‘সুলতান সুলেমানের’ ধাক্কায় বিপন্ন বাংলাদেশের টিভি নাটক

বিদেশি টিভি সিরিয়াল বাংলাদেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে দেখানো বন্ধের দাবি তুলেছেন বাংলাদেশের নাট্যশিল্পীরা।

বুধবার ঢাকায় বিদেশি টিভি সিরিয়ালের বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদ সমাবেশে তারা বলেছেন, বিদেশি টিভি সিরিয়ালের আগ্রাসনে বাংলাদেশের টেলিভিশন নাটকের ভবিষ্যৎ বিপন্ন হতে চলেছে।

টিভি নাটককে বিভিন্ন দাবী নিয়ে অভিনয় শিল্পীরা বুধবার ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জড়ো হয়েছিলেন।

শহীদ মিনারের সমাবেশে অভিনেতা তৌকির আহমেদ বলেন, ” আমরা যদি এখনই পদক্ষেপ না নিতে পারি, তাহলে এফডিসি’র যে অবস্থা হয়েছে, আমাদেরও একই অবস্থা হবে।”

টিভি নাটকের সাথে সংশ্লিষ্টরা দাবী করছেন বর্তমানে দেশের কয়েকটি টিভি চ্যানেলে বিদেশী সিরিয়াল বাংলা ডাবিং করে যেভাবে প্রচার করা হচ্ছে সেটি বন্ধ করতে হবে।

শিল্পীদের ভাষায় বাংলায় ডাবিং করা এসব বিদেশী সিরিয়াল বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে প্রতিনিধিত্ব করেনা।  বাংলায় ডাবিং করা সিরিয়ালের মধ্যে দর্শকদের মাঝে সবচেয়ে বেশি সাড়া তৈরি করেছে সুলতান সুলেমান। তুরস্কের অটোম্যান শাসনকালের সময় নিয়ে এ সিরিয়ালটি একটি বেসরকারী টিভি চ্যানেলে প্রচার করা হচ্ছে।

এছাড়া আরো কয়েকটি বেসরকারী টিভি চ্যানেলে এ ধরনের সিরিয়াল প্রচারিত হচ্ছে যেগুলো দর্শকদের মনোযোগ টানছে।

নাটক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা গাজী রাকায়েত বলেন, ” প্রত্যেকটা চ্যানেলে যদি সপ্তাহে চার-পাঁচদিন করে ডাবিং করা বিদেশী সিরিয়াল চলে তাহলে ছয়-সাত কোটি টাকার শিল্পী সম্মানী নষ্ট হচ্ছে। প্রায় ৫০ পার্সেন্ট শুটিং হাউজে কাজ নাই।”

বাংলাদেশের নাটকের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা মোশারফ করিম বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন বিদেশী টিভি সিরিয়ালগুলোর সাথে বাংলাদেশী নাটকের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা বেশ মুশকিল। কারণ সেসব সিরিয়াল নির্মাণের জন্য যে অর্থ খরচ করা হয়, বাংলাদেশের নাটকের বাজেট তার তুলনায় নগণ্য।

তিনি মনে করেন বাংলাদেশের নাটকের মান বাড়লে দর্শক বাড়বে। আর নাটকের মান বাড়াতে হলে পর্যাপ্ত পরিমান টাকা বিনিয়োগ করতে হবে বলে মোশারফ করিম মনে করেন।

মি: করিম বলেন, ” বাংলাদেশের নাটক থেকে আর্ট ডিরেকশন উঠে গেছে। ভালো মেকাপম্যান উঠে গেছে, ড্রেস ডিজাইনার উঠে গেছে। কারণ এগুলোর খরচ লাগে।”

ইদানিংকালে বাংলাদেশের বেশ কিছু কোম্পানী ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে বিজ্ঞাপন দিচ্ছে। কারণ তারা মনে করেন ভারতীয় চ্যানেল যেভাবে বাংলাদেশে জনপ্রিয় হয়েছে সেজন্য সেসব চ্যানেলে বিজ্ঞাপন দিলে তাদের দর্শকদের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

কিন্তু অভিনয় শিল্পী এবং টেলিভিশনের সাথে সংশ্লিষ্টদের অনেকেই বলছেন এতে বাংলাদেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর বিজ্ঞাপন থেকে আয় কমে যাচ্ছে। বাংলাদেশের কোন কোম্পানী যাতে বিদেশী টেলিভিশন চ্যানেলে বিজ্ঞাপন দিতে না পারে সেজন্য তারা সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করছেন।

