Category Archives: Cinema

শাবানার সমালোচনায় তসলিমা নাসরিন

দীর্ঘদিন ভারতে নির্বাসিত জীবনযাপন করছেন বিতর্কিত বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিন। সেখান থেকেই বিভিন্ন সময় বাংলাদেশের নানা ইস্যু নিয়ে স্ট্যাটাস দিয়ে বা নানা জায়গায় মন্তব্য করে আলোচনায় আসেন তিনি। বরাবরই বেছে নেন ‌‘হট টপিকস’।

এবার তিনি ঢাকাই ছবির জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবানার সমালোচনা করলেন। আজ ১৯ জুলাই নিজের ব্যক্তিগত ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাস দেন তসলিমা। সেখানে এই অভিনেত্রীর কঠোর সমালোচনা করেন।

তিনি লিখেছেন, “শাবানা এতকাল পরপুরুষকে আলিঙ্গন করে, তাদের সঙ্গে কোমর দুলিয়ে নেচে যে ‘পাপ’ কামিয়েছেন, তা মোচন করতে হজে যাচ্ছেন, মসজিদ মাদ্রাসা বানাচ্ছেন।’

প্রায় এক যুগ আগে শাবানা মুসলমানের দেশ ত্যাগ করে ইহুদি নাসারাদের দেশ যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য চলে গেছেন বলেও তসলিমা জানান।

তসলিমা তার স্ট্যাটাসে লেখেন, বাংলাদেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবানা এখন আর অভিনয় করেন না, এখন তিনি বোরখা পরেন। ইসলামের গভীর জলে শরীর মন সব ডুবিয়ে দিয়েছেন এবং মুসলমানের দেশ ত্যাগ করে ইহুদি নাসারাদের দেশ যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় একযুগ আগে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য চলে গেছেন। তবে দেশে ফিরে ক’দিন আগে দেশের মানুষের জন্য একটি মসজিদ আর কোরান শিক্ষার ইস্কুল বানিয়ে দিয়েছেন।

তিনি নিশ্চিতই বেহেশতে যেতে চান। এতকাল অভিনয় করে, পরপুরুষকে আলিঙ্গন করে, তাদের সঙ্গে কোমর দুলিয়ে নেচে যে ‘পাপ’ কামিয়েছেন, তা মোচন করতে নামাজ রোজা তো করছেনই, হজে যাচ্ছেন, মসজিদ-মাদ্রাসা বানাচ্ছেন।’

স্ট্যাটাসে আরও বলা হয়, ‘টাকা থাকলে আমাদের দেশের বেহেস্তলোভী মূর্খগুলো ঠিক এই কাজই করে। মহল্লায় মহল্লায় এখন শত শত অপ্রয়োজনীয় মসজিদ। এই মসজিদগুলোর খুতবা শুনে শুনে ছেলেরা বিপথে যাচ্ছে, জিহাদি হচ্ছে, যুক্তিবাদিদের, মানববাদিদের, অমুসলিমদের, নারীদের ঘৃণা করা শিখছে।

মাদ্রাসায় আকছার ধর্ষণও হচ্ছে। বাংলাদেশের মসজিদ মাদ্রাসাগুলোয় কী শেখানো হয়, কী হয়- তা লক্ষ রাখার জন্য কোনো সরকারি ব্যবস্থা নেই। একটা রুগ্ন, পঙ্গু, অসুস্থ, দুর্বল, বিকৃত, লোভী, স্বার্থপর প্রজন্ম তৈরি করার জন্য মসজিদ মাদ্রাসার ভূমিকা অপরিসীম।’

তসলিমা শাবানাকে নিয়ে তার স্ট্যাটাসে আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে বাসই শুধু করেন শাবানা, ভালো কিছু শেখেননি ওখানে। যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ধনীদের দানের টাকায় চলে। আপনার টাকা পয়সা প্রচুর। আপনি কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে দিন। বাংলাদেশে কোরান শিক্ষার ইস্কুলের অভাব নেই, অভাব বিজ্ঞান শিক্ষার ইস্কুলের। অভাব ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র, নারী স্বাধীনতা, সমানাধিকার, মানবাধিকার, ইত্যাদি ভালো জিনিস শেখার ইস্কুলের। দেশের ভালো চাইলে ছেলেদের নারীবিদ্বেষী মোল্লা আর জিহাদি জঙ্গি না বানিয়ে মানুষ বানানোর চেষ্টা করুন।”

এই স্ট্যাটাস ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে তুমুল তর্ক-বিতর্ক। তসলিমা নাসরিনের স্ট্যাটাসের নিচেও অনেকে স্ট্যাটাসটির সমালোচনা করছেন। তবে বেশিরভাগ মন্তব্যই তসলিমাকে সমর্থন দিয়ে।

