Tag Archives: Cinema

বাহুবলীকে হারিয়ে দিতে আসছে তানাজি

আসছে তানাজি। বুধবার প্রকাশিত হয়েছে ছবির প্রথম পোস্টার। আর প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে টুইটারে তাকে লক্ষ করে ভেসে এসেছে প্রবল উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা। মারাঠি ইতিহাসের উজ্জ্বল নাম তানাজি মালুসারে। প্রায় সাড়ে তিনশো বছর আগে সিনহাগাদের যুদ্ধে তাঁর প্রবল বিক্রম আজও কিংবদন্তি হয়ে আছে। সেই বীর যোদ্ধাকে এ বার রুপোলি পর্দায় নিয়ে আসছেন অজয় দেবগণ। ছবির পোস্টারে দেখা যাচ্ছে একটি ঢালের সাহায্যে আত্মরক্ষা করছেন তানাজি-বেশী অজয়। তাঁর ঢালে এসে ঠিকরে যাচ্ছে অসংখ্য তির।

একে কিংবদন্তি তানাজি, তায় অজয়ের মতো জনপ্রিয় অভিনেতা। দুয়ে মিলে তৈরি হয়েছে তুমুল উচ্চাশা। টুইটারে সুপার্ব, ইনটেন্স ইত্যাদি প্রতিক্রিয়া দিয়েছে সকলে। তবে সেরা কমেন্টটি নিঃসন্দেহে করেছেন একজন। যিনি বলেছেন, বাহুবলী কে? আমি কেবল তানাজিকে চিনি।

প্রসঙ্গত, বাহুবলীর তুমুল সাফল্যের পরে রাজারাজরা, তরবারি, ধনুক, তিরের আকর্ষণ বেড়ে গিয়েছে দর্শকদের কাছে। তবে বাহুবলী নিছকই কাল্পনিক চরিত্র। সেই জায়গায় তানাজি কিন্তু ঐতিহাসিক চরিত্র। তাই তাঁর আবেদন এক অন্য মাত্রায় দর্শকদের কাছে পৌঁছবে এ কথা বলাই যায়।

তবে বাহুবলী-এর দুটি ছবি যে ইতিহাস রচনা করেছে তাকে ছোঁয়া মোটেই সহজ হবে না কোনও ছবির পক্ষেই। কিন্তু সব সময়ই সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাজকে যে মাথায় রেখে স্বপ্ন রচিত হবে, সেও তো জানা কথাই। তাই দর্শকরা আশা করতেই পারেন, এই ছবি নতুন কোনও কীর্তি রচনা করবে। তানাজি সে আশা পূরণ করতে পারবে কি না, সেটা জানতে অবশ্য লম্বা অপেক্ষা করতে হবে। ওম রাউতের পরিচালনায় এই ছবি মুক্তি পাওয়ার কথা ২০১৯ সালে।

পূর্ণ দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিলো “দি ক্রিয়েটর’স্‌ ফিল্মস”

একটি উন্মুক্ত স্বাধীন শিল্প মাধ্যম গড়ার লক্ষ্য নিয়ে পথ চলা শুরু করেছিল “দি ক্রিয়েটর’স্‌ ফিল্মস”। সম্প্রতি ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে দি ক্রিয়েটর’স্‌ ফিল্মস এর প্রথম পূর্ণ দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের কাজ শুরুর ঘোষণা করা হয়। চলচ্চিত্র পরিচালনা করবেন নাহিদ হাসান। আর চলচ্চিত্রটির মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করবেন মডেল-অভিনেতা নিঝুম ফারুকী। চলচ্চিত্রের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দিন চুক্তি পত্রে স্বাক্ষর করেন তিনি।