এছাড়া বাংলাদেশের কেবল অপারেটরা যাতে বিদেশী টিভি চ্যানেল অবাধে ডাউনলিংক করে বাংলাদেশে প্রচার করতে না পারে সে দাবিও তুলছেন অভিনয় শিল্পী এবং টেলিভিশনের সাথে সংশ্লিষ্টরা। এখানে বিদেশী চ্যানেল বলতে তারা মূলত ভারতীয় টিভি চ্যানেলগুলোর দিকেই ইঙ্গিত করছেন।

কারণ বাংলাদেশে হিন্দি চ্যানেলগুলোর দর্শকপ্রিয়তার কারণে বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে টেলিভিশন সংশ্লিষ্ট অনেকেই মনে করেন।

কিন্তু তারা যেসব দাবি করছেন সেগুলো বর্তমানে বিশ্বায়নের যুগে কতটা যৌক্তিক? সরকার এসব দাবীকে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে?

নাটক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা গাজী রাকায়েত বলছিলেন, ” আমরা আসলে কোন কিছু বন্ধ করার পক্ষে না। কিন্তু আমরা যদি না খেয়ে মারা যাই, তাহলে কী করবো?”

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলছেন এসব দাবি খতিয়ে দেখার জন্য সরকার এরই মধ্যে একটি কমিটি গঠন করেছে। এ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে বলে তথ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ” বিশ্বায়নের এ যুগে দাবিগুলো যদি দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক আইনের সাথে সাংঘর্ষিক না হয় তাহলে সেগুলো আমরা কার্যকর করার ব্যবস্থা নেব। মোট কথা আমরা পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।

Advertisements

আবারও চলচ্চিত্রের পর্দায় আসছেন হ্যাপি

আবারও পর্দায় ফিরছেন বিতর্কিত চিত্রনায়িকা নাজনীন আক্তার হ্যাপি। যদিও মিডিয়া ছেড়ে দিয়ে তিনি এখনও ধর্মকর্মে মন দিয়েছেন। কিছুদিন আগে তার বিয়ের খবরও প্রকাশিত হয়েছিল। সেটা অবশ্য তিনি অস্বীকার করেছেন।

এবার খবরের শিরোনাম হচ্ছেন নতুন ছবি নিয়ে। তার অভিনীত সর্বশেষ ছবি ‘আসল মানুষ’ সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে সম্প্রতি। বদরুল আমিন পরিচালিত এ ছবির আগের নাম ছিল ‘রিয়েল ম্যান’। হ্যাপির বিপরীতে নায়ক হিসেবে আছেন নবাগত কঙ্কন।

নির্মাতা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের প্রথমদিকে ‘আসল মানুষ’ মুক্তি পাবে। এ ছবিতে হ্যাপিকে দেখা যাবে বাবা-মা হারানো এক তরুণীর চরিত্রে। মেয়েটি ছোটবেলা থেকে মামার আদর-স্নেহে বড় হয়। এক সময় মামাতো ভাইয়ের সঙ্গে প্রেম হয়। এরপর ঘটে নানা ঘটনা।

হ্যাপি ও কঙ্কন ছাড়া আরও অভিনয় করছেন আলীরাজ, সুচরিতা, রেহানা জলি, অমিত হাসান, সাংকু পাঞ্জা, তনু পান্ডে, সোনিয়া সাবা, ইলিয়াস কুবরা, জয় ও রানু। সিনেমাটিতে গান রয়েছে পাঁচটি। সুদীপ কুমার দীপ ও শামীম মাহমুদের কথায় কণ্ঠ দিয়েছেন কথা, কিশোর, পুলক, ঝিলিক, মুন, সিথি ও আহমেদ হুমায়ূন। সব গানের সঙ্গীতায়োজন করেছেন শামীম মাহমুদ।

ছবিটির শুটিং শুরু হয় ২০১৪ সালে। মাঝে ক্রিকেটার রুবেলের সঙ্গে মামলার জটিলতায় শুটিং থেকে দূরে ছিলেন হ্যাপি। ২০১৫ সালে সিনেমার বাকি অংশ শেষ করেন। এরপর একটি মিউজিক ভিডিও ও ‘ধূমকেতু’র আইটেম গানে নাচার পর মিডিয়াকে বিদায় জানান তিনি।

‘হুমকির ভয়ে দেশে আসছেন না অপু’

ঢালিউড কুইন খ্যাত চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। বেশ কিছু দিন ধরে চলচ্চিত্রাঙ্গন থেকে উধাও তিনি। চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন। এরপর অপুর বিয়ে, বাচ্চাসহ নানা গুঞ্জন উঠেছে চলচ্চিত্র পাড়ায়। তবে এবার নতুন খবর দিলেন নির্মাতা জি সরকার।

সম্প্রতি চলচ্চিত্র নির্মাতা জি সরকারের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, হুমকির ভয়ে দেশে আসছেন না অপু বিশ্বাস।