রণবীর সিংই দেশের পরবর্তী সুপারস্টার: রোহিত শেট্টি

সাফল্যের একের পর এক ধাপ পেরিয়ে চলেছেন রণবীর সিং। সঞ্জয়লীলা বনশালির পদ্মাবতীর শুটিং এখনও শেষ করে উঠতে পারেননি। এর মধ্যেই আরও এক ব্লকবাস্টার পরিচালকের সঙ্গে জুটি বেঁধে ফেললেন বলিউডের বাজিরাও। এবার নায়ককে দেখা যাবে রোহিত শেট্টির নয়া অ্যাকশন ফ্লিকে। ছবির নাম এখনও ঠিক হয়নি। ঠিক হয়নি নায়িকাও। কিন্তু রণবীর সিংই যে তাঁর নায়ক সে কথা সগর্বে ঘোষণা করে দিয়েছেন রোহিত। পরিচালকের মতে, রণবীরই ভবিষ্যতের সুপারস্টার।

আপাতত রিয়ালিটি শো খতরোঁ কে খিলাড়ির অষ্টম মরশুম নিয়ে ব্যস্ত পরিচালক। সেখানে সঞ্চালনার দায়িত্বে ফিরেছেন তিনি। তারই এক সাংবাদিক বৈঠকে রণবীর প্রসঙ্গ ওঠে। সেখানেই বাজিরাও-য়ের প্রশংসা শোনা যায় রোহিতের মুখে। রণবীরের কোন বিষয়টি তাঁর সবচেয়ে বেশি ভাল লাগে? এই প্রশ্নের উত্তরে পরিচালক বলেন, রণবীরের প্রাণশক্তি অফুরন্ত। সব সময় প্রবল এনার্জি থাকে তাঁর মধ্যে। আর এই জন্যই তাঁর জনপ্রিয়তা দিনের পর দিন বেড়ে চলেছে। রণবীরই বলিউডের পরবর্তী সুপারস্টার বলে ঘোষণা করেন পরিচালক।

জানান, আগামী ছবি নিয়ে নায়কের সঙ্গে কথাবার্তা অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। সব ঠিক থাকলে এই দিওয়ালির পরই শুরু হয়ে যাবে ছবির শুটিং। ছবিতে রণবীরকে নাকি প্রচুর স্টান্ট করতে দেখা যাবে। এমন স্টান্ট তাঁকে আগে করতে দেখা যায়নি। তবে রণবীরের নায়িকাকে এখনও পর্যন্ত খুজে বের করতে পারেননি পরিচালক। নতুন কাউকে নেবেন, নাকি পুরনো কারও উপর ভরসা রাখবেন, সে বিষয়ে এখনও দ্বিধা রয়েছে তাঁর মনে।

বাহুবলীকে হারিয়ে দিতে আসছে তানাজি

আসছে তানাজি। বুধবার প্রকাশিত হয়েছে ছবির প্রথম পোস্টার। আর প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে টুইটারে তাকে লক্ষ করে ভেসে এসেছে প্রবল উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা। মারাঠি ইতিহাসের উজ্জ্বল নাম তানাজি মালুসারে। প্রায় সাড়ে তিনশো বছর আগে সিনহাগাদের যুদ্ধে তাঁর প্রবল বিক্রম আজও কিংবদন্তি হয়ে আছে। সেই বীর যোদ্ধাকে এ বার রুপোলি পর্দায় নিয়ে আসছেন অজয় দেবগণ। ছবির পোস্টারে দেখা যাচ্ছে একটি ঢালের সাহায্যে আত্মরক্ষা করছেন তানাজি-বেশী অজয়। তাঁর ঢালে এসে ঠিকরে যাচ্ছে অসংখ্য তির।

একে কিংবদন্তি তানাজি, তায় অজয়ের মতো জনপ্রিয় অভিনেতা। দুয়ে মিলে তৈরি হয়েছে তুমুল উচ্চাশা। টুইটারে সুপার্ব, ইনটেন্স ইত্যাদি প্রতিক্রিয়া দিয়েছে সকলে। তবে সেরা কমেন্টটি নিঃসন্দেহে করেছেন একজন। যিনি বলেছেন, বাহুবলী কে? আমি কেবল তানাজিকে চিনি।

প্রসঙ্গত, বাহুবলীর তুমুল সাফল্যের পরে রাজারাজরা, তরবারি, ধনুক, তিরের আকর্ষণ বেড়ে গিয়েছে দর্শকদের কাছে। তবে বাহুবলী নিছকই কাল্পনিক চরিত্র। সেই জায়গায় তানাজি কিন্তু ঐতিহাসিক চরিত্র। তাই তাঁর আবেদন এক অন্য মাত্রায় দর্শকদের কাছে পৌঁছবে এ কথা বলাই যায়।

তবে বাহুবলী-এর দুটি ছবি যে ইতিহাস রচনা করেছে তাকে ছোঁয়া মোটেই সহজ হবে না কোনও ছবির পক্ষেই। কিন্তু সব সময়ই সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাজকে যে মাথায় রেখে স্বপ্ন রচিত হবে, সেও তো জানা কথাই। তাই দর্শকরা আশা করতেই পারেন, এই ছবি নতুন কোনও কীর্তি রচনা করবে। তানাজি সে আশা পূরণ করতে পারবে কি না, সেটা জানতে অবশ্য লম্বা অপেক্ষা করতে হবে। ওম রাউতের পরিচালনায় এই ছবি মুক্তি পাওয়ার কথা ২০১৯ সালে।

এখনই মা হতে চাই : সানি লিওন

ভারতের এক জনপ্রিয় ইংরেজি দৈনিক আয়োজিত ফেসবুক লাইভে নিজের সম্পর্ক এবং পরিবার নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করলেন বলিউড ডিভা সানি লিওন।