চলচ্চিত্র প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পরিচালক নাহিদ হাসান বলেন, আমরা দর্শকদের জন্য একটি সারপ্রাইজ নিয়ে আসছি। প্রেম কাহিনী থেকে বের হয়ে আমরা একদম ভিন্ন কিছু করার চেষ্টা করবো। খুব শীঘ্রই চলচ্চিত্রের নাম ঘোষণা করা হবে।

অভিনেতা নিঝুম ফারুকী বলেন, আমার ইচ্ছা ছিল গতানুগতিক ধারা থেকে বের হয়ে এসে কাজ করার। আশা করি দর্শক তেমন কিছুই উপহার পাবে। এটি আমার প্রথম চলচ্চিত্র। তাই আমি সবার দোয়া ও সহযোগীতে চাচ্ছি।

এত দিন দি ক্রিয়েটর’স্‌ ফিল্মস নাটক, টেলিফিল্ম, শর্ট ফিল্ম নির্মাণের পাশা পাশি নতুনদের চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রশিক্ষণ প্রদানের কাজ করে যাচ্ছিল।

img_5975

বাংলায় বক্তব্য রাখলেন শাহরুখ খান

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনে এসেছিলেন শাহরুখ খান। অন্যদের মতো তাঁকেও মঞ্চে কিছু বলার আবেদন করেছিলেন অ্যাঙ্কর যিশু সেনগুপ্ত। আর নিজের বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাংলা ভাষার সাহায্য নেন বাদশা। হিন্দি নয়, ইংরেজি নয়, একেবারে বাংলা। বক্তব্যের শুরুতে যখন তিনি সে কথা বলেন সমস্ত অডিটোরিয়াম হাততালি আর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে। খুশি হন মঞ্চে উপস্থিত জয়া বচ্চনও। পরিণীতি চোপড়াও তাঁকে উৎসাহ দেন।

বক্তৃতা দিতে গিয়ে শাহরুখ এও বলেন, “জয়া আন্টি, আমি আপনাকে প্রমিস করেছিলাম আমি আজ রাতে বাংলাতে কথা বলব।” তারপরই বাংলায় বক্তব্য রাখতে শুরু করেন শাহরুখ। যদি কিছু ভুল-ত্রুটি হয়ে যায়, তাহলে সবাই যেন তাঁকে ক্ষমা করে দেয়, এই আবেদন করেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য শুরু করেন। “মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতি মমতা ব্যানার্জি উপস্থিত সকল সম্মানিত অতিথি এবং জুরি মেম্বারস বন্ধুগণ আপনাদের সবাইকে আমার নমস্কার।”

বক্তব্যের শুরুটা বাংলায় করলেও মাঝে তিনি ইংরেজিতেই কিছুক্ষণ কথা বলেন। তবে শেষ করেন তিনি বাংলাতেই বলেন, “আমি আগেও বলেছি, কলকাতা আমার প্রিয় শহর। কলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল আমার প্রিয় উৎসব।” হাসি আর হাততালি তো বটেই। সেই সঙ্গে শাহরুখ দর্শকের থেকে প্রচুর উৎসাহও পান।

পূর্ণিমার ফিটনেস চ্যালেঞ্জ

চিত্রনায়িকা হয়েও বর্তমানে সিনেমায় নেই পূর্ণিমা। আছেন নাটকে। বিশেষ দিনগুলোর জন্য নির্মিত নাটকের প্রিয়মুখ এখন তিনি।