জি সরকার পরিচালিত ‘লাভ-২০১৬’ সিনেমার কাজ বাকি রেখেই লাপাত্তা এ অভিনেত্রী। তার অংশের কাজ শেষ করলেই প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি মুক্তি দিতে পারবেন বলেও জানান এ নির্মাতা।

এ প্রসঙ্গে জি সরকার বলেন, ‘দুই-তিন দিনের কাজের আশায় বসে আছি। অপু গত মাসে আসবেন বলে আমাকে কথা দিয়েছিলেন। ফোনে তার সঙ্গে কথাও হয়েছে। তারপরও যোগাযোগ করতেছি। সামনা-সামনি তার সঙ্গে কথা বলতে- আগামী মাসে ভারত যাব।’

এত দিন কেন অপু মিডিয়ার অন্তরালে বা দেশের বাইরে রয়েছেন, এ বিষয় আপনাকে কিছু বলেছেন? এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘অপু এ বিষয়ে মুখ খুলছেন না। নিরাপত্তার কারণেই দেশে আসছেন না তিনি।’

জি সরকার আরো বলেন, ‘হয়তো তাকে কেউ হুমকি দিয়েছে। আমার কাছে মনে হয়েছে, হুমকির ভয়ে দেশে আসছেন না অপু।’ জি সরকার পরিচালিত ‘ভালোবাসা ২০১৬’ সিনেমার শুটিং ২০১৪ সালে শুরু হয়। এতে অপুর বিপরীতে অভিনয় করছেন শাকিব খান।

এ ছাড়া মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘মাই ডার্লিং’, মান্নান সরকার পরিচালিত ‘পাঙ্কু জামাই’ ও কালাম কায়সার পরিচালিত ‘মা’ শিরোনামের সিনেমার শুটিং অপুর কারণে আটকে আছে। হঠাৎ অপু মিডিয়া থেকে অন্তরালে চলে যাওয়ায় এসব সিনেমার প্রযোজক ও পরিচালক বিপাকে পড়েছেন। প্রযোজকে পড়তে হয়েছে আর্থিক ক্ষতির মুখে।

তবে এসব সিনেমার মধ্যে কালাম কায়সারের ‘মা’ সিনেমার গল্প পরিবর্তন করে অপুর স্থানে নতুন নায়িকা নিয়ে সিনেমাটির কাজ শেষ করবেন বলে জানা যায়।

অপু বিশ্বাস ২০০৪ সালে আমজাদ হোসেনের ‘কাল সকালে’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে পদার্পণ করেন। এরপর এফআই মানিক পরিচালিত ‘কোটি টাকার কাবিন’ সিনেমায় প্রধান নায়িকার ভূমিকায় অভিনয় করেন শাকিব খানের বিপরীতে। সিনেমাটি ব্যবসায়ীকভাবে সফল হয়। এরপর ‘পিতার আসন’, ‘চাচ্চু’, ‘দাদি মা’, ‘মিয়া বাড়ির চাকর’, ‘জন্ম তোমার জন্য’, ‘মায়ের হাতে বেহেশতের চাবি’ প্রভৃতি সুপারহিট সিনেমায় অভিনয় করেন এই নায়িকা।

‘বিবাহ বিচ্ছেদের নেপথ্যে সালমার উচ্ছৃংখল জীবনযাপন’

সালমার সঙ্গে বিয়ে বিচ্ছেদ নিয়ে গণমাধ্যমে নিজের বক্তব্য জানিয়েছেন দিনাজপুর-৬ আসনের সরকারদলীয় এমপি শিবলী সাদিক। সালমার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, সালমার উচ্ছৃংখল জীবনযাপনই বিবাহ বিচ্ছেদের মূল কারণ। সে রাত-বিরাতে বিভিন্ন জায়গায় যায়। বিষয়টি আমাদের পরিবারের জন্য বেশ বিব্রতকর। বিশেষ করে গত রমজানে সেহরি পার্টি থেকে শুরু করে চার মাস রাগ করে বাসা থেকে বেরিয়ে গিয়ে বাইরে ছিল। চলতি মাসের ২০ তারিখ বাসায় ফিরে টাকা-পয়সা দাবি করে, মোহরানা দাবি করে। পরে আমি আলোচনার মাধ্যমে সব সমাধান করে দিয়েছি।

সালমাকে গান করতে না দেয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে শিবলী বলেন, আমি চাই সে ঢাকার বড় বড় অনুষ্ঠানে অংশ নিক। কিন্তু সে এটা মেনে নিতে রাজি নয়। তার দাবি, সে দেশের বাইরে গিয়ে শো করবে। অভিনয় করবে। রাত-বিরাত স্টুডিওতে গিয়ে কাজ করবে। পারিবারিকভাবে এগুলোর ব্যাপারে আমাদের আপত্তি ছিল। এটাই মূল বিষয়।