সানি লিওন জানালেন, যদি জীবনে কখনও সন্তানলাভের সৌভাগ্য অর্জন করি ভগবানের কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকব আমি। স্বামী ড্যানিয়েল ওয়েবারের সঙ্গে নিজের পরিবার চান, একথাও পরিষ্কার জানিয়েছেন এই বলি ডিভা।

পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন করলে সানি জানান, আমি ব্যক্তিগতভাবে এখনই মা হতে চাই। কিন্তু আমি এখনও এমন কোনও সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি না।

শিশুদের প্রতি নিজের ভালোবাসার কথা বলতে গিয়ে সানি লিওন নিজের এক অভিজ্ঞতার কথাই তুলে ধরেন। একবার একটা শিশু আমার কোলে এত আদর খেয়েছে যে নিজের মায়ের কাছেই যেতে চাইছিল না। হাসতে হাসতে এই অভিজ্ঞতার কথাই ব্যক্ত করেছেন সানি লিওন।

এরপর সম্পর্ক প্রসঙ্গে সানি নিজের মত জানাতে গিয়ে বলেন, কমিউনিকেশন এবং শ্রদ্ধা, এই দুটি বিষয়ই সম্পর্কে সবথেকে জরুরী। কমিউনিকেশন ছাড়া কখনই ওপর প্রান্তের মানুষটিকে চেনা যায় না। আর শ্রদ্ধা এমন একটি বিষয় যা একটা নির্দিষ্ট সীমারেখা তৈরি করতে শেখায়। কতটা পর্যন্ত বলা উচিত আর কোনটা বলা উচিত নয়, এটাই বুঝিয়ে দেয় পারষ্পরিক শ্রদ্ধা।

শাকিবের ওপর নিষেধাজ্ঞায় কার লাভ?

শাকিবের সঙ্গে কাজ করবেন না চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ১৬টি সংগঠন নিয়ে গঠিত চলচ্চিত্র ঐক্যজোট বা চলচ্চিত্র পরিবারের কোনো সদস্য। সম্প্রতি লিখিত আকারে এমন কথাই জানিয়েছেন ঐক্যজোটের নেতারা। এমন ঘোষণার পরই ফুঁসে উঠেছেন শাকিব ভক্তরা। শুধু ভক্তরাই নন, একই পরিবারের অনেক সদস্যও এমন সিদ্ধান্তের বিপক্ষে মত দিয়েছেন। তবে নিষেধাজ্ঞার ভয়ে তারা মুখ খুলতে পারছেন না। তাদের কথা হচ্ছে, যারা এখন শাকিব খানের সঙ্গে কাজ না করার সিদ্ধান্তের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সে পরিচালকরা এক সময় শাকিব খানকে দিয়ে ডজন ডজন ছবি বানিয়েছেন। তখন শাকিব তাদের কাছে ভালো ছিলেন। কারণ শাকিবের শিডিউল তারা পেতেন। তখন তাদের কারণে নতুন কোনো ডিরেক্টর শাকিবের শিডিউল পেতেন না। তখন তো তারা শাকিবের বিরুদ্ধে নামেননি? অনেকে আবার শাকিবের সঙ্গে কাজ না করার সিদ্ধান্তকে ‘মাথাব্যথা বলে মাথা কেটে ফেলার মতো অবস্থা’ বলে মন্তব্য করছেন। এখন কথা হচ্ছে, শাকিব খানের সঙ্গে কাজ না করলেই সমস্যার সমাধান হবে? যারা এখন শাকিব খানকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন তাদের একটু ভাবা দরকার চলচ্চিত্রের কত বড় ক্ষতি তারা ডেকে আনছেন। শাকিব খান বর্র্তমানে ব্যবসাসফল ছবির নায়ক। কিন্তু এ মুহূর্তে তাকে দূরে ঠেলে দেয়া হবে চরম বুদ্ধিহীনতার পরিচয়- এমনটাও বলছেন চলচ্চিত্রবোদ্ধারা। তারা বলছেন, সবাইকে মনে রাখতে হবে চলচ্চিত্র পরিবারের বাইরেও দেশে অনেক টেকনিশিয়ান, অভিনয় শিল্পী, নির্মাতা রয়েছেন। যারা এখনও কাজ করার জন্য ছোটাছুটি করছেন। কিংবা বিদেশ থেকে টেকনিশিয়ান, অভিনয়শিল্পী ও নির্মাতা নিয়ে এসে উপযুক্ত নিয়মে কাজ শুরু করেন শাকিব, তাহলে চলচ্চিত্র পরিবারের কী লাভ হবে? তাই হুট করে সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে একটু ভাবুন। যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে সেটি কী আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পীদের জন্য সুফল বয়ে আনবে?