উৎসব মানেই যেন টিভি পর্দায় পূর্ণিমা অভিনীত নাটক। কিন্তু মনেপ্রাণে যে সিনেমার লোক, টিভি পর্দায় সে কতটা পূর্ণতা পাবে? তাই প্রায় তিন বছর পর নিয়মিত সিনেমায় শুটিংয়ে ফেরার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এ নায়িকা। ভালো গল্প আর চরিত্র পেলে অবশ্যই সিনেমার শুটিং করতে চান তিনি। এ জন্য যাবতীয় প্রস্তুতিও নিতে রাজি বলে জানিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে পূর্ণিমা বলেন, ‘আমার শুরুটা চলচ্চিত্র দিয়ে। মনেপ্রাণে আমি চলচ্চিত্রেরই মানুষ। তাই এ পরিবারের সঙ্গেই থাকতে চাই। মানসিকভাবে চলচ্চিত্রের শুটিং করতে পুরো প্রস্তুত আছি আমি।’ মানসিক প্রস্তুতির বাইরে শারীরিকভাবে ফিট থাকাও আবশ্য। এদিক থেকে ফিট আছেন তো? প্রশ্নের উত্তরে পূর্ণিমা বলেন, ‘এখন সিনেমার জন্যই প্রস্তুত হচ্ছি। উৎসাহ পেলে মাত্র দুই মাসের মধ্যেই সিনেমার চরিত্র অনুযায়ী নিজেকে ফিট করে তুলতে পারব। আগে দরকার মনের মাঝে তুমির মতো ভালো গল্প ও চরিত্রের ছবি।’

মোট কথা সিনেমায় নামতে প্রস্তুত হচ্ছেন পূর্ণিমা। ভক্তরাও চাচ্ছেন তাদের এ স্বপ্নের নায়িকা আবারও ফিরুক প্রেক্ষাগৃহে।

সোহানুর রহমান সোহানের ‘লোভে পাপ পাপে মৃত্যু’ নামের ছবিতে সর্বশেষ কাজ করেছেন পূর্ণিমা। ছবিটি ২০১৪ সালে মুক্তি পায়। এরপর মিষ্টি মেয়েখ্যাত এ নায়িকাকে সিনেপর্দায় আর দেখা যায়নি।

ফের নিজেকে বদলে ফেললেন শাকিব খান

শাকিব চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসেন। জাজ ও এসকে মুভিজের একটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হন এই ঢাকাই ছবির তারকা। দ্রুত চেঞ্জ করে ফেলেন নিজের লুক।  পরিশ্রম কি না পারে? শাকিব টানা পরিশ্রম করে নিজের ফিগার আকর্ষণীয় করতে সক্ষম হন। ‘শিকারী’ ছবির মাধ্যমে শাকিব নিজেকে নতুনভাবে উপস্থাপন করেন। ভক্তরাও মুগ্ধ হন শাকিবের নতুন চেহারায়। শিকারী ছবিটিও গত রোজার ঈদে এ দেশের শীর্ষ ব্যবসাসফল ছবির তালিকায় স্থান করে নেয়।

এর পরই শুভশ্রীর সাথে নতুন একটি যৌথ প্রযোজনার ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হন। নবাব নামের এই ছবিটির শুটিং শুরু হবে চলতি মাসের ১৬ তারিখ থেকে। কক্সবাজারে প্রথম ধাপের শুটিং এর জন্য ইতিমধ্যে সকল প্রস্তুতিও সম্পন্ন হয়েছে। সব খবরই পুরাতন তবে নতুন খবর হলো নবাবেও পালটে যাচ্ছেন শাকিব। শাকিব যে আসলেই কিং তা তিনি ভেঙেচুরে দেখাতে চান। আর ছবির গল্পও হয়ত তাই চায়। তাই নিজেকে বদলে ফেলা। যৌথ প্রযোজনার ছবি ‘নবাব’ এর জন্য নতুন লুক তৈরি করছিলেন তিনি। ওজনও কমিয়েছেন ১০ কেজি। ১৫ নভেম্বর কক্সবাজারে শুরু হবে বাবা যাদব ও আব্দুল আজিজের এই ছবির শুটিং।

