Tag Archives: dhallywood news

রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে মালেক আফসারীর অন্তর জ্বালা’

বিজয় দিবস উপলক্ষে আগামী ১৫ ডিসেম্বর দেশব্যাপী মুক্তি পেতে যাচ্ছে মালেক আফসারীর অন্তর জ্বালা’। পরীমনি ও জায়েদ খান অভিনীত প্রাথমিকভাবে সারা দেশের ১৭৫ প্রেক্ষাগৃহে দেখানো হবে ছবিটি। পরে প্রেক্ষাগৃহের সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে। ‘অন্তর জ্বালা’র পরিচালক মালেক আফসারী নিজেই এসব তথ্য জানান।

সেই হিসেবে দেশের সবচেয়ে বেশি প্রেক্ষাগৃহে ছবি মুক্তি দিয়ে নতুন রেকর্ড গড়তে যাচ্ছেন পরিচালক মালেক আফসারী। এর আগে যে রেকর্ডটি ছিল আরেক নামি চলচ্চিত্র নির্মাতা বদিউল আলম খোকনের ঝুলিতে। তাঁর ‘রাজাবাবু’ ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল ১৬৪টি হলে। সেটি টপকে নতুন রেকর্ডের পথে পরীমনি-জায়েদ জুটির ‘অন্তর জ্বালা’

ছবি নিয়ে মালেক আফসারি বলেন, ‘চলচ্চিত্রাঙ্গনে নানা অস্থিরতার বিরাজ করছিল। সেজন্য এতদিন মুক্তি দেইনি। এখন পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ায় মুক্তি দিতে যাচ্ছি। এবার আর তারিখ পরিবর্তন হবে না।’

নায়ক মান্নার পরিবেশনা সংস্থা কৃতাঞ্জলি চলচ্চিত্র থেকে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘অন্তর জ্বালা’। ছবিতে পরীমনি এবং জায়েদ খান ছাড়াও অভিনয় করছেন নবাগত জয় চৌধুরী, মৌমিতা মৌ, প্রয়াত খল অভিনেতা মিজু আহমেদ, সাঙ্কু পাঞ্জা, রেহেনা জলী, বড়দা মিঠু ও চিকন আলী।

Advertisements

শাবানার সমালোচনায় তসলিমা নাসরিন

দীর্ঘদিন ভারতে নির্বাসিত জীবনযাপন করছেন বিতর্কিত বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিন। সেখান থেকেই বিভিন্ন সময় বাংলাদেশের নানা ইস্যু নিয়ে স্ট্যাটাস দিয়ে বা নানা জায়গায় মন্তব্য করে আলোচনায় আসেন তিনি। বরাবরই বেছে নেন ‌‘হট টপিকস’।

এবার তিনি ঢাকাই ছবির জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবানার সমালোচনা করলেন। আজ ১৯ জুলাই নিজের ব্যক্তিগত ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাস দেন তসলিমা। সেখানে এই অভিনেত্রীর কঠোর সমালোচনা করেন।

তিনি লিখেছেন, “শাবানা এতকাল পরপুরুষকে আলিঙ্গন করে, তাদের সঙ্গে কোমর দুলিয়ে নেচে যে ‘পাপ’ কামিয়েছেন, তা মোচন করতে হজে যাচ্ছেন, মসজিদ মাদ্রাসা বানাচ্ছেন।’

প্রায় এক যুগ আগে শাবানা মুসলমানের দেশ ত্যাগ করে ইহুদি নাসারাদের দেশ যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য চলে গেছেন বলেও তসলিমা জানান।

তসলিমা তার স্ট্যাটাসে লেখেন, বাংলাদেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবানা এখন আর অভিনয় করেন না, এখন তিনি বোরখা পরেন। ইসলামের গভীর জলে শরীর মন সব ডুবিয়ে দিয়েছেন এবং মুসলমানের দেশ ত্যাগ করে ইহুদি নাসারাদের দেশ যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় একযুগ আগে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য চলে গেছেন। তবে দেশে ফিরে ক’দিন আগে দেশের মানুষের জন্য একটি মসজিদ আর কোরান শিক্ষার ইস্কুল বানিয়ে দিয়েছেন।

তিনি নিশ্চিতই বেহেশতে যেতে চান। এতকাল অভিনয় করে, পরপুরুষকে আলিঙ্গন করে, তাদের সঙ্গে কোমর দুলিয়ে নেচে যে ‘পাপ’ কামিয়েছেন, তা মোচন করতে নামাজ রোজা তো করছেনই, হজে যাচ্ছেন, মসজিদ-মাদ্রাসা বানাচ্ছেন।’

