গে লাইভ চ্যাটের সময় রাম গোপাল বলেন, ‘আমি কোনো দিন এই ওয়েবসাইটের নাম শুনিনি। কারণ আমি ইন্টারনেট শুধুমাত্র পর্ন দেখার জন্য ব্যবহার করি। এই ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে অমার পরের ছবি ‘বীরাপ্পন’-এর  প্রচারের জন্য অনুরোধ করা হয়েছিল। তাই আমি এসেছি।’ এমনকী ওই ওয়েবসাইটে পূর্ব নির্ধারিত সাক্ষাত্কারও বাতিল করে দেন তিনি।
সাক্ষাত্কার দিতে চান না, ভাল কথা। ওয়েবসাইটের নাম শোনেননি তাও হতেই পারে! কিন্তু শুধুমাত্র পর্ন দেখার জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করেন- এ কথা যে কেন বললেন তা ‘রাম’-ই জানেন! এমনকী বিষয়টি নিয়ে আর কোনো মন্তব্যও করতে চাননি তিনি।

সূত্র: আনন্দবাজার

মাথা ঠান্ডা রাখার ১০টি সহজ উপায়

কেউ কেউ হঠাৎ রেগে যান, মাথা গরম হয়ে যায় অল্পতেই। আবার অনেকের রাগটা ধীরে ধীরে ওঠে। কিন্তু রাগলে পৃথিবী ওলটপালট করে দিতে পারার ক্ষমতা অনেকেই রাখেন। এতে কার কী উপকার হয় জানা নেই। তবে যিনি রাগেন, ক্ষতিটা তারই হয়।

মাথা ঠান্ডা রাখার উপদেশ সবাই দিয়ে থাকেন কিন্তু সব পরিস্থিতিতে মাথা ঠিক রাখা যায় না। আর রাগের মাথায় মানুষ অনেক সময় এমন কিছু বলে ফেলে বা করে ফেলে যার জন্য সারাজীবন আফশোস করেও আর কোন লাভ হয় না।   কিন্তু সফল না হলেও রাগ নিয়ন্ত্রণ করার কিছু সহজ উপায় অবলম্বন করা যেতেই পারে।

নীচে রইল তেমনই ১০টি উপায়

১) মাথা গরম হলেই যেখান আছেন, সেখান থেকে বেরিয়ে চলে যান। সব সময় হয়তো তেমন পরিস্থিতি থাকে না কিন্তু এটা করতে পারলে রাগের মাথায় অনেক ভুল কাজ করে ফেলা থেকে নিজেকে বাঁচাতে পারবেন। ২) মাথা গরম হলেই কানে হেডফোন গুঁজে গান শুনতে শুরু করুন। তারপর চোখ বুজে ডুবে যান সেই গানে। আর কোন ভাবনা মাথায় আসতেই দেবেন না।

৩) হাতের কাছে কাগজ থাকলে আঁকাআঁকি কাটতে শুরু করুন। মাথা যত ঠান্ডা হতে থাকবে, ততই দেখবেন ওই আঁকাআঁকি পালটে যাচ্ছে সুন্দর ছবিতে।

৪) কেউ কোন খারাপ কথা বলায় যদি রাগ হয় তবে চেঁচামেচি না করে ঠান্ডা মাথায় তাকে কঠিন কথা বলুন। মিষ্টি করেই কিন্তু সবচেয়ে সাংঘাতিক কথা বলা যায়।

৫) হাতের কাছে চকলেট অথবা আপনার খুব প্রিয় কোন খাবার রাখুন। মাথা গরম হয়ে গেলেই মুখে পুরে দিন। এগুলি হল মুড বুস্টার। যতই এর স্বাদ নেবেন, ততই আপনার মুড ভাল হতে থাকবে এবং রাগ কমবে। ৬) ফোনে গেম খেলতে শুরু করুন। রাগ কমাতে এটিও ভাল কাজে দেয়।