পাইরেটেড ‘আয়নাবাজি’ না দেখার অনুরোধ নির্মাতাদের

মোবাইল টেলিকম অপারেটর রবি টিভিতে প্রদর্শনের পর ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে বিপুল ‘আয়নাবাজি’র পাইরেটেড কপি। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের অনলাইন তৎপরতায় পাইরেসি সীমিত করা হলেও সম্ভব হয়নি পুরোপুরি প্রচার বন্ধ করা।  পাইরেটেড ‘আয়নাবাজি’ না দেখার আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন নির্মাতারা।  আজ দুপুরে ফেসবুক লাইভে আসেন নির্মাতা রেদওয়ান রনি। তিনি দর্শকদের অনুরোধ জানান, পাইরেটেড কপি না দেখার জন্য।  বাংলা চলচ্চিত্রকে বাঁচাতে চাইলে হলে গিয়ে ছবি দেখার বিনীত অনুরোধ জানান এই নির্মাতা।

নির্মাতা ওয়াহিদ আনাম লিখেছেন,’আয়নাবাজি এমনই একটা সিনেমা, যেটা আবারও প্রমাণ করে দিলো- So Called Commercial সিনেমা বলতে কিছুই নেই। গল্প আর অভিনয় সুপারহিট, তো সিনেমা সুপারহিট। আয়নাবাজির মত একটা সিনেমা যদি পাইরেসির মুখে পরে, তাহলে সেটা আমাদের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জন্য ভয়ানক ক্ষতিকর হবে। আপনাদের হাতে যদি পাইরেসি ভার্সন চলেও আসে, তাহলে সেটার প্লে বাটন এ চাপ দেবার আগে নিজের বিবেককে একবার জিজ্ঞেস করে দেখবেন যে আপনিও দেশের এই ক্ষতিটা করতে অংশীদার হতে চান কিনা…?? আশা রাখছি উত্তর অবশ্যই “না” হবে। কারণ সিনেমা তো হল এ বসে দেখবার জায়গা, চোরের মত চুরি করে নয়। যে চুরি করে সে তো অবশ্যই চোর আর যে যেনেশুনে চুরি করা জিনিস ব্যবহার করে সেও কিন্তু এক ই…!

মেজবাহ উদ্দিন সুমন লিখেছেন,’একটা বিশাল প্রজন্মই তৈরি হয়েছে যাদেরকে আপনি ক্রেন দিয়ে টেনেও হলে নিতে পারবেন না…এদেরকে আপনি হলে যতো ভালো ছবিই দেন না কেনো..এরা ডাউনলোড লিংক এর অপেক্ষায় যমের অরুচি হয়ে বসে থাকবে…।’

‘সম্রাট’ ছবির নির্মাতা মোস্তফা কামাল রাজ লিখেছেন,’পাইরেসি বন্ধ করতে আমরাই পারি। আমি পাইরেসি মুভি দেখবো না তাহলেই হবে।’

‘এক কাপ চা’ ছবির নির্মাতা নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল লিখেছেন,’আমরা সবাই আসুন পাইরেসির বিরুদ্ধে ঐক্য বদ্ধ হই ।আয়নাবাজি ছবির পাইরেসির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করি ।আমরা সবাই সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ করি পাইরেসির বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যাবস্থা নেওয়ার জন্য ।আর সকল দর্শকে বলবো আপনারা হলে গিয়ে ছবিটা দেখবেন ।অনেক কষ্ট করে একটা ছবি তৈরি করে একজন পরিচালক ,প্রযোজক ।প্লিজ এদের শ্রম মেধা এবং আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবেন না ।সবাই হলে গিয়ে ছবি দেখি .ভালো ছবি দেখি এবং সবাইকে পাইরেসির বিরুদ্ধে সচেতন করি ।……,জয় হোক বাংলা ছবির .জয় হোক আয়নাবাজির।’