সালমার বাবা-মাকে অপমানের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এগুলো মোটেও সত্যি নয়। ওর বাবা-মা মাসের ২৫ দিনই আমার কাছে থাকত। আমি যদি খারাপ ব্যবহার করতাম তাহলে আমার বাসায় কীভাবে থাকে? আমার সঙ্গে বিয়ে হওয়ার পর সালমার নামে এখন ঢাকায় দুটি ফ্ল্যাট হয়েছে। তাদের গ্রামে বাড়ি করে দিয়েছি।

বায়োপিকে অখুশি সঞ্জয় দত্ত, বাড়িতে ডেকে অপমান রণবীরকে

সঞ্জয় দত্তের বায়োপিক তৈরি করছেন রাজকুমার হিরানি। আর ছবিতে সঞ্জয় দত্তের ভূমিকায় অভিনয় করছেন রণবীর কাপুর। বিতর্কিত ঘটনায় ভরপুর সঞ্জয়ের বায়োপিক নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। এবার বিতর্ক উস্কে দিলেন খোদ সঞ্জয়ই।

নিজের চরিত্রে রণবীর কাপুর তাঁর পছন্দ নয়। আর একথা এবার সোজা রণবীরকেই বলে বসলেন বলিউডের ‘খলনায়ক’। এমনই প্রকাশিত ডিএনএ মিডিয়ায়।

জানা গেছে, সম্প্রতি সঞ্জয় দত্তের বাড়িতে একটি পার্টিতে হাজির ছিলেন রণবীর কাপুর। সঙ্গে ছিলেন রাজকুমার হিরানি ও ডেভিড ধাওয়ান। অতিরিক্ত মদ্যপান করেছিলেন সঞ্জয় দত্ত। পার্টিতে একমাত্র রণবীর সিগারেট ও মদ ছোঁননি। সম্ভবত সেটাই পছন্দ হয়নি সঞ্জয়ের।

রণবীরের কাছে এসে সঞ্জয় বলেন, ‘আমি তোমায় নিয়ে ছবি করতে চাই।’ উত্তরে খুশি রণবীর বলেন, ‘নিশ্চয়ই’। কিন্তু, ‘ফুল মুডে’ থাকা সঞ্জয় সবে শুরু করেছেন তখন। বলি পাড়ার ‘মুন্নাভাই’ বলেন, ‘ছবির নাম হবে লাড্ডু।’ কিছুটা অবাক হয়ে কারণ রণবীর কারণ জিজ্ঞাসা করলে দত্ত জুনিয়রের উত্তর, ‘এরপর আসবে জিলিপি, ইমারতি ও তারপর পেড়া।’ দু’জনের কথাবার্তায় ততক্ষণে সবাই চুপ। রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়ে যান রণবীরও।

কিন্তু, সঞ্জয় ওখানেই থামেননি। এবার সোজা নিজের অপছন্দের কথা জানিয়ে দেন তিনি, ‘আমি সম্প্রতি টিভিতে ‘বরফি’ দেখলাম। ওরকম একটা ছবি তুমি কেন করতে গেলে, আমি জানি না। তুমি আবার আমার চরিত্রে অভিনয় করবে? আমি সত্যি বুঝিনি, ওরা কেন তোমায় এই ছবিতে নিল!’

পার্টিতে উপস্থিত অন্যরা তখন সঞ্জয়কে থামানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু, তিনি না থেমে আরও বলতে থাকেন, ‘তোমার উচিত মাচো চরিত্রে অভিনয় করা। হাতে বন্দুক নিয়ে ফাইটিং রোল করা। এই ধরনের অ্যাকশন না করলে আমি, সলমান, অজয় আজ ইন্ডাস্ট্রিতে এতবছর টিকে থাকতাম না।’ শুধু তাই নয়, সাধারণের সঙ্গে রণবীরের কোনো ‘কানেকশন’ নেই বলে মন্তব্য করেন সঞ্জয়।

সঞ্জয় দত্তের স্ত্রী মান্যতা এসে বিষয়টি সামলান। কিন্তু, গোটা ঘটনায় অপমানিত বোধ করছিলেন রণবীর কাপুর। যিনি কিনা সঞ্জয় দত্তের চরিত্রেই অভিনয় করছেন।

স্বামীজিকে নগ্ন করে হাঁটানোর হুমকি দিলেন রাখি

বিগ বস সিজন ১০-এর অন্যতম বিতর্কিত প্রতিযোগী ওম স্বামী। ভক্তরা ডাকেন স্বামী ওম জি। এই সিজনে নন-সেলিব্রিটি প্রতিযোগীদের অন্যতম এই স্বামীজি বিগ বসের বাড়িতে ঢুকেই শুরু করে দেন তুলকালাম।