স্ট্যাটাসে আরও বলা হয়, ‘টাকা থাকলে আমাদের দেশের বেহেস্তলোভী মূর্খগুলো ঠিক এই কাজই করে। মহল্লায় মহল্লায় এখন শত শত অপ্রয়োজনীয় মসজিদ। এই মসজিদগুলোর খুতবা শুনে শুনে ছেলেরা বিপথে যাচ্ছে, জিহাদি হচ্ছে, যুক্তিবাদিদের, মানববাদিদের, অমুসলিমদের, নারীদের ঘৃণা করা শিখছে।

মাদ্রাসায় আকছার ধর্ষণও হচ্ছে। বাংলাদেশের মসজিদ মাদ্রাসাগুলোয় কী শেখানো হয়, কী হয়- তা লক্ষ রাখার জন্য কোনো সরকারি ব্যবস্থা নেই। একটা রুগ্ন, পঙ্গু, অসুস্থ, দুর্বল, বিকৃত, লোভী, স্বার্থপর প্রজন্ম তৈরি করার জন্য মসজিদ মাদ্রাসার ভূমিকা অপরিসীম।’

তসলিমা শাবানাকে নিয়ে তার স্ট্যাটাসে আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে বাসই শুধু করেন শাবানা, ভালো কিছু শেখেননি ওখানে। যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ধনীদের দানের টাকায় চলে। আপনার টাকা পয়সা প্রচুর। আপনি কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে দিন। বাংলাদেশে কোরান শিক্ষার ইস্কুলের অভাব নেই, অভাব বিজ্ঞান শিক্ষার ইস্কুলের। অভাব ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র, নারী স্বাধীনতা, সমানাধিকার, মানবাধিকার, ইত্যাদি ভালো জিনিস শেখার ইস্কুলের। দেশের ভালো চাইলে ছেলেদের নারীবিদ্বেষী মোল্লা আর জিহাদি জঙ্গি না বানিয়ে মানুষ বানানোর চেষ্টা করুন।”

এই স্ট্যাটাস ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে তুমুল তর্ক-বিতর্ক। তসলিমা নাসরিনের স্ট্যাটাসের নিচেও অনেকে স্ট্যাটাসটির সমালোচনা করছেন। তবে বেশিরভাগ মন্তব্যই তসলিমাকে সমর্থন দিয়ে।

শাকিবের ওপর নিষেধাজ্ঞায় কার লাভ?

শাকিবের সঙ্গে কাজ করবেন না চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ১৬টি সংগঠন নিয়ে গঠিত চলচ্চিত্র ঐক্যজোট বা চলচ্চিত্র পরিবারের কোনো সদস্য। সম্প্রতি লিখিত আকারে এমন কথাই জানিয়েছেন ঐক্যজোটের নেতারা। এমন ঘোষণার পরই ফুঁসে উঠেছেন শাকিব ভক্তরা। শুধু ভক্তরাই নন, একই পরিবারের অনেক সদস্যও এমন সিদ্ধান্তের বিপক্ষে মত দিয়েছেন। তবে নিষেধাজ্ঞার ভয়ে তারা মুখ খুলতে পারছেন না। তাদের কথা হচ্ছে, যারা এখন শাকিব খানের সঙ্গে কাজ না করার সিদ্ধান্তের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সে পরিচালকরা এক সময় শাকিব খানকে দিয়ে ডজন ডজন ছবি বানিয়েছেন। তখন শাকিব তাদের কাছে ভালো ছিলেন। কারণ শাকিবের শিডিউল তারা পেতেন। তখন তাদের কারণে নতুন কোনো ডিরেক্টর শাকিবের শিডিউল পেতেন না। তখন তো তারা শাকিবের বিরুদ্ধে নামেননি? অনেকে আবার শাকিবের সঙ্গে কাজ না করার সিদ্ধান্তকে ‘মাথাব্যথা বলে মাথা কেটে ফেলার মতো অবস্থা’ বলে মন্তব্য করছেন। এখন কথা হচ্ছে, শাকিব খানের সঙ্গে কাজ না করলেই সমস্যার সমাধান হবে? যারা এখন শাকিব খানকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন তাদের একটু ভাবা দরকার চলচ্চিত্রের কত বড় ক্ষতি তারা ডেকে আনছেন। শাকিব খান বর্র্তমানে ব্যবসাসফল ছবির নায়ক। কিন্তু এ মুহূর্তে তাকে দূরে ঠেলে দেয়া হবে চরম বুদ্ধিহীনতার পরিচয়- এমনটাও বলছেন চলচ্চিত্রবোদ্ধারা। তারা বলছেন, সবাইকে মনে রাখতে হবে চলচ্চিত্র পরিবারের বাইরেও দেশে অনেক টেকনিশিয়ান, অভিনয় শিল্পী, নির্মাতা রয়েছেন। যারা এখনও কাজ করার জন্য ছোটাছুটি করছেন। কিংবা বিদেশ থেকে টেকনিশিয়ান, অভিনয়শিল্পী ও নির্মাতা নিয়ে এসে উপযুক্ত নিয়মে কাজ শুরু করেন শাকিব, তাহলে চলচ্চিত্র পরিবারের কী লাভ হবে? তাই হুট করে সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে একটু ভাবুন। যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে সেটি কী আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পীদের জন্য সুফল বয়ে আনবে?

চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের নীরবতা রহস্যজনক

ভালো নেই ঢাকাই চলচ্চিত্র শিল্প। চরম অস্থির সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এখন। চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি কর্র্তৃক শাকিব খানকে বারবার নিষিদ্ধ করা, যৌথ প্রযোজনায় চলচ্চিত্র নির্মাণের নামে যৌথ প্রতারণা করা হচ্ছে- এমন দাবির পক্ষে-বিপক্ষে আন্দোলন-পাল্টা আন্দোলন নিয়ে বিভাজন হয়ে পড়ছে এফডিসি। ফলে একরাশ হতাশা নিয়ে কেবলই ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ঢাকাই চলচ্চিত্র। এর ওপর আবার বিষফোঁড়া হয়ে উঠছে সাফটা চুক্তির নামে ভারত থেকে আনা ছবি। তবে সাফটা চুক্তির আওতায় ছবি বিনিময়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বঞ্চিত হলেও বিষয়টি নিয়ে কারও কোনো উচ্চবাচ্য নেই। সবাই যৌথ প্রযোজনার ভালো-মন্দ বিষয়ক চুলচেরা বিশ্লেষণ নিয়ে ব্যস্ত।

যৌথ প্রযোজনার শুরুর দিকেও এমনটি দেখা গিয়েছিল। তখন গণমাধ্যমগুলো, বিশেষ করে দৈনিক যুগান্তরে নিয়মবহির্ভূত যৌথ প্রযোজনার ছবি নিয়ে নিয়মিত প্রতিবেদন লিখে গেলেও টনক নড়েনি চলচ্চিত্র পাড়ার মানুষগুলোর। কিন্তু যখন এটা বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে, পিঠ ঠেকে গেছে দেয়ালে, যৌথ প্রযোজনার জন্য দেশীয় শিল্পীরা বেকার হয়ে পড়ছেন তখনই ঘুরে দাঁড়িয়েছেন তারা। নেমেছেন আন্দোলনে। ততদিনে যৌথ প্রযোজনার বাইরে দাঁড়িয়ে ঘাড়ে চেপেছে আরেক বিপদ। সেটি হচ্ছে এই সাফটা চুক্তির মাধ্যমে ছবি বিনিময়। বিষয়টি নিয়ে এখনও মুখ খুলছেন না কেউ। যখন ঢালিউডে একের পর এক ছবি মুখ থুবড়ে পড়ছে, তখন সাফটা চুক্তির মতো বিষফোঁড়া দেশীয় চলচ্চিত্রকে আরও বেশি হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। বিগ বাজেটের পাশাপাশি স্বল্প বাজেটের ছবিগুলোর বেলায়ও একই দশা হচ্ছে। দু’একটি ব্যতিক্রম ছাড়া কোনো ছবিই ব্যবসা করতে পারছে না। ঠিক এ অবস্থায় বাংলাদেশে দেদার আসছে কলকাতার সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবিগুলো। সাফটা চুক্তির আওতায় বিনিময় চুক্তির মাধ্যমেই এসব ছবি আসছে। নিয়ম মেনেই আসছে। কিন্তু নিয়ম যখন গলায় ফাঁস হয় তখন সেই নিয়মের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর যৌক্তিকতা বিশ্লেষণের কোনো প্রয়োজন হয় না। ঠিক এ বিষয়টিই চলচ্চিত্র পরিবার তথা চলচ্চিত্র শিল্পের বোধে আসছে না। সাফটা চুক্তির বিনিময় প্রথা লাভ তো নয়ই উল্টো দেশের চলচ্চিত্র শিল্পকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়া হচ্ছে।kafon