নওয়াজউদ্দিনের টুইটে তোলপাড় বলিউড

অভিনেতা নওয়াজউদ্দিন সিদ্দীকীর এক টুইটেই বলিউডে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

গত ১৭ জুলাই তিনি টুইটারে লেখেন, ‘আমি কালো আর দেখতেও ভাল নই। এজন্য আমি ফর্সা ও সুন্দর কাউকে জুটি হিসেবে পাবো না। সেটা মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ! তবে আমি কখনোই এসবে গুরুত্ব দেইনি।’

হঠাৎ তিনি কেনো ফর্সা কালো নিয়ে টু্ইট করতে গেলেন।

আসলে ঘটনার সূত্রপাত তার সাম্প্রতিক ছবি ‘বাবুমশাই বন্দুকবাজ’ ছবির কাস্টিং ডিরেক্টর সঞ্জয় চৌহানের একটি মন্তব্যে।

সঞ্জয় সম্প্রতি বলেছেন, ছবিতে নওয়াজ থাকায় তিনি কোনও ‘ফর্সা’ বা ‘হ্যান্ডসাম’ অভিনেতাকে কাস্ট করতে পারেননি।

নাম ধরে না করলেও নওয়াজের এই টুইট যে সঞ্জয়ের মন্তব্যেরই জবাব, তা স্পষ্ট অনেকের কাছেই।

বলিউডে একস্ট্রা বা জুনিয়র আর্টিস্ট হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন নওয়াজ। এখন তিনি বলিউডের অন্যতম সফল অভিনেতা।

‘রইস’-এর কড়া পুলিশ অফিসার হোক বা অপ্রতিরুদ্ধ দশরথ মাঝির চরিত্র, সবেতেই দর্শক, সমালোচকদের মন জয় করেছেন নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী।

নওয়াজ জানান, কোনোদিনই তিনি নিজের লুক বা ত্বকের রঙের প্রতি নজর দেননি; বরং গুরুত্ব দিয়েছেন ‘মেথডিক্যাল’ অভিনয়ে।

এর পরেই তার সংযোজন, ‘কিন্তু কোনও কাস্টিং ডিরেক্টর যদি আমার জন্য কোনও ফর্সা বা ‘হ্যান্ডসাম’ অভিনেতাকে কাস্ট করতে না পারেন, তো সেটা তার সমস্যা।’
তবে ওই অভিযোগ ভিত্তিহীন জানিয়ে সঞ্জয় চৌহান বলেন, ‘আমার বক্তব্যকে বিকৃত করা হয়েছে। আমি বলেছিলাম, এই ছবিতে আমার নওয়াজের মতো অভিনেতারই প্রয়োজন। আমি জানি না কোথা থেকে এই ‘ফেয়ার অ্যান্ড হ্যান্ডসাম’ কথাটা জুড়ে দেওয়া হল। এ কথা আমি বলিনি।’

চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের নীরবতা রহস্যজনক

ভালো নেই ঢাকাই চলচ্চিত্র শিল্প। চরম অস্থির সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এখন। চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি কর্র্তৃক শাকিব খানকে বারবার নিষিদ্ধ করা, যৌথ প্রযোজনায় চলচ্চিত্র নির্মাণের নামে যৌথ প্রতারণা করা হচ্ছে- এমন দাবির পক্ষে-বিপক্ষে আন্দোলন-পাল্টা আন্দোলন নিয়ে বিভাজন হয়ে পড়ছে এফডিসি। ফলে একরাশ হতাশা নিয়ে কেবলই ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ঢাকাই চলচ্চিত্র। এর ওপর আবার বিষফোঁড়া হয়ে উঠছে সাফটা চুক্তির নামে ভারত থেকে আনা ছবি। তবে সাফটা চুক্তির আওতায় ছবি বিনিময়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বঞ্চিত হলেও বিষয়টি নিয়ে কারও কোনো উচ্চবাচ্য নেই। সবাই যৌথ প্রযোজনার ভালো-মন্দ বিষয়ক চুলচেরা বিশ্লেষণ নিয়ে ব্যস্ত।

যৌথ প্রযোজনার শুরুর দিকেও এমনটি দেখা গিয়েছিল। তখন গণমাধ্যমগুলো, বিশেষ করে দৈনিক যুগান্তরে নিয়মবহির্ভূত যৌথ প্রযোজনার ছবি নিয়ে নিয়মিত প্রতিবেদন লিখে গেলেও টনক নড়েনি চলচ্চিত্র পাড়ার মানুষগুলোর। কিন্তু যখন এটা বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে, পিঠ ঠেকে গেছে দেয়ালে, যৌথ প্রযোজনার জন্য দেশীয় শিল্পীরা বেকার হয়ে পড়ছেন তখনই ঘুরে দাঁড়িয়েছেন তারা। নেমেছেন আন্দোলনে। ততদিনে যৌথ প্রযোজনার বাইরে দাঁড়িয়ে ঘাড়ে চেপেছে আরেক বিপদ। সেটি হচ্ছে এই সাফটা চুক্তির মাধ্যমে ছবি বিনিময়। বিষয়টি নিয়ে এখনও মুখ খুলছেন না কেউ। যখন ঢালিউডে একের পর এক ছবি মুখ থুবড়ে পড়ছে, তখন সাফটা চুক্তির মতো বিষফোঁড়া দেশীয় চলচ্চিত্রকে আরও বেশি হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। বিগ বাজেটের পাশাপাশি স্বল্প বাজেটের ছবিগুলোর বেলায়ও একই দশা হচ্ছে। দু’একটি ব্যতিক্রম ছাড়া কোনো ছবিই ব্যবসা করতে পারছে না। ঠিক এ অবস্থায় বাংলাদেশে দেদার আসছে কলকাতার সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবিগুলো। সাফটা চুক্তির আওতায় বিনিময় চুক্তির মাধ্যমেই এসব ছবি আসছে। নিয়ম মেনেই আসছে। কিন্তু নিয়ম যখন গলায় ফাঁস হয় তখন সেই নিয়মের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর যৌক্তিকতা বিশ্লেষণের কোনো প্রয়োজন হয় না। ঠিক এ বিষয়টিই চলচ্চিত্র পরিবার তথা চলচ্চিত্র শিল্পের বোধে আসছে না। সাফটা চুক্তির বিনিময় প্রথা লাভ তো নয়ই উল্টো দেশের চলচ্চিত্র শিল্পকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়া হচ্ছে।kafon