প্রথমটায় তার চ্যাটাং চ্যাটাং কথা বেশ মিষ্টি লাগত বলিউড অভিনেতা ও এই অনুষ্ঠানের সঞ্চালক সালমান খানের। কিন্তু পরের দিকে তিনিও বিরক্ত হয়েছেন। এমনকী দু’দিন আগে স্বামীর কারণেই বিগ বস হাউস থেকে আচমকা বেরিয়ে গিয়েছেন সালমান। সেলিব্রিটি প্রতিযোগী করণ মেহরা ও তার পরিবার নিয়ে অত্যন্ত আপত্তিজনক কিছু কথা বলেছিলেন স্বামীজি।

স্বামীজির অভব্য আচরণ এবং বিশেষ করে নারীদের প্রতি অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের বিরুদ্ধে এবার সরব হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী রাখি সাওয়ান্ত।

সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন স্বামীজির বিরুদ্ধে। রাখি বলেন, আমি ওই বাড়িতে ঢুকে স্বামীজির ক্লাস নিতে চাই। এই বৃদ্ধ লোকটি মেয়েদের চরিত্র নিয়ে কেন কথা বলে? কে ও? ও কি বিচারপতি নাকি? আমার তো ইচ্ছে করে ওর জামাকাপড় লুকিয়ে রেখে ওকে নগ্ন করে বাড়ির মধ্যে হাঁটাই। সব জামাকাপড় দেওয়ালের বাইরে ছুড়ে ফেলে দেব। বেরোক ও বাইরে জামাকাপড় খুঁজতে ওই অবস্থায়। আমার আরও ইচ্ছে করে যে ঘুমানোর সময় ওর চুল কেটে দেই। কে জানে কোন গুহা থেকে এই বাবাকে তুলে আনা হয়েছে!

এই শীতে মিলিটারি হিজাব ট্রেন্ড

যারা নিত্যনতুন হিজাব স্টাইল পছন্দ করেন তাদের জন্য সুখবর।এ সিজনে মিলিটারি হিজাব স্টাইল বেশ জনপ্রিয় ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে।খাকি এবং জলপাই কালারের জ্যাকেটে যেমন স্টাইল করা যায়, ঠিক তেমনি যেন এর মাধ্যমে এই সিজনকেও উপস্থাপন করা যায়। তবে শুধু জ্যাকেট নয় মিলিটারি খাকি হিজাব আরও অনেক উপায়েও করা যায়।

এই স্টাইলের জন্য বেছে নিতে পারেন খাকি মিলিটারি জ্যাকেট যা সবচেয়ে জনপ্রিয়। এছাড়া আরও রয়েছে বেইজ কিংবা খাকি ট্রেঞ্চ কোট এবং জলপাই জ্যাকেট। তবে শুধু জ্যাকেট আর কোট না, আরও আছে জলপাই কালারের টুনিকস, লং কারডিগান এবং অলিভ ম্যাক্সি ড্রেস।

মিলিটারি স্টাইলের জন্য ভারি কমব্যাট বুটস পরতে পারেন। তবে স্টাইলের জন্য মানানসই ওয়েজ হিলসও পরা যেতে পারে। হ্যান্ডব্যাগ হিসেবে বেছে নিতে পারেন কনিয়াক, বেইজ কিংবা কমলা রঙের হ্যান্ডব্যাগ। তবে পছন্দ মতো যে কোন রঙের মানানসই হ্যান্ডব্যাগ নেওয়া যেতে পারে।

বিশ্বজুড়ে ফ্যাশন ডিজাইনাররা মিলিটারি স্টাইলকে অনুপ্রাণিত করে থাকেন এবং প্রায় সবাই একে পছন্দ করেন। ভাল লাগলে আপনিও ফ্যাশন আইডিয়া তৈরি করুন এবং শীতের প্রস্তুতি নিন।

জীবনে বড় পরিবর্তন আসে পরিকল্পনায়, জাদুতে নয়

জীবনে বড় ধরনের পরিবর্তন সহজে আসে না। আসলে যদি এটা সহজ কাজ হতো, তবে আপনার তালিকায় থাকা পরিবর্তনগুলো সহজেই ঘটে যেতো। কিন্তু তখন আপনি এগুলো হয়তো করতে চাইতেন না। তাই বলে করার পথে এগোতে সমস্যা কোথায়?