মূলত সার্কভুক্ত দেশগুলো তাদের ব্যবসায়িক স্বার্থে ২০০৪ সালে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করে। এটিই সাফটা চুক্তি নামে পরিচিত। পরে ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয় সে চুক্তি। এ চুক্তির মাধ্যমেই চলচ্চিত্র বিনিময় শুরু করে বাংলাদেশ ও ভারত। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশে একটি ভারতীয় ছবি আমদানির বিপরীতে একটি বাংলাদেশি ছবি ভারতে রফতানি করতে হবে। বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ সালের গেজেটে ষষ্ঠ অধ্যায়ের ২৬ অনুচ্ছেদের ৪৯ (গ)-তে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে নির্মিত চলচ্চিত্র রফতানির বিপরীতে সাফটাভুক্ত দেশগুলো থেকে সমানসংখ্যক চলচ্চিত্র তথ্য মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তি সাপেক্ষে আমদানি করা যাবে। উভয় পক্ষের ব্যবসায়িক লাভের জন্যই এ সাফটা চুক্তি। কিন্তু চলচ্চিত্র বিনিময়ের বেলায় সেটা হচ্ছে কই? কলকাতার নতুন ছবির আমদানির বিপরীতে বাংলাদেশ থেকে যে চলচ্চিত্র পাঠানো হচ্ছে তা কি আদৌ বাইরের দেশে পাঠানোর মতো ছবি- সেটা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়? কলকাতার নতুন ছবির বিপরীতে কেনই বা কয়েক বছরের অখাদ্য পুরনো বাংলাদেশী ছবি ভারতে পাঠানো হচ্ছে? যে ছবি থেকে বাংলাদেশের দর্শকরাই মুখ ফিরিয়ে নিতে দেখা গেছে। ছবি বিনিময়ের একটা হিসাব টানলেই বোঝা যাবে সাফটা চুক্তির আওতায় কীভাবে প্রতারণা করা হচ্ছে বাংলাদেশের সঙ্গে। ২০১৬ সালে ‘রাজা ৪২০’-এর বদৌলতে বাংলাদেশে কলকাতার ‘কেলোরকীর্তি’, বাংলাদেশী ‘ছুঁয়ে দিলে মনে’র বিপরীতে কলকাতার ‘বেলাশেষে’ মুক্তি পায়। পরে বাংলাদেশের ছবি ‘সম্রাট’র বিনিময়ে এখানে মুক্তি পায় কলকাতার নতুন ছবি ‘অভিমান’। একই বছরে ১৭ মার্চ ‘রাজা বাবু’ ছবির বদৌলতে বাংলাদেশে মুক্তি দেয়া হয় কলকাতার তখনকার তাজা ছবি ‘তোমাকে চাই’ এবং ভারতের নতুন ছবি ‘হরিপদ ব্যান্ডওয়ালা’র বিপরীতে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাঠানো হয় দেশের বিতর্কিত ছবি ‘নগর মাস্তান’। এরপর পর্যায়ক্রমে ভারতীয় ছবি ‘বেপরোয়া’, ‘যুদ্ধশিশু’, ‘খোকাবাবু’, ‘খোকা ৪২০’, ‘ওয়ান্টেড’ মুক্তি পেয়েছে। প্রতিটি ছবির বিপরীতে যাচ্ছেতাই ছবি কলকাতায় পাঠানো হয়েছে। হিসাবের গভীরে গেলে বাংলাদেশের দর্শকদের মাথা চক্কর দিয়ে উঠবে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১৩ সালে সাফটা চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের ৮টি ছবি পাঠানো হয় ভারতে। অপরদিকে ভারতের ৮টি ছবি আনা হয় বাংলাদেশে। সে সময় নানা জটিলতার কারণে বাংলাদেশ সবগুলো ছবি প্রদর্শন করতে না পারলেও বছরখানেকের ব্যবধানে ভারতীয় পাঁচটি ছবি মুক্তি দেয়া হয় দেশের হলগুলোতে। বাংলাদেশ থেকে রফতানি করা মাত্র একটি ছবি মুক্তি দেয় ভারত। পরের বছর ২০১৪-২০১৫ সালের মধ্যে ভারত থেকে আমদানি করা ‘যুদ্ধশিশু’ ৩০টি হলে, ‘খোকা’, ‘খোকা ৪২০’, ‘ওয়ান্টেড’, বেপরোয়া’ বাংলাদেশের অর্ধশতাধিক হলে প্রদর্শিত হলেও এর বিপরীতে পাঠানো অন্যতম ছবি ‘মা আমার স্বর্গ’ কলকাতার শুধু ‘সোসাইটি’ নামের একটি হলে মুক্তি দেয়া হয়। জানা গেছে, এসব ছবি আমদানি-রফতানির সঙ্গে যুক্ত ছিল বাংলাদেশের খান ব্রাদার্স ও ইন উইন এন্টারপ্রাইজ নামের দুটি প্রতিষ্ঠান। এছাড়াও কলকাতায় বাংলাদেশের যে ছবিগুলো যায় সেগুলো মুক্তি দেয়া হয় অজপাড়া গাঁয়ে অবস্থিত প্রেক্ষাগৃহগুলোতে।