৭) খুব বেশি স্ট্রেসড লাগলে নির্জন কোণ বেছে নিন এবং তারপর রাগের কারণটি নিয়ে নিবিড়ভাবে ভাবতে থাকুন। আপনি কতটা খারাপ আছেন, আপনার উপর কত অন্যায়-অবিচার হচ্ছে এসব নিয়ে ভেবেই চলুন। ভাবতে ভাবতে একটা সময় হয় আপনি অত্যন্ত ভেঙে পড়বেন। নিজের উপর নিজেরই মমতা হবে। এই ক্যাথারসিসের পরেই আস্তে আস্তে মাথাটা ঠান্ডা হবে, মন হালকা হবে এবং রাগ কমে যাবে।

৮) যদি রাগ হওয়ার সময়ে বাড়িতে থাকেন, তবে দরজা বন্ধ করে সাজগোজ করুন। নিজেকে সবচেয়ে সুন্দর করে যেভাবে খুশি সাজান। মন ভাল হলে তবেই দরজা খুলবেন।

৯) কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ুন, সে বাড়ির কাজই হোক বা অফিসের কাজ। যে কারণে রাগ সেটি মাথা থেকে সরে গেলেই রাগ পড়ে যাবে।

১০) হাতের কাছে সব সময় সুগন্ধি রাখবেন। রাগ হলেই স্প্রে করবেন হাতে। সুন্দর অ্যারোমা নার্ভকে রিল্যাক্স করে। মন ভাল হয়ে যায়।

নজরুলের গানের অনুপ্রেরণায় নাটক

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের গানের অনুপ্রেরণায় নির্মিত হলো নাটক তবু আমারে দেব না ভুলিতে। নাটকটিতে অভিনয় করেছেন অভিনয়শিল্পী অপর্ণা ঘোষ ও আফরান নিশো। এটি নির্মাণ করেছেন তুহিন হোসেন। ‘আমি চিরতরে দূরে চলে যাব’ গানটির অনুপ্রেরণায় নাটকটি লিখেছেন সারওয়ার রেজা।
গতকাল বুধবার ভোর পর্যন্ত চলেছে নাটকের শুটিং। নাটকটিতে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা জানিয়ে নিশো বললেন, ‘গল্পটি দারুণ। তবে অভিনয়ের জন্য খুব অল্প সময় পাওয়া গেছে। আরও কিছু সময় পেলে ভালোমতো কাজ করা যেত। এর মধ্যেও যতটুকু হয়েছে দর্শকদের ভালো লাগবে বলেই বিশ্বাস।’
পরিচালক জানালেন, একটি গানের অনুপ্রেরণায় নাটকটি নির্মিত হলেও, নজরুলের আরও চারটি গান নাটকের বেশ কিছু জায়গায় ব্যবহার করা হয়েছে। অপর্ণা ও নিশো ছাড়া আরও অভিনয় করেছেন এ কে আজাদ, সোবা, চৈতী ও শ্রাবণ। নাটকটি প্রচারিত হবে আসছে নজরুলজয়ন্তীতে এনটিভিতে।

যিনি ঢাকার ছবিতে ঠিক সময়ে শুটিং এ আসেন না তাকেই কলকাতায় ঘুম থেকে উঠতে হতো ভোর ছয়টায়

কলকাতা থেকে শিকারি ছবির টানা শুটিং শেষ করে ৩ মে দেশে ফিরেছেন অভিনেতা শাকিব খান। এসেই শামীম আহমেদের বসগিরি ছবির শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার থেকে এই ছবির শুটিং শুরু হয়েছে। কলকাতায় শুটিংয়ের অভিজ্ঞতাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।