মূলত সার্কভুক্ত দেশগুলো তাদের ব্যবসায়িক স্বার্থে ২০০৪ সালে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করে। এটিই সাফটা চুক্তি নামে পরিচিত। পরে ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয় সে চুক্তি। এ চুক্তির মাধ্যমেই চলচ্চিত্র বিনিময় শুরু করে বাংলাদেশ ও ভারত। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশে একটি ভারতীয় ছবি আমদানির বিপরীতে একটি বাংলাদেশি ছবি ভারতে রফতানি করতে হবে। বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ সালের গেজেটে ষষ্ঠ অধ্যায়ের ২৬ অনুচ্ছেদের ৪৯ (গ)-তে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে নির্মিত চলচ্চিত্র রফতানির বিপরীতে সাফটাভুক্ত দেশগুলো থেকে সমানসংখ্যক চলচ্চিত্র তথ্য মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তি সাপেক্ষে আমদানি করা যাবে। উভয় পক্ষের ব্যবসায়িক লাভের জন্যই এ সাফটা চুক্তি। কিন্তু চলচ্চিত্র বিনিময়ের বেলায় সেটা হচ্ছে কই? কলকাতার নতুন ছবির আমদানির বিপরীতে বাংলাদেশ থেকে যে চলচ্চিত্র পাঠানো হচ্ছে তা কি আদৌ বাইরের দেশে পাঠানোর মতো ছবি- সেটা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়? কলকাতার নতুন ছবির বিপরীতে কেনই বা কয়েক বছরের অখাদ্য পুরনো বাংলাদেশী ছবি ভারতে পাঠানো হচ্ছে? যে ছবি থেকে বাংলাদেশের দর্শকরাই মুখ ফিরিয়ে নিতে দেখা গেছে। ছবি বিনিময়ের একটা হিসাব টানলেই বোঝা যাবে সাফটা চুক্তির আওতায় কীভাবে প্রতারণা করা হচ্ছে বাংলাদেশের সঙ্গে। ২০১৬ সালে ‘রাজা ৪২০’-এর বদৌলতে বাংলাদেশে কলকাতার ‘কেলোরকীর্তি’, বাংলাদেশী ‘ছুঁয়ে দিলে মনে’র বিপরীতে কলকাতার ‘বেলাশেষে’ মুক্তি পায়। পরে বাংলাদেশের ছবি ‘সম্রাট’র বিনিময়ে এখানে মুক্তি পায় কলকাতার নতুন ছবি ‘অভিমান’। একই বছরে ১৭ মার্চ ‘রাজা বাবু’ ছবির বদৌলতে বাংলাদেশে মুক্তি দেয়া হয় কলকাতার তখনকার তাজা ছবি ‘তোমাকে চাই’ এবং ভারতের নতুন ছবি ‘হরিপদ ব্যান্ডওয়ালা’র বিপরীতে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাঠানো হয় দেশের বিতর্কিত ছবি ‘নগর মাস্তান’। এরপর পর্যায়ক্রমে ভারতীয় ছবি ‘বেপরোয়া’, ‘যুদ্ধশিশু’, ‘খোকাবাবু’, ‘খোকা ৪২০’, ‘ওয়ান্টেড’ মুক্তি পেয়েছে। প্রতিটি ছবির বিপরীতে যাচ্ছেতাই ছবি কলকাতায় পাঠানো হয়েছে। হিসাবের গভীরে গেলে বাংলাদেশের দর্শকদের মাথা চক্কর দিয়ে উঠবে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১৩ সালে সাফটা চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের ৮টি ছবি পাঠানো হয় ভারতে। অপরদিকে ভারতের ৮টি ছবি আনা হয় বাংলাদেশে। সে সময় নানা জটিলতার কারণে বাংলাদেশ সবগুলো ছবি প্রদর্শন করতে না পারলেও বছরখানেকের ব্যবধানে ভারতীয় পাঁচটি ছবি মুক্তি দেয়া হয় দেশের হলগুলোতে। বাংলাদেশ থেকে রফতানি করা মাত্র একটি ছবি মুক্তি দেয় ভারত। পরের বছর ২০১৪-২০১৫ সালের মধ্যে ভারত থেকে আমদানি করা ‘যুদ্ধশিশু’ ৩০টি হলে, ‘খোকা’, ‘খোকা ৪২০’, ‘ওয়ান্টেড’, বেপরোয়া’ বাংলাদেশের অর্ধশতাধিক হলে প্রদর্শিত হলেও এর বিপরীতে পাঠানো অন্যতম ছবি ‘মা আমার স্বর্গ’ কলকাতার শুধু ‘সোসাইটি’ নামের একটি হলে মুক্তি দেয়া হয়। জানা গেছে, এসব ছবি আমদানি-রফতানির সঙ্গে যুক্ত ছিল বাংলাদেশের খান ব্রাদার্স ও ইন উইন এন্টারপ্রাইজ নামের দুটি প্রতিষ্ঠান। এছাড়াও কলকাতায় বাংলাদেশের যে ছবিগুলো যায় সেগুলো মুক্তি দেয়া হয় অজপাড়া গাঁয়ে অবস্থিত প্রেক্ষাগৃহগুলোতে।