চলচ্চিত্রের এ অস্থির সময়েও থেমে নেই সাফটা চুক্তির আওতায় বাংলাদেশকে বঞ্চিত করার প্রক্রিয়া। জানা গেছে, এবার বাংলাদেশের আরেক অখাদ্য ছবি ‘মাস্তানী’র বিনিময়ে ঈদে কলকাতায় মুক্তিপ্রাপ্ত দেবের ছবি ‘চ্যাম্প’ দেশে মুক্তি দেয়া হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে ‘চ্যাম্প’ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান তিতাস কথাচিত্রের কর্ণধার আবুল কালামের কথায় কিছুটা নিশ্চিতই হওয়া গেছে। তিনি জানান, চ্যাম্প মুক্তির বিষয়টি তথ্যমন্ত্রণালয়ের বিবেচনাধীন রয়েছে। আগামী মাসেই ছবিটি হলে মুক্তি দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে চলচ্চিত্র বোদ্ধারা বলেন, বাংলাদেশের বড়পর্দায় কলকাতার বাজার তৈরি করতেই এই প্রতারণামূলক ছবি বিনিময় চলছে। এতে করে বিদেশে আমাদের চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। রফতানি করা ছবির বিপরীতে বাংলাদেশি ছবি ভারতে মুক্তি না পেলেও কোনো তদারকি নেই। ভারতের ভালো ছবির বিপরীতে বাংলাদেশের নিন্মমানের ছবি পাঠানো হচ্ছে যা ভারতে বাংলাদেশের সিনেমার বাজারকে আরও খারাপ করে তুলছে। এতে অন্য দেশের দর্শকরা মনে করছেন, বাংলাদেশের পরিচালকরা এ রকম নিন্মমানের ছবিই নির্মাণ করেন। যৌথ প্রযোজনা ঠেকাতে দেশের শিল্পীরা হল মালিককে লাঞ্ছিত করতেও পিছপা হননি। অথচ সাফটা চুক্তির আওতায় এত বড় ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে, বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে ভারতে এত নোংরাভাবে উপস্থাপনা করা হচ্ছে বিষয়টি নিয়ে কথা বলছেন না শিল্পীদের কোনো গ্রুপ। শুধু শাকিব খানকে ঠেকানোর আন্দোলনেই সক্রিয় দেখা যাচ্ছে তাদের। এহেন পরিস্থিতিতে সাফটা চুক্তির মাধ্যমে ছবি বিনিময়ের বিষয়টি নিয়ে কথা না বললে এটিও যৌথ প্রযোজনার মতো ঢাকাই চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির জন্য কালসাপ হয়ে দাঁড়াবে।

চোখের জলে রাতিনকে বিদায় জানালেন শিল্পীরা

চোখের জলে প্রিয় সহকর্মী আবদুর রাতিনকে বিদায় জানালেন শিল্পীরা। এফডিসির জহির রায়হান কালার ল্যাবের সামনে রাখা রাতিনের মরদেহে একে একে ফুল দিয়ে সম্মান জানান চলচ্চিত্রশিল্পী ও কলাকুশলীরা।

বুধবার সকালে রাতিনের মৃত্যু সংবাদ আসার পরপরই তাকে শেষবারে মতো দেখার জন্য এফডিসিতে অপেক্ষা করছিলেন চলচ্চিত্রকর্মীরা। বিকেল সোয়া ৩টায় রাতিনের নিথর মরদেহ যখন এফডিসিতে আনা হয়, তখন চোখের জল সামলাতে পারেননি অনেকেই।

বেলা ৩টা ৩০ মিনিটে কালার ল্যাবের সামনে শিল্পী রাতিনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। নায়ক আলীরাজ, ওমর সানি, জায়েদ খান, সাইমনসহ শিল্পী ও কলাকুশলীরা জানাজায় অংশ নেন।

উল্লেখ্য, জনপ্রিয় খল-অভিনেতা আবদুর রাতিন গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটায় রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। কিছুদিন আগে তিনি চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হন।