কেমন হলো ‘শিকারি’ ছবির শুটিং?
প্রায় ৪০ দিন একটানা কাজ করেছি। তবে শুটিং এখনো শেষ হয়নি। মাঝে বসগিরি ছবির জন্য আগেই শিডিউল দেওয়া ছিল। এ কারণেই দেশে আসা। যতদূর জানি বসগিরি ঈদুল আজহায় মুক্তি দেওয়া হবে। ২২ মে পর্যন্ত টানা বসগিরি ছবির কাজ হবে। ২৩ মে শিকারি ছবির শুটিং করতে যুক্তরাজ্যে রওনা হব।
কলকাতায় শুটিং অভিজ্ঞতা নিশ্চয় ভালো?
নতুন অভিজ্ঞতা হয়েছে। প্রতিদিন শুটিং শুরু হতো সকাল সাতটায়। এ কারণে ঘুম থেকে উঠতে হতো ভোর ছয়টায়। প্রতিটি দৃশ্য করার আগে মহড়া করতে হয়েছে। আর গানের শুটিংয়ের দুই দিন আগ থেকেই নাচের মহড়া। সবকিছুই নিয়মের মধ্যে। কাজও গোছানো। পেশাদার হলে যা হয় আর কি।
কিন্তু ঢাকার চলচ্চিত্রে এই পেশাদারত্বের অভাব কেন?
আমাদের এফডিসির নিয়মেই তো সমস্যা। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সকাল নয়টার আগে এফডিসির অফিস খোলে না। ফলে এফডিসি থেকে লাইট, ক্যামেরা বা কোনো কর্মীকে সকাল নয়টার আগে পাওয়া যাবে না। আমাদের শিল্পীদেরও দায়িত্ব আছে। কলকাতায় কাজ করতে গিয়ে দেখলাম, সেখানকার চেয়ে ঢাকার চলচ্চিত্রের মানুষের মেধা কম নয়। শুধু কারিগরি দিক থেকে কিছুটা পিছিয়ে আছি আমরা।
আপনার কলকাতার শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা কোনো কাজে আসবে কি?
মাঝে একবার উদ্যোগ নিয়েছিলাম। কিন্তু পারিনি। সামনে প্রযোজক সমিতির নির্বাচন হচ্ছে। নির্বাচনের পর প্রযোজক সমিতি ও শিল্পী সমিতি মিলে একটা নিয়মে আসতে চাইছি। এরই মধ্যে বসগিরি ছবির শুটিংয়ের প্রথম দিন থেকেই নিয়মটি চালু করে দিয়েছি।

অনেকই বলছেন, ‘বসগিরি’ ছবি থেকে অপু বিশ্বাসকে আপনি বাদ দিয়েছেন।
বিষয়টি ঠিক না। এই ছবির চরিত্রের জন্য শারীরিকভাবে এখনো প্রস্তুত হতে পারেননি বলে নিজ থেকেই তিনি সরে দাঁড়িয়েছেন। এটি একজন শিল্পীর ভালো দিক। আমি আর অপু বিশ্বাস ঢাকার চলচ্চিত্রে পরীক্ষিত ও জনপ্রিয় জুটি। ফলে ছবি থেকে তাঁকে বাদ দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। অপু চাইলে এখনো এই ছবিতে একসঙ্গে কাজ করব।

৬৬ সিনেমা হলে সগৌরবে শুভ-তিশা (হল লিস্ট)

প্রথমবার জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা আরিফিন শুভ ও নুসরাত ইমরোজ তিশা। অনন্য মামুন পরিচালিত ‘অস্তিত্ব’ ছবিতে বড় পর্দায় দর্শক তাদের দেখতে পাবেন। ছবিটি আজ (৬ মে) সারাদেশের ৬৬ সিনেমা হলে মুক্তি পেতে যাচ্ছে।

বিশেষ শিশুদের গল্প নিয়ে ছবিটি নির্মাণ হয়েছে। ছবির গল্প লিখেছেন কার্লোস সালেহ। চিত্রনাট্য ও সংলাপ যৌথভাবে লিখেছেন কার্লোস সালেহ, অনন্য মামুন ও সোমেশ্বর অলি।