নির্মাতা আশফাক নিপুন লিখেছেন,’আমি আয়নাবাজি দেখেছি দুইবার, কালকে আবার দেখতে যাব শুধু এটা বোঝানোর জন্য যে পাইরেসি করে আমাদের ছবিকে ঠেকাতে পারবে না। মানুষ ঘর থেকে বের হয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে টিকেট কেটে দেখেছে, প্রয়োজন হলে আরো দশবার দাঁড়াবে। কয়েকজন ক্রিমিনাল এর কারণে আমাদের দেশের ছবি মুখ থুবড়ে পড়ে যাবে না।…যারা যারা যেখানেই দেখবেন আয়নাবাজির পাইরেসি হচ্ছে সাথে সাথে নির্মাণ সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানিয়ে দিন।

প্রথম লুকেই চমকে দিল ‘বাহুবালী ২’

মুক্তি পেয়েছে বলিউডের সাড়া জাগানো সিনেমা ‘বাহুবালী’র সিক্যুয়াল ‘বাহুবালী ২: দ্য কনক্লুশন’র মোশন পোস্টার।

সুপার ডুপার হিট ‘বাহুবলী’র সিক্যুয়াল এই ছবিটি মুক্তি পাবে আগামী বছরের ২৮ এপ্রিল।

কিন্তু ছবি মুক্তির প্রায় ছয় মাস আগে থেকেই ছবি নিয়ে যে রকম উদ্দীপনা শুরু হয়েছে তাতে দর্শকদের মতে ফের আরও একবার ‘বাহুবলী টাইম’ শুরু হয়ে গিয়েছে।

শনিবার মুম্বাই ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের (মামি) মঞ্চে ছবির পরিচালক এস এস রাজামৌলি এই পোস্টার প্রকাশ করেছেন।

পোস্টারে বিধ্বস্ত চেহারায় পেশীবহুল প্রভাস। ডান হাতে খোলা তলোয়ার, বাম হাতে মোটা শিকল জড়ানো। ঝড়, বৃষ্টি, বজ্রপাত ভেদ করে নিকষ কালো ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে বেড়িয়ে আসছেন স্বয়ং বাহুবালী।

যে বলিউড তারকারা পর্দায় কখনোই চুমু খাননি!

বলিউড সিনেমায় বিকিনি দৃশ্য কিংবা ঘনিষ্ঠ দৃশ্য এখন ডালভাত হয়ে গেছে। খুল্লাম-খুল্লা সিনেমার যুগেও অনেক বলিউড তারকা আছেন যারা কখনোই অনস্ক্রিন চুমু খাননি। তেমন কয়েকজনের কথা জেনে নিন :

ফাওয়াদ খান : ‘নো কিসিং অনস্ক্রিন’ ক্লাবের নয়া সদস্য পাক অভিনেতা ফাওয়াদ খান। তার মতে, পাক ফ্যানরা তাকে এই ‘অবতারে’ হয়ত গ্রহণ করতে পারবেন না। তাই ফ্যানদের জন্যই তার এমন নীতি।

আসিন : চুমুতে চরম অনাগ্রহ রয়েছে দক্ষিণী অভিনেত্রী আসিনেরও।

আলি জাফর : ‘লন্ডন’, ‘নিউ ইয়র্ক, প্যারিস’ ছবির জন্য পর্দায় লিপ-লকের কথা ছিল তার। কিন্তু তিনি অস্বীকার করায় অবশেষে কিসিং সিনের জন্য জাফরের বডি ডাবলের দারস্থ হন পরিচালক।

তামান্না ভাটিয়া : শুধু লিপ-লকই নয়, বিকিনি পরা থেকেও শত হস্ত দূরে থাকেন তামান্না।

তুষার কাপুর : সেক্স কমিডিতে যতই মুখ দেখান না কেন অনস্ক্রিন চুমুতে মোটেই রাজি নন তুষার কাপুর।

সালমান খান : ব্যক্তিগত জীবনে প্রেমকুমার হলেও পর্দায় এক্কেবারে গুড বয় ভাইজান। রোমান্টিক দৃশ্য অবধি ঠিক আছে। কিন্তু পর্দায় চুমু? কখনোই না!