‘রংবাজ’ ঈদে আসবেই; পারলে ঠেকাক: পরিচালক রনি

পরিচালক সমিতি নিষিদ্ধ হওয়ার পর এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে নিজের বক্তব্য দিয়েছেন শাকিব খান ও বুবলী অভিনীত ‘রংবাজ’ সিনেমাটির পরিচালক শামীম আহমেদ রনি। এক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, “রংবাজ” ঈদে আসবেই … ইনশাআল্লাহ …. পারলে ঠেকাক। এর আগে শনিবার এক সংবাদ সম্মেলেনে পরিচালক সমিতির সিদ্ধান্ত অমান্য করায় রনির সদস্যপদ বাতিল ঘোষণা করে পরিচালক সমিতি।

এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে রনি লিখেন, “সুপারস্টার শাকিব খান এবং আমি নিষিদ্ধ …. হাহাহা …. ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে আর কতো কি করবেন তিনি? …. নাকি নতুনদের তিনি আসতেই দিবেন না? উনি পরপর দুদিন আমার চিঠি একস্পেট করেননি ক্ষমতার অপব্যবহার করে …. আমি ছবি বানাবো, শাকিব খান ছবিতে অভিনয় করবে .. “রংবাজ” ঈদে আসবেই … ইনশাআল্লাহ …. পারলে ঠেকাক তিনি . .”

চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন সাক্ষরিত প্রেস রিলিজে পরিচালক রনিকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে, “সম্প্রতি অভিনেতা শাকিব খান কর্তৃক ‘দৈনিক প্রথম আলো’ পত্রিকায় দেয়া সাক্ষাৎকারে পরিচালকদের হেয় প্রতিপন্ন করে উক্তি করায় শাকিব খানকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতির সম্মানজনক সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত আপনাকে শাকিব খান সম্পৃক্ত কোনো কাজ না করার জন্য পত্রের মাধ্যমে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়। কিন্তু আপনি সমিতির সিদ্ধান্তকে নূন্যতম সম্মান না দেখিয়ে আপনার চলচ্চিত্র নির্মাণের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। যা সমিতির নিয়মনীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ”

“এমতাবস্থায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি মনে করে, রনি সমিতির গঠনতন্ত্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তাই কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠনতন্ত্র এর ৫ (ক) ধারা বলে শামীম আহমেদ রনির সদস্যপদ বাতিল ঘোষণা করেছে। ”

এই বিজ্ঞপ্তি পাওয়ার ৭ কার্যদিবসের মধ্যে পরিচালক রনিকে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির নিজস্ব পরিচয়পত্র এবং বিএফডিসির গেট পাস সমিতির কার্যালয়ে জমা দিতে হবে। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অবশেষে মুক্তি পাচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে ব্যয়বহুল দাবি করা চলচ্চিত্র ‘পরবাসিনী’

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীভিত্তিক ছবি ‘পরবাসিনী’ মুক্তি পাচ্ছে আগামী ৫ মে। ২০১৫ সালের শেষ থেকে মুক্তির প্রতীক্ষায় থাকা এই ছবিটি এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সবচেয়ে ব্যয়বহুল চলচ্চিত্র বলে দাবি করা হচ্ছিল।

রেগে এন্টারটেইনমেন্টের প্রযোজনা ও স্বপন আহমেদ পরিচালিত ‘পরবাসিনী’ ছবিটি নিয়ে প্রথম থেকেই শুরু হয় বিতর্কের কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি। বাংলাদেশের নিরব ও মেহজাবীনকে নিয়ে ছবির শুটিং শুরু হলেও পরবর্তীতে অভিনয়শিল্পী পরিবর্তন করা হয়।

ছবিতে যুক্ত হন বাংলাদেশের ইমন ও ভারতের উর্বশী রাউতেলাসহ নতুন নতুন শিল্পী। যার বেশিরভাগই ভারতের। ২০১২ সালে ‘পরবাসিনী’ ছবির কাজ শুরু হয়। ২০১৫ সালের অক্টোবরে সেন্সর ছাড়পত্র পায় ছবিটি।

গত বছরের ৪ মার্চ ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরে তা বাতিল করা হয়। অবশেষে চলতি বছরের ৫ মে আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে এই সিনেমাটি। বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রযোজনায় ছবিটি নির্মাণ করেছেন স্বপন আহমেদ। জানা গেছে, বাংলাদেশ ছাড়া ছবিটি পর্যায়ক্রমে মুক্তি পাবে মধ্যপ্রাচ্য ও আমেরিকায়।