চলচ্চিত্রের এ অস্থির সময়েও থেমে নেই সাফটা চুক্তির আওতায় বাংলাদেশকে বঞ্চিত করার প্রক্রিয়া। জানা গেছে, এবার বাংলাদেশের আরেক অখাদ্য ছবি ‘মাস্তানী’র বিনিময়ে ঈদে কলকাতায় মুক্তিপ্রাপ্ত দেবের ছবি ‘চ্যাম্প’ দেশে মুক্তি দেয়া হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে ‘চ্যাম্প’ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান তিতাস কথাচিত্রের কর্ণধার আবুল কালামের কথায় কিছুটা নিশ্চিতই হওয়া গেছে। তিনি জানান, চ্যাম্প মুক্তির বিষয়টি তথ্যমন্ত্রণালয়ের বিবেচনাধীন রয়েছে। আগামী মাসেই ছবিটি হলে মুক্তি দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে চলচ্চিত্র বোদ্ধারা বলেন, বাংলাদেশের বড়পর্দায় কলকাতার বাজার তৈরি করতেই এই প্রতারণামূলক ছবি বিনিময় চলছে। এতে করে বিদেশে আমাদের চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। রফতানি করা ছবির বিপরীতে বাংলাদেশি ছবি ভারতে মুক্তি না পেলেও কোনো তদারকি নেই। ভারতের ভালো ছবির বিপরীতে বাংলাদেশের নিন্মমানের ছবি পাঠানো হচ্ছে যা ভারতে বাংলাদেশের সিনেমার বাজারকে আরও খারাপ করে তুলছে। এতে অন্য দেশের দর্শকরা মনে করছেন, বাংলাদেশের পরিচালকরা এ রকম নিন্মমানের ছবিই নির্মাণ করেন। যৌথ প্রযোজনা ঠেকাতে দেশের শিল্পীরা হল মালিককে লাঞ্ছিত করতেও পিছপা হননি। অথচ সাফটা চুক্তির আওতায় এত বড় ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে, বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে ভারতে এত নোংরাভাবে উপস্থাপনা করা হচ্ছে বিষয়টি নিয়ে কথা বলছেন না শিল্পীদের কোনো গ্রুপ। শুধু শাকিব খানকে ঠেকানোর আন্দোলনেই সক্রিয় দেখা যাচ্ছে তাদের। এহেন পরিস্থিতিতে সাফটা চুক্তির মাধ্যমে ছবি বিনিময়ের বিষয়টি নিয়ে কথা না বললে এটিও যৌথ প্রযোজনার মতো ঢাকাই চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির জন্য কালসাপ হয়ে দাঁড়াবে।

‘টাকার জন্য করণ আমাদেরকে ব্যবহার করছেন’

করণ জোহর নাকি তাঁদের ব্যবহার করে টাকা উপার্জন করছেন। সম্প্রতি, পরিচালক-প্র‌যোজক করণ জোহরের বিরুদ্ধে এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন রণবীর কাপুর। করণের বিতর্কিত চ্যাট শো ‘কফি উইথ করণ ‘-এর বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন রণবীর। ফেমাস ইউটিউব চ্যানেল ‘অল ইন্ডিয়া বকচোদ‘-এ গিয়ে একটি সাক্ষাৎকারে গিয়ে কিছু তিক্ত স্ৱীকারোক্তি করেন ‘জগ্গা জাসুস’ অভিনেতা রণবীর কাপুর।

সাফ জানান, তিনি করণের ‘কফি উইথ করণ ‘– শোয়ের বিপক্ষে। রণবীর এও জানান, তিনি এবং আনুশকা শর্মা মিলে করণের এই শো বন্ধ করে দিতে চেয়েছিলেন। সেজন্য আনুশকা গোটা বলিউড ইন্ডাস্ট্রিকেই পাশে পাওয়ার চেষ্টাও করেছিল।

রণবীর বলেন, কফি উইথ করণ নিয়ে সমস্য হলো এখানে ‌যখন আমরা কথা বলি তখন খুব সহজ, সাদা সিধা ভাবেই কথা বলি, কারণ আমরা করণকে সবাই চিনি। তবে তখন আর এটা খেয়াল থাকে না ‌যে এটা কোটি কোটি লোক শুনছেন। ‌যাঁরা আপনার প্রত্যেকটা কথা সিরিয়াসলি নিতে পারেন। তাই করণের এই শো নিয়ে আমি আতঙ্কিত।