আরিফিন শুভ ও তিশা ছাড়া ‘অস্তিত্বে’ আরো অভিনয় করেছেন নিঝুম রুবিনা, সুচরিতা, সুজাতা আজিম, কাবিলা প্রমুখ।

ছবির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন ইবরার টিপু, প্রীতম, নাভেদ পারভেজ ও আকাশ। গানগুলোর কথা লিখেছেন কবির বকুল, জাহিদ আকবর, মেহেদি হাসান লিমন, আরজিন কামাল ও প্রিয় চ্যাটার্জী। কণ্ঠ দিয়েছেন ইবরার টিপু, দিনাত জাহান মুন্নি, প্রীতম, লেমিস, নন্দিতা, তাসিন, আকাশ, তানভীর ও রুবায়েত উপমা।

ঢাকার যেসব সিনেমা হলে ‘অস্তিত্ব’ দেখা যাবে:
এশিয়া, স্টার সিনেপ্লেক্স, বলাকা, মধুমিতা, চিত্রামহল, আনন্দ,  মুক্তি, শ্যামলী, সনি, যমুনা ব্লকবাস্টার, পুনম,  সৈনিক ক্লাব, রানীমহল, শাহিন ও গীত।

ঢাকার বাইরে যেসব সিনেমা হলে ‘অস্তিত্ব’ দেখা যাবে:
চম্পাকলি (টঙ্গী), কাকলী (শেরপুর), কল্লোল (মধুপুরী), ফাল্গুনী (নাগরপুর), মধুমতী (ভৈরব), সেনা আডোটরিয়াম (সাভার), তিতাস (পটুয়াখালী), মনোয়ার (জামালপুর),  চিত্রালী (খুলনা), শাপলা (রংপুর), বনানী (কুষ্টিয়া), সংগীতা (সাতক্ষীরা), নবীন (মানিকগঞ্জ), রূপকথা (পাবনা), লালমনি (লালমোহন), সোনিয়া (বগুড়া), মুন (হোমনা), ছবিঘর (ঝিনাইদহ), কেয়া (টাঙ্গাইল), শাহিন (বল্লাবাজার), মডার্ন (দিনাজপুর),  শঙ্খ সিনেমা (খুলনা), রুনা (চালাকচর), আলিম সিনেমা (মঠবাড়িয়া), আলিম সিনেমা (খেপুপাড়া), নিউ মেট্রো (নারায়ণগঞ্জ), পুরবী (ময়মনসিংহ), অবসর (ভোলা), কানন (সাগরদিঘী), সাগরিকা (চালা), সাধনা (রাজবাড়ি), মৌসুমি (সিরাজগঞ্জ), চাঁদমহল (কাচপুর), দুলাল (ফেনী), গৌরী (শাজাহাত পুর), পান্না (মুক্তারপুর), রাজমনি (বোরহান উদ্দিন), ঝঙ্কার (পাঁচদোনা), হীরামন (নেত্রকোনা), হ্যাপি (লক্ষ্মীপুর), অভিরুচি (বরিশাল), উপহার (রাজশাহী), রাজ (কুলিয়ার চর), মধুমতী (কুমিল্লা), মণিহার (যশোর), বনলতা (ফরিদপুর), পূর্বাশা (শান্তাহার) ও চলন্তিকা (গোপালদি)।

13173932_1207185589321594_3173210321640770575_n

যে কারণে স্মার্ট মানুষেরাও হতে পারেন অসুখী

কখনো কি স্মার্ট মানুষদের অসুখী হওয়া দেখে অবাক হয়েছেন? কিন্তু এমনটা কেন হয় সেজন্য কখনো কি ভেবেছেন? সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাসের প্রফেসর রাজ রঘুনাথন এ বিষয়ে বেশ কয়েকটি তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, আমাদের জীবনের সন্তুষ্টি নির্ভর করে কয়েকটি বিষয়ের ওপর। আর এগুলোর কারণেই স্মার্ট মানুষ নিজেকে অসুখী ভাবতে পারেন। তিনি অনলাইনে একটি কোর্স চালু করেছেন, যেখানে শেখানো হয় সুখী হওয়ার উপায়গুলো। এছাড়া তার একটি বই রয়েছে এ বিষয়ে। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