সোনাক্ষী সিনহা : প্রথম হিরো দাবাং খানকেই নিজের আদর্শ বানিয়েছেন সোনাক্ষী। তিনিও নিজের ‘নো-কিস’ নীতি রীতিমতো মেনটেইন করেন। হ্যাঁ, ‘হলিডে’ ছবিতে ঘনিষ্ঠ দৃশ্য অবধি এগিয়েছিলেন ঠিকই। কিন্তু ওই পর্যন্তই।

শিল্পা শেঠি : রিচার্ড গেরের সঙ্গে অপ্রত্যাশিত পাবলিক লিপ-লক ছাড়া আর কখনও পর্দায় চুমু খেতে দেখা যায়নি শিল্পাকে।

রিতেশ দেশমুখ : ‘জানে কাহা সে আয়ি হ্যায়’ ছবির শুটিংয়ের সময় জ্যাকুলিন ফার্নান্ডেজকে কিস করতে প্রথম অস্বীকার করেছিলেন রীতেশ। পরেও আর কোনো ছবিতে লিপ-লক করেননি তিনি।

প্রেমে না পড়ার চুক্তিতে টাইগারের নায়িকা!

বলিউড হার্টথ্রব টাইগার শ্রফের নায়িকা হিসেবে ‘মুন্না মাইকেল’ ছবির মাধ্যমে অভিষেক হচ্ছে নিধি আগারওয়ালের। চমকপ্রদ ব্যাপার হলো, সেটে কিংবা বাইরে চিত্রায়ন শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারও প্রেমে পড়তে পারবেন না তিনি! তাই ছবিটিতে কাজ করার জন্য প্রেম করা যাবে না এমন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন এই তরুণী।

গত সপ্তাহে নাচনির্ভর ছবিটির চিত্রায়ন শুরু হয়। নিধি যোগ দেবেন আগামী ৮ অক্টোবর। তিনি বললেন, “চুক্তিনামাটি দু’বার পড়তে হয়েছে বিশ্বাস করার জন্য। তবে আমার সত্যিই কোনো সমস্যা নেই। বুঝতে পারছি নির্মাতারা আমার কাছ থেকে শতভাগ আন্তরিকতা পেতেই এমন শর্ত দিয়েছেন। আমার মনে হচ্ছে, তারা এই শর্ত জুড়ে দিয়েছেন কারণ সহশিল্পীর সঙ্গে প্রেম প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রচারণার সহজ প্রবণতা। এটা ছবি থেকে মনোযোগ সরিয়ে দেয়।”

যোগ করে নিধি বললেন, ‘এখন আমাকে মোবাইল ফোন ছেড়ে চার ঘণ্টা করে মহড়া করতে হবে। এতে সুবিধেই হবে। কে কল করলো তা নিয়ে ভাবতে হবে না! এটা অবশ্য পাঁচ-ছয় মাসের ব্যাপার। আমি এর সঙ্গে মানিয়ে নেবো।’

এদিকে শুধু অভিনেত্রীর জন্য এই শর্তের কারণ জানাতে গিয়ে ছবিটির প্রযোজক ভিকি রজনী বলেন, ‘টাইগার ইতিমধ্যে তারকা বনে গেছে। আর এ ছবির মাধ্যমে নিধির অভিষেক হবে। ও প্রতিভাবান মেয়ে। আমরা ওর মধ্যে প্রয়োজনীয় সম্ভাবনা দেখেছি। আমরা চাই না সে বিভ্রান্ত হোক। শর্তটি তার জন্য ভালোই হবে।’