রণবীরের দাবি, এবছর করণের ‘কফি উইথ করণ ‘ -শোতে আমাকে প্রায় জবরদস্তি নিয়ে ‌যাওয়া হয়েছিল। আমি ‌যেতে চাই নি। আর এই শো-তে ‌যা হয় তা খুবই অনুচিত। আমাদের মতো বলিউড তারকাদের ব্যবহার করা হয় মাত্র।

প্রসঙ্গত, এবছর  ‘কফি উইথ করণ ‘-এ দীপিকার প্রাক্তন ও বর্তমান বয়ফ্রেন্ডকে একসঙ্গে এনেছিলেন করণ। ‌যা তাঁদের কাছে খুবই অস্ৱস্তিকর ছিল। এর আগেও করণ একইসঙ্গে রণবীরের সঙ্গে দীপিকা ও সোনম তাঁর দুই প্রাক্তন ও বর্তমান গার্লফ্রেন্ডকে একসঙ্গে বসিয়েছিলেন। ‌যা নিয়েও খুব বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং এই কারণে ব্যক্তিগত জীবনে ভীষণই সমস্যায় পড়কে হয় রণবীরকে।

করণের বিরুদ্ধে রণবীরের এই বিস্ফোরক মন্তব্য নিয়ে ‌যে বলিউড সরগরম হবে তা বলাই বাহুল্য।

বয়সে ছোট প্রেমিক পছন্দ ঐশ্বরিয়ার!

বয়সে অনেক ছোট একজনের সঙ্গে প্রেম করবেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন! বয়সে ছোট প্রেমিকই নাকি পছন্দ রাইসুন্দরীর।

তবে এটি বাস্তবে নয়; ‘ফান্নে খাঁ’ ছবিতে এমন ভূমিকায় দেখা যাবে এই তাকে।

সর্বশেষ ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’ ছবিতে ঐশ্বর্যকে দেখা গিয়েছিল রণবীর কাপুরের বিপরীতে। এ রকম এক ব্যতিক্রমী জুটিকে নিয়ে তখন যথেষ্ট শোরগোলও ছিল।

কিন্তু বড়পর্দায় তাদের কেমিস্ট্রি ছিল চোখে পড়ার মতো।

আবারও বলিউড পেতে চলেছে এমন এক ব্যতিক্রমী জুটিকে।

যদিও এখন পর্যন্ত ঠিক হয়নি কে থাকছেন ঐশ্বর্যের বিপরীতে। রাজকুমার রাও না ভিকি কৌশল- এখন এ নিয়েই চলছে জল্পনা।

আগস্ট মাসে শুরু হবে ‘ফান্নে খাঁ’র শ্যূটিং।

চোখের জলে রাতিনকে বিদায় জানালেন শিল্পীরা

চোখের জলে প্রিয় সহকর্মী আবদুর রাতিনকে বিদায় জানালেন শিল্পীরা। এফডিসির জহির রায়হান কালার ল্যাবের সামনে রাখা রাতিনের মরদেহে একে একে ফুল দিয়ে সম্মান জানান চলচ্চিত্রশিল্পী ও কলাকুশলীরা।

বুধবার সকালে রাতিনের মৃত্যু সংবাদ আসার পরপরই তাকে শেষবারে মতো দেখার জন্য এফডিসিতে অপেক্ষা করছিলেন চলচ্চিত্রকর্মীরা। বিকেল সোয়া ৩টায় রাতিনের নিথর মরদেহ যখন এফডিসিতে আনা হয়, তখন চোখের জল সামলাতে পারেননি অনেকেই।

বেলা ৩টা ৩০ মিনিটে কালার ল্যাবের সামনে শিল্পী রাতিনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। নায়ক আলীরাজ, ওমর সানি, জায়েদ খান, সাইমনসহ শিল্পী ও কলাকুশলীরা জানাজায় অংশ নেন।

উল্লেখ্য, জনপ্রিয় খল-অভিনেতা আবদুর রাতিন গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটায় রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। কিছুদিন আগে তিনি চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হন।

কঙ্গনার কাছে ক্ষমা চাইলেন বরুণ ধাওয়ান

স্বজনপোষণ বিতর্কে আইফার মঞ্চে কঙ্গনাকে আক্রমণের জন্য ক্ষমা চাইলেন বরুণ ধাওয়ান। ট্যুইট করে এদিন ট্যুইট করে ক্ষমা চেয়ে নেন বরুণ। বলেন,‘আমি ‌যদি কাউকে আঘাত করে থাকি তাহলে আমি ক্ষমা চাইছি এবং আমার অনুশোচনা হচ্ছে এধরণের কাজের জন্য। ’

প্রসঙ্গত, স্বজনপোষণ বিতর্ক বলিউডে এই মহূর্তে মাথাচাড়া  দিয়ে উঠেছে। প্রথমে করণ জোহরের শো ‘কফি উইথ করণ’এ গিয়ে সরাসরি বলিউডে স্বজনপোষণ (nepotism )-এর অভি‌যোগ তুলেছিলেন কঙ্গনা রানাওয়াত। করণ জোহরকে সরাসরি বলেছিলেন, বলিউড স্বজপোষণের ধারক ও বাহক ও আপনি পালক।