পরিবর্তন যেকোনো বিষয়ে আসতে পারে। অর্থ, পরিবার, ভীতি থেকে বেরিয়ে আসা বা আটকে যাওয়া থেকে বের হওয়া ইত্যাদি। বড় পরিবর্তনের জন্য এগিয়ে যাওয়া মানুষ খেয়াল করলে অনেক চোখে পড়বে। এসব পরিবর্তনকে জাদুকরী বলে মনে করার কোনো কারণ নেই। আসলে এটা কঠিন সিদ্ধান্তের বিষয় যা করে নিতে হবে।

গুটিকয়েক মানুষের জন্য বড় পরিবর্তন জাদুর মতো ঘটে যেতে পারে। কিন্তু অধিকাংশ সময় এটা বাস্তবতা। এতে কোনো জাদু নেই। বাস্তবে বছরের পর বছরের পরিকল্পনা ও চেষ্টায় আসে বড় পরিবর্তন। তারপরও সব পরিকল্পনামাফিক ঘটে না। তাই সব ধরনের পরিস্থিতি মেনে নিয়েই কাজ করতে হয়।

প্রথমেই জীবনে অনিশ্চয়তাগুলো মেনে নিতে হবে। আমরা জানি না, পরিস্থিতি আমাদের কোথায় নিয়ে চলেছে। যদি সন্দেহ থাকে মনে, তবে ১০ বছর আগে ফিরে যান। দেখবেন, আজ যে এ অবস্থানে আছেন তা এত আগে কখনো ভাবেননি হয়তো।

দ্বিতীয়ত, সম্ভাবনাগুলো চিহ্নিত করতে হবে। অনেক সময় আসে, আমরা কিছু না কিছু করার পরিকল্পনা করে থাকি। বহু মস্তিষ্কে ঝড়ের মাধ্যমে কিছু করার পথ খুঁজি। এর মাধ্যমে নতুন নতুন আইডিয়া বের করতে হবে। একপর্যায়ে এসে বাধাগুলো নিজের অস্তিত্বের জানান দিতে থাকে। অনেক গুরুত্বপূর্ণ জিনিসকে অর্থহীন মনে হবে। যেমন পয়সাকে অনেক সময়ই অপ্রয়োজনীয় বলেই মনে হবে।

তাই পরবর্তিতে আমরা উপায় খুঁজতে থাকি। বিভিন্ন ধরনের উপায়ের মধ্যে তুলনা করতে থাকি। অভিজ্ঞদের জিজ্ঞাসা করি, তারা কোন ধরনের পরিস্থিতি কিভাবে সামাল দেন? মনে হতে পারে, যা চাইছেন তা করার সময় এখনো আসেনি বা পরিকল্পনা বদলাতে হবে। আপনি বিভিন্ন বাধার সম্মুখীন হবেন। এদের সামাল দিতে চিন্তা ও পদ্ধতি বদলাতে হবে।

অবশেষে পথের দিশা মেলে। তখন নতুনভাবে শুরু করতে হয়। অবশ্য ভুলভাবে শুরু করছেন কিনা সে বিষয়ে সাবধান থাকতে হবে। জীবনের অতীতের নানা পরিবর্তন ও বিষয় নিয়ে চিন্তা করতে হবে। সবার গল্প শুনতে হবে। পরিশ্রমের প্রস্তুতি রাখতে হবে।

তবে বড় পরিবর্তনের আগে চিন্তা করে নেবেন যে, আদৌ তার প্রয়োজন রয়েছে কিনা। কারণ বড় পরিবর্তনের পেছনে প্রয়োজন দরকার। তাহলে বড় পরিবর্তন আসলে তা উপভোগ্য হবে। আসবে সত্যিকার সুখ। মনে রাখবেন, জীবনে কোনো পরিবর্তন না আসার চিন্তাও কিন্তু খারাপ নয়। আবার পরিবর্তন আনাটাও খারাপ কিছু নয়।

বাংলায় বক্তব্য রাখলেন শাহরুখ খান

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনে এসেছিলেন শাহরুখ খান। অন্যদের মতো তাঁকেও মঞ্চে কিছু বলার আবেদন করেছিলেন অ্যাঙ্কর যিশু সেনগুপ্ত। আর নিজের বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাংলা ভাষার সাহায্য নেন বাদশা। হিন্দি নয়, ইংরেজি নয়, একেবারে বাংলা। বক্তব্যের শুরুতে যখন তিনি সে কথা বলেন সমস্ত অডিটোরিয়াম হাততালি আর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে। খুশি হন মঞ্চে উপস্থিত জয়া বচ্চনও। পরিণীতি চোপড়াও তাঁকে উৎসাহ দেন।