আধুনিক জীবনযাপনের কারণে এখন মানুষের হাতে ক্রমাগত নানা গ্যাজেট আসছে। আর এসব গ্যাজেট মানুষকে সুখী নয় বরং অসুখী করতে তুলছে। যদিও বিষয়টি ঠিক সেভাবে হওয়ার কথা নয়। কিন্তু কী কারণে এমনটা হচ্ছে?

স্মার্ট ও সুখী হওয়ার ধারণা কতখানি আলাদা? স্মার্ট ও সুখী হওয়ার জন্য আমাদের কয়েকটি সাধারণ ধারণা রয়েছে, যা বিভিন্ন মানুষের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের। অনেকেই কোনো একটি পরিস্থিতিকে কিংবা পর্যায়কে সুখী বলে মনে করেন। তবে আমাদের স্কুলে এ সুখের সংজ্ঞা, সুখী হওয়ার উপায় কিংবা জীবনের সম্পূর্ণতা বিষয়ে কিছু শেখানো হয় না। এ কারণে সবাই সুখী হতে চায়। যদিও বাস্তবে ঠিক কোন বিষয়টিকে যে সুখী হওয়া বলে, তা সম্পর্কে কারোই ধারণা নেই। এ কারণে স্মার্ট বহু মানুষকেই সুখের পেছনে দৌড়াতে দেখা যায় এ বিষয়ে কোনো ধারণা ছাড়াই।

কখন প্রথম আপনার স্মার্টনেস বনাম সুখের উপলব্ধি হলো? এ প্রশ্ন করলে বহু মানুষই বলবেন, অর্থ, ক্ষমতা, খ্যাতি, সৌন্দর্য, স্ট্যাটাস ইত্যাদি অনেকের জন্যই সুখ আনতে পারে। যদিও এ বিষয়টি যে ভুল তা একসময় উপলব্ধি করা হয় সবারই। এক্ষেত্রে প্রফেসর রাজ রঘুনাথন বলেন, তিনি এ বিষয়টি উপলব্ধি করেছিলেন পিএইচডি করার পর। তিনি হঠাৎ করেই একটি প্রশ্ন  করলেন। তার জীবনের বহু বিষয় থাকলেও তা কী তাকে সম্পূর্ণ করেছে? তিনি দেখলেন তার বহু সহকর্মী ও পরিচিত মানুষের মনে এই একই প্রশ্ন রয়েছে। আর তাই সবার মনেই রয়েছে একটি অসম্পূর্ণতা।

কিন্তু কীভাবে এ অসম্পূর্ণতা দূর করা যায়? এ বিষয়ে প্রফেসর রাজ রঘুনাথন জানান, অসুখী হওয়ার কারণটি বের করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি যদি আপনার নিজের অসুখী হওয়ার কারণ নির্ণয় করতে পারেন তাহলে সমস্যার সমাধান করতে পারবেন সহজেই। অন্য কেউ যদি এ সমস্যায় পড়েন তাহলে তার সমস্যার কারণ নির্ণয় করুন। সমস্যা নির্ণয় করার পর দ্বিতীয় পর্যায়ে আপনার কাজ হবে সমস্যাটি স্বীকার করে নেওয়া। সমস্যাটি স্বীকার করে না নিলে তা কখনোই সমাধান হবে না। এক্সেত্রে আপনাকে যে বিষয়টি অসুখী করছে তার তথ্য সংগ্রহ করুন। এরপর তা দুই হাতে সমাধানের চেষ্টা করুন।

এক্ষেত্রে আপনার যদি নিজের অনুভূতির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা সম্ভব হয় তাহলে আপনি শিখে নিতে পারবেন যে, কিভাবে দুঃখ দূর করা যায়।