এই ছবিতে ইমন ও উর্বশী ছাড়াও অভিনয় করেছেন সোহেল খান, অপ্সরা আলী, কাজী উজ্জ্বল, ভারত থেকে উর্বশী, রিত মজুমদার, সব্যসাচী চক্রবর্তী, জুনমালিয়া প্রমুখ।

শাকিবের নায়িকা নিয়ে ধোঁয়াশা

‘রংবাজ’ নামের একটি ছবিতে শাকিব খানের নায়িকা কে হবেন, এ নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। ১১ এপ্রিল ছবির শুটিং শুরু হওয়ার কথা থাকলেও নায়িকা নির্বাচন নিয়ে মুখরোচক খবর প্রচার করে যাচ্ছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ও পরিচালক। যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত এ ছবিটি পরিচালনা করবেন শামীম আহমেদ। নায়িকার ব্যাপারে বাংলাদেশের নুসরাত ফারিয়া ও বুবলি এবং কলকাতার নুসরাত ও সায়ন্তিকার সঙ্গে আলাপ হয়েছে বলে পরিচালক জানিয়েছেন। আগামী ঈদের জন্য নির্মাণ করা হবে ছবিটি।

বাংলা ছবির প্রযোজনায় প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। শুধু বলিউড নয়, হলিউডে সুনাম অর্জন করেছেন তিনি। এমনকি প্রযোজক হিসেবেও সফল তিনি। এই নায়িকার প্রযোজনায় মারাঠি ‘ভেন্টিলেটর’ এ বছর তিনটি বিভাগে জিতে নিয়েছে ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।

তবে চমকপ্রদ ব্যাপার হলো, নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান পার্পেল পেবল পিকচার্স প্রযোজনা সংস্থা থেকে দু’টি বাংলা ছবি নির্মাণ করবেন তিনি। ইতিমধ্যে ছবি দু’টির নাম ঠিক করেছেন প্রিয়াঙ্কা ও তার মা মধু চোপড়া। একটির নাম ‘বৃষ্টির অপেক্ষায়’। অন্যটি ‘বাস স্টপে কেউ নেই’।

এর আগে প্রিয়াঙ্কার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে ‘বাম বাম বোলে বোল রাহা হ্যায় কাশি’ (ভোজপুরি), ‘ভেন্টিলেটর’ (মারাঠি) এবং ‘সারভান’ (পাঞ্জাবি) ছবি মুক্তি পেয়েছে। এ ছাড়া ‘কায় রে রাসকালা’ (মারাঠি) ছবিটির কাজ চলছে।

এক বছর পর পপি

অনেক দিন ধরেই সিনেমার পর্দায় নেই চিত্রনায়িকা পপি। বিরতি কাটিয়ে পর্দায় ফিরছেন এই নায়িকা। আগামী মে মাসে মুক্তি পাচ্ছে তার অভিনীত চলচ্চিত্র ‘সোনাবন্ধু’। ছবিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন ডি এ তায়েব।

এর মধ্য দিয়ে প্রায় এক বছর পর প্রেক্ষাগৃহে দেখা যাবে পপিকে। সিনেমাটির পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম সুমন বলেন, ‘এরই মধ্যে চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড থেকে ছাড়পত্রসহ আনুষঙ্গিক সব কাজ শেষ হয়েছে। এবার তারিখ চূড়ান্ত করে সিনেমাটি মে মাসে মুক্তি দেয়া হবে।’

ছবিটিতে এক বিধবা নারীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন পপি। এ নায়িকাকে গত বছরের মে মাসে ‘পৌষ মাসের পিরিতি’ ছবিতে সর্বশেষ দেখা গেছে।

‘ভাবতে পারিনি এতো তাড়াতাড়ি সিনেমার নায়িকা হয়ে যাবো’

‘তুমি না ওই রাস্তা দিয়ে আসো, আসি না আমি ওখানেই থাকি…’  রিন ওয়াশিং পাউডারের এই বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছোট্ট পূজা বেশ পরিচিতি পান। কেননা বিজ্ঞাপনটি এতোবেশি প্রচার হতো যে না দেখে থাকার উপায় নেই। ‘আসি না আমি ওখানেই থাকি’র সংলাপ আওড়ানো মেয়েটিই পূজা চেরি। ছোট্ট পূজা বড় হয়েছেন, হচ্ছেন। পড়েন ক্যান্টনমেন্ট গার্লস পাবলিক স্কুলে নবম শ্রেণিতে। কিন্তু তাই বলে নায়িকা? হুম, পূজা এখন জাজ মাল্টিমিডিয়ার সিনেমার নায়িকা। সাইমন-মাহির ‘পোড়ামন’ ছবির সিক্যুয়েল পোড়ামন-২ তে অভিনয় করবেন পূজা চেরি।

গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পূজাকে নায়িকা হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার পর তিনি চমকে উঠেছিলেন। কেন চমকে উঠেছিলেন? আপনি কি জানতেন না যে আপনিই পোড়ামন-২ ছবির নায়িকা হতে যাচ্ছেন? পূজা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমি কল্পনাই করিনি যে আমি নায়িকা হতে যাচ্ছি। তাছাড়া তাড়াতাড়ি নায়িকা হবো এটা কল্পনা করি নি। নায়িকা হবার ইচ্ছা তো আছেই।   আমি একজন ভালো অভিনেত্রী হতে চাই। এই ইচ্ছা তো লালন করেই আসছি। কিন্তু স্বপ্নপূরণ এতোদ্রুত ঘটবে ভাবতে পারিনি। এতো তাড়াতাড়ি বড় পর্দার নায়িকা হয়ে যাবো ভাবতে পারিনি। সবকিছু এখনো কল্পনার মতো মনে হচ্ছে। ‘

আপনি জানেন না ছবিতে কাজ করবেন  কি না, অথচ আপনার নাম ঘোষণার সাথে সাথে আপনি দ্বিমত পোষণ করলেন, কিংবা কেন রাজি হয়ে গেলেন? এই প্রশ্নের উত্তরে পূজা বলেন, আসলে আজ আজিজ ভাইয়ের জন্মদিন ছিল এজন্যই আমন্ত্রণ পেয়ে এসেছিলাম। কিন্তু এসে তো আমি সারপ্রাইজড। যেহেতু অভিনেত্রী হবার মানসিকতা আমার রয়েছে সেহেতু না করার কোনো প্রশ্নই নেই।

 

আপনি কি মাহির স্থান পূরণ করতে পারবেন?  এই প্রশ্নের জবাবে পূজা কালের কণ্ঠকে বলেন, আমি এখনো অনেক ছোট।   আমি চেষ্টা করবো আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে অভিনয় করার। আমি ভালোটা দিতে চাই। আমি যেহেতু স্বপ্নপূরণের পথে হাঁটছিলাম সেহেতু আমি ভালো করবোই। আমার চেষ্টার ত্রুটি হবে না। এর আগেও আমি অনেকগুলো ছবিতে কাজ করেছি। কখনো জিতের ছোটবোন, কখনো মাহির ছোটবেলার দৃশ্যে সেহেতু আমি সাবলীল্ভাবে আমার বেস্ট কাজটা করতে পারবো বাকিটা দর্শকদের বিবেচনায় ছেড়ে দিতে হবে।

‘পোড়ামন ২’ ছবির শুটিং শুরু হবে ২৪ এপ্রিল থেকে সিলেটে। টানা ৪৫ দিনের শুটিং-এ নির্মাণ কাজ শেষ হবে ছবিটির। নায়ক রোশানের বিপরীতে অভিনয় করবেন পূজা চেরি।

বন্ধ হয়ে গেছে পূর্ণিমা সিনেমা হল

বন্ধ হয়ে গেল রাজধানীর কাওরানবাজারে অবস্থিত পুরনো সিনেমা হল পূর্ণিমা। সম্প্রতি সিনেমা হলটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়। আগামী বছর থেকে এখানে নতুন বিল্ডিংয়ের কাজ শুরু হবে। গত মাসের ৩১ তারিখ সব স্টাফকে পুরো টাকা পরিশোধ করা হয়।

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিকালের শো চালানো হয়, তারপর থেকে সিনেমা হলটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এখানে ১৮তলা দুটি কমার্শিয়াল বিল্ডিং হবে। তবে এখানে কোনো সিনেপ্লেক্স থাকবে না।

এদিকে পূর্ণিমা সিনেমা হলের মালিক জানায়, টিকিট বিক্রির টাকা দিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বেতনও দেওয়া যায় না। এছাড়া অন্যান্য বিল যেমন-গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির বিলের টাকাও পরিশোধ করা সম্ভব হতো না। তাই বাধ্য হয়েই হলটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, পূর্ণিমা হলের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৮  সালে। বাংলা চলচ্চিত্রের সাড়া জাগানো অভিনেত্রী শাবানা, অভিনেতা আলমগীর ও জসিমের ‘বিশ্বাসঘাতক’ ছবির মাধ্যমে এর আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু হয়েছিলো।