বক্তৃতা দিতে গিয়ে শাহরুখ এও বলেন, “জয়া আন্টি, আমি আপনাকে প্রমিস করেছিলাম আমি আজ রাতে বাংলাতে কথা বলব।” তারপরই বাংলায় বক্তব্য রাখতে শুরু করেন শাহরুখ। যদি কিছু ভুল-ত্রুটি হয়ে যায়, তাহলে সবাই যেন তাঁকে ক্ষমা করে দেয়, এই আবেদন করেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য শুরু করেন। “মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতি মমতা ব্যানার্জি উপস্থিত সকল সম্মানিত অতিথি এবং জুরি মেম্বারস বন্ধুগণ আপনাদের সবাইকে আমার নমস্কার।”

বক্তব্যের শুরুটা বাংলায় করলেও মাঝে তিনি ইংরেজিতেই কিছুক্ষণ কথা বলেন। তবে শেষ করেন তিনি বাংলাতেই বলেন, “আমি আগেও বলেছি, কলকাতা আমার প্রিয় শহর। কলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল আমার প্রিয় উৎসব।” হাসি আর হাততালি তো বটেই। সেই সঙ্গে শাহরুখ দর্শকের থেকে প্রচুর উৎসাহও পান।

পূর্ণিমার ফিটনেস চ্যালেঞ্জ

চিত্রনায়িকা হয়েও বর্তমানে সিনেমায় নেই পূর্ণিমা। আছেন নাটকে। বিশেষ দিনগুলোর জন্য নির্মিত নাটকের প্রিয়মুখ এখন তিনি।

উৎসব মানেই যেন টিভি পর্দায় পূর্ণিমা অভিনীত নাটক। কিন্তু মনেপ্রাণে যে সিনেমার লোক, টিভি পর্দায় সে কতটা পূর্ণতা পাবে? তাই প্রায় তিন বছর পর নিয়মিত সিনেমায় শুটিংয়ে ফেরার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এ নায়িকা। ভালো গল্প আর চরিত্র পেলে অবশ্যই সিনেমার শুটিং করতে চান তিনি। এ জন্য যাবতীয় প্রস্তুতিও নিতে রাজি বলে জানিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে পূর্ণিমা বলেন, ‘আমার শুরুটা চলচ্চিত্র দিয়ে। মনেপ্রাণে আমি চলচ্চিত্রেরই মানুষ। তাই এ পরিবারের সঙ্গেই থাকতে চাই। মানসিকভাবে চলচ্চিত্রের শুটিং করতে পুরো প্রস্তুত আছি আমি।’ মানসিক প্রস্তুতির বাইরে শারীরিকভাবে ফিট থাকাও আবশ্য। এদিক থেকে ফিট আছেন তো? প্রশ্নের উত্তরে পূর্ণিমা বলেন, ‘এখন সিনেমার জন্যই প্রস্তুত হচ্ছি। উৎসাহ পেলে মাত্র দুই মাসের মধ্যেই সিনেমার চরিত্র অনুযায়ী নিজেকে ফিট করে তুলতে পারব। আগে দরকার মনের মাঝে তুমির মতো ভালো গল্প ও চরিত্রের ছবি।’

মোট কথা সিনেমায় নামতে প্রস্তুত হচ্ছেন পূর্ণিমা। ভক্তরাও চাচ্ছেন তাদের এ স্বপ্নের নায়িকা আবারও ফিরুক প্রেক্ষাগৃহে।

সোহানুর রহমান সোহানের ‘লোভে পাপ পাপে মৃত্যু’ নামের ছবিতে সর্বশেষ কাজ করেছেন পূর্ণিমা। ছবিটি ২০১৪ সালে মুক্তি পায়। এরপর মিষ্টি মেয়েখ্যাত এ নায়িকাকে সিনেপর্দায় আর দেখা যায়নি।

সম্পর্ক থেকে যা চায় পুরুষরা

নারীরা মনে করেন, পুরুষরা প্রতিশ্রুতি দেওয়ার বিষয়ে ভীত থাকেন। অনেক পুরুষ অবশ্য প্রেমে জড়িয়ে সফল পরিণতি টানার ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতি দিতে চান না। তবে অসংখ্য পুরুষ আছেন যাদের ক্ষেত্রে এমন কথা বলাই যায় না। সম্পর্কে জড়িয়ে পুরুষরা বেশ কয়েকটি কাজ করতে ইচ্ছুক থাকেন। এ সম্পর্কে ধারণা নিন।

১. স্পর্শ ভালোবাসেন : দৈহিক অন্তরঙ্গতা পছন্দ করেন পুরুষরা। এর মানে কেবল যৌনতা নয়। এমনকি যৌন অনুভূতিহীন স্পর্শও তাদের দারুণ পছন্দের। প্রেমিকা বা স্ত্রীকে স্পর্শ করা, পেছন থেকে জড়িয়ে ধরা, চুল ও ঘাড় স্পর্শ করা ইত্যাদি কাজে ব্যাপক আগ্রহ থাকে পুরুষের। এমন স্পর্শের মাধ্যমে আসলে তারা ভালোবাসা প্রকাশ করেন।