আর এবারের আইফার মঞ্চে কঙ্গনার বিরুদ্ধে সেই ক্ষোভই উগরে দিয়েছেন করণ। ‌যার সঙ্গী হয়েছে সাইফ আলি খান ও উঠতি নায়ক বরুণ ধাওয়ান।

প্রসঙ্গত, শুরুটা করেন সাইফই, আইফার মঞ্চে বরুণ ধাওয়ান ‌যখন তাঁর  ‘ঢিসুম’ ফিল্মের জন্য সেরা কমিক চরিত্রে পুরস্কার পান তখন সাইফ বলেন,  ‘তুমি এখানে এসেছ তোমার চিত্র পরিচালক বাবা ডেভিড ধাওয়ানের জন্য। ‘সঙ্গে সঙ্গেই বরুনই সাইফকে উত্তর দেন,  ‘তুমিও এখানে এসেছ তোমার মা শর্মিলা ঠাকুরের জন্য। ‘এই কথপোকথনের মাঝে ঢুকেন করণ জোহরও। তিনি বলেন  ‘হ্যাঁ আমিও এখানে এসেছি আমার বাবা জশ জোহরের জন্য ‘। এরপরই তিন জন বলে ওঠেন ‘নেপোটিজম রকস’।

আর এরপরই ট্যুইটারে ও অন্যান্য সোশ্যাল সাইটে নেটিজেনদের  সমালোচনার মুখে পড়েন করণ জোহর, সাইফ আলি খান ও বরুণ ধাওয়ান। ‌আর তারপরই বরুণ ক্ষমা চেয়ে নিলেন। ‌যদিও করণ ও সাইফ অবশ্য নেটিজেনদের এই সমালোচনাকে পাত্তাই দেননি।

বাংলাদেশে বারবার আসতে চাই : জিৎ গাঙ্গুলি

ভারতের জনপ্রিয় সংগীত পরিচালক ও শিল্পী জিৎ গাঙ্গুলি প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ঘুরে গেলেন। রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় ‘শর্মিলা ঠাকুর-জিৎ গাঙ্গুলি লাইভ ইন ঢাকা’ শিরোনামের কনসার্ট করেন তিনি। রোববার দুপুরের ফ্লাইটে ঢাকা ছাড়েন জিৎ। এর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন জনপ্রিয় এই সংগীত তারকা।

বাংলাদেশে কনসার্ট করে কেমন অনুভূতি হলো?

জিৎ গাঙ্গুলি : অসাধারণ। যা মনে হলো, এ দেশের শ্রোতারা গান অনেক ভালোবাসেন। তাঁরা বাংলা কিংবা হিন্দি দুই ভাষার গানই অনেক পছন্দ করেন। কনসার্টে আমি সব ধরনের গান গেয়েছি। শ্রোতারা সবাই আমার গান মুগ্ধ হয়ে শুনেছেন। বাংলাদেশে প্রথমবার এসে অনেক ভালো লাগল। এবার শুধু কনসার্ট করে গেলাম। পরবর্তী সময়ে এলে সময় নিয়ে আসব। মন থেকে বলছি, বাংলাদেশে বারবার আসতে চাই।

শুনেছি বাংলাদেশের সংগীতশিল্পী অর্ণবের সঙ্গে আপনার ভালো সম্পর্ক রয়েছে। তাঁর সঙ্গে প্রথম পরিচয় হয়েছিল কীভাবে?

জিৎ গাঙ্গুলি : ভারতের একটি চ্যানেলের রিয়েলিটি শোতে অর্ণবের সঙ্গে আমার প্রথম দেখা হয়। সেখানেই প্রথম কথাবার্তা ও পরিচয়। আমি তো অর্ণবের গান শুনি। অনেক ভালো গান গায় অর্ণব। অর্ণব আমাকে তার আঁকা একটি ছবি উপহার দিয়েছিল। অর্ণবের দেওয়া উপহারটি এখনো আছে।

বাংলাদেশ-ভারত যৌথ প্রযোজনার ছবি ‘বস টু’-তে আপনি সংগীত পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ছবিতে কাজ করার ইচ্ছা আছে?

জিৎ গাঙ্গুলি : অবশ্যই কাজ করতে চাই। এখানকার শিল্পীরাও দুর্দান্ত গান করেন। জেমস ও আইয়ুব বাচ্চু অনেক ভালো গান গান।

তরুণ শিল্পীদের নিয়ে আপনার কি কোনো ভাবনা আছে?

জিৎ গাঙ্গুলি : হ্যাঁ, তরুণ শিল্পীদের নিয়ে আমার কাজ করার আগ্রহ রয়েছে।

বাংলা ও হিন্দি ছবির গান সমানতালে আপনি গাইছেন এবং সংগীত পরিচালনা করছেন। টলিউড ও বলিউডে কাজের সাড়া কি একই রকম হয়?

জিৎ গাঙ্গুলি : আমার কাছে প্রতিটি গানই গুরুত্বপূর্ণ। একটা ভালো গান তৈরি হলে টলিউড ও বলিউডে একই রকম সাড়া পাওয়া যায়।