তারকাদের জন্য সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে উদ্ভট শর্ত মনে করা হচ্ছে এটাকে। বলিউডে এমন ঘটনা বিরল। সম্ভবত সর্বকালের সবচেয়ে আলোচিত চুক্তি! এ ঘটনা বলিউডে ‘পুরুষ-প্রাধান্য’ বিতর্ককে আরেকবার জাগিয়ে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শর্তটিতে বৈষম্য কিংবা পুরুষ-প্রাধান্য ব্যাপার আছে বলে মনে করেন কি-না জানতে চাইলে প্রযোজক বলেন, ‘দেখুন আমরা কিন্তু ওর মাথায় বন্দুক তাক করে চুক্তিতে সই করাইনি। ও নিজে থেকেই রাজি হয়েছে। এটা ওর জন্য বড় সুযোগ। ফেব্রুয়ারির মধ্যে কাজটা শেষ হয়ে যাবে।’

কিক করার আগে কনফিডেন্স ছিল না জ্যাকলিনের

কিক ছবিতে অভিনয়ের আগে অনেক ছবিই করে ফেলেছিলেন তিনি। কিন্তু কনফিডেন্স আসে কিক ছবি থেকেই। জানিয়েছেন জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ।

তিনি বলেছেন, কিকের অফার পেয়ে তিনি উচ্ছ্বসিত ছিলেন। ছবি রিলিজের পর পর অনেক কিছুই পালটে গেছে। তাঁর মধ্যে কনফিডেন্স বেড়েছে।  আমি বুঝতে পারি, কিকের আগে আমি কোথায় ভুল ছিলাম। তখন আমার মধ্যে কোনও কনফিডেন্স ছিল না। একমাত্র সেটাই আমার সমস্যা ছিল। বলেছেন জ্যাকলিন।

২০১৪ সালে রিলিজ করে কিক। বক্স অফিসে ছবিটি ভালোই সাড়া ফেলেছিল। জ্যাকলিনের অভিনয়ও প্রশংসিত হয়েছিল। কিকের আগে তিনি রেস ২, হাউজ়ফুল ২-এর মতো ছবি করেছিলেন। কিন্তু জ্যাকলিনের মতে কিকের পরে তিনি যে সব ছবিতে সই করেছেন, সেখানে তাঁর কনফিডেন্স লেভেল ছিল অনেক বেশি। তিনি নিজে সেটা উপলব্ধি করতে পেরেছেন।

জ্যাকলিন এর পর দেখা দেবেন ফ্লাইং জাটে। সেখানে টাইগার শ্রফের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতে দেখা যাবে তাঁকে।

ইমতিয়াজের নতুন সিনেমার শুটিংয়ে শাহরুখের ছবি প্রকাশ

এ বছর একটি মাত্র সিনেমা ভক্ত দর্শকদের উপহার দিয়েছেন বলিউড কিং শাহরুখ খান। ‘ফ্যান’ ছবির পর এই বছরেই তার ‘রইস’ ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। তবে শুটিংয়ে আহত হওয়ার কারণে মুক্তির তারিখ পিছিয়ে আগামী বছরের প্রজাতন্ত্র দিবসে ছবিটি মুক্তি দিতে যাচ্ছেন তিনি। কিছুদিন আগে গৌরি শিন্ডের ‘ডিয়ার জিন্দেগি’ ছবিতে আলিয়া ভাটের সঙ্গে শুটিং শেষ করেছেন এসআরকে। এক মাসের বিরতির পর আবারও নতুন ছবির কাজে ব্যস্ত হলেন বাদশাহ খান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ পেল তার শুটিং মুহূর্তের ছবি।

শাহরুখ তার নতুন ছবির শুটিং করছেন প্রাগে। ইমতিয়াজ আলীর নতুন ছবি ‘দ্য রিং’-এ তিনি জুটি বেঁধেছেন ‘সুলতান’ নায়িকা আনুশকা শর্মার সঙ্গে। প্রাগে শুটিংয়ের কিছু ছবি ইনস্টাগ্রামে আপলোড করেছেন শাহরুখ ভক্তরা।