২. যৌনতা : এ বিষয়টি উভয়ই উপভোগ করেন। তাই এ বিষয়ে আর বেশি কিছু বলার প্রয়োজন পড়ে না।

৩. আবেগের পূর্ণতা : মনে করা হয়, কেবল নারীদের আবেগই বেশি। সম্পর্কের ক্ষেত্রে পুরুষরাও আবেগগতভাবে যুক্ত হয়। একবার সব বাধা সরে গেলে দেখবেন, প্রত্যেক পুরুষ শিশুর মতো হয়ে উঠেছে। আসলে পুরুষরা তাদের আবেগ দেখাতে চান না। একবার প্রতিশ্রুতিশীল হয়ে উঠলে তাদের চেয়ে আস্থাভাজন আর কেউ হতে পারেন না।

৪. চিরস্থায়ী সম্পর্ক : একবার দুজনের মাঝে সত্যিকার প্রেমের উদয় ঘটলে মনে হবে এ সম্পর্কে চিরস্থায়ী। পুরুষরা ২৪ ঘণ্টাই তার প্রেমিকা বা স্ত্রীর সঙ্গে সময় কাটাতে চান। তারা এর পর থেকে আর একাকী বোধ করেন না।

৫. গোছালো হয়ে ওঠেন : ব্যাচেলর কোনো পুরুষের কক্ষে ঢুকলে কি দৃশ্য দেখা যায়? সম্পর্কে জড়ানোর পর আমূল পরিবর্তন আসে তাদের মাঝে। তারা গোছালো হয়ে ওঠেন। এলোমেলো থাকা আর তাদের পক্ষে সম্ভব হয় না। তারা নিজের সম্পর্কে অনেক সচেতন হয়ে ওঠেন।

৬. কারো খেয়ালে থাকতে চান : বয়স যতই হোক না কেন, প্রত্যেক পুরুষ চান কেউ তার খেয়াল রাখছেন। জীবনের যেকোনো মুহূর্তে তারা এমন কাউকে পাশে দেখতে চান যে কিনা তার খবর নেবে। এমন সঙ্গিনী পেলে কোনো সমস্যাই তাদের কাছে সমস্যা নয়।

৭. সৎ মতামত দেওয়ার কাউকে দেখতে চান : সৎ মানুষকে কে না পছন্দ করেন? সবাই করেন। পুরুষরা এমন সঙ্গিনী চান যে তার সঙ্গে সততার সঙ্গে কোনো আলোচনায় বসবেন। ভালো পরামর্শ দেবেন। পোশাক থেকে শুরু করে জীবনের সব বিষয়ে তারা সঙ্গিনীর কাছ থেকে ভালো পরামর্শ আশা করেন।

ফের নিজেকে বদলে ফেললেন শাকিব খান

শাকিব চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসেন। জাজ ও এসকে মুভিজের একটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হন এই ঢাকাই ছবির তারকা। দ্রুত চেঞ্জ করে ফেলেন নিজের লুক।  পরিশ্রম কি না পারে? শাকিব টানা পরিশ্রম করে নিজের ফিগার আকর্ষণীয় করতে সক্ষম হন। ‘শিকারী’ ছবির মাধ্যমে শাকিব নিজেকে নতুনভাবে উপস্থাপন করেন। ভক্তরাও মুগ্ধ হন শাকিবের নতুন চেহারায়। শিকারী ছবিটিও গত রোজার ঈদে এ দেশের শীর্ষ ব্যবসাসফল ছবির তালিকায় স্থান করে নেয়।

এর পরই শুভশ্রীর সাথে নতুন একটি যৌথ প্রযোজনার ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হন। নবাব নামের এই ছবিটির শুটিং শুরু হবে চলতি মাসের ১৬ তারিখ থেকে। কক্সবাজারে প্রথম ধাপের শুটিং এর জন্য ইতিমধ্যে সকল প্রস্তুতিও সম্পন্ন হয়েছে। সব খবরই পুরাতন তবে নতুন খবর হলো নবাবেও পালটে যাচ্ছেন শাকিব। শাকিব যে আসলেই কিং তা তিনি ভেঙেচুরে দেখাতে চান। আর ছবির গল্পও হয়ত তাই চায়। তাই নিজেকে বদলে ফেলা। যৌথ প্রযোজনার ছবি ‘নবাব’ এর জন্য নতুন লুক তৈরি করছিলেন তিনি। ওজনও কমিয়েছেন ১০ কেজি। ১৫ নভেম্বর কক্সবাজারে শুরু হবে বাবা যাদব ও আব্দুল আজিজের এই ছবির শুটিং।