‘দ্য রিং’ ছবির মাধ্যমেই প্রথমবারের মতো শাহরুখ ও আনুশকার সঙ্গে কাজ করছেন পরিচালক ইমতিয়াজ আলী। নির্মাতা সূত্রে জানা গেছে, ‘দ্য রিং’ ছবিটি রোমান্টিক ঘরানার। এই প্রসঙ্গে ছবির নায়িকা আনুশকা বলেন, ‘শাহরুখ খানের সঙ্গে আমি সব সময়ই রোমান্টিক ছবি করতে চেয়েছি। কিন্তু আগের দুই ছবিতে সে সুযোগ কম ছিল। কিন্তু ইমতিয়াজ আলীর এই ছবি সত্যিকারের প্রেমের ছবি। ইমতিয়াজ আলী প্রেমের বিষয়টি চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেন পর্দায়।’

এটি আরেক কেলেঙ্কারি

গতকাল শুক্রবার মুক্তি পেয়েছে মাস্তানি ছবিটি। এতে অভিনয় করেছেন মৌসুমী হামিদ। কিন্তু ছবির কোনো কোনো পোস্টারে মৌসুমীকে ঠিক চেনা যায় না। এর কারণ জানতেই কথা হলো এই অভিনেত্রীর সঙ্গে।

কী করছেন এখন?

এখন পারলারে আছি। কোরবানির ঈদের নাটক নিয়ে ইদানীং ব্যস্ত। শুটিংয়ের কারণে নিজের যত্ন নেওয়ার তেমন একটা সময় পাই না। তাই আজ (শুক্রবার) নিজের জন্য সময় বের করেছি। কোনো শুটিং রাখিনি।

‘মাস্তানি’ নামে আপনার অভিনীত একটি ছবি মুক্তি পেয়েছে। কিন্তু এ নিয়ে আপনার কোনো উচ্ছ্বাস দেখছি না। আপনি কি এ ব্যাপারে অবগত নন?
এই ছবি নিয়ে আমার কোনো উচ্ছ্বাস নেই। ছবিটি নিয়ে আমি কোনো কথাও বলতে চাই না। আমি খুবই বিরক্ত। আমার ডাবিং অন্যজনকে দিয়ে করানো হয়েছে। আমি কিছু জানিই না। পরিচালক ফিরোজ খান বলছেন, আমি নাকি বিদেশে ছিলাম, এ জন্য অন্যকে দিয়ে করানো হয়েছে। আমি তো মাত্র ছয় দিন দেশের বাইরে ছিলাম। পরিচালকের কথাবার্তা আমার কাছে রহস্যজনক মনে হয়েছে।
সিনেমার পোস্টারের ছবির সঙ্গে আপনার চেহারা মিললেও পোস্টারে আপনাকে কেমন যেন দেখাচ্ছে! আপনি কি ছবির সেই পোস্টারটি দেখেছেন?
হ্যাঁ, দেখেছি তো। এটা আরেক কেলেঙ্কারি। আমার কাছে মনে হয়েছে প্রযোজক-পরিচালক মিলেই ঘটনাটি ঘটিয়েছেন। আমি বিষয়টি নিয়ে তাঁদের প্রশ্ন করেছিলাম। তাঁরা বলেন, আমার স্টিল ছবি (আলোকচিত্র) খুঁজে পাওয়া যায়নি। আবার বলেন, পরিবেশকেরা এটি করেছেন। অথচ শুটিংয়ের সময় কিন্তু অনেক ছবি তোলা হয়েছিল।
তাহলে এই ছবির পরিচালক কিংবা প্রযোজকের বিরুদ্ধে এসব কাণ্ডের জন্য কি কোনো পদক্ষেপ নেবেন আপনি?
এটা আসলে এমন একটা ঘটনা, যা নিয়ে আমার কিছুই বলার নেই। আমি আমার অভিনয়জীবনের এই অধ্যায়টা ভুলে যেতে চাই। এই ছবির কথা মনেও রাখতে চাই না। কারও বিরুদ্ধে কোনো কঠোর পদক্ষেপ নিতে চাই না।